ডিজিটাল বাংলাদেশ : অর্জন, সমস্যা ও সম্ভাবনাতথ্যপ্রযুক্তিনির্ভর পরিবর্তনের বৈশ্বিক হাওয়ার সঙ্গে তাল মিলিয়ে, সরকার 'ডিজিটাল বাংলাদেশ' স্স্নোগান নিয়ে সামনে এগোনোর পরিকল্পনা করেছে। ইতোমধ্যে, সারা বিশ্বে প্রযুক্তিগত এই পরিবর্তনকে 'চতুর্থ শিল্পবিপস্নব' হিসেবে আখ্যা দেয়া হয়েছে। বাষ্পীয় ইঞ্জিনের আগমনকে কেন্দ্র করে, কৃষিনির্ভর সমাজব্যবস্থা থেকে কলকারখানানির্ভর ব্যবস্থায় রূপান্ত্মরের মধ্যদিয়ে, ইউরোপ-আমেরিকায় ঘটে যায় প্রথম শিল্পবিপস্নব। আরও খানিকটা অগ্রসর হয়ে, তেল, বিদু্যৎ, ইস্পাতের বদৌলতে বিশ্ববাসী প্রবেশ করেছিল দ্বিতীয় শিল্পবিপস্নবের যুগে।ড. বি এম মইনুল হোসেন তথ্যপ্রযুক্তিনির্ভর পরিবর্তনের বৈশ্বিক হাওয়ার সঙ্গে তাল মিলিয়ে, সরকার 'ডিজিটাল বাংলাদেশ' স্স্নোগান নিয়ে সামনে এগোনোর পরিকল্পনা করেছে। ইতোমধ্যে, সারা বিশ্বে প্রযুক্তিগত এই পরিবর্তনকে 'চতুর্থ শিল্পবিপস্নব' হিসেবে আখ্যা দেয়া হয়েছে। বাষ্পীয় ইঞ্জিনের আগমনকে কেন্দ্র করে, কৃষিনির্ভর সমাজব্যবস্থা থেকে কলকারখানানির্ভর ব্যবস্থায় রূপান্ত্মরের মধ্যদিয়ে, ইউরোপ-আমেরিকায় ঘটে যায় প্রথম শিল্পবিপস্নব। আরও খানিকটা অগ্রসর হয়ে, তেল, বিদু্যৎ, ইস্পাতের বদৌলতে বিশ্ববাসী প্রবেশ করেছিল দ্বিতীয় শিল্পবিপস্নবের যুগে।
এরপর অ্যানালগ প্রযুক্তির ডিজিটাল হওয়ার মধ্যদিয়ে এলো তৃতীয় শিল্পবিল্পব, যেটি পরিচিত 'ডিজিটাল বিপস্নব' নামেও। বর্তমানে, এই ডিজিটাল প্রযুক্তির ওপর ভিত্তি করে এগিয়ে চলা রোবোটিক্স, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, ইন্টারনেট অফ থিংস, বায়োইনফরমেটিক্স, ন্যানো টেকনোলজির মতো বিষয়কে কেন্দ্র করে বিশ্ব প্রবেশ করেছে চতুর্থ শিল্প বিপস্নবের যুগে। অতএব, বৈশ্বিক প্রেক্ষাপট বিবেচনায় ডিজিটাল বাংলাদেশ স্স্নোগান অসময়োচিত কিংবা উচ্চাভিলাষী কোনো পরিকল্পনা নয়, বরং বলা চলে অপরিহার্য বাস্ত্মবতা।
ইতোমধ্যে সরকার তথ্যপ্রযুক্তি এবং তদ্‌সংশিস্নষ্ট সেবার খাত থেকে ২০১৮ সালে ১ বিলিয়ন ডলার এবং ২০২১ সালের মধ্যে ৫ বিলিয়ন ডলার রপ্তানি করার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে। সাম্প্রতিক দাবি অনুযায়ী, ২০১৭ সালে এই খাত থেকে ৮০০ মিলিয়ন ডলার রপ্তানি করা হয়েছে। যদিও, বিভিন্ন সংস্থার হিসাব অনুযায়ী এই সংখ্যাটা আরও অনেক কম। প্রকৃত রপ্তানির অঙ্ক, সেটা নির্ণয় করার জন্য নির্ভরযোগ্য কোনো মাপকাঠি নেই। কেউ যদি বলে রপ্তানি হয়েছে ৮০০ মিলিয়ন, আবার কেউ যদি বলে ২০০ মিলিয়ন, দেখা যাবে সবাই নিজ নিজ পক্ষে যুক্তি নিয়ে হাজির হয়ে গেছে। অতএব, রপ্তানি এক বিলিয়ন ডলার হলো কি হলো না, আপাতত সেই বিতর্কে না গিয়ে, দেখা যাক কোন কোন ব্যাপারগুলো এই লক্ষ্য অর্জনে বাধা হয়ে দাঁড়াতে পারে এবং এই লক্ষ্য অর্জনের নিমিত্তে কোন কোন দিকে বিশেষভাবে নজর দেয়ার প্রয়োজন রয়েছে।
ইন্টারনেট : তথ্যপ্রযুক্তিনির্ভর ডিজিটাল বাংলাদেশ তৈরি করার জন্য কেবল যদি একটি মাত্র জিনিসের কথা উলেস্নখ করতে হয়, তাহলে সেটি হবে উচ্চগতির ইন্টারনেট। বাইরের কিছু দেশে উচ্চগতির ইন্টারনেট মানুষের মৌলিক অধিকার হিসেবে বিবেচনা করা হয়ে থাকে। বিটিআরসির হিসেব অনুযায়ী, দেশে বর্তমানে ইন্টারনেট ব্যবহারকারীর সংখ্যা আট কোটি একত্রিশ লাখ। কিন্তু, এই বিরাট অঙ্কের ব্যবহারকারীর তিরানব্বই শতাংশই মোবাইল ইন্টারনেট ব্যবহারকারী। কল্পনা করে নিতে সমস্যা হয় না যে, এর সিংহভাগ ব্যবহারকারীরই সোশ্যাল মিডিয়া কিংবা মাল্টিমিডিয়া কন্টেন্টের জন্যই মোবাইল ইন্টারনেট ব্যবহার করে থাকেন। কিন্তু, পেশাদারী পর্যায়ের কাজের জন্য স্বল্পমূল্যে প্রয়োজন উচ্চগতির ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট। সরকার যদি এই খাতে ভর্তুকি দিয়েও স্বল্পমূল্যে ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট জনগণ বিশেষ করে তরম্নণ প্রজন্মের কাছে পৌঁছে দিতে পারে, তরম্নণ প্রজন্ম নিজেরাই ডিজিটাল বাংলাদেশের অনেকাংশ বাস্ত্মবায়ন করে ফেলতে সক্ষম।

দেশীয় সফট্‌?ওয়্যার শিল্প
সরকার যখন আইটি ও আইটিসংশিস্নষ্ট খাত থেকে রপ্তানির কথা বলছে, তখন অত্যন্ত্ম স্ববিরোধীভাবে সরকারি সংস্থাগুলো বিদেশি কোম্পানিগুলোর কাছ থেকে সফট্‌?ওয়্যার আমদানি করছে। শুধু সরকারি নয়, ব্যাংক-বীমা প্রতিষ্ঠানগুলো থেকে শুরম্ন করে বিভিন্ন নামকরা বেসরকারি প্রতিষ্ঠানগুলো তাদের সফট্‌?ওয়্যারের চাহিদা পূরণ করতে বিদেশনির্ভর হয়ে পড়েছে। একদিকে, দেশের বাইরে থেকে আনা এসব সফট্‌?ওয়্যারের মূল্য যেমন বেশি, অন্যদিকে সেগুলো রক্ষণাবেক্ষণ কিংবা সামান্য পরিবর্তনের জন্য অনেক টাকা ব্যয় করে নিয়ে আসতে হয় বিদেশি বিশেষজ্ঞ দল। অথচ, কোটি কোটি টাকার এ সব কাজ দেশীয় সফট্‌?ওয়্যার ফার্মগুলোকে বণ্টন করে দিলে, একদিকে দেশের টাকা দেশেই থাকত, অন্যদিকে, দেশীয় সফট্‌?ওয়্যার শিল্প মাথা তুলে দাঁড়াতো। এমন তো না যে, আমাদের দেশের কোম্পানিগুলোর সক্ষমতা তৈরি হয়নি; বরং তারা সাফল্যের সঙ্গে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের নামি-দামি প্রতিষ্ঠানের জন্য সফটওয়্যার তৈরি করে দিচ্ছে ও সফটওয়্যার সংশিস্নষ্ট সেবা দিয়ে আসছে। এ কথা অস্বীকারের উপায় নেই যে, গুণগত মান নিশ্চিতে কিছু কিছু ক্ষেত্রে দেশীয় সফট্‌?ওয়্যার চ্যালেঞ্জের সম্মুখীন হবে; কিন্তু, আমরা যদি শুরম্নই করতে না দিই, নিজেদেরই নিজেরা বিশ্বাস করতে না পারি, তাহলে সারা জীবন তো সেই শেষের কাতারেই পড়ে থাকতে হবে।
যৌথ গবেষণা ও গবেষণা কেন্দ্র : পৃথিবীর বিভিন্ন দেশের জ্ঞানভিত্তিক শিল্প ও সমাজব্যবস্থার দিকে খেয়াল করলে সহজেই পরিলক্ষিত হয়, বিশ্ববিদ্যালয়ের ল্যাবরেটরিতে থাকা গবেষণাকে সাধারণ মানুষের কাছে পৌঁছে দেয়ার মাধ্যমেই তারা পরিবর্তন নিয়ে এসেছে। যুক্তরাষ্ট্রের স্ট্যানফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়কে কেন্দ্র করে গড়ে ওঠা 'সিলিকন ভ্যালি' সেটির সবচেয়ে বড় উদাহরণ। আমাদের দেশে এই সংস্কৃতিটা গড়ে ওঠেনি। বিশ্ববিদ্যালয়গুলো তাদের নিজেদের মতো করে কাজ করে, আর ইন্ডাস্ট্রিগুলো প্রতিনিয়ত নিজেরা নিজেরা টিকে থাকার সংগ্রাম করে। অথচ, ইন্ডাস্ট্রির চাহিদা এবং মতামতের ওপর ভিত্তি করে বিশ্ববিদ্যালগুলো যুগোপযোগী গ্র্যাজুয়েট তৈরি করতে পারে, পরিবর্তন আনতে পারে কারিকুলামে। বিশ্ববিদ্যালয়গুলো নতুন গবেষণালব্ধ ফলাফল ইন্ডাস্ট্রির সঙ্গে শেয়ার করে নিতে পারে সমন্বিত উদ্যোগ। বিশ্ববিদ্যালয়গুলো ছাড়াও সরকারের বা সরকারি পৃষ্ঠপোষকতায় থাকা উচিত বিভিন্ন গবেষণা কেন্দ্র। একটি সফট্‌?ওয়্যার ফার্মের পক্ষে বাজার বিশেস্নষণ করে কোন পণ্যের চাহিদা আছে, বা ভবিষ্যিতে কোন পণ্যের চাহিদা থাকবে, সেটা বের করে আনা কঠিন বা ব্যয়সাপেক্ষ ব্যাপার। নতুন কী কী প্রযুক্তি আসছে বা কোন প্রযুক্তির সঙ্গে যুক্ত হওয়া জরম্নরি, সেটিও অনবরত বিশেস্নষণ করে যাওয়ার সুযোগ সফট্‌?ওয়্যার ফার্মগুলোর জন্য কষ্টসাধ্য। অথচ, এ সংশিস্নষ্ট সরকারি গবেষণা প্রতিষ্ঠান থাকলে, একটি নির্দিষ্ট সময় পরপর তথ্য ও পরিসংখ্যাগুলো দিয়ে তারা ইন্ডাস্ট্রিকে ব্যাপকভাবে সহায়তা করতে পারত।
তথ্যপ্রযুক্তি কেন্দ্র ও প্রশিক্ষণ : সরকারি বেশকিছু প্রকল্প মূলত অবকাঠামোগত উন্নয়ন লক্ষ্য করে তৈরি করা হয়েছে। জেলায় কিংবা ইউনিয়ন পর্যায় পর্যন্ত্ম বিস্ত্মৃত এসব প্রকল্পের কল্যাণে অনেকাংশেই লাভবান হয়েছে শুধু ভেন্ডর তথা হার্ডওয়্যার সরবরাহকারী ব্যবসা প্রতিষ্ঠানগুলো। কম্পিউটার যন্ত্রাংশ কিংবা প্রযুক্তি একদিনের বা এককালীন কোনো ব্যবস্থা নয়। রক্ষণাবেক্ষণ করার সঙ্গে সঙ্গে এগুলো পরবর্তী ধাপে উন্নীত করতে হয়। টেকসই পরিকল্পনা তো করা হয়নি, বরং, সংশিস্নষ্ট জিনিসগুলো দেখাশোনার জন্য, ইউনিয়ন এমনকি জেলাপর্যায়ে সে রকম লোকবল না থাকা সত্ত্বেও, অনেকটা জোর করেই এসব প্রকল্প বাস্ত্মবায়নের উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। এরপর আছে বিভিন্ন ধরনের প্রশিক্ষণ সংশিস্নষ্ট প্রকল্প। এসব প্রকল্প, অনেকাংশে দেখা গেছে, অতি কম সময়ে অধিকসংখ্যক তথাকথিত প্রশিক্ষিত লোকবল তৈরি করার অপপ্রয়াস নেয়া হয়েছে। মেধাভিত্তিক প্রশিক্ষণ ঐকিক নিয়মে চলে না। একটি সন্ত্মান ভূমিষ্ঠ হওয়ার জন্য একজন মাকে দশমাস সময় দিতে হবে; দশজন মাকে নিয়ে এসে সে সন্ত্মান এক মাসে ভূমিষ্ঠ করানোর প্রচেষ্টা হাস্যকর বলেই প্রতীয়মান হবে। শুধু কয়েকটি পিসি আর ল্যাপটপ বসিয়ে জায়গায় জায়গায় কেন্দ্র প্রতিষ্ঠিত করার চেয়ে, টেকসই পরিকল্পনা গ্রহণ এবং যথেষ্ট সময় দিয়ে দীর্ঘমেয়াদি প্রশিক্ষণের ব্যবস্থার মাধ্যমেই দক্ষ লোকবল তৈরি করা সম্ভব।
ব্যবসাবান্ধব পরিবেশ
একটি শিল্পকে বিকাশ হতে দেয়ার শর্ত হচ্ছে, সে শিল্প বিকাশের জন্য আনুষঙ্গিক যেসব বাধা রয়েছে, সেগুলোকে দূর করে দেয়া বা সহজতর করে দেয়া। সফটওয়্যার ফার্ম দিতে গিয়ে উদ্যোক্তাদের যদি সফটওয়্যার তৈরি করার চেয়ে বাড়িভাড়া পাওয়া না পাওয়া নিয়ে ছোটাছুটি করতে হয়, ট্যাক্স আর ভ্যাট নিয়ে মাথার ঘাম পায়ে ফেলতে হয়, লাইসেন্সিং আর পারমিশান পাওয়া নিয়ে সময় ব্যয় করতে হয়, তাহলে তারা উৎসাহী আর উদ্যোগী হবে কি করে! অনেক প্রচেষ্টার পরও বিলিং ও পেমেন্ট সমস্যার নির্বিঘ্ন সমাধান এখনো হয়েছে বলা চলে না। অন্যদিকে, আমাদের সবচেয়ে বড় আরেক শক্তি হলো জনশক্তি। আমাদের রয়েছে বিপিও খাতে (বিজনেস প্রসেস আউটসোর্সিং) বিপুল পরিমাণ জনবলকে যুক্ত করার সুযোগ। তার ওপর এই খাতে কাজ করার জন্য বিশেষ টেকনিক্যাল জ্ঞান থাকতে হবে এমন কোনো কথা নেই। যোগাযোগ করতে পারা বা সঠিক ও শুদ্ধভাবে তথ্য আদান-প্রদান করতে পারার দক্ষতা থাকলেই এই খাতে যুক্ত হওয়া সম্ভব। কিন্তু এই খাতটিকে দাঁড় করানোর জন্য প্রয়োজন সরকারি সহায়তা ও উদ্যোগ। বিশেষ সুবিধাদির ব্যবস্থা করে একবার যদি খাতটিকে সুপ্রতিষ্ঠিত করে দেয়া যায়, তারপর এটি তার আপন গতিতেই চলতে থাকবে এবং সেখানে কর্মসংস্থানের সুযোগ হতে পারে হাজার হাজার মানুষের।
সরকারের ডিজিটাল বাংলাদেশ ঘোষণায় হোক আর বৈশ্বিক পরিবর্তনের জোয়ারে গা ভাসিয়েই হোক, একটা জিনিস এ দেশের মানুষের মনে গেঁথে গেছে, সম্ভাবনার নতুন দুয়ার এই তথ্যপ্রযুক্তির ওপর ভিত্তি করেই খুলতে পারে। মানুষের সেই আশা অমূলক নয়। অন্য আর সবকিছুর সঙ্গে সঙ্গে আমাদের বাড়তি আছে তারম্নণ্যের শক্তি। দেশের জনগোষ্ঠীর বিশাল এক অংশ কমবয়সী মেধাবী তরম্নণ; ইতোমধ্যে জাতীয় ও আন্ত্মর্জাতিক বেশ কিছু পর্যায়ে আমরা আমাদের সক্ষমতা তুলে ধরতে পেরেছি। বাকিটা নির্ভর করছে, সামনের দিনগুলোতে বিদ্যমান সমস্যাগুলো নিরসনের আন্ত্মরিক প্রচেষ্টা, সঠিক টেকসই পরিকল্পনা এবং তার কার্যকর বাস্ত্মবায়নের ওপর। আগের শিল্পবিপস্নবের আমলে আমরা অন্য আর সবার চেয়ে অনেক পিছিয়ে ছিলাম, সে-সব বিপস্নবের সরাসরি সুবিধা নেয়া আমাদের পক্ষে সম্ভব হয়নি। কিন্তু, ডিজিটাল তথা চতুর্থ শিল্পবিপস্নবের এই সময়টাতে আমরা কারও থেকে পিছিয়ে নেই, বরং বলতে গেলে সুবিধাজনক অবস্থানেই আছি। এখন প্রত্যাশা শুধু সামনে এগিয়ে যাওয়ার, পরিশ্রম ও মেধাকে কাজে লাগিয়ে, সমাজ ও ভাগ্য পরিবর্তনের এই চতুর্থ শিল্পবিপস্নবের বিপস্নবী হয়ে ওঠার।

ড. বি এম মইনুল হোসেন
সহযোগী অধ্যাপক, তথ্যপ্রযুক্তি ইনস্টিটিউট, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়।
ই-মেইল : সধরহঁষ.ররঃফঁ@মসধরষ.পড়স
 
এই প্রতিবেদন সম্পর্কে আপনার মতামত দিতে এখানে ক্লিক করুন
-এর আরো সংবাদ
অনলাইন জরিপ
অনলাইন জরিপআজকের প্রশ্নজঙ্গিবাদ নিয়ে মন্ত্রীদের প্রচারে আস্থাহীনতার সৃষ্টি হয়েছে_ বিএনপি নেতা আসাদুজ্জামান রিপনের এই বক্তব্য সমর্থন করেন কি?হ্যাঁনাজরিপের ফলাফল
আজকের ভিউ
পুরোনো সংখ্যা
2015 The Jaijaidin
close