logo
রবিবার, ১৫ ডিসেম্বর ২০১৯, ৩০ অগ্রহায়ণ ১৪২৬

  সিরাজুল ইসলাম চৌধুরী   ১৫ জুলাই ২০১৯, ০০:০০  

গণতন্ত্রের ভবিষ্যৎ

গণতন্ত্র ও গণতান্ত্রিক আন্দোলন

ওই যুদ্ধের সময় দুঃসহ যন্ত্রণা ছিল, কিন্তু হতাশা ছিল না। স্বাধীনতার ৪৮ বছর পর আজ যন্ত্রণা ও হতাশা দুটোই প্রবল হয়ে উঠেছে। এর প্রধান কারণ সমাজ ও রাষ্ট্র ঠিকমতো চলছে না। যার কারণে গণতন্ত্রের সুষ্ঠু বিকাশ হচ্ছে না। গণতান্ত্রিক কাঠামোগুলো ধীরে ধীরে দুর্বল হয়ে পড়েছে। এভাবে চলতে থাকলে দেখা যাবে দেশে গণতান্ত্রিক ব্যবস্থাই ভেঙে পড়েছে। এখন তাই প্রয়োজন হলো ঐক্যবদ্ধ আন্দোলন; সেটি অবশ্যই হবে পুঁজিবাদবিরোধী এবং গণতান্ত্রিক। পুঁজিবাদই মানুষকে বিচ্ছিন্ন করছে, সব স্বপ্নকে ব্যক্তিগত ও দলীয় করে তুলেছে এবং স্বার্থের সঙ্গে স্বার্থের সংঘর্ষ বাধিয়ে দিয়ে নৈরাজ্যের সৃষ্টি করেছে।

গণতন্ত্র ও গণতান্ত্রিক আন্দোলন

বাংলাদেশের স্বাধীনতা দরকার ছিল উন্নতির জন্য। স্বাধীনতার পর উন্নতি যে হয়নি, এমন কথা কেউ বলবে না। বিস্তর উন্নতি ঘটেছে। এমনকি এটাও বলা যাবে যে, উন্নতি নিজেই একটা ব্যবসাতে পরিণত হয়েছে। আমাদের বিশ্ববিখ্যাত দারিদ্র্য বিশ্বের নানা স্থানে বিক্রি হচ্ছে। ওদিকে মুঠোফোন এখন আমাদের হাতে হাতে যেমন, তেমনি কানে কানেও। ওই ফোনে নাকি কৃষক বাজারদর থেকে শুরু করে গরু-ছাগলের অসুখ-বিসুখ পর্যন্ত যে কোনো বিষয় সম্পর্কে অতিদ্রম্নত তথ্য ও পরামর্শ সংগ্রহ করতে পারছে। তাতে কৃষকের ভাগ্য কতটা ফিরেছে, তা অবশ্য বলা যাচ্ছে না। তা না যাক, আমাদের খ্যাতি তো বেড়েছে। আধুনিকতার দৌড়ে আমরা যে পিছিয়ে নেই, সেটা পদে পদে প্রমাণ করা সম্ভব হচ্ছে। এদিকে জলবায়ু পরিবর্তনের বৈরিতায় বা আমাদের দেশ ঝুঁকির মুখে রয়েছে; এ ক্ষেত্রে তার স্থান প্রায় শীর্ষে। এই বিশেষ উন্নতিকে অবশ্য উন্নতি বলার উপায় নেই। কথা না বাড়িয়ে এটা মেনে নেয়া ভালো যে, প্রকৃত উন্নতি যাকে বলা যায় সেটা ঘটেনি। অর্থনৈতিক ক্ষেত্রে নয়, নৈতিক ক্ষেত্রেও নয়। সবকিছুই যে এখন পণ্যে পরিণত হয়ে গেছে, এমনকি আমাদের দারিদ্র্যও পণ্য হতে বাকি নেই। এসব আসলে উন্নয়নের লক্ষণ নয়, দুর্গতির স্মারকচিহ্নও বটে। উন্নতির জন্য পণ্য উৎপাদন অত্যাবশ্যক। সেটা তেমন সম্ভব হচ্ছে না। বিনিয়োগ যে অত্যন্ত লক্ষণীয়ভাবে বাড়বে, এমনটিও ঘটছে না। বেশি বেশি রপ্তানি মানেই যে অর্থনীতির চাঙ্গা অবস্থা নয়, এটা স্বীকার করে নিয়েও বলা যায়, রপ্তানির চেয়ে আমদানি অধিক হওয়াটা সাধারণভাবে কোনো শুভ লক্ষণ নয়। আর উৎপাদনের সঙ্গে বিতরণও প্রয়োজন। আমাদের সব বিতরণই এখন বাজারের মাধ্যমে ঘটেছে; কিন্তু বাজার তো সাধারণ মানুষের জন্য ভরসার জায়গা নয়; বরং আতঙ্কের ক্ষেত্র। সবচেয়ে কঠিন যে সমস্যা সেটা হলো, সমষ্টিগত সঙ্কট নিয়ে এখন গভীরভাবে ভাবার মতো মানুষের নিদারুণ অভাব। এ ব্যাপারটা নৈতিক অবক্ষয়ের সঙ্গে যুক্ত। আমরা সবাই সঙ্কটের কথা বলি, সঙ্কট কাটিয়ে ওঠার ব্যাপারে সমবেত যে উদ্যোগ, সেটা নিতে পারি না। আসলে সমগ্র দেশের যে সমস্যা তা নিয়ে নয়, আমরা ভাবি নিজের নিজের সমস্যা নিয়ে। এটা কিন্তু হওয়ার কথা ছিল না। স্বাধীনতা মানে আমরা ব্যক্তিগত বন্ধনমুক্তি ভাবিনি। মুক্তি বলতেও কেবল নিজ নিজ মুক্তির বিষয়ে চিন্তা করিনি। আমরা তখন এক হয়ে গিয়েছিলাম। কিন্তু আজ প্রশ্ন জেগে ওঠে, সত্যি কি তাই? আমরা যে ঐক্য গড়ে তুলেছিলাম, যার চূড়ান্ত প্রকাশ ঘটেছিল একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধে, সেটা কতটা গভীর ছিল? আমরা একসঙ্গে হয়েছিলাম ঠিকই, কিন্তু ঐক্যবদ্ধ হতে পেরেছিলাম কি? সত্যকে নিরিখ করলে বলতেই হবে যে- না, আমরা সত্যিকারের ঐক্য গড়ে তুলতে পারিনি। শত্রম্ন আক্রমণ করেছিল, আমরা রুখে দাঁড়িয়েছিলাম। যুদ্ধক্ষেত্রে একসঙ্গে হওয়ার ঘটনা ঘটেছিল। কিন্তু সবার স্বার্থকে এক করে দেখার মতো দৃষ্টিভঙ্গি, ঐক্যবদ্ধ আন্দোলনগত অভিজ্ঞতা, সমষ্টিগত মুক্তির লক্ষ্যাভিসারী নেতৃত্ব, এসব তখন ছিল না। এক হওয়ার ব্যাপারটা ছিল স্বতঃস্ফূর্ত। সবাই তখন একটি প্রান্তরে এসে আমরা মিলিত হয়েছিলাম। কিন্তু সবার স্বপ্ন এক ছিল না। এমনকি যারা মুক্তিযুদ্ধে সক্রিয়ভাবে যোগ দিয়েছিলেন, তারাও সবাই যে মুক্তিযোদ্ধা ছিলেন তা নয়। কেউ কেউ এসেছিলেন অবস্থার চাপে, কেউবা সংলগ্ন হয়েছিলেন অন্যের দেখাদেখি। মুক্তিযুদ্ধের যে পূর্বপ্রস্তুতি ছিল, এমন তো নয়। বস্তুত এমন প্রস্তুতিহীন ও অগোছালো মুক্তিযুদ্ধ ইতিহাসে খুব কমই দেখা যাবে। কিন্তু তবু সাফল্য এসেছিল এই কারণে যে, স্বপ্নটা এক না হলেও এ লক্ষ্যটা অভিন্ন ছিল যে হানাদার পাকিস্তানি দসু্যদের তাড়িয়ে দিতে হবে। আর ওই যে স্বপ্নের কথা বললাম, সেখানেও সমষ্টিগত মুক্তির ব্যাপারটা ছিল বৈকি। কিন্তু ব্যক্তিগত আকাঙ্ক্ষা সমষ্টিগত স্বপ্নের সঙ্গে অঙ্গাঙ্গীভাবে মিশে যায়নি। হয়তো যেত যদি যুদ্ধ দীর্ঘস্থায়ী হতো। কী হতো তা নিয়ে কল্পনা করে লাভ নেই, যা ঘটেছিল তা হলো সমাজের বিভিন্ন স্তর ও শ্রেণি থেকে এসে সবাই যুদ্ধের ধারাপ্রবাহে নানাভাবে ও বিভিন্ন মাত্রায় যুক্ত হয়ে পড়েছিল। মধ্যবিত্ত পেশাজীবী ভেবেছে, এ যুদ্ধে বিজয় তাকে কেবল বাঁচাবেই না, চাকরিতে তার উন্নতি হবে। শ্রমিক ভেবেছে, তার বেতন বৃদ্ধি ঘটবে। কৃষক আশা করেছে, জোতদার ও মহাজনদের নিষ্পেষণ থেকে মুক্তি পাবে। ব্যবসায়ী ধরে নিয়েছে, স্বাধীন বাংলাদেশে তার ব্যবসা ফুলে-ফেঁপে উঠবে। ছাত্রের সুখস্বপ্ন ছিল চাকরি পাওয়ার। সেনাবাহিনীর লোকেরা আশা রেখেছে প্রমোশনের। সবারই স্বপ্ন ভিন্ন ভিন্ন, এমনকি পরস্পরবিরোধী। কিন্তু সব মিলিয়ে আবার একটা বড় স্বপ্নও বটে; বেদানার ভেতর যেমন অনেক কোষ থাকে, আবার সব কোষ একটি আবরণের অন্তর্গত হয়ে একক হিসেবে নিজেকে গড়ে তোলে, ব্যাপারটা সে রকমেরই দাঁড়িয়েছিল। কিন্তু বিজয়ের পরে ঐক্যটা আর থাকল না। তখন কোষগুলো সব স্বতন্ত্র ও বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ল। স্বপ্নগুলো আর একটি সামগ্রিক স্বপ্নের অংশ রইল না, কেবল যে শ্রেণি ও স্তরগত বিচ্ছিন্নতা দেখা দিল তা তো নয়, ব্যক্তিগত স্বাতন্ত্র্যই প্রধান হয়ে দাঁড়াল। প্রত্যেকে তখন নিজের নিজের উন্নতির বিষয়ে ব্যস্ত ও উদ্বিগ্ন হয়ে পড়ল। দেখা দিল স্বার্থের সঙ্গে স্বার্থের সংঘর্ষ। আজকের বাংলাদেশের সমাজে প্রাথমিক সত্য হচ্ছে এই সংঘর্ষ এবং তজ্জনিত নৈরাজ্য। প্রকৃত উন্নতির চাবিকাঠি যাকে বলি সেটা এই নৈরাজ্যের মধ্যে নেই, থাকতে পারে না, থাকার কথা নয়। চাবিকাঠি রয়েছে ঐক্যে, আমরা যে ঐক্য স্থায়ীভাবে গড়ে তুলতে ব্যর্থ হয়েছি। এটা হবে তেমন ঐক্য, যা সবার মুক্তির স্বপ্নকে আবার একটি বড় স্বপ্নের ভেতরে নিয়ে আসবে এবং প্রত্যেকে এটা বুঝে নেবে যে, তার নিজের মুক্তি সবার মুক্তির বিরুদ্ধ পক্ষ তো নয়ই, বরং সবার মুক্তির সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে জড়িত। এ ঐক্য গড়া সম্ভব হলে সংঘর্ষ থাকবে না, নৈরাজ্য দূর হবে এবং আমরা এগোতে পারব মুক্তির অভিমুখে। এই যে মুক্তির কথাটা বলি আমরা, এর সংজ্ঞাটা কী? সংজ্ঞা হচ্ছে, সমাজ ও রাষ্ট্রে বৈপস্নবিক পরিবর্তন ঘটানো। আমাদের দেশে অনেক রকমের বিপস্নব ঘটেছে, কিন্তু সমাজবিপস্নব ঘটেনি; বরং অধিকাংশ বিপস্নবেরই অন্তর্গত অভিপ্রায়টি ছিল সমাজবিপস্নবকে প্রতিহত করা। সমাজবিপস্নবের অর্থ হলো সমাজে মানুষে মানুষে যে বৈষম্য রয়েছে এবং সে বৈষম্যের ওপর ভর করে স্থায়ীভাবে প্রতিষ্ঠিত হয়ে আছে যে নিপীড়ন ও শোষণ, সেই ব্যবস্থাটাকে ভেঙে ফেলে মানুষের সঙ্গে মানুষের সহমর্মিতা ও সহযোগিতার সম্পর্ক গড়ে তোলা। অর্থাৎ কিনা এখন যেমন আমরা একে অন্যের শত্রম্ন হয়ে রয়েছি, সেই করুণ দুর্দশার অবসান ঘটিয়ে পরস্পর পরস্পরের বন্ধুতে পরিণত হওয়া যায়, এমন একটা ব্যবস্থাকে সম্ভব করে তোলা। কিন্তু ওই কাজটা তো কথার কথা নয়, এর জন্য প্রথমেই যা প্রয়োজন হবে তা মুক্তির ওই লক্ষ্যটা সম্পর্কে পরিষ্কার ধারণা রাখা। সে ক্ষেত্রে কে শত্রম্ন, কে মিত্র তাও পরিষ্কারভাবে নির্ধারণ করা চাই। শত্রম্ন হচ্ছে পুঁজিবাদ; মিত্র হচ্ছে পুঁজিবাদবিরোধী গণতান্ত্রিক শক্তি। গণতন্ত্র বলতে এ ক্ষেত্রে বুঝতে হবে তেমন সমাজ, যেখানে বৈষম্যই প্রধান সত্য হবে না, সত্য হবে অধিকার ও সুযোগের সাম্য। সব মানুষ সবদিক দিয়ে সমান হয়ে যাবে না, বৈচিত্র্য অবশ্যই থাকবে; কিন্তু কেউই মানবিক অধিকার থেকে বঞ্চিত হবে না। সবার জন্যই থাকবে সমান সুযোগ, নিজের যোগ্যতাকে বিকশিত করার এবং যোগ্যতা অনুযায়ী কাজ পাওয়ার। আমাদের অতীতের আন্দোলনগুলো লক্ষ্যটাকে সুস্পষ্টরূপে চিহ্নিত করতে পারেনি; একাত্তরের যুদ্ধে লক্ষ্যটা কিছুটা পরিষ্কার হয়ে উঠেছিল। যে জন্য আমাদের সংবিধানে জাতীয়তাবাদ তো ছিলই, ধর্মনিরপেক্ষতা, গণতন্ত্র এবং সমাজতন্ত্রের কথাও লিপিবদ্ধ হয়েছিল। বলা বাহুল্য, মুক্তির ওই আন্দোলনটাকে আমরা সামনের দিকে এগিয়ে নিয়ে যেতে পারিনি; পাকিস্তানিদের পরাজয়কেই চূড়ান্ত বিজয় বলে ধরে নিয়েছিলাম। ওই বিজয়টা ছিল জাতীয়তাবাদী। তাকে গণতান্ত্রিক করার জন্য আবশ্যক ছিল পুঁজিবাদবিরোধী এবং প্রকৃত গণতন্ত্রের প্রতিষ্ঠাকামী আন্দোলন গড়ে তোলা। দায়িত্বটা বামপন্থিদেরই ছিল; কিন্তু নানা কারণে তারা সেটা পালন করতে ব্যর্থ হয়েছে এবং তাদের ব্যর্থতাই পরোক্ষ হলেও দেশবাসীর জন্য হতাশার কারণ হিসেবে দেখা দিয়েছে। শুধু তা-ই নয়, সমাজ পরিবর্তনের আন্দোলন যেহেতু এগোয়নি, তাই পুরনো সমাজের ব্যাধিগুলো স্বাধীনতা পেয়ে আরও প্রকট ও দ্বন্দ্বমুখর হয়ে উঠেছে। হতাশা জিনিসটা যে কেমন মারাত্মক হতে পারে, তার অনেক দৃষ্টান্ত সমাজে বিদ্যমান। একটি হচ্ছে পরিবার পরিকল্পনায় মানুষের উৎসাহহীনতা। লোকে ধরে নিয়েছে যে ভাগ্য বদলাবে না, তাই সন্তানের সংখ্যাবৃদ্ধিতে কোনো বিপদের আশঙ্কা সে দেখেনি, উল্টো যা দেখেছে তা হলো পরিবারে উপার্জনক্ষম সদস্যবৃদ্ধির আশা। এটি একটি ঘটনা মাত্র, হতাশা এমন বহুবিধ কান্ড ঘটিয়েছে এবং ঘটিয়ে চলেছে। অন্যদিকে একাত্তরে যে আমরা জয়ী হলাম, তার একটা কারণ ছিল আশা। প্রথম আঘাতে হতাশা দেখা দিয়েছিল, কিন্তু ক্রমে যখন খবর আসা শুরু করল যে নানা ফ্রন্টে যুদ্ধ চলছে, তখন মানুষ গা ঝাড়া দিয়ে উঠেছে এবং অনেকেই যুদ্ধের সঙ্গে যুক্ত হতে চেয়েছে। ওই যুদ্ধের সময় দুঃসহ যন্ত্রণা ছিল, কিন্তু হতাশা ছিল না। স্বাধীনতার ৪৮ বছর পর আজ যন্ত্রণা ও হতাশা দুটোই প্রবল হয়ে উঠেছে। এর প্রধান কারণ সমাজ ও রাষ্ট্র ঠিকমতো চলছে না। যার কারণে গণতন্ত্রের সুষ্ঠু বিকাশ হচ্ছে না। গণতান্ত্রিক কাঠামোগুলো ধীরে ধীরে দুর্বল হয়ে পড়েছে। এভাবে চলতে থাকলে দেখা যাবে দেশে গণতান্ত্রিক ব্যবস্থাই ভেঙে পড়েছে। এখন তাই প্রয়োজন হলো ঐক্যবদ্ধ আন্দোলন; সেটি অবশ্যই হবে পুঁজিবাদবিরোধী এবং গণতান্ত্রিক। পুঁজিবাদই মানুষকে বিচ্ছিন্ন করছে, সব স্বপ্নকে ব্যক্তিগত ও দলীয় করে তুলেছে এবং স্বার্থের সঙ্গে স্বার্থের সংঘর্ষ বাধিয়ে দিয়ে নৈরাজ্যের সৃষ্টি করেছে। উন্নতির চাবিকাঠি অন্য কোথাও নেই, রয়েছে সমাজ পরিবর্তনের গণতান্ত্রিক আন্দোলনে। বাংলাদেশকে সামনের দিকে এগিয়ে নেয়ার জন্য যা জরুরি।

  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত
close

উপরে