logo
বৃহস্পতিবার, ০৯ এপ্রিল ২০২০, ২৬ চৈত্র ১৪২৫

  অনলাইন ডেস্ক    ২৫ ফেব্রুয়ারি ২০২০, ০০:০০  

সংবাদ সংক্ষপে

সংবাদ সংক্ষপে
কৃষকের ক্ষতি করায় আড়াই হাজার কোটি টাকা জরিমানা

য় আইন ও বিচার ডেস্ক

অ্যামেরিকার এক কৃষকের ফসলের ক্ষতি হওয়ায় সাড়ে ২৬ কোটি ডলার বা প্রায় আড়াই হাজার কোটি টাকার মাশুল গুনতে হবে জার্মান প্রতিষ্ঠান বায়ার এবং বিএএসএফকে। মার্কিন আদালত সম্প্রতি তাদের বিরুদ্ধে এমন রায় দিয়েছে।

ফসলের ক্ষতি হওয়ায় যুক্তরাষ্ট্রের মিসৌরি অঙ্গরাজ্যের কৃষক বিল বেডার মামলা ঠুকে দিয়েছিলেন জার্মান কৃষি রাসায়নিক প্রস্তুকারী বায়ার এবং বিএএসএফের বিরুদ্ধে। পাশের একটি খামারে ব্যবহৃত এই প্রতিষ্ঠানগুলোর আগাছানাশক উপাদানে ওই কৃষকের ফসলের ক্ষতি হয়েছে বলে অভিযোগ করেন তিনি।

বিচারক দেড় কোটি ডলারের ক্ষতিপূরণের পাশাপাশি ২৫ কোটি ডলার জরিমানা করেছে কোম্পানি দুটিকে। তবে অভিযোগ অস্বীকার করে তারা এর বিরুদ্ধে আপিল করার সিদ্ধান্ত জানিয়েছে। বিবৃতিতে প্রতিষ্ঠান দুটি দাবি করেছে, নির্দেশিকা অনুযায়ী ব্যবহার সাপেক্ষে তাদের আগাছানাশক রাসায়নিক সম্পূর্ণ নিরাপদ।

উলেস্নখ্য ১৮৬৩ সালে যাত্রা করা বায়ার বিশ্বের বড় ওষুধ প্রস্তুকারক প্রতিষ্ঠানগুলোর একটি। তাদের বিরুদ্ধে বর্তমানে ১৪০টিরও বেশি মামলা ঝুলছে। ২০১৮ সালে ৬ হাজার ৩০০ কোটি ডলারে মার্কিন কৃষি রাসায়নিক প্রস্তুতকারক মনসানটোকে কিনে নেয় তারা। মূলত এই কোম্পানির নিয়েই এখন বিভিন্ন মামলায় লড়তে হচ্ছে বায়ারকে। তারই প্রথমটির রায়ে সাড়ে ২৬ কোটি ডলারের জরিমানার মুখোমুখি তারা।

মামলা বদলি রেজিস্ট্রার ডিজিটাল করতে আইনজীবীদের মানববন্ধন

য় আইন ও বিচার ডেস্ক

চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট (সিএমএম) আদালতে রুজু হওয়ার পরে বিচারের জন্য ঢাকা মহানগর দায়রা জজ আদালতে প্রেরিত মামলাগুলোর বদলি রেজিস্ট্রার অবিলম্বে ডিজিটালাইজেশনের আওতায় আনার দাবিতে মানববন্ধন করেছেন আইনজীবীরা।

ঢাকার আদালত প্রাঙ্গণে রোববার (২৩ ফেব্রম্নয়ারি) দুপুরে বিইউবিটি ল'ইয়ার্স অ্যাসোসিয়েশনের (বুলা) উদ্যোগে এ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। পাশাপাশি এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করতে ঢাকার জেলা ও দায়রা জজ এবং ঢাকা আইনজীবী সমিতির সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদককে স্মারকলিপিও প্রদান করা হয়েছে।

স্মারকলিপিতে বলা হয়, বর্তমানে ঢাকা আইনজীবী সমিতিতে তালিকাভুক্ত সদস্যের সংখ্যা ২৫ হাজার এবং বিচারাধীন এনআই অ্যাক্ট, মাদক ও পিটিশন মামলার পরিমাণ অনেক বেশি। এরমধ্যে এনআই অ্যাক্টের মামলার বিচারের ক্ষমতা শুধু মহানগর দায়রা জজ আদালতের রয়েছে। এসব মামলা সিএমএম আদালতে রুজু হওয়ার পরে বিচারের জন্য মামলাগুলো মহানগর দায়রা জজ আদালতে বদলি হলে ওই আদালত এখতিয়ার সম্পন্ন বিভিন্ন আদালতে বিচারের জন্য বণ্টন করে থাকেন। কিন্তু পরিতাপের বিষয় হচ্ছে বিচারাধীন বদলিকৃত এনআই অ্যাক্টসহ অন্যান্য মামলাগুলোর নির্ধারিত বিচারিক আদালতের নাম, পরবর্তী তারিখ ও দায়রা নাম্বার জানার জন্য আইনজীবীদের হয়রানিসহ সীমাহীন দুর্ভোগ পোহাতে হয় এবং অনেক সময় অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। যেহেতু বর্তমান সরকার দেশের সর্বস্তরে বিচার বিভাগ এবং নির্বাহী বিভাগসহ সরকারি ও বেসরকারি অফিসের সব দাপ্তরিক কার্যক্রম ডিজিটালাইজড করার জন্য সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছেন সেহেতু আইনজীবীদের হয়রানি ও দুর্ভোগ রোধকল্পে সিএমএম আদালত থেকে মহানগর দায়রা জজ আদালতে বিচারের জন্য প্রেরিত মামলাগুলোর বদলি রেজিস্ট্রার অবিলম্বে ডিজিটালাইজেশন হওয়া একান্ত আবশ্যক।

দেশে এক লাখ মানুষের জন্য একজন বিচারক

য় আইন ও বিচার ডেস্ক

আইনমন্ত্রী আনিসুল হক বলেছেন, দেশের বিচারাধীন মামলা নিষ্পত্তিতে বিচারকের সংখ্যা অপ্রতুল। বর্তমানে প্রতি এক লাখ মানুষের জন্য মাত্র একজন বিচারক রয়েছেন।

জাতীয় সংসদে জাতীয় পার্টির (জাপা) সাংসদ মুজিবুল হকের প্রশ্নের জবাবে আইনমন্ত্রী এই তথ্য জানান। স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরীর সভাপতিত্বে বৈঠকের শুরুতে প্রশ্নোত্তর টেবিলে উপস্থাপন করা হয়।

আনিসুল হক বলেন, প্রতি এক লাখ মানুষের জন্য দেশে মাত্র একজন বিচারক রয়েছেন। যেখানে ভারতে ৫০ হাজার জনে একজন, ইংল্যান্ডে ২০ হাজার জনে একজন, আমেরিকা, ফ্রান্স ও ইতালিতে ১০ হাজার জনে একজন বিচারক রয়েছেন।

মন্ত্রীর দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, দেশের আপিল বিভাগের বিচারপতি আছেন সাতজন। এখানে মামলা আছে ২২ হাজার ৫৯৬টি।

\হহাইকোর্ট বিভাগের ৯৭ জন বিচারপতির বিপরীতে মামলা আছে চার লাখ ৯০ হাজার ৮০০টি। অধস্তন আদালতে এক হাজার ৯৬৭ জন বিচারকের বিপরীতে ৩১ লাখ ২৭ হাজার ২৪৩টি মামলা রয়েছে।
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত
close

উপরে