logo
  • Wed, 26 Sep, 2018

  আলীজা ইভা   ১০ সেপ্টেম্বর ২০১৮, ০০:০০  

ত্বকসচেতন তারুণ্য

ত্বকসচেতন তারুণ্য
মডেল : মুক্তা ছবি : সি ক্লিক
ত্বকের সুরক্ষা ও সৌন্দযর্ বৃদ্ধির জন্য নারীরা অনেক ধরনের কসমেটিক ব্যবহার করেন। কিন্তু এসব কসমেটিক কি সত্যিই আপনার ত্বকের জন্য ভালো? না। বরং বেশির ভাগ কসমেটিকেই রয়েছে মারাত্মক ক্ষতিকর কেমিক্যাল, যা স্বাস্থ্য ও ত্বকের জন্য অনেক খারাপ। আজকে জেনে নিন ত্বক ও সৌন্দযর্ রক্ষায় যেসব কসমেটিক ব্যবহার করছেন তা কতটা ক্ষতি করছে আপনার দেহের ও ত্বকের।

লিপস্টিক : ঠেঁাটে একটু লিপস্টিক না লাগিয়ে বাইরে বের হন না বেশির ভাগ নারীই। কিন্তু লিপস্টিক তৈরিতে ব্যবহার করা হয় মারাত্মক ক্ষতিকর লেড ও কেমিক্যালসমৃদ্ধ তেল, যা আপনার ঠেঁাটের অনেক ক্ষতি করে। এ ক্ষতিকর কেমিক্যালগুলো স্বাভাবিক ত্বকের লোমক‚প বন্ধ করে দেয় এবং কোষের স্থায়ী ক্ষতি করে।

ময়েশ্চারাইজার : ত্বককে নরম, কোমল ও হাইড্রেট রাখতে ময়েশ্চারাইজারের জুড়ি নেই। কিন্তু বাজারে কিনতে পাওয়া ময়েশ্চারাইজার লোশন ও ক্রিমে রয়েছে মিনারেল অয়েল এবং প্যারাফিন, যা ত্বকের স্থায়ী ক্ষতি করে এবং ত্বকের স্বাভাবিক আদ্রর্তা একেবারেই নষ্ট করে দেয়।

আইলাইনার বা কাজল : চোখে আইলাইনার বা কাজল টানা খুবই পছন্দের? তাহলে জেনে রাখুন এসব আইলাইনার ও কাজলের টস্কি কেমিক্যালের কারণে চোখের ইনফেকশন, কনজাকটিভাইটিস, ইউভাইটিস্ম গøুকোমা, চোখ শুকিয়ে যাওয়া এবং ডিসকালারেশনে ভুগতে পারেন আপনি। এসব সমস্যা চোখের আইশ্যাডো, মাশকারা ব্যবহারেও হয়ে থাকে।

নেলপলিশ : নখের ওপরে পছন্দের রং ও ডিজাইন অঁাকারও রয়েছে অনেক ক্ষতিকর প্রভাব। নেলপলিশ ও নেলপলিশ রিমুভার অতিরিক্ত ব্যবহারের ফলে নখ এবং নখের পাশের স্থায়ী ক্ষতি হয়। নখের ভঙ্গুরতা বৃদ্ধি পায়, নখের স্বাভাবিকতা নষ্ট হয়।

ট্যালকম পাউডার : গরমের কারণে ট্যালকম পাউডার ব্যবহার করেন নিশ্চয়ই? কিন্তু ট্যালকম পাউডার অনেক বেশি কাসিের্নাজেনিক। ট্যালকম পাউডার ব্যবহারে ত্বকে অ্যালাজির্, ইনফেকশন হয় এমনকি এর কারণে লাংস ইনফেকশন ওভারিয়ান ক্যান্সার হওয়ার ঝুঁকি বাড়ে।

হেয়ার কালার : খুব ফ্যাশনেবল না হলেও আজকাল অনেকেই চুল রং করতে পছন্দ করেন। কিন্তু আপনি জানেন কী, এর মাধ্যমে নিজের কতটা ক্ষতি বয়ে আনছেন? হেয়ার কালারের চ-চযবহুষবহবফরধসরহব ক্যান্সার, প্রজনন ক্ষমতায় সমস্যা, মস্তিষ্কের টস্কিসিটি, অ্যালাজির্, রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা নষ্ট হওয়া এবং ত্বক, চোখ ও ফুসফুসের ইনফেকশনের জন্য দায়ী।

একেক ধরনের ত্বকের জন্য একেক রকমের মেকআপ ব্যবহার করতে হয়। এ কারণে যাদের ত্বক শ্যামলা তাদের জন্যও মেকআপের ধরনটা হবে একটু অন্য রকম। মেকআপের ভুলেই অনেক সময় ত্বকে ফুটে থাকে মেকআপ, যা দেখতে অনেক মেকি মনে হয়। আপনার ত্বক যদি শ্যামলা হয় তবে এ টিপসগুলো আপনার জেনে রাখা জরুরি।

১. প্রাকৃতিক আলোয় মেকআপ করুন : অল্প আলোয় মেকআপ করবেন না, আবার খুব উজ্জ্বল আলোতেও নয়। প্রাকৃতিক আলোয় আপনার ত্বকের আনাচ-কানাচ ভালোভাবে বোঝা যাবে এবং সঠিকভাবে মেকআপ করতে পারবেন। মেকআপ কেনার সময়ও একই কথা প্রযোজ্য। এর জন্য একটি কৌশল অবলম্বন করতে পারেন। হাতের উল্টো পিঠে মেকআপ একটু লাগিয়ে নিতে পারেন, এরপর দোকানের বাইরে গিয়ে দিনের আলোয় দেখে নিতে পারেন তা আপনার ত্বকের জন্য মানানসই কি না।

২. ফাউন্ডেশনের জন্য একটি শেড নয় : আপনার ত্বক সবর্ত্র একই রকম নয়, আর তাই মাত্র একটি শেডের ফাউন্ডেশন ব্যবহার করে খুব একটা লাভ হবে না। প্রথমে আপনার ত্বকের সঙ্গে সবচেয়ে বেশি যে শেড মানিয়ে যায় তা বেস হিসেবে ব্যবহার করুন। এরপর একটু হালকা একটি শেড হাইলাইট হিসেবে ব্যবহার করুন। এতে ত্বকে আসবে একটি ঝলমলে আভা।

৩. ত্বকে আনুন কোমল উষ্ণতা : ত্বককে কোমল এবং দীপ্তিময় দেখাতে ত্বকের মাঝামাঝি জায়গাগুলোতে ব্যবহার করুন অ্যাম্বার অথবা ক্যারামেল শেডের ফাউন্ডেশন। যেমন কপালের মাঝামাঝি, নাকের ওপরে, গাল এবং চিবুকে। এরপর একটি বøাশ ব্যবহার করে ভালো করে মিশিয়ে নিন।

৪. কমলা রংটিকে প্রাধান্য দিন : ফ্যাশনে এখন কমলা রং ব্যবহার হচ্ছে বেশ। আর তামাটে ত্বকের সঙ্গে এটি খুব মানিয়ে যায়। কমলা ধরনের কনসিলার, বøাশ, লিপস্টিক এগুলো আপনার উপকারে আসবে। চোখের নিচের কালি এবং ত্বকের দাগ-ছোপ ঢাকতে কমলা রংটি ব্যবহার করতে পারেন।

৫. ঠেঁাট অঁাকুন : আপনার ঠেঁাট যদি ছড়ানো হয় তবে নিজের ত্বকের কাছাকাছি রঙের একটি লাইনার দিয়ে আগে ঠেঁাট এঁকে নিন। আপনার ঠেঁাট যদি কালচে হয় তবে কমলা লিপস্টিক বেশ লাগবে।

৬. গাঢ় কালো করে ভুরু অঁাকবেন না : কুচকুচে কালো ভুরু তামাটে ত্বকের সঙ্গে ভালো লাগবে না। নাকের কাছ থেকে বাদামি রং ব্যবহার করা শুরু করুন এবং কোনার দিকে গিয়ে আরো গাঢ় বাদামি ব্যবহার করতে পারেন। ভুরুর একদম প্রান্তে গিয়ে ব্যবহার করতে পারেন কালো। এতে ভুরুর শেপ খুব সুন্দর মনে হবে।

৭. খুব বেশি হালকাও নয় : ভুরুতে কালো রং ব্যবহার করবেন না ঠিকই, কিন্তু একেবারে হালকা রংও ব্যবহার করবেন না। ত্বকের ওপর একেবারেই বেমানান লাগবে। আর এতে আপনার বয়সটাও বেশি মনে হবে।

৮. হাইলাইট করার সময় ব্যবহার করুন শিমার : ত্বকে হাইলাইট যদি করতেই হয় তবে ব্যবহার করুন শিমার। তবে তা যেন ত্বকের ওপরে বেশি ফুটে না থাকে সেদিকে লক্ষ্য রাখুন।

৯. ত্বকের যতœ নিন : ত্বক এক্সফলিয়েট করুন নিয়মিত। ত্বকের যতেœর জন্য অবশ্যই সানস্ক্রিন মাখবেন। আপনি ভাবতে পারেন আপনার ত্বক তো এমনিই তামাটে, আর কী হবে সানস্ক্রিন দিয়ে? কিন্তু ত্বকের স্বাস্থ্য রক্ষার জন্য অবশ্যই সানস্ক্রিন ব্যবহার করতে হবে।
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত

সকল ফিচার

রঙ বেরঙ
উনিশ বিশ
জেজেডি ফ্রেন্ডস ফোরাম
নন্দিনী
অাইন ও বিচার
ক্যাম্পাস
হাট্টি মা টিম টিম
তারার মেলা
সাহিত্য
সুস্বাস্থ্য
কৃষি ও সম্ভাবনা
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি

উপরে