logo
সোমবার ১৬ সেপ্টেম্বর, ২০১৯, ১ আশ্বিন ১৪২৬

  আফরিন হোসেন   ২৮ জানুয়ারি ২০১৯, ০০:০০  

সৃজনশীল ও উদ্যমী হতে হবে

সৃজনশীল ও উদ্যমী হতে হবে
আবিদ মাহমুদ
করপোরেট সেক্টরে ব্র্যান্ড নিয়ে কাজ করতে চান এরকম তরুণের সংখ্যা কম নয়। যারা এ সেক্টরে কাজ করতে চান তাদের কীভাবে প্রস্তুতি নিতে হবে । কি কি বিষয় খেয়াল রাখতে হবে সেগুলো নিয়ে কথা বলেছেন অভিভজ্ঞ জনেরা।

পাশাপাশি তারা শেয়ার করেছেন নিজেদের অভিজ্ঞতা চ্যালেঞ্জ আর কমর্পদ্ধতি। আজকে উনিশ বিশের সঙ্গে কথা বলেছেন নেসলে বাংলাদেশের আবিদ মাহমুদ।

আবিদ মাহমুদ। সৃজনশীল ও উদ্যমী একজন মানুষ। নেসলে বাংলাদেশে কাজ করছেন। সেখানে তিনি রয়েছেন একজন ব্র্যান্ড এক্সিকিউটিভ হিসেবে। পড়াশোনা করেছেন রাজশাহী বিশ^বিদ্যালয়ে মাকেির্টং ডিপাটের্মন্টে। এরপর অওটই থেকে মাকেির্টংয়ে এমবিএ শেষ করেন। বিপণন বিষয়ে তিনি কাজ করেন।

তিনি বাংলাদেশে ম্যাগি নুডলস ক্যাটাগরিটি দেখে থাকেন। বিপণন নিয়ে তার কাজ অবশ্যই অসাধারণ।

তরুণ বয়সেই তিনি হয়েছেন নেসলে বাংলাদেশের নুডলস ক্যাটেগরির অভিভাবক। মাকেির্টং পেশায় যারা আসতে চান সেই সব নতুনের জন্য তার পরামশর্ হচ্ছে কাজ করার মানসিকতা থাকতে হবে। শেখার মানসিকতা থাকতে হবে।

বতর্মানে তার সঙ্গে ইন্টানির্শপ করছেন একজন। নিয়মিতই তার অধীনে নতুনরা ইন্টানির্শপ করেন। যারা ইন্টানির্শপ করতে চান তাদের পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করতে হয়। তারপর ইন্টাভিউতে উত্তীণর্ হলে কিছু প্রজেক্ট দেয়া হয়। যেমন এবার যিনি কাজ করছেন আবিদের অধীনে তিনি আসন্ন নতুন প্রডাক্ট ডেভেলপমেন্ট এবং বিভিন্ন ক্যাম্পেইন নিয়ে কাজ করছেন।

সারাবছরই বিপণন নিয়ে ভাবতে হয় যারা ব্র্যান্ড সেক্টরে কাজ করেন। গত বছর পযার্য়ক্রমে ক্রেতা এবং ভোক্তাভিত্তিক বিশেষ কিছু কাযর্ক্রম করেন আবিদ ও তার টিম। সে সময় বৈচিত্র্যময় এবং অসাধারণ কিছু কাজ করেন তারা। বেশকিছু নতুন উদ্যোগ অনেক জনপ্রিয় হয়ে ওঠে ক্রেতাদের কাছে। এই কাযর্ক্রমগুলো ক্রেতাদের মধ্যে সাড়া ফেলে এবং ম্যাগি নুডলসের বিজনেসে এনে দেয় সফলতা।

ইভেন্ট আর অ্যাক্টিভেশনে কীভাবে বৈচিত্র্য আনা যায় সে বিষয়ে ব্র্যান্ড ডিপাটের্মন্টকে ভাবতে হয়। আবিদ এই ইভেন্ট আর অ্যাক্টিভেশনের কাজে নানারকম চ্যালেঞ্জ নিয়েছেন। শুধু টিভিসির ওপর নিভর্র না করে নানারকম আইডিয়া তৈরি করেছেন। আইডিয়াগুলো নিজের টিম আর ঊধ্বর্তন কতৃর্পক্ষকে বুঝিয়েছেন। সময়মতো সঠিকভাবে প্রয়োগ করেছেন তার আইডিয়া। আবিদ বিশ্বাস করেন একজন সফল বিপণনকমীর্র সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হলো যে কোনো ব্র্যান্ড কমিউনিকেশনে আসল মেসেজটা অত্যন্ত সহজ এবং সাবলীলভাবে ভোক্তার কাছে উপস্থাপন করা।

বিপণনের ক্ষেত্রে পণ্য ক্রেতার কাছে পেঁৗছানো জরুরি। ক্রেতার মধ্যে পণ্য সম্পকের্ ভালো মনোভাব গড়ে তোলা গুরুত্বপূণর্। এই জন্য বিপণন কমর্কতার্রা বিভিন্ন মিডিয়ার সহযোগিতা নিয়ে থাকেন। মিডিয়ার কমর্কতাের্দর সহযোগিতা নিয়ে করতে থাকে মিডিয়া মাকেির্টং। মিডিয়া মাকেির্টংযের ক্ষেত্রেও তিনি বিশেষ অবদান রেখেছেন।

আবিদ এবং তার টিমের হাত ধরে ম্যাগি নুডলসের বিশ্বব্যাপী যে জনপ্রিয়তা তা বাংলাদেশেও ব্র্যান্ডটি পেয়েছে। বাংলাদেশ ব্র্যান্ড ফোরামের কাছ থেকে পর পর কয়েক বছর শ্রেষ্ঠ ব্র্যান্ডের স্বীকৃতি পায় ম্যাগি নুডলস। ২০১৮ সালে টানা নবমবার স্ন্যাকস ক্যাটাগরিতে ম্যাগি পায় শ্রেষ্ঠ ব্র্যান্ডের পুরস্কার। এই অজের্ন আবিদের রয়েছে বিশেষ অবদান।

নুডলস ক্যাটেগরিটি সবসময় অনেক প্রতিযোগিতাপূণর্। ক্রেতারা সবসময়ই চান কিছু নতুনত্ব আর বৈচিত্র্যময়তা। যার ফলে আবিদ ও তার টিম নিরলসভাবে কাজ করে থাকেন নিত্য-নতুন প্রডাক্ট বাজারে নিয়ে আসার। এই সব কারণে ম্যাগি নুডলসের রয়েছে শ্রেষ্ঠ জনপ্রিয়তা এবং পরিচিতি।

নেসলের সহকমীের্দর কাছে আবিদ ভীষণ জনপ্রিয়। সাইকোলজিক্যাল কো-অডিের্নশনে আবিদ বেশ পারদশীর্। সবসময় শেখার মনমানসিকতা নিয়ে থাকেন ফলে নতুন সমস্যার চ্যালেঞ্জকে মোকাবিলা করেন সানন্দে। সদা উদ্যমী ও প্রাণোচ্ছল এই মানুষটি সামাজিক দায়িত্ব পালনেও এগিয়ে যান। পরিবারে কাছেও তিনি আদশর্ মানুষ। মোটকথা বলা যায়, তিনি একজন সৃজনশীল উদ্যমী এবং অনুকরণীয় একজন মানুষ।
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত
close

উপরে