বৃহস্পতিবার, ২৩ মে ২০২৪, ৯ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১

মার্কেট দখলের চেষ্টা, আদালতে মামলা

যাযাদি ডেস্ক
  ০১ এপ্রিল ২০২৩, ১৬:৩১
আপডেট  : ০১ এপ্রিল ২০২৩, ১৭:১৫
মার্কেট দখলের চেষ্টা, আদালতে মামলা

মৌচাক মালিবাগে ‘লিলি প্লাজা’ মার্কেট দখলচেষ্টার অভিযোগ উঠেছে। মালিক মির্জা মোসলেমা আক্তারকে হুমকিসহ মার্কেটটি দখলচেষ্টার অভিযোগ উঠেছে ভিভো বিল্ডার্স লি. এর এমডি জুয়েল মুন্সী ও চেয়ারম্যান আব্বাস উদ্দিনের বিরুদ্ধে।

এমন অভিযোগে গত ১৪ ফেব্রুয়ারি ঢাকার ১ম যুগ্ম জেলা জজ আদালতে মামলা করেছে ভুক্তভোগী পরিবার। মামলা নং-১৫৩। এরপর ১৭ ফেব্রুয়ারি রমনা থানায় একটি সাধারণ ডায়েরিও করা হয়েছে। জিডি নং-১০৫৯।

মামলা সূত্রে জানা যায়, লিলি প্লাজা মার্কেটের ওয়ারিশ সূত্রে মালিক মোসলেমা আক্তার মির্জা, তার ছেলে মির্জা মুন্নাফ বেগ ও কন্যা নাহরিন মির্জা। মার্কেটটি ভেঙে বহুতল ভবন নির্মাণ করতে গত বছরের ৪ এপ্রিল ভিভো বিল্ডার্সের সাথে চুক্তিবদ্ধ হয়। চুক্তির শর্ত মোতাবেক মোসলেমা আক্তার ও তার ছেলে ডেভেলপার কোম্পানির এমডি জুয়েল মুন্সীকে দলিল-মূলে রেজিস্ট্রি পাওয়ার দেয়। এমনকি, নাহরিন মির্জা বিগত গত বছরের ২৬ জুন দলিল-মূলে রেজিস্ট্রি পাওয়ার দেয়। কিন্তু ভিভো বিল্ডার্স চুক্তির শর্ত ভঙ্গ করে তাদের সাথে প্রতারণা করার কারণে গত বছরের ১ ডিসেম্বর পাওয়ার অব অ্যাটর্নি আইনে ‘২০২২ এর ৩ উপধারা’ মোতাবেক পাওয়ার-নামা দলিল দুটি বাতিলের জন্য লিগ্যাল নোটিশ দেয়। চলতি বছরের ১৪ ফেব্রুয়ারি ঢাকা জেলার ১ম যুগ্ম জেলা জজ আদালতে উপরোক্ত দুটি রেজিস্ট্রি পাওয়ার-নামা দলিল বাতিলের জন্য দেওয়ানী মোকদ্দমা (নং-১৫৩/২০২৩) দায়ের করেছে মোসলেমা আক্তার মির্জা।

মার্কেট সূত্র থেকে জানা যায়, ভিভো ডেভেলপার কোম্পানির চেয়ারম্যান আব্বাস উদ্দিন আহমেদ ও ম্যানেজিং ডাইরেক্টর জুয়েল মুন্সীর সাথে লিলি প্লাজার মালিকপক্ষ মোসলেমা আক্তার মির্জার সাথে গত বছরের ৪ এপ্রিল ১৪ তলা ভবন নির্মাণে শর্তসাপেক্ষে দ্বিপাক্ষিক চুক্তি করে। সেখানে বলা ছিল, সাইনিং মানির ৬ কোটি টাকা তিন কিস্তিতে পরিশোধ করা হবে। প্রথম কিস্তির ২ কোটি টাকা আম-মোক্তার নামা দলিল হওয়ার পর দেওয়ার কথা থাকলেও মাত্র ১৩ লাখ টাকা এবং দুটো দোকানের অগ্রিম গ্রহণ পরিশোধ বাবদ ২০ লাখ থেকে ১০ লাখ টাকা প্রদান করে। বাকি টাকার বিপরীতে আইএফআইসি ব্যাংকের ৪টি চেক দিলেও সবকটি ডিজওনার হয়। অর্থাৎ ভিভো নামধারী ডেভেলপার কোম্পানি থেকে লিলি প্লাজার মালিক পক্ষ মোসলেমা আক্তার মির্জা শুধুমাত্র তের লাখ টাকা ছাড়া আর কোনও টাকা-পয়সা পায়নি। ডেভেলপার কোম্পানি শর্তানুযায়ী কোনও টাকা-পয়সা না দিয়ে রাতের বেলায় এলাকার কিছু ভাড়াটিয়া বাহিনী নিয়ে লিলি প্লাজায় একটি সাইনবোর্ড টানিয়ে দেয়। এরা লিলি প্লাজার দোকান ও অফিসের লোকজনদের ভয়ভীতি দেখিয়ে তাদের প্রতিষ্ঠান ছেড়ে চলে যেতে বলে। লিলি প্লাজার মালিক মোসলেমা আক্তার পরিবারকে ভাড়া দিতে নিষেধ করে। আর এসব কারণে মির্জা মোসলেমা আক্তার পরিবার লিলি প্লাজার ভাড়া ঠিকমত আদায় করতে পারছে না- এমনটি জানিয়েছে মার্কেট মালিক পরিবার।

এ বিষয়ে জানতে ভিভো কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগযোগের চেষ্টা করেও মন্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি।

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়