শনিবার, ২৬ নভেম্বর ২০২২, ১১ অগ্রহায়ণ ১৪২৯

ইবির ঝাল চত্বরের প্রশান্তি

ম মোতালেব বিশ্বাস লিখন
  ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২২, ০০:০০
ইবির ঝাল চত্বরের কথা মনে পড়লেই মনে পড়ে কড়া ঝাল দিয়ে মুড়ি মাখানো, গরম গরম শিঙ্গাড়া, পুরি আর পেঁয়াজু। মনে পড়ে লাল চায়ের আড্ডায় মেতে থাকা সারাক্ষণ। সব মিলিয়ে বলা যায় ঝাল চত্বর যেন একটি মানসিক প্রশান্তির জায়গা ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের কাছে। ক্যাম্পাসের আড্ডা দেওয়ার জায়গাগুলোর মধ্যে সবার প্রিয় একটি জায়গা ঝালচত্বর। ক্যাম্পাস খোলার দিনগুলোতে সকাল ৯টা থেকে শিক্ষার্থীদের আনাগোনা শুরু হয়। তারপর বেলা যত বাড়তে থাকে ঝালচত্বর তত শিক্ষার্থীদের পদচারণায় মেতে উঠতে থাকে। তাছাড়া কুষ্টিয়া ও ঝিনাইদহ থেকে আসা শিক্ষার্থীদের ক্যাম্পাসের বাসগুলোও এই ঝালচত্বরে এসে থামে। এতে ঝালচত্বর এখন ক্যাম্পাসের প্রাণকেন্দ্রে পরিণত হয়েছে। দিন দিন গরমের তীব্রতা যেন বেড়েই চলেছে। তেমনি করে দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের অন্যতম শ্রেষ্ঠ বিদ্যাপীঠ ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ও গরমের হাত থেকে রেহাই পায়নি। দিন শুরু হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে দেখা যায় গরমের কি প্রভাব। আর এই গরমে ক্লাসের ফাঁকে একটু প্রশান্তির আশায় ভিড় করতে দেখা যায় ক্যাম্পাসের ঝালচত্বর, বটতলা, আমতলা ও ডায়না চত্বরে। তবে এগুলোর মধ্যে অবশ্য সবার প্রিয় ঝালচত্বর। এছাড়া ঝালচত্বরটি ক্যাম্পাসের মাঝামাঝি অবস্থান হওয়ায় এখানে আসতে সবার সুবিধা হয়। শিক্ষার্থীরা এ চত্বরে এসে গাছের ছায়ায় বিভিন্ন কর্মকান্ডে ব্যস্ত হয়ে পড়ে। কেউ কেউ বন্ধুদের সঙ্গে মেতে ওঠে কঠিন আড্ডায়। কাউকে দেখা যায় তার বিভাগের কয়েকজন মিলে গ্রম্নপ স্টাডি করছে। কেউ আবার ঝালচত্বরের কড়া ঝাল দিয়ে ঝাল-মুড়ি খাচ্ছে। কেউবা বন্ধু-বান্ধবী নিয়ে মেতে উঠেছে গানের আড্ডায়। কেউবা আসে এখানে গাছের ছায়ায় একটুখানি শীতল বাতাসের আশায়। আবার কেউ আসে বন্ধু-বান্ধবীদের সঙ্গে গরম গরম শিঙ্গাড়া-পুরি খেতে। এছাড়া এখানে আরও কিছু মুখরোচক খাবার দেখা যায় এগুলোর মধ্যে কিছু হলো কলা, বাদাম, ছোলা, আমড়া, বাতাবি লেবু, কামরাঙ্গা, পেয়ারা, ডাব, ঠান্ডা লেবুর শরবতসহ সব মৌসুমী ফল। আর এভাবেই ক্যাম্পাসের পুরো সময়টা আনন্দে কাটে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের ঝালচত্বরপ্রেমীদের।
  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

উপরে