logo
মঙ্গলবার, ১৪ জুলাই ২০২০, ৩০ আষাঢ় ১৪২৬

  মো. জাহানুর ইসলাম   ০৯ মার্চ ২০২০, ০০:০০  

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়

তন্দুরি চায়ের মোহিত স্বাদ আস্বাদন

তন্দুরি চায়ের মোহিত স্বাদ আস্বাদন
ঢাকা শহরে তন্দুরি রুটির কথা জানে না এমন লোক খুঁজে পাওয়া একটু কঠিনই হবে বৈকি; কিন্তু তন্দুরি চায়ের ক্ষেত্রে কথাটা যেন ঠিক উল্টো। বাংলাদেশে তন্দুরি চা একেবারেই নতুন। তাই তন্দুরি চা সম্পর্কে মানুষজন খুব একটা জানে না। আজ থেকে প্রায় আড়াই মাস আগে পুরান ঢাকার স্থানীয় বাসিন্দা মো. আজাদ লক্ষ্ণীবাজারে তন্দুরি চায়ের প্রথম স্টল দেন। তার মতে, বাংলাদেশে তিনিই প্রথম।

একুশে বইমেলার সুবাদে পুরান ঢাকার সোনিয়া আক্তারের সঙ্গে পরিচয়। পরিচয়ের সূত্র ধরেই কথাবার্তা। তারই মাধ্যমে প্রথম তন্দুরি চায়ের কথা জানতে পারি। তারই মুখে তন্দুরি চায়ের স্বাদ সম্পর্কেও অবগত হই। তন্দুরি চা সম্পর্কে যতই শুনি ততই কৌতূহল বাড়তে থাকে। এক সময় মনে হলো এই চায়ের স্বাদ নিতে না পারলে কৌতূহলী মনের ঝটপটানি কমবে না। তাই পরিকল্পনা করি- যে করেই হোক তন্দুরি চায়ের স্বাদ আস্বাদন করতেই হবে। আমার মনোভাব বুঝতে পেরে সোনিয়া আমাকে তন্দুরি চায়ের আমন্ত্রণ জানায়। সাদরে গ্রহণ করি তার আমন্ত্রণ। যে কারণে পুরান ঢাকায় আর যাওয়া হচ্ছিল না, সম্ভবও হচ্ছিল না তন্দুরি চায়ের স্বাদ নেয়াও। এরই মাঝে ২ মার্চ বিকালে সোনিয়া ফোন করে সন্ধ্যায় আমন্ত্রণ জানায়। তাই ব্যস্ততার মাঝেও সময় বের করে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ও বাংলাদেশ তরুণ কলাম লেখক ফোরাম, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সহসাংগঠনিক সম্পাদক আমজাদ হোসেন হৃদয়, তরুণ কবি আরিফ ইকবাল নূরকে সঙ্গে নিয়ে আমি সন্ধ্যায় লক্ষ্ণীবাজারে উপস্থিত হই। সেখানে সোনিয়া ও তৃষ্ণা আমাদের স্বাগতম জানান। সেখান থেকে সরাসরি চলে যাই 'টি অ্যান্ড ট্রিট '-এর স্টলে, যেটি তন্দুরি চায়ের দোকান নামেই বেশি পরিচিত। আমরা তন্দুরি চায়ের স্বাদ নেওয়ার আগে গিলা কলিজা দিয়ে পরোটা খেয়ে নিই। এ যেন মজার ভেতর আরেক মজা।

তন্দুরি চা মাটির পেয়ালায় দেওয়া হয়। আমাদেরও একই পাত্রে দেওয়া হলো। মনের সুখে চা পান করি। ওহ! ওয়াও, অসাধারণ- আমজাদের উক্তি। সত্যি বলতে অন্যান্য চা থেকে তন্দুরি চায়ের ফ্লেভার ছিল সত্যিই অসাধারণ, একদমই আলাদা- যা মনে রাখার মতো একটি বিষয়। কথা বলি বাংলাদেশে তন্দুরি চায়ের কারিগর আজাদের সঙ্গে। তিনি জানান, তন্দুরি চা কলকাতায় অনেক আগে থেকে পাওয়া গেলেও বাংলাদেশে এটাই প্রথম। তিনি স্বপ্ন দেখেন একদিন বাংলাদেশের আনাচে-কানাচে তন্দুরি চায়ের কথা ছড়িয়ে পড়বে।
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত
close

উপরে