ওয়াইফাইয়ের প্রয়োজনীয়তা

ওয়াইফাইয়ের প্রয়োজনীয়তা

ওয়াইফাই হলো তারবিহীন স্বাধীন নেটওয়ার্ক যা আপনাকে বাড়িতে, হোটেল রুম, কনফারেন্স রুম সর্বত্রই তারবিহীন অবস্থায় ইন্টারনেট জগতে প্রবেশের অনুমতি দেয়। মূলত এটি একটি ওয়্যারলেস টেকনোলজি যা সেলফোনের মতো কাজ করে। ওয়াইফাইয়ের পূর্ণরূপ হলো ডরৎবষবংং ঋরফবষরঃু।

ওয়াইফাই ব্যবহার করে করপোরেট নেটওয়ার্ক থেকে ফাইল দেখা, উপস্থাপন করা, সহকর্মীদের কাছে ইন্সট্যান্ট ম্যাসেজ পাঠানোসহ এমনকি ডকুমেন্ট প্রিন্টও করা যায়।

ওয়াইফাই নেটওয়ার্কের মাধ্যমে ফ্যামিলি কম্পিউটারের সঙ্গে যেমন হার্ডওয়্যার, সফটওয়্যার রিসোর্স, প্রিন্টার এবং ইন্টারনেট শেয়ার করা যায়। ওয়াইফাই তথ্য পাঠায় ২.৪ গিগাহার্টজ বা ৫ গিগাহার্টজ কম্পাঙ্কে (ফ্রিকোয়েন্সি)। এর কম্পাঙ্ক অনেক বেশি বলে এটি অনেক তথ্য আদান-প্রদান করতে পারে।

আমাদের দেশে ল্যাপটপ, স্মার্টফোন ও ট্যাবের জনপ্রিয়তা দিন দিন বেড়েই চলেছে। সঙ্গে বেড়েছে ডেস্কটপ কম্পিউটার ছাড়াও ইন্টারনেটের ব্যবহার, ফলে ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট সংযোগটি ওয়াইফাই রাউটারের মাধ্যমে ব্যবহার করছেন অনেকেই। ওয়াইফাই নেটওয়ার্কে ডিভাইস শেয়ারের মাধ্যমে অর্থনৈতিকভাবে সাশ্রয়ী হতে পারেন। যেমন প্রতিটি কম্পিউটারে সব সময় নেটওয়ার্কের প্রয়োজন নেই, এ ক্ষেত্রে ল্যাপটপ বা পিসির পিসি কার্ড, মোবাইল কম্পিউটিংয়ের ইউএসবি রেডিও/অ্যাডাপ্টার শেয়ার করা যায়।

ব্যবহারে আপনি ওয়াইফাই নেটওয়ার্কে হাইস্পিড ইন্টারনেট ব্যবহার করতে পারেন। বিভিন্ন ধরনের ইন্টারনেট কানেকশন রয়েছে, যেমন- ব্রডব্যান্ড, এডিএসএল, ওয়াইম্যাক্স প্রভৃতি। এ ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট কানেকশন থেকে গেটওয়ে অথবা এক্সেস পয়েন্টে কানেক্ট হতে পারেন এবং ওয়াইফাই নেটওয়ার্কে তা ডিস্ট্রিবিউট করা যায়।

এ ছাড়া যদি আপনার কম্পিউটারটি একটি ওয়াইফাই পিসি কার্ডের সঙ্গে সংযুক্ত থাকে তাহলে যদি আপনার আশপাশে কোনো ওয়াইফাই হটস্পট থাকে তাহলে সেই নেটওয়ার্কের সঙ্গে সংযোগ স্থাপন করে ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েব কানেকশন পাওয়া যাবে। ওয়াইফাই যেহেতু একটি তারবিহীন প্রযুক্তি, তাই আপনার সমগ্র অফিস স্থানান্তর ছাড়াই, নেটওয়ার্কিং ইনস্টলের ইনভেস্টমেন্টের কোনো ঘাটতি ছাড়াই এমনকি অতিরিক্ত স্টাফ ছাড়াই ওয়াইফাই টেকনোলজিতে সংযুক্ত হতে পারে।

  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত

আরও খবর

Copyright JaiJaiDin ©2021

Design and developed by Orangebd


উপরে