ডেটা বহনের জন্য একটি ছোট্ট ও সুন্দর প্রযুক্তি পেনড্রাইভ

ডেটা বহনের জন্য একটি ছোট্ট ও সুন্দর প্রযুক্তি পেনড্রাইভ

সহজে ডেটা বহন করার জন্য পেনড্রাইভের কোনো বিকল্প নেই। এটি অবশ্য ফ্ল্যাশ ড্রাইভ নামেও পরিচিত। এটি ডেটা বহনের জন্য একটি ছোট্ট ও সুন্দর প্রযুক্তি। মূলত ইউএসবি ফ্ল্যাশ ড্রাইভ ফ্ল্যাশ ডেটা স্টোরেজ ডিভাইস এবং ইউএসবি ইন্টারফেসের সমন্বয়ে গঠিত এটি। ইউএসবি ফ্ল্যাশ ড্রাইভ সাধারণত সিস্টেম থেকে বিচ্ছিন্নকরণযোগ্য এবং এতে আবার ডেটা লেখা যায়। এটি বাহ্যিকভাবে ফ্লপি ড্রাইভ থেকে অনেক ছোট। অধিকাংশ ইউএসবি ফ্ল্যাশ ড্রাইভ ওজনে ৩০ গ্রাম এর চেয়ে কম। আকার ও খরচ ঠিক রেখে ২০১০ সালে ২৫৬ গিগা বাইট ধারণক্ষমতা পর্যন্ত ইউএসবি ফ্ল্যাশ ড্রাইভ তৈরি করা সম্ভব হয়েছে। কিছু ইউএসবি ফ্ল্যাশ ড্রাইভ ১০ বছর পর্যন্ত ডেটা ধরে রাখতে পারে।

ট্রেক টেকনোলজি এবং আইবিএম সর্বপ্রথম ইউএসবি ফ্ল্যাশ ড্রাইভ বাজারে ছাড়ে ২০০০ সালে। ট্রেক টেকনোলজি একটি সিঙ্গাপুরের কোম্পানি। ট্রেক টেকনোলজি কর্তৃক প্রথম বাজারজাতকৃত ব্র্যান্ডের নাম 'থাম্ব ড্রাইভ'। আইবিএম কর্তৃক বাজারজাতকৃত প্রথম ফ্ল্যাশ ড্রাইভের নাম ছিল 'ডিস্কঅনকি'। এটি একটি ইসরাইলি কোম্পানি এম-সিস্টেমস কর্তৃক উদ্ভাবিত। উত্তর আমেরিকায় ইউএসবি ফ্ল্যাশ ড্রাইভ পাওয়া যায় ২০০০ সালের ১৫ ডিসেম্বর। প্রথম 'ডিস্কঅনকি'-এর ধারণক্ষমতা ছিল ৮ মেগাবাইট। ট্রেক টেকনোলজি এবং নেটাক টেকনোলজি উভয় কোম্পানি তাদের কৃতিস্বত্ব ধরে রাখার চেষ্টা করে। যুক্তরাজ্যের একটি আদালত ট্রেক টেকনোলজির কৃতিস্বত্ব বাতিল করে।

ফিশন ইলেক্ট্রনিক্স করপোরেশন সর্বপ্রথম বিচ্ছিন্নকরণযোগ্য ইউএসবি ফ্ল্যাশ ড্রাইভ তৈরি করে এবং 'পেন ড্রাইভ' নামে প্রচলন করে। আধুনিক ফ্ল্যাশ ড্রাইভে ইউএসবি ২.০ সংযোগ থাকে। ইউএসবি ২.০ সংযোগের সর্বোচ্চ ডেটা স্থানান্তর গতি ৬০ মেগা বাইট/সেকেন্ড। তবে অধিকাংশ ফ্ল্যাশ ড্রাইভের ডেটা পড়ার গতি ২০ মেগাবাইট/সেকেন্ড, এবং ডেটা লেখার গতি ১০ মেগাবাইট/ সেকেন্ড।

ফ্লাশ ড্রাইভের অভ্যন্তরে ইউএসবি সংযোজক, ইউএসবি ব্যাপক ভান্ডার নিয়ন্ত্রক ডিভাইস, পরীক্ষাকারী পিন, ফ্ল্যাশ স্মৃতি, স্ফটিক স্পন্দক, এলইডি, লিখন-নিয়ন্ত্রণ চাবি রয়েছে। সাম্প্রতিক সময়ে ইউএসবি ৩.০ প্রযুক্তির পেনড্রাইভ বাজারে আসায় তথ্য আদান-প্রদানে এসেছে ব্যাপক পরিবর্তন। বর্তমানে ডিজিটাল দুনিয়ায় ছাত্র বা কর্মজীবনে পেনড্রাইভ একটি অপরিহার্য অংশ। যাবতীয় সবকিছুর জন্য পেনড্রাইভ প্রয়োজন হয়। পেনড্রাইভ কেনার ক্ষেত্রে সর্বপ্রথম এর ডেটা সিকিউরিটির বিষয়টি প্রাধান্য দেওয়া উচিত। এ ছাড়া ডেটা ট্রান্সফার রেট, ডেটা ধারণক্ষমতা, দীর্ঘস্থায়িত্ব, বিক্রয়োত্তর সেবা, পানি নিরোধী এবং বিদু্যৎ প্রতিরোধক কিনা এই বিষয়গুলো জেনে নেওয়া উচিত।

  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত

আরও খবর

সকল ফিচার

রঙ বেরঙ
উনিশ বিশ
জেজেডি ফ্রেন্ডস ফোরাম
নন্দিনী
আইন ও বিচার
ক্যাম্পাস
হাট্টি মা টিম টিম
তারার মেলা
সাহিত্য
সুস্বাস্থ্য
কৃষি ও সম্ভাবনা
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি

Copyright JaiJaiDin ©2021

Design and developed by Orangebd


উপরে