logo
সোমবার, ২৬ অক্টোবর ২০২০ ১১ কার্তিক ১৪২৭

  অনলাইন ডেস্ক    ১০ সেপ্টেম্বর ২০২০, ০০:০০  

সংবাদ সংক্ষেপ

মুনমুনকে ক্ষমা চাইতে আইনি নোটিশ

তারার মেলা রিপোর্ট

মসজিদের সামনে আপত্তিকরভাবে নাচ-গানকে নাজায়েজ ও বাংলাদেশের আইনবহির্ভূত উলেস্নখ করে ক্ষমা চাইতে চিত্রনায়িকা মুনমুনকে আইনি নোটিশ পাঠানো হয়েছে। বুধবার নোটিশ প্রেরণকারী সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী মেহেদী হাসান এ তথ্য জানিয়েছেন। নোটিশে বলা হয়েছে, ৪ সেপ্টেম্বর টাঙ্গাইলের সখীপুর পৌরশহরে স্থানীয়দের আমন্ত্রণে নৌকা ভ্রমণে যান চিত্রনায়িকা মুনমুন। ভ্রমণ শেষে বাজার মসজিদের সামনে সাউন্ড সিস্টেম বাজিয়ে নায়িকা মুনমুনকে নিয়ে নাচের আসর বসানো হয়। পরে নাচের ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে তা নিয়ে সমালোচনার ঝড় ওঠে। তাই নোটিশ পাওয়ার ৩ দিনের মধ্যে মসজিদের সামনে নাচ-গান পরিবেশনের জন্য দুটি জাতীয় দৈনিক পত্রিকায় মুনমুনকে ক্ষমা ও দুঃখ প্রকাশ করতে বলা হয়েছে। অন্যথায় তার বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

অনুদানের ছবিতে বড়দা মিঠু

তারার মেলা রিপোর্ট

মাহমুদুল ইসলাম মিঠু। শোবিজের সবাই ডাকেন 'বড়দা মিঠু'। দুই যুগেরও বেশি সময় ধরে অভিনয় করছেন। সরকারি অনুদানের ছবিতে যুক্ত হলেন এ অভিনেতা। ২০১৯-২০ অর্থবছরে পূর্ণদৈর্ঘ্য বিভাগে ৫০ লাখ টাকা অনুদান পেয়েছে 'ছায়াবৃক্ষ'। অনুপম কুমার বড়ুয়ার প্রযোজনায় ছবিটি পরিচালনা করবেন বন্ধন বিশ্বাস। এই ছবির জন্য অভিনয়শিল্পী চূড়ান্ত করার প্রক্রিয়া চলছে। সেই পরিপ্রেক্ষিতে এবার অভিনেতা 'বড়দা মিঠু'কে চূড়ান্ত করা হয়েছে। 'ছায়াবৃক্ষ'র কাহিনি, সংলাপ ও চিত্রনাট্য তানভীর আহমেদ সিডনির লেখা। এর গল্প চা শ্রমিকদের জীবনের সুখ-দুঃখ, হাসি-কান্না নিয়ে। অনুদানের ছবি প্রসঙ্গে বড়দা মিঠু বলেন, 'চা বাগানের সর্দারের চরিত্রে আমাকে দেখা যাবে। গল্পটা বেশ চমৎকার। আশা করছি দর্শক নতুন একটি চরিত্রে আমাকে দেখতে পাবে। আমার চরিত্র উপস্থাপনায় বরাবরই ভিন্নতা থাকে। এবারও ব্যতিক্রম হচ্ছে না। সব সময় চ্যালেঞ্জিং চরিত্রে কাজ করতে চাই।' বড়দা মিঠু প্রধান একটি চরিত্রে অভিনয় করবেন। ছবিটিতে আরও অভিনয় করার কথা রয়েছে নিরব, বড়দা মিঠু, ইকবাল আহমেদসহ অনেক চেনামুখ। অনুপম কথাচিত্রের ব্যানারে আগামী মাসেই ছবিটির শুটিং শুরু হবে।

দ্বন্দ্ব উসকে

দিচ্ছেন কঙ্গনা!

তারার মেলা ডেস্ক

বলিউডের বিতর্কিত অভিনেত্রী কঙ্গনার অফিস ভেঙে দিয়েছে মুম্বাই পুলিশ। সেই অপমান সহ্য করতে না পেরে রাগে-ক্ষোভে নিজের উপর নিয়ন্ত্রণ হারিয়েছেন তিনি। এর আগে মুম্বাইকে পাকিস্তানের কাশ্মীর বলে সবার ঘৃণার পাত্র হওয়া অভিনেত্রী এখন মুম্বাই পুলিশকে মুঘল সাম্রাজ্যের প্রতিষ্ঠাতা বাবরের সঙ্গে তুলনা করে অপমান করতে চাইলেন। ভারতের মহারাষ্ট্র বলা হয় মুম্বাইকে। এ রাজ্যের সরকারের সঙ্গে দ্বন্দ্বে জড়িয়ে বিক্ষোভের মুখে মুম্বাইয়ে আসতে চলেছেন কঙ্গনা। এর মধ্যেই অভিনেত্রীর সাধের অফিস ভাঙতে শুরু করেছে বৃহন্মুম্বই পৌরসভা (বিএমসি)। তা নিয়ে হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছেন কঙ্গনা। সেই সঙ্গে মুম্বাই পুলিশকে মুঘল সাম্রাজ্যের প্রতিষ্ঠাতা বাবরের সঙ্গে তুলনা করে নিজের অফিসকে রামমন্দির বলে দাবি করলেন। এতে নতুন করে ট্রলের শিকার হয়েছেন 'কুইন' খ্যাত এই তারকা। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অনেকেই কঙ্গনাকে পরামর্শ দিচ্ছেন, মুখ সামলে রাখার জন্য। নিজে অন্যায় করে মানুষকে ন্যায়ের শিক্ষা দিতে আসা হাস্যকর অভ্যাস রয়েছে কঙ্গনার, এমনটাও বলছেন অনেকে। অনেকে আবার বলছেন, মানুষকে ভুল বুঝিয়ে সস্তা আবেগ কাজে লাগিয়ে উসকানি দিতে জুড়ি নেই কঙ্গনার। নিজের অফিস বাঁচাতেও সেই একই অস্ত্র ব্যবহার করতে চাইছেন তিনি।

সেজন্য নিজের অফিসকে সবার সামনে রামমন্দির হিসেবে দাবি করছেন। আর মুম্বাই পুলিশকে সম্রাট বাবর আখ্যা দিয়েছেন। যেখানে তাকে তিনি বর্বর বা অত্যাচারী হিসেবে ইঙ্গিত দিয়েছেন। এই মন্তব্যে তিনি 'হিন্দু-মুসলিম' দ্বন্দ্ব উসকে দিলেন। জানা গেছে, বেআইনি নির্মাণের অভিযোগ তুলে গত মঙ্গলবার পালি হিলে কঙ্গনার মণিকর্ণিকা ফিল্মসের একটি দপ্তরের বাইরে নোটিশ ঝুলিয়ে দেয় মুম্বাই পৌরসভা। ২৪ ঘণ্টার মধ্যে সেই নোটিশের জবাব দিতে বলা হয়েছিল অভিনেত্রীকে। বুধবার সকাল পর্যন্ত জবাব না পেয়ে এ দিন দুপুরে বুলডোজার নিয়ে অফিস ভাঙার কাজ শুরু করে দেয় বিএমসি। ওই অফিসের বাইরে মোতায়েন করা হয় পুলিশ বাহিনীও। এদিকে, হিমাচল প্রদেশের বাড়ি থেকে মুম্বাই রওয়ানা হওয়ার আগে অফিস ভাঙার জন্য প্রতিবাদ জানিয়ে টুইটারে সরব হন কঙ্গনা। তিনি লেখেন, 'মণিকর্ণিকা ফিল্মজের অধীনে প্রথমে অযোধ্যা নামের একটি ছবির ঘোষণা হয়। আমার জন্য সেটি শুধুমাত্র ইট-পাথরের কোনো ইমারত নয় বরং রামমন্দিরের সমান। আজ সেখানে বাবর এসেছে। ফের ইতিহাসের পুনরাবৃত্তি হচ্ছে। ফের ভাঙা হবে রামমন্দির। কিন্তু একটা কথা মনে রেখো বাবর, মন্দির ফের গড়ে উঠবেই। জয় শ্রী রাম, জয় শ্রী রাম।' মণিকর্ণিকা ফিল্মজের দপ্তরের বাইরে মোতায়েন পুলিশের একটি ছবি পোস্ট করে কঙ্গনা আরও লেখেন, 'বাবর এবং তার বাহিনী। গণতন্ত্রকে মেরে ফেলা হচ্ছে।' এ দিন মুম্বাইকে পাকিস্তানের সঙ্গেও তুলনা করেন কঙ্গনা। বিএমসি সূত্রে জানা গেছে, শুধু তার অফিসকে ধূলিসাৎ করেই থামবে না তারা। এরপর অভিনেত্রীর বিরুদ্ধে ক্রিমিনাল অ্যাকশনও আনা হবে। তবে কি আরও কঠিন সময় অপেক্ষা করছে অভিনেত্রীর জন্য?

অভিনেতা সুশান্ত সিংহ রাজপুতের মৃতু্যর তদন্তে মুম্বাই পুলিশের ভূমিকা নিয়ে শুরু থেকেই সরব কঙ্গনা।
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত

সকল ফিচার

রঙ বেরঙ
উনিশ বিশ
জেজেডি ফ্রেন্ডস ফোরাম
নন্দিনী
আইন ও বিচার
ক্যাম্পাস
হাট্টি মা টিম টিম
তারার মেলা
সাহিত্য
সুস্বাস্থ্য
কৃষি ও সম্ভাবনা
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি
close

উপরে