logo
রোববার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২০ ৫ আশ্বিন ১৪২৭

  অনলাইন ডেস্ক    ০৪ জানুয়ারি ২০২০, ০০:০০  

'বই উৎসব' এক অনন্য উৎসব শুকদেব মজুমদার

এ উৎসব বা বিনামূল্যে বই বিতরণ যখন ছিল না, তখন বাজারে নতুন বই আসতে মার্চ পর্যন্ত সময় লেগে যেত। উচ্চতর শ্রেণির সহপাঠী বা আত্মীয়-স্বজনের কাছ থেকে জীর্ণশীর্ণ বা পুরনো বই এনে বা কিনে পড়তে হতো, অনেকের শেষ পর্যন্ত তাতেই সন্তুষ্ট থাকতে হতো, কারণ কেনার সামর্থ্য ছিল না। এসব দৈন্য, সীমাবদ্ধতা বা শিক্ষাক্ষেত্রের অস্বতঃস্ফূর্ততা এখন মুছে গেছে। এখন শিক্ষার্থীদের কাছে বছরের শুরুতেই পরম উপহার হয়ে আসে নতুন বই।

নানা দেশে নানা উৎসব পালিত হয়। বাংলাদেশ তার ব্যতিক্রম নয়, যা একান্তভাবেই ইতিবাচক। বাংলাদেশে অনেক উৎসব পালিত হয়, যেগুলোর বিভিন্ন নাম রয়েছে অন্তর্গত বৈশিষ্ট্য, উৎপত্তি-ইতিহাস ও তার সঙ্গে সর্বসাধারণের সংযুক্তির প্রকার ও মাত্রা অনুসারে; যেমন সামাজিক উৎসব, ধর্মীয় উৎসব, জাতীয় উৎসব, প্রাণের উৎসব ইত্যাদি। উৎসবগুলোর কোনো কোনোটি 'মেলা' নামেও অভিহিত হয়ে থাকে। উৎসব বা মেলা শব্দটির মধ্যে বিশেষ এক ধরনের স্বতঃস্ফূর্ততা জড়িয়ে আছে, প্রাণের আবেগ ও সাধারণের সংশ্লিষ্টতার বিপুলতা রয়েছে এবং একটি নির্দিষ্ট সময় অন্তর অন্তর তার আবির্ভাব, উদযাপন বা অনুষ্ঠিত হওয়ার একটি পৌনঃপুনিকতা বা নিয়মতান্ত্রিকতা রয়েছে। যা 'অনুষ্ঠান' বা এরকম কোনো শব্দের মধ্যে পাওয়া যায় না। মূলত একটি অনুষ্ঠান যখন ওই রকম মাত্রা পায়, তখনই তা উৎসবে পরিণত হয়। উলেস্নখ্য, এখানে 'দিবস'লগ্ন কিছু নিয়মিত পালনীয় অনুষ্ঠানও রয়েছে আমাদের। যেগুলোর মধ্যে জাতীয় আনন্দ-বেদনা-গর্ব জড়িত রয়েছে। কেবল বেদনা জড়িত রয়েছে, এমন দিবস পালনও রয়েছে, যেমন জাতীয় শোক দিবস। স্বাধীনতা দিবস বা বিজয় দিবস পালন আমাদের জাতীয়ভাবে পালনীয় অনুষ্ঠান। কয়েকটি উৎসব রয়েছে, যেগুলো বাঙালির প্রাণের উৎসব নামে কথিত হয় এখন। যেমন- পহেলা বৈশাখ উদ্‌যাপন বা বাংলা নববর্ষ পালন, একুশের বইমেলা। এগুলো বাঙালির অনন্য উৎসব। আর একটি অনন্য উৎসব হলো 'বই উৎসব'। যেটি প্রাণের উৎসব- বিশেষত শিশুদের, স্কুল পড়ুয়াদের, জাতির সম্ভাবনাময় জনগোষ্ঠীর এক বিশেষ মূল্যবান অংশের- বাংলাদেশের আগামীদিনের কর্ণধারদের, ভবিষ্যতের। বাংলাদেশের জ্ঞানবিকাশের গতিপ্রকৃতি ও প্রচেষ্টার একটি উজ্জ্বল প্রতিফলক এটি, যার গুণগত ও প্রভাবসৃষ্টিকারী ব্যাপক ভূমিকা বৃদ্ধির চ্যালেঞ্জ আমাদের সামনে এখন- এমন মনে করতে হবেই। নতুবা এমন উৎসব থেকে কার্যকর ফল আহরণ ত্বরান্বিত, প্রোজ্জ্বল ও প্রভূত হবে না। জাতীর ভবিষ্যতের একটি বিশেষ প্রাণবন্ত অংশের কী ব্যাপক উদ্দীপনা এর সঙ্গে ইতোমধ্যে জড়িত হয়ে গেছে। এটি আমাদের বুঝতে হবে। এটিকে শিশুদের শুধু নয়- আমাদের সবার প্রাণের উৎসবে পরিণত করতে হবে। বর্তমান সরকারের সে প্রেক্ষিতে ভূমিকার কথা নিঃসন্দেহে স্বীকার করে নিতে হয়। শুধু কি শিশুদের উদ্দীপনা-সম্মিলন-আনন্দ-হাসিমুখ বিশ্বিত এ অনুষ্ঠান? শিক্ষক-অভিভাবক-শিক্ষাবিদ-লেকক-জনপ্রতিনিধি-প্রশাসন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান-জাতীয় প্রকাশনা-মুদ্রণ-সংশ্লিষ্ট এ এক অন্যরকমের সংযোগ-সম্মিলন-জ্ঞান-শিক্ষাগত আন্দোলন, যা বিশেষত সারা বাংলাদেশের প্রাথমিক ও মাধ্যমিক স্তরের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও সংশ্লিষ্টদের আন্দোলিত করে, উৎসব-আনন্দ ও কর্মযজ্ঞের মধ্যদিয়ে যা প্রতিফলিত হয়। যার মূল শুভ সূচনা, প্রেরণাশক্তি ও উদ্দীপনা হলো ঢাকায় প্রধানমন্ত্রীর বই বিতরণ কর্মসূচির উদ্বোধন ও কেন্দ্রীয়ভাবে সে কর্মসূচির উৎসব হিসেবে পালন। এ উৎসব ২০১০ সাল থেকে শুরু হয় আজ পর্যন্ত বলবৎ রয়েছে কখনো কখনো কিছু রাজনৈতিক অস্থিরতার মধ্যেও। এবার ২০২০ সালের 'জাতীয় পাঠ্য পুস্তক উৎসব'। এর আগে ১০টি উৎসব হয়ে গেছে। এবারের উৎসবটি 'মুজিব বর্ষে'। কাজেই এক আলাদা ঐতিহাসিকতা পেল এবারের উৎসবটি। শিক্ষার্থীদের হাতে বই তুলে দিয়ে ২০২০ শিক্ষাবর্ষের বিনামূল্যে পাঠ্যপুস্তক বিতরণ অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা মঙ্গলবার (৩১/১২/১৯) গণভবনে বসে। যা উৎসব হিসেবে পালিত হয় ১ জানুয়ারি ২০২০-এ। বিনামূল্যে প্রাথমিক থেকে মাধ্যমিক স্তরের শিক্ষার্থীদের মধ্যে পাঠ্যপুস্তক বিতরণ, এমন নানা রঙের বেলুন, পায়রা উড়িয়ে, শিশুদের রঙিন চিত্রমালা শোভিত নতুন বই ঊর্ধ্বে তুলে ধরে, বর্ণাঢ্য আয়োজনের মধ্যদিয়ে 'বই উৎসব' পালন, সিয়েরা লিয়নের মতো হাতেগোনা দু-একটি দেশের কথা মনে রেখেও বলতে হয়, পৃথিবীতে অনন্য, যার সঙ্গে আবার নানা রকমের স্স্নোগান থাকে, যেমন- 'নতুন বছর নতুন দিন, নতুন বইয়ে হোক রঙ্গিন,' 'নতুন বইয়ের গন্ধ শুঁকে ফুলের মতো ফুটবো, বর্ণমালার গরব নিয়ে আকাশজুড়ে উঠব ইত্যাদি। এ উৎসব ইতোমধ্যেই বিশ্বের প্রশংসা অর্জন করেছে।

এ উৎসব বা বিনামূল্যে বই বিতরণ যখন ছিল না, তখন বাজারে নতুন বই আসতে মার্চ পর্যন্ত সময় লেগে যেত। উচ্চতর শ্রেণির সহপাঠী বা আত্মীয়-স্বজনের কাছ থেকে জীর্ণশীর্ণ বা পুরনো বই এনে বা কিনে পড়তে হতো, অনেকের শেষ পর্যন্ত তাতেই সন্তুষ্ট থাকতে হতো, কারণ কেনার সামর্থ্য ছিল না। এসব দৈন্য, সীমাবদ্ধতা বা শিক্ষাক্ষেত্রের অস্বতঃস্ফূর্ততা এখন মুছে গেছে। এখন শিক্ষার্থীদের কাছে বছরের শুরুতেই পরম উপহার হয়ে আসে নতুন বই।

নতুন বই গন্ধ ফুলের গন্ধকেও হার মানায় সম্ভবত শিশু শিক্ষার্থীদের কাছে। তাদের সারা জীবনের শিক্ষার ক্ষেত্রে সে গন্ধকে অটুট রাখাই হবে জাতীয় আকাঙ্ক্ষা। সে ক্ষেত্রে আমরা কতটুকু সফল হচ্ছি ক্রমাগত তার হিসাব রাখা, এবং তাতে সফলতার পালক ক্রমেই পরিয়ে দেয়াই হবে জাতীয় শিক্ষানীতি বা আদর্শ ও কর্মপ্রচেষ্টার লক্ষ্য। আমাদের জাতি হবে 'ফুলের গন্ধে ঘুম আসে না, একলা জেগে রই' ও সঙ্গে সঙ্গে 'বইয়ের গন্ধে ঘুম আসে না, একলা জেগে রই' মনোভাব ও অভ্যেসসংযুক্ত। বিনামূল্যে এমন উৎসবের মতো করে বই বিতরণ কেন হলো? নানা উদ্দেশ্য বা মূল্য নিহিত রয়েছে এর মধ্যে বা তা সাধিত হয়, হয়ে চলেছে এর মধ্যদিয়ে। বাংলাদেশের মতো একটি দেশের সব পরিবারের শিশু-কিশোরদের শিক্ষামুখী করার, তাতে উৎসাহিত করার সরকারের নানা প্রচেষ্টার একটি বিশেষ অংশ এটি। সহজেই হাতের কাছে তরতাজা বই এসে গেলে এবং তা যদি হয় বিনামূল্যে, কেবল অসচ্ছল অভিভাবক-শিক্ষার্থীরাই বা কেন, শিক্ষার প্রতি অনিচ্ছুক বা উদাসীন ধনাঢ্য অভিভাবক-শিক্ষর্থীদেরও তাতে আকর্ষিত বা উৎসাহিত হওয়ার কথা। এবং তাই হয়েছে, হচ্ছে। ঢিলেঢালা লেখাপড়া করা সাধারণ ঘরের শিক্ষার্থীরাও সতেজ হয়ে উঠেছে এর মধ্যদিয়ে। গ্রাম ও বস্তির ছেলেমেয়েদের কথা এ প্রসঙ্গে আগে মনে আসে। তাদের ড্রপ আউটের সংখ্যা এর মধ্যদিয়ে অনেক কমে গেছে। এ দেশে এখন পর্যন্ত শিক্ষার্থীদের কাছে, বিশেষ করে মাধ্যমিক পর্যায় পর্যন্ত, প্রধান শিক্ষা উপকরণ হলো বই। সেটি কোমলমতি শিক্ষার্থীদের কাছে পৌঁছানো পর্যন্ত রয়েছে নানা পর্যায়, নানা ব্যক্তি ও বিষয়ের সংশ্লিষ্টতা। রয়েছে একটি বিরাট অংকের অর্থ সংশ্লিষ্টতা। যা প্রায় এক হাজার কোটি। এ শিক্ষাবর্ষে ৪ কোটি ২৭ লাখ ৫২ হাজার ১৯৮ জন শিক্ষার্থীর জন্য ৩৫ কোটি ৩১ লাখ ৫৪ হাজার ৬৩৮ কপি বই ছাপা হয়েছে এনসিটিবির মাধ্যমে। এর মধ্যে প্রাক-প্রাথমিকের জন্য প্রায় ৬৭ লাখ, আর প্রাথমিকের জন্য প্রায় ৯ কোটি ৮৫ লাখ। মাধ্যমিকের জন্য ১৮ কোটির মতো, আর বাকি বই মাদ্রাসা ও কারিগরি শিক্ষার্থী ও ক্ষুদ্র নৃ-তাত্ত্বিক জনগোষ্ঠীর শিক্ষার্থীদের জন্য। এখানে বিশেষ উলেস্নখযোগ্য বিষয় হলো- প্রথম থেকে তৃতীয় শ্রেণি পর্যন্ত শেষোক্ত শ্রেণির শিক্ষার্থীদের জন্য নিজেদের ভাষায় (পাঁচটি) লেখা বই রয়েছে। আর ৭৫০ জন দৃষ্টিপ্রতিবন্ধী শিক্ষার্থীর জন্য ৯ হাজার ৫০৪টি বিশেষ ধরনের বই। বিভিন্ন সমাজ, শ্রেণি ও যোগ্যতার শিক্ষার্থীদের উপযোগী করে এমন বই প্রকাশ ও বিতরণের পেছনে সরকারের শিক্ষাক্ষেত্রে সদিচ্ছা, শিক্ষাপ্রসার এবং জ্ঞানমুখী সমাজ-রাষ্ট্র গঠনে নীতি ও প্রণোদনা-উদ্দীপনা-কর্মের একটি উলেস্নখযোগ্য মাত্রার চিত্র ও সফলতাকে আবিষ্কার করা যায় সহজেই।

নতুন বছরের বই বিতরণ কর্মসূচি উদ্বোধনকালে, যার আগে আবার প্রাথমিক ও ইবতেদায়ী শিক্ষা সমাপনী পরীক্ষা, জুনিয়র স্কুল সার্টিফিকেট ও জুনিয়র দাখিল সার্টিফিকেট পরীক্ষার ফলাফলের অনুলিপি প্রধানমন্ত্রীর হাতে তুলে দেয়া হয়, কী বলেছিলেন প্রধানমন্ত্রী? যা বলেছিলেন তার সঙ্গে ওই সদিচ্ছা ইত্যাদির কথাই অনেকটা প্রকাশ পেয়েছে। তিনি বলেছেন, সবাইকে শিক্ষাগ্রহণ করতে হবে, শিক্ষায় অধিকার সবার- এমনকি সমান তা। তা করার জন্য অনেকটা, বইয়ের বিনামূল্যের ব্যাপারটি এসেছে, এসেছে আরও কিছু বৃত্তি-উপবৃত্তি ও প্রণোদনাও। দারিদ্র্য দূর করতে শিক্ষার বিকল্প নেই। তিনি কারিগরি শিক্ষার কথাও বলেছেন। সহজে বা অল্প সময়ে বা বিশেষ কারণে লেখাপড়া স্থগিত বা শেষ হয়ে গেলেও যাতে জীবিকার অন্বেষণে বিপদে না পড়তে বা বেগ পেতে না হয়। বা শুধু ওই উদ্দেশ্যেই নয়, বিশেষ সফল কারিগরি শিক্ষা নিজ ও দেশের উন্নয়নে যাতে যথার্থ কাজে লাগে। তথ্যপ্রযুক্তির দিকে নজর দিতে বলেছেন তিনি বিশেষভাবে। ডিজিটাল বাংলাদেশের স্বপ্নের যে অনেক গভীরতা রয়েছে, তার মমার্থ এভাবে অর্জন করতে হবে। তিনি শিক্ষার সঙ্গে ইতিহাস-ঐতিহ্য সচেতন হতে বলেছেন। নিজ সংস্কৃতিসচেতন ও তার চর্চামুখী হতে বলেছেন। সোনার মানুষ বা মানুষের মতো মানুষ হতে বলেছেন। শিক্ষার এসডিজি-৪ ইত্যাদি গোলে এসব কথার সাক্ষাৎ পাওয়া যায়। যার সঙ্গে দেশপ্রেম থাকবে। থাকবে সৃজনশীলতা, মুক্তবুদ্ধির বিকাশ। খেলাধুলার প্রতিও তিনি আগ্রহী হওয়ার কথা বলেন। বই যাতে বিশেষ কোনো বোঝা না হয়ে ওঠে, তার দিকেও নজর দিতে বলেন। যার সঙ্গে খেলাধুলা, সংস্কৃতিচর্চা, ক্লাসের মাল্টিমিডিয়ামূলক ব্যবহার ইত্যাদি, শিক্ষকদের সহমর্মিতা, যোগ্যতা ও সদিচ্ছা বৃদ্ধি, অভিভাবকদের বুদ্ধি-বিবেচনা-আন্তরিকতা-সহযোগিতা যুক্ত রয়েছে। এবং অবশ্যই যুক্ত রয়েছে পাঠ্যপুস্তকের অন্তরাঙ্গিক যুগোপযুগীকরণ। কারিকুলামের আধুনিকায়ন। শিক্ষালাভের আরও অনেকরকমের সহজীকরণ। জাতীয় মানসের থাকবে যেখানে বিশেষভাবে প্রতিফলন, যতটা সম্ভব শিক্ষাব্যবস্থার বহুমুখিতা ইত্যাদির অপনোদনের মাধ্যমে। যে মানস আদিগন্ত বিস্তৃত থাকবে সোনার বাংলার স্বপ্নসৌধ পর্যন্ত। সে স্বপ্নের সূচনা করেছিলেন জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। বাংলাদেশর অভু্যদয়ে তার ভিত্তি রচিত হয়। কিছুদূর মাথাও তুলে দাঁড়ায় সে স্বপ্ন। কিন্তু তারপর? কী নাম দেবো সে স্বপ্নের? যা হোক, এখন সে অসমাপ্ত অবকাঠামো সৌধে রূপান্তরের পালা। দায়িত্ব আমাদের ওপর, এ জাতির ওপরে। স্থির পথের দিশা স্পষ্ট। অস্পষ্টতার কোনো কবলে পড়লে চলবে না। সেই ভিত্তি রচনার পরে সব শিশুর বাধ্যতামূলক অবৈতনিক শিক্ষা, চলিস্নশ লাখের মতো বিনামূল্যে বই ছাপানো আশি লাখ টাকায়, ৩৬ হাজারের বেশি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের জাতীয়করণ ১৯৭৩ সালে এবং তারপরে ২০০৯ সালে সব প্রাথমিক শিক্ষার্থীদের জন্য বিনামূল্যে বই বিতরণ, এবং তারপরে ২০১০ সালে তার বিশেষ প্রকাশ হলো 'বই উৎসব'। এবং এই ২০২০ সালে তার উদ্ভাস- যার ঔজ্জ্বল্য অন্যরকমের। মুজিববর্ষ হলো এক আলোকিত বছর, বাঙালির অতি বরেণ্য বছর, ইতিহাস-ঐতিহ্য স্মরণ, এবং তার পথরেখায় আগামী দিনে চলার প্রতিজ্ঞা গ্রহণ ও পাথেয় অর্জনের বছর। এমন বছরের সূচনায় জাতীয় বই উৎসব অর্জন করল আরও উজ্জ্বলতা, ঐতিহাসিকতা ও সম্মান। এর পর্যাপ্ত প্রতিফলন ঘটবে শিশুদের জীবনে- জাতীয় জীবনে- এ হলো কামনা।

শুকদেব মজুমদার: কবি,প্রাবন্ধিক, কলাম লেখক ও সহযোগী অধ্যাপক
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত

সকল ফিচার

রঙ বেরঙ
উনিশ বিশ
জেজেডি ফ্রেন্ডস ফোরাম
নন্দিনী
আইন ও বিচার
ক্যাম্পাস
হাট্টি মা টিম টিম
তারার মেলা
সাহিত্য
সুস্বাস্থ্য
কৃষি ও সম্ভাবনা
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি
close

উপরে