নাচোলে ভ্রাম্যমাণ আদালত অভিযান চালিয়ে নিষিদ্ধ ৪টন মাছ উদ্ধার

নাচোলে ভ্রাম্যমাণ আদালত অভিযান চালিয়ে নিষিদ্ধ ৪টন মাছ উদ্ধার

চাঁপাইনবাবগঞ্জের নাচোলে ভ্রাম্যমাণ আদালত অভিযান চালিয়ে নিষিদ্ধ আফ্রিকান মাগুর মাছ উদ্ধারসহ মাছ ব্যবসায়ী তরিকুল ইসলামকে ৫ হাজার টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করেছেন ।

উপজেলার নেজামপুর বাজার সংলগ্ন মা-বাবা নার্সারির সাইনবোর্ডের আড়ালে হাউজ বানিয়ে প্রায় ৩বছর থেকে নিষিদ্ধ আফ্রিকান মাগুর মাছ ঢাকা থেকে এনে সংরক্ষণ করে সেখান থেকে খুচরা বিক্রেতাদের নিকট বিক্রি করে আসছিল নাচোল রেলস্টেশন সংলগ্ন মোহনবাগান মহাল্লার মিঠু মণ্ডলের ছেলে তরিকুল ইসলাম ।

উপজেলা প্রশাসন এ খবর জানতে পেরে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ১৪ জুন সকাল ৯টার দিকে এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট ও উপজেলা নির্বাহী অফিসার সাবিহা সুলতানা পুলিশের একটি দলসহ সিনিয়র উপজেলা মৎস্য অফিসার আলী হোসেন শামীমকে সাথে নিয়ে তরিকুল ইসলামের আড়তে পৌঁছলে ঢাকা উত্তরা থেকে আসা ঢাকা মেট্রো-ঢ-১৮-৭০২৮ নম্বরের ট্রাক থেকে নিষিদ্ধ আফ্রিকান ৪টন মাগুর মাছ জব্দ করে ।

এদিকে মৎস্য ও সমাজসেবা অফিসার আল-গালিব জানান, জব্দকৃত মাছগুলো উপজেলার শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান যেমন এতিমখানা, লিল্লা বডিং , নূরানী মাদ্রাসা ও কওমি মাদ্রাসার প্রধানদেরকে ডেকে এনে তাদের মাঝে বিতরণ করা হয়েছে।

ইউএনও সাবিহা সুলতানা জানান ,২০১৪ সালের জুন মাস থেকে আফ্রিকান ও পিরানহা মাছ আমদানি, উৎপাদনের উপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়। এছাড়া বিদেশ থেকে এ দুই প্রজাতির মাছ, মাছের রেনু ও পোনা আমদানি করলে জেল-জরিমানার বিধান রেখে মৎস্য সংঘ নিরোধ আইন ২০১৭ এর খসড়ার নীতিগত অনুমোদন দেয় মন্ত্রিপরিষদ।

এই আইন অমান্য করলে দুই বছর জেল ও ৫ লাখ টাকা জরিমানা অথবা উভয় দণ্ডের বিধান রাখা হয়েছে ।

অপরদিকে সিনিয়র উপজেলা মৎস্য অফিসার আলী হোসেন শামীম জানান , একটি পরিণত আফ্রিকান মাগুর মাছ ৪ ফুট পর্যন্ত লম্বা হতে পারে এবং ওজন ১৫ থেকে ১৬ কেজির মতো ।এই মাছগুলোকে রাক্ষসে মাছ বলা হয় তবে এরা ভীষণ নোংরা পানিতে এমনকি নর্দমা পয়:নিষ্কাশনের জলাধারে যেকোনো প্রতিকূল পরিবেশের সাথে লড়াই করে জীবন ধারণ করতে পারে। এই মাছগুলো খেলে কোন স্বাস্থ্যঝুঁকি নেই তবে পরিবেশগত ঝুঁকি রয়েছে অনেক।

যাযাদি/ এস

  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত

আরও খবর

Copyright JaiJaiDin ©2021

Design and developed by Orangebd


উপরে