বি-বাড়িয়ায় গৃহবধূকে হত্যার অভিযোগে স্বামী গ্রেপ্তারব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রতিনিধি ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় নাছরিন আক্তার নামে এক গৃহবধূকে হত্যার অভিযোগে তার স্বামী তোফাজ্জল হককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। সেমবার রাতে সদর উপজেলার সাদেকপুর ইউনিয়নের আলাকপুর গ্রাম থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তার তোফাজ্জল আলাকপুর গ্রামের আবদুল আউয়ালের ছেলে।
নিহতের পরিবার ও মামলা সূত্রে জানা যায়, ২০০৯ সালে সদর উপজেলার সাদেকপুর ইউনিয়নের আলাকপুর গ্রামের আবদুল আউয়ালের সৌদি প্রবাসী ছেলে তোফাজ্জলের সঙ্গে একই ইউনিয়নের রাজাখা গ্রামের ইব্রাহীম মিয়ার কন্যা নাছরিন আক্তারের বিয়ে হয়। বিয়ের সময় তোফাজ্জলকে স্বর্ণালংকার ও ফার্নিচার বাবদ চার লাখ টাকা যৌতুক প্রদান করা হয়। বিয়ের কিছুদিন পর স্ত্রীকে রেখে সৌদি আরব চলে যান তোফাজ্জল। দুই বছর পর একবার দেশে আসে। দাম্পত্য জীবনে তাদের একটি ছেলে সন্ত্মানের জন্ম হয়।
আগস্ট মাসে তোফাজল স্থায়ীভাবে বসবাস করার জন্য দেশে চলে আসে। দেশে আসার পর থেকেই ব্যবসা করার জন্য বাবার বাড়ি থেকে পাঁচ লাখ টাকা এনে স্ত্রী নাছরিনকে চাপ দিতে থাকে তোফাজ্জল। গত ১২ নভেম্বর টাকার জন্য নাসরিনকে প্রচ- মারধোর করে সে। স্বামীর নির্যাতন সহ্য করতে না পেরে নাছরিন তার বাবাকে রাতে টাকার জন্য ফোন দেয়। মেয়ের ফোন পেয়ে বাবা ইব্রাহীম মিয়া রাতেই মেয়ের বাড়িতে হাজির হন। পরে ইব্রাহীম মিয়ার সামনেই নাসরিনকে মারধোর করে তোফাজ্জল। একপর্যায়ে নাসরিন গুরম্নতর আহত হলে স্বামীসহ পরিবারের লোকজন পালিয়ে যায়। আশঙ্কাজনক অবস্থায় নাসরিনকে তার বাবা আশুগঞ্জ একটি ক্লিনিকে নিয়ে গেলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। পর দিন সকালে ছেলের পরিবারের লোকজন বিষয়টি আপোস মিমাংসার কথা বলে ময়নাতদন্ত্ম ছাড়াই নাসরিনের লাশ স্বামীর বাড়িতে নিয়ে দ্রম্নত দাফন করে ফেলে।
এ ঘটনায় নিহতের পিতা ইব্রাহীম বাদী হয়ে আদালতে তোফাজ্জল হককে প্রধান আসামি করে একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। মামলা দায়ের পর সোমবার রাতে পুলিশ তোফাজ্জলকে গ্রেপ্তার করেছে। ঘটনার পর থেকে বাকি আসামিরা পলাতক রয়েছে।
 
এই প্রতিবেদন সম্পর্কে আপনার মতামত দিতে এখানে ক্লিক করুন
স্বদেশ -এর আরো সংবাদ
অনলাইন জরিপ
অনলাইন জরিপআজকের প্রশ্নজঙ্গিবাদ নিয়ে মন্ত্রীদের প্রচারে আস্থাহীনতার সৃষ্টি হয়েছে_ বিএনপি নেতা আসাদুজ্জামান রিপনের এই বক্তব্য সমর্থন করেন কি?হ্যাঁনাজরিপের ফলাফল
আজকের ভিউ
পুরোনো সংখ্যা
2015 The Jaijaidin
close