বড়াইগ্রামে মহাসড়কে গাড়ির অতিরিক্ত গতি কমাতে উদ্যোগবড়াইগ্রাম (নাটোর) সংবাদদাতা বনপাড়া-হাটিকুমরম্নল মহাসড়কের লাথুরিয়া এলাকায় স্পিডগান দিয়ে গতি মাপছেন এক পুলিশ সদস্য -যাযাদিমহাসড়কে দুর্ঘটনা রোধে নির্ধারিত গতিসীমা লঙ্ঘন করা বাস, ট্রাক, মাইক্রোবাস, প্রাইভেটকারসহ চলাচলকারী গাড়ির বিরম্নদ্ধে স্পিডগান (গতি পরিমাপের যন্ত্র) নিয়ে অভিযানে নেমেছে নাটোরের বনপাড়া হাইওয়ে পুলিশ। একই সঙ্গে দুর্ঘটনা সৃষ্টিকারী থ্রিহুইলার, ব্যাটারিচালিত এবং শ্যালোমেশিনচালিত নসিমন, করিমন, ভটভটি ও শব্দদূষণকারী হাইড্রোলিক হর্নের বিরম্নদ্ধেও অভিযান চালাচ্ছেন তারা। বাড়তি ব্যবস্থার কারণে চলতি জানুয়ারি ও গত ডিসেম্বর মাসে মহাসড়কে দুর্ঘটনায় কোনো প্রাণহানির ঘটনা ঘটেনি।
হাইওয়ে থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) ননী গোপাল জানান, মহাসড়কে বিশেষ করে বনপাড়া-হাটিকুমরম্নল মহাসড়ে প্রতি মাসেই দুর্ঘটনায় প্রাণহানির ঘটনা চলমান আছে। গত মাস থেকে শীতের সঙ্গে ঘন কুয়াশা শুরম্ন হয়েছে। আর কুয়াশায় দুর্ঘটনার সংখ্যা বেড়ে যায়। তাই তীব্র শীত উপেক্ষা করে মহাসড়কে দাঁড়িয়ে স্পিডগান দিয়ে অভিযান চালনো হচ্ছে। ফলে ডিসেম্বর ও জানুয়ারি মাসে মহাসড়কে কোনো দুর্ঘটনা তথা প্রাণহানির ঘটনা ঘটেনি।
তিনি বলেন, বনপাড়া-হাটিকুমরম্নল মহাসড়কে নিরাপদ গতিসীমা ঘণ্টায় ৮০ কিলোমিটার। কিন্তু সড়কটি খুবই ভালো তাই অজান্ত্মেই গতি বাড়িয়ে দেন চালকরা। এছাড়া ওভারটেকিং মানসিকতা, থ্রিহুলার, অসতর্কতার সঙ্গে পথচারী পারাপারের ফলেও ঘটে দুর্ঘটনা। গতিসীমা ৯০ কিলোমিটার অতিক্রম করলে সেই গাড়িচালকের বিরম্নদ্ধে মামলা করা হয়। আর এর চেয়ে নিচে অথচ ৮০ কিলোমিটারের বেশি গতি থাকলে তাদের থামিয়ে সতর্ক করে দেয়া হয়। প্রায় প্রতিদিন ২/৩টি করে মামলা করতে হয়। এছাড়া হাইড্রোলিক হর্ন থাকলে তা খুলে নেয়া হচ্ছে। থ্রিহুইলার, ব্যাটারিচালিত এবং শ্যালোমেশিনচালিত নসিমন, করিমন, ভটভটি জব্দ করাসহ তাদের বিরম্নদ্ধেও অভিযান চালানো হচ্ছে।
গতকাল চালানো অভিযানের সময় সকাল সাড়ে ১০টায় বনপাড়া-হাটিকুমরম্নল মহাসড়কে লাথুরিয়া এলাকায় সরেজমি পরিদর্শনে গিয়ে দেখা যায় স্পিডগান হাতে গাড়ির গতি মাপছেন এসআই ননী গোপাল। এ সময় একটি প্রাইভেটকার এবং টাবু লাইন নামে একটি বাসকে থামার নির্দেশ দেয়া হলো। স্পিডগানে দেখা গেল প্রাইভেটকারটির গতি ১১১ কিলোমিটার এবং বাসটির গতি ৯৭ কিলোমিটার। গতিসীমা লংঘনের অভিযোগে ওই দুই গাড়ির নামে পৃথক দুটি মামলা করে নির্ধারিত গতিতে গাড়ি চালানো পরামর্শ দিয়ে ছেড়ে দেয়া হয়।
টাবু লাইনের চালক বাবুল বলেন, 'আমি এই সড়কে প্রথম এসেছি। একটি রিজার্ভ ভাড়া নিয়ে যাচ্ছি। সড়কটি ভালো এবং যথেষ্ট ফাঁকা তাই এমন চালানো। তবে গতি মেনে চলা উচিত ছিল আমার।'
বনপাড়া হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জিএম শামসুন নুর বলেন, মহাসড়কে নানা অভিযানের ফলে দুর্ঘটনার পরিমাণ অনেকটা কমে গেছে। চেষ্টা চলছে আরও কমিয়ে আনার। তবে অভিযানের সফলতার জন্য পথচারী সতর্কতা এবং চালকদের মানসিকতার পরিবর্তন প্রয়োজন। এজন্য চালকদের নিয়ে মোটিভেশনাল কর্মশালা করতে পারলে ভালো হয়।
 
এই প্রতিবেদন সম্পর্কে আপনার মতামত দিতে এখানে ক্লিক করুন
স্বদেশ -এর আরো সংবাদ
অনলাইন জরিপ
অনলাইন জরিপআজকের প্রশ্নজঙ্গিবাদ নিয়ে মন্ত্রীদের প্রচারে আস্থাহীনতার সৃষ্টি হয়েছে_ বিএনপি নেতা আসাদুজ্জামান রিপনের এই বক্তব্য সমর্থন করেন কি?হ্যাঁনাজরিপের ফলাফল
আজকের ভিউ
পুরোনো সংখ্যা
2015 The Jaijaidin
close