সরকারি সিকিউরিটিজ পুনঃক্রয়ের উদ্যোগযাযাদি রিপোর্ট সরকারি সিকিউরিটিজের রিডেম্পশন প্রোফাইল ভারসাম্যপূর্ণ করা ও ট্রেজারি বন্ডের সংখ্যা কমানোর লক্ষ্যে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের মতো বাংলাদেশেও সরকারি সিকিউরিটিজ পুনঃক্রয়ের উদ্যোগ নেয়া হয়েছে।
সরকারের পক্ষে বাংলাদেশ ব্যাংক এ কার্যক্রম পরিচালনা করবে। অর্থ মন্ত্রণালয়ের অর্থ বিভাগ সম্প্রতি এ ব্যাপারে অনুমোদন দিয়েছে। পাশাপাশি অর্থ বিভাগ এ-সংক্রান্ত্ম একটি নীতিমালাও প্রণয়ন করেছে। এ নীতিমালা মেনেই সরকারি সিকিউরিটিজ পুনঃক্রয় কার্যক্রম পরিচালনা করবে কেন্দ্রীয় ব্যাংক।
নীতিমালায় বলা হয়েছে, অর্থ বিভাগের নির্ধারিত অকশন ক্যালেন্ডার অনুযায়ী রিভার্স অকশন অথবা ওভার দ্য কাউন্টারের (ওটিসি) পদ্ধতিতে ১ লাখ টাকা বা এর গুণীতক অংকের অভিহিত মূল্যে ট্রেজারি বিল বা বন্ডের পুনঃক্রয় করা হবে। বাংলাদেশ ব্যাংকে চলতি হিসাব রয়েছে, এমন সব ব্যাংক বা আর্থিক প্রতিষ্ঠান সরাসরি এ কার্যক্রমে অংশগ্রহণ করতে পারবে। এমনকি আবাসী বা অনাবাসী ব্যক্তি ও অন্যান্য প্রতিষ্ঠান, যাদের কেন্দ্রীয় ব্যাংকে চলতি হিসাব নেই, তারাও এ কার্যক্রমে অংশ নিতে পারবে। তবে এক্ষেত্রে তাদের এমন ব্যাংক বা আর্থিক প্রতিষ্ঠানকে মাধ্যম হিসেবে ব্যবহার করতে হবে, যাদের বাংলাদেশ ব্যাংকে চলতি হিসাব রয়েছে।
ওটিসির ক্ষেত্রে সরকারি সিকিউরিটিজধারী ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান ও বাংলাদেশ ব্যাংকের মধ্যে পারস্পরিক আলোচনার মাধ্যমে মূল্য নির্ধারিত হবে। এ মূল্য অনুযায়ী বিক্রেতা প্রতিষ্ঠানগুলো বন্ডের বাজারমূল্য (ক্লিন প্রাইস) ও সুদ পাবে। রিভার্স অকশনের ক্ষেত্রে মাল্টিপল প্রাইস বেজড পদ্ধতি অনুসরণ করা হবে।
নীতিমালায় বলা হয়েছে, অকশন ফলাফলের ওপর ভিত্তি করে সরকারের হিসাব বিকলনের পর বিজয়ী ব্যাংকগুলোকে তাদের দাখিলকৃত মূল্য ও অর্জিত সুদের অর্থ বাংলাদেশ ব্যাংকে থাকা তাদের চলতি হিসাব আকলনপূর্বক পরিশোধ করা হবে। রিভার্স অকশন ও ওটিসি উভয় ক্ষেত্রে নিষ্পত্তির নির্ধারিত তারিখেই লেনদেন সম্পন্ন করা হবে (সেটেলমেন্ট সাইকেল টি পস্নাস জিরো)।
ট্রেজারি বিল বা বন্ড বিক্রি করতে ইচ্ছুক ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানকে ১০০ টাকা অভিহিত মূল্যে কাঙ্ক্ষিত মোট দাম (ক্লিন প্রাইস) উলেস্নখপূর্বক অকশনের দিন সকাল ১০টা থেকে দুপুর সাড়ে ১২টার মধ্যে বাংলাদেশ ব্যাংকে স্থাপিত এমআই মডিউলে দর দাখিল করতে হবে। কোনো কারণে এমআই মডিউলে দর দাখিল করা সম্ভব না হলে সিলযুক্ত খামে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে দর দাখিল করতে হবে। ওইদিনই বেলা ১টায় দাখিলকৃত দরগুলো খোলা হবে এবং ৩টায় অকশনের ফলাফল ঘোষণা করা হবে।
নীতিমালায় আরও বলা হয়েছে, একই প্রতিষ্ঠান বিভিন্ন মূল্যে একাধিক দর দাখিল করতে পারবে। এক্ষেত্রে সংশিস্নষ্ট ব্যাংক অথবা আর্থিক প্রতিষ্ঠানের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের মাধ্যমে দর দাখিল করতে হবে। অকশনে ট্রেজারি বিল বা বন্ডের দর বাজারমূল্যের ভিত্তিতে ডিসকাউন্ট/প্রিমিয়াম/ অভিহিত মূল্যে দাখিল করা যাবে। অকশনে বিজয়ী দরদাতারা নিজ নিজ দাখিলকৃত দর ও মূল বন্ড ইসু্যর তারিখ বা সর্বশেষ কূপনের তারিখ থেকে পুনঃক্রয়ের আগের দিন পর্যন্ত্ম সময় হিসাবে সুদ পাবে।
নীতিমালা অনুযায়ী, অকশন কমিটি কোনো ধরনের কারণ দর্শানো ছাড়াই দাখিলকৃত যেকোনো দর বা পুরোঅকশন বাতিল ঘোষণা করতে পারবে। অকশন-সংক্রান্ত্ম যেকোনো সমস্যা বা জটিলতা কমিটিই মীমাংসা করবে। এক্ষেত্রে কমিটির সিদ্ধান্ত্ম চূড়ান্ত্ম হবে।
প্রয়োজনে এ নীতিমালার অংশবিশেষ বা সম্পূর্ণ নীতিমালায় সংশোধন, পরিবর্তন, পরিবর্ধন আনা হতে পারে বা বাদ দেয়া হতে পারে। এক্ষেত্রে প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে সংশিস্নষ্ট সবাইকে অবহিত করা হবে।
 
এই প্রতিবেদন সম্পর্কে আপনার মতামত দিতে এখানে ক্লিক করুন
অনলাইন জরিপ
অনলাইন জরিপআজকের প্রশ্নজঙ্গিবাদ নিয়ে মন্ত্রীদের প্রচারে আস্থাহীনতার সৃষ্টি হয়েছে_ বিএনপি নেতা আসাদুজ্জামান রিপনের এই বক্তব্য সমর্থন করেন কি?হ্যাঁনাজরিপের ফলাফল
আজকের ভিউ
পুরোনো সংখ্যা
2015 The Jaijaidin