উত্তরাঞ্চলের দাপুটে জয়ক্রীড়া প্রতিবেদক বিসিএলের প্রথম রাউন্ডে সহজ জয় তুলে নিয়েছে বিসিবি উত্তরাঞ্চল। শুক্রবার ওয়ালটন মধ্যাঞ্চলকে ৯ উইকেটে হারিয়েছে ডিফেন্ডিং চ্যাম্পিয়নরা। মধ্যাঞ্চলের দেয়া ৬৮ রানের মামুলি টার্গেট এক উইকেট হারিয়ে টপকে যায় উত্তরাঞ্চল। বিসিএলের অপর খেলায় ইসলামী ব্যাংক পূর্বাঞ্চল ও প্রাইম ব্যাংক দক্ষিণাঞ্চলের খেলাটি ড্র হয়েছে।
জাতীয় দলের বাইরে ছিটকে যাওয়া পেসার তাসকিন আহমেদের জ্বলে ওঠা, আরিফুল হকের অলরাউন্ড পারফরম্যান্স আর রকিবুল হাসানের শতক মধ্যাঞ্চলের এই ম্যাচের প্রাপ্তি। সেখানে জয়ের সঙ্গে উত্তরাঞ্চলের প্রাপ্তি অধিনায়ক জহুরম্নল ইসলামের দেড়শ পেরোনো ইনিংস, ধীমান ঘোষের প্রায় শতক ও মিজানুর রহমানের ধারাবাহিকতা। ব্যাট হাতে নৈপুণ্যের জন্য ম্যাচসেরা নির্বাচিত হয়েছেন জহুরম্নল।
সিলেট আন্ত্মর্জাতিক স্টেডিয়ামে প্রথম ইনিংসে ১৮৮ রানেই গুটিয়ে গিয়েছিল মধ্যাঞ্চল। জবাবে ৯ উইকেটে ৪৫৭ রান তুলে ইনিংস ঘোষণা করে উত্তরাঞ্চল। ২৬৯ রানে পিছিয়ে থেকে দ্বিতীয় ইনিংসে ব্যাটিংয়ে নামে মধ্যাঞ্চল। রকিবুলের ১০৫ আর মোশারফ হোসেনের ৬১ রানের কল্যাণে ৩৩৬ পর্যন্ত্ম পৌঁছায় দলটি, ৬৭ রানের লিড পায়। উত্তরাঞ্চল সেই রান টপকে গেছে অনায়াসে। মিজানুর ২৫ রানে ফিরে গেলেও নাজমুল হোসেন শান্ত্ম ৩১ ও জুনায়েদ সিদ্দিক ১০ রানে অপরাজিত থেকে ম্যাচ জিতিয়ে মাঠ ছাড়েন।
বিকেএসপির মাঠে ড্র হওয়া ম্যাচে ইসলামী ব্যাংক পূর্বাঞ্চল মুমিনুল হকের মহাকাব্যিক ইনিংস ৫৪৬ রান সংগ্রহ করে। জবাবে প্রাইম ব্যাংক দক্ষিণাঞ্চলের প্রথম ইনিংস থামে ৩৯৫ রানে। এরপর ১৫১ রানের লিড নিয়ে দ্বিতীয় ইনিংস শুরম্ন করে পূর্বাঞ্চল। তারা ৪ উইকেটে ৯৩ রানে থাকার সময় ম্যাচ ড্রয়ের ঘোষণা আসে। ডাবল সেঞ্চুরির মালিক মুমিনুল ম্যাচ সেরা নির্বাচিত হন।
৫ উইকেটে ৩১৮ রান নিয়ে চতুর্থ এবং শেষ দিনের খেলা শুরম্ন করে দক্ষিণাঞ্চল। শেষ ৫ উইকেট খুইয়ে ৭৭ রান যোগ করতে পারে তারা। এরপরও দলটি ছিল নির্ভার। কারণটাও জানা, ম্যাচটা এগোচ্ছিল নিশ্চিত ড্রয়ের পথে। দক্ষিণাঞ্চলের আব্দুর রাজ্জাক অবশ্য একটা আক্ষেপ নিয়ে মাঠ ছেড়েছেন। আর কিছুক্ষণ খেলা হলে হয়তো দেশের প্রথম বোলার হিসেবে প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটে ৫০০ উইকেটের মাইলফলক ছোয়া হয়ে যেত তার।
পূর্বাঞ্চলের দ্বিতীয় ইনিংসে ব্যাট হাতে আলো ছড়িয়েছেন লিটন দাস। ৩টি চার ও একটি ছয়ে ৬৭ বলে অপরাজিত ৫১ রানের ইনিংস খেলেছেন তিনি। তবে দল ৯৩ রান পর্যন্ত্ম পৌঁছাতেই খুইয়ে বসে ৪ উইকেট, যার তিনটিই গেছে রাজ্জাকের ঝুলিতে। ৫০০ উইকেটের ক্লাবে পা রাখতে আর একটি উইকেটের অপেক্ষায় ছিলেন বাহাতি স্পিনার। এমন পরিস্থিতিতে ম্যাচ ড্র, মাইলফলক ছুতে এখন দ্বিতীয় রাউন্ড পর্যন্ত্ম অপেক্ষা করতে হচ্ছে রাজ্জাককে।
চার দলের শ্রেষ্ঠত্বের লড়াইয়ের দ্বিতীয় রাউন্ড শুরম্ন হবে আগামী ১৫ জানুয়ারি। সিলেটেই মুমিনুলের পূর্বাঞ্চলকে মোকাবিলা করবে উত্তরাঞ্চল। মধ্যাঞ্চল লড়বে দক্ষিণাঞ্চলের বিপক্ষে।
 
এই প্রতিবেদন সম্পর্কে আপনার মতামত দিতে এখানে ক্লিক করুন
অনলাইন জরিপ
অনলাইন জরিপআজকের প্রশ্নজঙ্গিবাদ নিয়ে মন্ত্রীদের প্রচারে আস্থাহীনতার সৃষ্টি হয়েছে_ বিএনপি নেতা আসাদুজ্জামান রিপনের এই বক্তব্য সমর্থন করেন কি?হ্যাঁনাজরিপের ফলাফল
আজকের ভিউ
পুরোনো সংখ্যা
2015 The Jaijaidin