ভীষণ উপকারী লেটুসপাতাবাড়তে শুরম্ন করেছে রৌদ্রের তেজ, আবার সন্ধ্যার পর থেকে ঠা-া বাতাস। গরম ঠা-ার এ ঋতুতে বেড়ে চলেছে কফ, কাশি আর ভাইরাসজনিত জ্বর। গরম ঠা-া এই সমস্যার সমাধান করতে লেটুসপাতার অবদান অপরিসীম। আমাদের দেশে সালাদের বাটিতে একটি পরিচিত নাম লেটুসপাতা। এ পাতার বৈজ্ঞানিক নাম লকেটুসা-স্যাটিভাএল। হাঁচি, কাশি, কফ, হাঁপানি ও ফুসফুসের ইনফেকশন দূর করে লেটুসপাতা। সবুজ হওয়া সত্ত্বেও এতে রয়েছে মাত্র ৮ মিলিগ্রাম ভিটামিন সি; কিন্তু উচ্চমাত্রার ভিটামিন 'এ'। ভিটামিন 'এ' ও সি ঠা-াজনিত অসুখের বিরম্নদ্ধে যুদ্ধ করে। কিডনির সমস্যার জন্য যেসব রোগীর প্রস্রাবের পরিমাণ কমে যায় তাদের জন্য লেটুসপাতা ভীষণ উপকারী। হাত-পা ফুলে যাওয়া, কিডনির পাথর, কিডনির কার্যহীনতা মূত্রথলির ইনফেকশন ও কিডনিতে ব্যথা- এ অসুখগুলোয় লেটুসপাতা যথেষ্ট জরম্নরি। ডায়াবেটিক রোগীদের জন্য এই পাতা আশীর্বাদস্বরূপ। রক্তে চিনির পরিমাণ নিয়ন্ত্রণে রাখে ও ডায়াবেটিক রোগীর দেহের বিভিন্ন ক্ষয়ক্ষতি নিরাময়ে সাহায্য করে। কাঁচা বা ভাজা লেটুসপাতা সালাদ রক্ত পরিষ্কার করে হৃদপি-ের শিরা-উপশিরার দেয়ালে চর্বি জমাতে বাধা দেয় এবং রক্তের কোলেস্টেরলের মাত্রা কমায়। পাকস্থলী ও খাবার হজমকারী অন্যান্য অঙ্গের ওপর রয়েছে এর যথেষ্ট ইতিবাচক প্রভাব। বিজ্ঞানীরা গবেষণা করে দেখেছে, যারা লেটুসপাতা নিয়মিত খান তাদের পেট ভার হয়ে থাকা, গ্যাস হওয়া, ক্ষুধা না লাগা এসিডিটি এ সমস্যাগুলো দূর হয়ে বার্ধক্য আসে দেরিতে। ত্বকে বলিরেখাও পড়ে দেরিতে। এ পাতার সোডিয়াম ভিটামিন 'বি' ওয়ান, 'বি' টু, 'বি' থ্রি শরীরের যে কোনো অঙ্গে পানি জমে যাওয়া রোধ করে অথচ লেটুসপাতায় রয়েছে ৯৫-৫ গ্রাম পানি। এ পানি রক্তের লোহিত রক্তকণিকা, শ্বেতকণিকা, অনুচক্রিকা ও অন্যান্য উপাদানকে সুস্থ-সবল রাখে। ত্বকের কোথাও কেটে বা ছিঁড়ে গেলে এ পাতাকে থেতলে ব্যথার স্থানে লাগালে ব্যথা ভালো হয়। গর্ভবতী মায়ের কাঁচা লেটুসপাতা খেলে মা ও শিশু উভয়ের শরীরেই রক্তের মাত্রা বাড়ে। এতে পানির পরিমাণ বেশি হওয়ার জন্য মোটা ব্যক্তিদের চর্বি ও ওজন কমায়। চোখের ইনফেকশনজনিত সমস্যায় (যেমন চোখ ওঠা) একা বা দুই লিটার পানির সামান্য লেটুসপাতা (৫০ গ্রাম) প্রায় ৬ মিনিট ফুটিয়ে সেই পানিতে চোখ ধুলে চোখ ওঠা দ্রম্নত ভালো হয়। চোখের অতিরিক্ত পরিশ্রমের ওপর এ ফোটানো পানি ঠা-া করে ব্যবহার করলে চোখের ক্লান্ত্মি দূর হয়। খুশকির বিরম্নদ্ধেও কাজ করে। অনেক শ্যাম্পুতে লেটুসপাতার গুঁড়া ব্যবহার করা হয়। দীর্ঘ সময় রৌদ্রে থাকলে ত্বকে কালচে পোড়া ভাব হয়। লেটুসপাতা থেতলে ত্বকে দিলে ত্বকের উপকার হয়। এ পাতার ক্ষতিকর দিক হলো, দ্রম্নত নষ্ট হয়। তাই টাটকা থাকতেই খেয়ে নেয়া ভালো।
য় সূত্র : ইন্টারনেট
 
এই প্রতিবেদন সম্পর্কে আপনার মতামত দিতে এখানে ক্লিক করুন
অনলাইন জরিপ
অনলাইন জরিপআজকের প্রশ্নজঙ্গিবাদ নিয়ে মন্ত্রীদের প্রচারে আস্থাহীনতার সৃষ্টি হয়েছে_ বিএনপি নেতা আসাদুজ্জামান রিপনের এই বক্তব্য সমর্থন করেন কি?হ্যাঁনাজরিপের ফলাফল
আজকের ভিউ
পুরোনো সংখ্যা
2015 The Jaijaidin