সৃজনশীলতা নিয়ে নারীসুমনা হক গীতালি হাসানসৃজনশীল কাজের মাধ্যমে সমাজে নারীরা তাদের অবস্থানকে সুদৃঢ় করছেন। তাদের মেধার প্রকাশ এবং বিকাশ ঘটাচ্ছেন। বাংলাদেশে শিল্প সংস্কৃতি রাজনীতিতে নারীদের রয়েছে গৌরবোজ্জল পদচারণ। গীতালি হাসান এবং রোকেয়া রফিক বেবী সৃজনশীল নারী ব্যক্তিত্বেরই প্রতিফলন ঘটিয়েছেন।

গীতালি হাসান : গীতালি হাসান সেই বিটিভির সময় থেকে টেলিভিশন মাধ্যমে কাজ করছেন। তিনি প্রায় দুই যুগ ধরে সাংবাদিকতা, সাহিত্যচর্চা, টেলিভিশন ও চলচ্চিত্র মাধ্যমে সক্রিয় রয়েছেন। তার পৈতৃক নিবাস কিশোরগঞ্জ জেলার ভৈরবে। টেলিভিশন নাট্যকার হিসেবে তিনি বেশ পরিচিতি অর্জন করেছেন। চিত্রনাট্য লিখেছেন তিনটি পূর্ণদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্রের। খ্যাতিমান চলচ্চিত্রকার সুভাষ দত্তের ছবির চিত্রনাট্য লিখে পেয়েছেন আন্ত্মর্জাতিক পুরস্কার। চলচ্চিত্র পরিচালক হিসেবেও তিনি দক্ষতার পরিচয় দিয়েছেন। কাজী নজরম্নল ইসলামের কাহিনী অবলম্বনে নির্মাণ করেছেন চলচ্চিত্র 'প্রিয়া তুমি সুখী হও'। এই চলচ্চিত্রটি দেশ-বিদেশে বেশ প্রশংসিত হয়েছে। তিনি পুরস্কারও অর্জন করেছেন নির্মাতা হিসেবে।
আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলার অন্যতম অভিযুক্ত কমান্ডার আবদুর রউফের কন্যা গীতালি হাসান বেড়ে উঠেছেন পারিবারিক সাংস্কৃতিক ও রাজনৈতিক পরিম-লে। বিশ্ববিদ্যালয়ের সর্বোচ্চ পর্যায়ে শিক্ষা নিয়েছেন সমাজবিজ্ঞান নিয়ে।
তার উলেস্নখযোগ্য বইগুলো হচ্ছে মেঘলা রাতের তারা, চেনা পাখি অচেনা গান, লাস্যবতী ইত্যাদি। তার রচিত নাটকগুলোর মধ্যে রয়েছে অজান্ত্মে। চলচ্চিত্রের কাহিনী ও চিত্রনাট্য রচনার জন্য পেয়েছেন কালাকার পুরস্কার, বাচসাস পুরস্কার ও মিডিয়া জার্নালিস্ট ফোরাম অব বাংলাদেশ পুরস্কার। শ্রেষ্ঠ নাট্যকার হিসেবে পেয়েছেন টেলিভিশন রিপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ, বাংলাদেশ কালচারাল রিপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশন।

রোকেয়া রফিক বেবী : রোকেয়া রফিক বেবী শ্রমজীবী নারীদের কণ্ঠস্বর। নারীনেত্রী। একজন সফল অভিনয় শিল্পী। দীর্ঘদিন মঞ্চে অভিনয় করছেন। অভিনয় নির্দেশনা আর নাট্য সংগঠনের সঙ্গে জড়িত।
মঞ্চ বিষয়ে নিয়মিত কাজ করেন তিনি। তার বিশেষ একটি পরিচয় হচ্ছে তিনি পুরোপুরিই একজন সৃজনশীল মানুষ। নাট্যচর্চার সঙ্গে জড়িত সেই ছোটবেলা থেকেই। তার স্বামী প্রখ্যাত মঞ্চ অভিনেতা নির্দেশক ও সংগঠক এসএম সোলায়মান। তার কন্যা আনিকা মাহিন এশাও থিয়েটারের সঙ্গে জড়িত। ফলে বলা যায় একেবারে নাট্য পরিবার। থিয়েটার আর্ট ইউনিটের সক্রিয় কর্মী হিসেবে কাজ করে যাচ্ছেন তিনি।
রোকেয়া রফিক বেবীর জন্ম হয়েছে ঢাকায়। বেড়ে উঠেছেন আজিমপুর কলোনিতে। ১৯৭৯ সালে থিয়েটার শুরম্ন করেন। বড় বোন শিরিন আখতারের মাধ্যমে মঞ্চে আসেন বা থিয়েটারের সঙ্গে জড়িত হন। যখন তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রী, তখন মঞ্চের চর্চা করেছেন। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে তিনি মনোবিজ্ঞানে মাস্টার্স করেছেন। অভিনয়টা তার জিনের মধ্যে গেঁথে গিয়েছে পরিবার থেকেই।
তিনি ১৯৯১ সাল থেকে কর্মজীবী নারী সংগঠনের সঙ্গে জড়িয়ে পড়েন। শ্রমজীবী নারীদের সাথে কাজ করেন তখন থেকেই।
আমিনা সুন্দরী, কোর্টমার্শাল, গোলাপজান, সময়ের প্রয়োজনে, বার্থ ফ্যান্টাসি, শেষের কবিতা, মর্শকাম নাটকের সঙ্গে জড়িত তিনি।
তিনি থিয়েটার আর্ট ইউনিটের পরিচালক হিসেবে কাজ করছেন।
 
এই প্রতিবেদন সম্পর্কে আপনার মতামত দিতে এখানে ক্লিক করুন
অনলাইন জরিপ
অনলাইন জরিপআজকের প্রশ্নজঙ্গিবাদ নিয়ে মন্ত্রীদের প্রচারে আস্থাহীনতার সৃষ্টি হয়েছে_ বিএনপি নেতা আসাদুজ্জামান রিপনের এই বক্তব্য সমর্থন করেন কি?হ্যাঁনাজরিপের ফলাফল
আজকের ভিউ
পুরোনো সংখ্যা
2015 The Jaijaidin
close