ইভ টিজিং প্রতিরোধে তানিয়াএমএ সাইদ খোকন আমতলীর আরপাংগাশীয়া ইউনিয়নের তারিকাটা গ্রামের দশম শ্রেণির ছাত্রী তানিয়া। সে আরপাংগাশিয়া মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে লেখাপড়া করে। বাবা তাজুল ইসলাম, মা রম্ননা বেগম। তাদের দুই সন্ত্মানের মধ্যে তানিয়া ছোট। মেয়েকে স্কুলে পাঠিয়ে বাবা-মা প্রায়ই দুঃশ্চিন্ত্মায় থাকত। তানিয়ার কোনো ভাই না থাকায় বাবা নিজেদের অসহায় মনে করত। তাদের ধারণা সংসারে ছেলে না থাকলে সমাজ বা পরিবারে কোনো গুরম্নত্ব থাকে না। তানিয়ার উদ্যোগ বাবা-মায়ের সে ধারণাকে পাল্টে দেয়।
তানিয়া ২০১৩ সাল থেকে এনএসএসের রিকল প্রকল্পের বৈশাখী গণসংগঠনের কিশোর-কিশোরী দলের সদস্য হওয়ার পর বিভিন্ন সভায় অংশ নেয়। সে ধীরে ধীরে অধিকার সচেতন হয় এবং অন্যায়ের প্রতিবাদ করতে শেখে। স্কুলে যাওয়ার পথে প্রায়ই লক্ষ্য করত এলাকার কিছু বখাটে ছেলে তাদের পিছু নেয়।
নানা অসৌজন্যমূলক কথা বলে। এতে সে এবং তার বান্ধবীরা অস্বস্ত্মি বোধ করত। তার মনে জেগে ওঠে প্রতিবাদের ভাষা। সে উদ্যোগ নেয় অন্যান্য কিশোর-কিশোরীদের নিয়ে বিষয়টি সুরাহা করার জন্য। সে ছেলে-মেয়েদের সংগঠিত করে বখাটে ছেলেদের অভিভাবকদের সঙ্গে কথা বলে। এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিদের সঙ্গে কথা বলে। এভাবে একদিন দুষ্ট ছেলেদের সামনে গিয়ে তাদের বারণ করলে তারা তাদের ভুল বুঝতে পারে। সেই ছেলেরা এখন তাকে বোনের দৃষ্টিতে দেখে। পাশাপাশি বিভিন্ন কাজে সহযোগিতা করে। তানিয়ার উদ্যোগ এলাকায় প্রশংসিত হয়। তানিয়ার পরিচিতি স্কুলে বড় আপা বলে। এলাকার বখাটে ছেলেরা এখন তানিয়াকে সম্মানের দৃষ্টিতে দেখে। এ যেন কিশোরী তানিয়া সমাজে এক দৃষ্টান্ত্ম।
এ প্রসঙ্গে তানিয়া বলেন, এলাকার ছেলেরাও তো আমাদের ভাই আমরা যদি তাদের বুঝিয়ে বলি তারা অবশ্যই আমাদের কথা শুনবে। তানিয়া সমাজের সব মেয়েকে তার মতো প্রতিবাদী হওয়ার আহ্বান জানান।
 
এই প্রতিবেদন সম্পর্কে আপনার মতামত দিতে এখানে ক্লিক করুন
অনলাইন জরিপ
অনলাইন জরিপআজকের প্রশ্নজঙ্গিবাদ নিয়ে মন্ত্রীদের প্রচারে আস্থাহীনতার সৃষ্টি হয়েছে_ বিএনপি নেতা আসাদুজ্জামান রিপনের এই বক্তব্য সমর্থন করেন কি?হ্যাঁনাজরিপের ফলাফল
আজকের ভিউ
পুরোনো সংখ্যা
2015 The Jaijaidin
close