লাইফস্টাইলআমি ভীষণ ভোজনরসিকবাংলাদেশের সুপার মডেল শাবনাজ সাদিয়া ইমি। মডেলিং, ছোটপর্দায় অভিনয় ও উপস্থাপনা নিয়ে ব্যস্ত্ম রয়েছেন তিনি। মানসম্মত চলচ্চিত্রের প্রস্ত্মাব পেলে এ মাধ্যমেও কাজ করতে চান।প্রীতি প্রাপ্তি শাবনাজ সাদিয়া ইমিশৈশবের দিনগুলো ...
আমার দাদার বাড়ি পটুয়াখালী। তবে আমি জন্মগ্রহণ করেছি ঢাকার পল্টনে। বাবার চাকরি সূত্রে সেখানেই চার বছর বয়স পর্যন্ত্ম ছিলাম। এরপর আমরা বাড্ডায় চলে আসি। মূলত বাড্ডা এলাকাতেই আমার বেড়ে ওঠা।

ফিটনেস ও সৌন্দর্যের রহস্য ...
আমি মনে করি, ফিটনেস ধরে রাখতে হলে ব্যায়াম ও ডায়েটের বিকল্প নেই। আমি আগে এই দুটি বিষয়ে ভীষণ সজাগ ছিলাম। ইদানীং ব্যায়াম খুব একটা করা হচ্ছে না। তবে সারাবছরই ব্যালেন্স ডায়েট করি।

ডায়েট চার্ট ...
আমি প্রতিদিন তিনবেলা খাবার গ্রহণ করি। সকাল, দুপুর ও রাতের খাবারের মাঝেও হালকা কিছু খাই। সকালে ২টি রম্নটি আর একটি ডিম পোজ খাই। সঙ্গে থাকে এক বাটি সবজি। দুপুরে এক কাপ ভাতের সঙ্গে সবজি ও মাছের তরকারি থাকে। সপ্তাহে দু'দিন মুরগির মাংস খাই ভাতের সঙ্গে। আর রাতে বেশি ক্ষুধা লাগলে ভাত খাই। নয়ত রম্নটি খাই। কোনো কোনো দিন কিছুই খাই না। আর ডায়েট না থাকলে সামনে যা দেখি তাই খেয়ে ফেলি। কারণ আমি ভীষণ ভোজনরসিক।

সৌন্দর্য বর্ধনে ...
রূপচর্চা সেভাবে করি না। যে কোনো কিছুই চট করে মুখে লাগাই না। কারণ এতে ত্বকে সমস্যা দেখা দেয়। অনেকদিন ধরে একটি ব্র্যান্ডের ফেসওয়াশ ব্যবহার করি। আর সব সময় ত্বকে পেট্রোলিয়াম জেলি ব্যবহার করি। আর মেকাপ করলে বাড়ি ফিরেই তা খুব ভালো করে তুলে ফেলি। চুলের যত্নে নিয়মিত তেল দিই। আর ভালো ব্র্যান্ডের শ্যাম্পু ব্যবহার করি।

ভক্তরা যখন চিনে ফেলে ...
আমি অভিনয় করি ভক্তদের জন্যই। তাদের কাছ থেকে প্রশংসা পাওয়া, তাদের মনের মধ্যে বাস করতে পারাটাই একজন শিল্পীর জীবনের সার্থকতা। তাই আমি কখনোই ভক্তদের সঙ্গে খারাপ ব্যবহার করি না। তাদের সঙ্গে হাসিমুখে কথা বলি, ছবি তুলি। মাঝে মাঝে অবাক হই, যখন দেখি আমার চুল আটকানো, কোনো মেকাপ নেই তারপরও দর্শক আমাকে চিনে ফেলছে। তবে সময় না বুঝে যখন তখন ছবি তোলা নিয়ে ভক্তরা হৈ চৈ করলে খুব খারাপ লাগে।

যখন অবসর ...
অবসরে প্রচুর গান শুনি আর ঘর গোছাই। তবে সবচেয়ে ভালো লাগে বাবার সঙ্গে সময় কাটাতে। অনেক কিছু জানতে পারি তার সঙ্গে কথা বলে। নিজেকে আরও ভালো মতো চিনতে পারি।

শখ ...
হ্যান্ডিক্র্যাফটস তৈরি করার শখ রয়েছে আমার। ওয়ালমেট, মগ, ছবির ফ্রেম তৈরি করতে খুব পছন্দ করি।

প্রিয় কাজ ...
নাচতে খুব ভালো লাগে। তাই সময় পেলেই নাচের নতুন নতুন মুদ্রা শিখি। আর তা শেখা মাত্রই ভিডিও করে ফেলি।

প্রিয় গ্যাজেট ...
কাজ না থাকলে সারাদিনই কোনো না কোনো গ্যাজেট নিয়ে পড়ে থাকি। মোবাইল ফোন, হেডফোন, স্পিকার আমার প্রিয় গ্যাজেট।

প্রিয় রং ...
আমাদের দেশের বেশিরভাগ মানুষের গায়ের যে রঙ, সেটা আমার দারম্নণ পছন্দের। এ ছাড়া সাদা ও লাল রঙ আমার ভালো লাগে।

প্রিয় পোশাক ...
আমি সব ধরনের পোশাক পরতে স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করি। সে কারণে আমি যা পরি তাই আমার প্রিয় পোশাক। যদিও ওয়েস্টার্ন আউটফিট বেশি পরি। তবে শাড়িও ভালো লাগে। কিন্তু শাড়ি পরতে গেলে অনেক আয়োজন লাগে। তাই শাড়ি খুব একটা পরা হয় না।

প্রিয় চলচ্চিত্র ...
আমি দেশ-বিদেশের নানা ধরনের সিনেমা দেখতে ভীষণ ভালোবাসি। তবে হিন্দি ছবি দেখতেই বেশি ভালো লাগে। তাই প্রিয় চলচ্চিত্রের তালিকায় প্রথমেই থাকবে যাব- উই মিট, তানু ওয়েডস মানু ও হাসি তো ফাঁসি।

প্রিয় অভিনয়শিল্পী ...
অমিতাভ বচ্চন আমার সবচেয়ে প্রিয়। শুধু অভিনয় নয়, তার ব্যক্তিত্ব আমাকে মুগ্ধ করে। তার মাঝে আমার বাবার ছায়া দেখতে পাই। এ ছাড়া বলিউডের কারিনা কাপুর, কঙ্গনা রানৌত ও বাংলাদেশের জয়া আহসানের অভিনয়ও আমার খুব ভালো লাগে।

চলচ্চিত্রে আগ্রহী ...
আমির্ যাম্প, টিভিসি, টেলিভিশন নাটক ও উপস্থাপনা করেছি। বাদ আছে শুধু চলচ্চিত্র। মানসম্মত কিছু ছবিতে কাজ করার খুব আগ্রহ আছে। কিন্তু আমাদের দেশে সে সুযোগ খুবই কম। কারণ স্বজনপ্রীতি ছাড়া এ দেশে কিছুই হয় না। তবে যদি কখনো ভালো গল্পের ও চরিত্রের ছবির প্রস্ত্মাব পাই, অবশ্যই করব। পরব্রত চট্টোপাধ্যায় ও আবীর চাটার্জির নায়িকা হতে চাই।

যখন বিরক্ত লাগে ...
খুব মন খারাপ হলে চুপ করে থাকি। বেশি রেগে গেলে ফুল ভলিউমে গান শুনি।

পরিবার পরিজন ...
বাবা-মা, চার বোন আর ছোট ভাই নিয়ে আমার পরিবার। সম্প্রতি বিয়ে করেছি। এখন শ্বশুরবাড়ি আমার আরেকটি পরিবার। আমার স্বামী আব্দুলস্নাহ আজমী একজন পরিচিত মডেল। সেইসঙ্গে তিনি চাইনিজ একটি মাল্টিন্যাশনাল কোম্পানির ব্র্যান্ড ম্যানেজারের দায়িত্ব পালন করছেন।
 
এই প্রতিবেদন সম্পর্কে আপনার মতামত দিতে এখানে ক্লিক করুন
অনলাইন জরিপ
অনলাইন জরিপআজকের প্রশ্নজঙ্গিবাদ নিয়ে মন্ত্রীদের প্রচারে আস্থাহীনতার সৃষ্টি হয়েছে_ বিএনপি নেতা আসাদুজ্জামান রিপনের এই বক্তব্য সমর্থন করেন কি?হ্যাঁনাজরিপের ফলাফল
আজকের ভিউ
পুরোনো সংখ্যা
2015 The Jaijaidin
close