বর্ষবরণে মঙ্গল শোভাযাত্রামঙ্গল শোভাযাত্রা কার্যক্রম এ দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলে ছড়িয়ে দেয়ার মাধ্যমে দেশের মানুষকে অসাম্প্রদায়িকতার বন্ধনে আবদ্ধ করা সম্ভব। এই প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে মাথাচাড়া দিয়ে ওঠা দানবীয় সাম্প্রদায়িক শক্তি অপতৎরতা রুখতে হবে।শাহ মো. জিয়াউদ্দিন বিশ্বজুড়ে বাস করছে নানা ধরনের জাতি গোষ্ঠীর মানুষ। প্রতিটি জাতিরই নিজস্ব সংস্কৃতিক ধারায় রয়েছে কিছু পার্বণ ও উৎসব। পৃথিবীর নানা অঞ্চলের প্রাকৃতিক বৈশিষ্ট্য ও জলবায়ুর ওপর নির্ভর করে এ ধরনের সাংস্কৃতিক পার্বণের তারিখ নির্ধারিত হয়েছে। সভ্যতা বিকাশের প্রারম্ভিকতার দিকে দৃষ্টি দিলে দেখা যায় , তখনকার মানুষের জীবন জীবিকাটা ছিল সম্পূর্ণ কৃষিনির্ভর। প্রাচীনকালে এ ধরনের উৎসব পার্বণগুলো শস্য উৎপাদনের সময়ের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে দিনক্ষণ নির্ধারণ করে পালন করা হতো। সেই পার্বণ বা উৎসবগুলো ধারাবাহিকভাবে এখনও পালিত হয়ে আসছে। পৃথিবীর প্রতিটির অঞ্চলের জাতি-গোষ্ঠীর মানুষ এ ধরনের পার্বণগুলোকে তাদের ঐতিহ্য হিসেবে লালন করে আসছে অনাদিকাল থেকে। তাই বংশপরম্পরায় এ পার্বণগুলো আনন্দমুখর পরিবেশে পালিত হয়ে থাকে। পৃথিবীতে বর্ষবরণ অনুষ্ঠান শুরু হয়েছিল আজ থেকে চার হাজার বছর আগে । বাংলা বর্ষবরণ কবে কখন কিভাবে পালিত হতে শুরু হয়েছিল তা নিয়ে নানা মতভেদ থাকলেও বাংলা বর্ষবরণ অনুষ্ঠান বাঙালি জাতির একটি ঐতিহ্যবাহী পার্বণ। বাঙালির বর্ষবরণের সঙ্গে বাঙালি জাতির আদি সংস্কৃতিটি ওতপ্রোতভাবে জড়িত। প্রাচীন কাল থেকে বাঙালিরা বাংলা বর্ষবরণ আনন্দঘন ও উৎসবের মেজাজে পালন করে আসছে। বাংলা বর্ষবরণের ইতিহাস পর্যালোচনা করলে দেখা যায় যে, সনাতন ধর্মানুসারী সৌর পঞ্জিকা অনুসারে এ অঞ্চলের মানুষ বাংলায় বারো মাসে বা ৩৬৫ দিনে একটি বছর হিসেবে পালন করত । আর এই ব্যবস্থাটি ছিল খ্রিস্টীয় ও হিজরি পঞ্জিকা প্রবর্তনের আগে থেকে। প্রাচীন কাল থেকে এই সৌর পঞ্জিকা প্রথম দিন নববর্ষ হিসাবে পালন করা হতো উৎসব ও আনন্দ মুখর পরিবেশে। সৌর পঞ্জিকা অনুসারে বাংলার এই নববর্ষটি সেই সময় আসাম, বঙ্গ, কেরল, মনিপুর, নেপাল, উড়িষ্যা, পাঞ্চাব, তামিলনাড়ু এবং ত্রিপুরায় পালন করা হতো। তাই বাংলা বর্ষবরণ উলি্লখিত অঞ্চলগুলোর সংস্কৃতির এক অবিচ্ছেদ্য অংশ হিসাবে পরিণত হয়েছে। প্রাচীনকালে নববর্ষ বা পহেলা বৈশাখ পালন করা হতো উৎসব হিসেবে। তখন এর মূল কাজ ছিল কৃষিকাজের দিকনির্দেশনা দেয়া, প্রযুক্তির উদ্ভাবনের পূর্বে কৃষকরা ঋতুর ওপর নির্ভরশীল ছিল। উপমহাদেশে মুসলিম শাসন শুরু হওয়ার পর, মুসলিম শাসকরা হিজরি সন হিসেবে প্রজাদের কাছ থেকে খাজনা আদায় করতেন। কিন্তু এই অঞ্চলে ফসল উৎপাদনের সঙ্গে হিজরি সনের সামঞ্জস্যতা ছিল না। হিজরি সন এবং সৌরবর্ষ পঞ্জিকার সঙ্গে বছরের মোট দিনের পার্থক্য রয়েছে তাই চক্রাকারে হিজরি সনের প্রথম দিনটি এমন সময় আসত যখন এ অঞ্চলে কোনো প্রকার শস্য উৎপাদনের সময় থাকত না । ফলে তখনকার শাসকদের খাজনা আদায় করতে সমস্যা হয়ে যেত। খাজনা আদায়ের বিষয়টি বিবেচনায় রেখে বাংলা সনের নব প্রবর্তনের বিষয়টি অত্যবশকীয় হয়ে ওঠে। তাছাড়া হিজরি সন অনুসারে দিন শুরু হয় সূর্যাস্তের পর অর্থাৎ সন্ধ্যা থেকে, খ্রিস্টীয় সন অনুসারে দিনের শুরু হয় রাত ১২টার পর আর বাংলা বা সৌর সনের দিন শুরু হয় সূর্যোদয়ের পর থেকে। সম্রাট আকবরের আমলে হিজরি সন এবং সৌর বর্ষ পঞ্জিকার সমন্বয় ঘটানো হয়। সম্রাট আকবরের আমলে সম্রাটের নির্দেশে বাংলার বিখ্যাত জ্যোতির্বিজ্ঞানী ও চিন্তাবিদ ফতেউল্লাহ সিরাজী বাংলা সনের নিয়ম বিনির্মাণ করেন। তবে ফতেউল্লাহ সিরাজী মতানুসারে বাংলা সনের দিনের শুরুটা ধরা হয় সূর্যোদয়ের পর থেকে। ১৫৮৪ সালের ১০ মার্চ বা ১১ মার্চ থেকে পুনরায় নতুন নিয়মে বাংলা সন চালু হয় তবে এই সময়টা নিয়েও কিছুটা মতপার্থক্য রয়েছে। প্রথমে এই ফতেউল্লাহ সিরাজীর বাংলা সনের নাম ফসলি সন পরে বঙ্গাব্দ বা বাংলা বর্ষ হিসেবে পরিচিত হয়। সম্রাট আকবরের আমলে সারম্ভরপূর্ণ অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে পহেলা বৈশাখ পালিত হয়। সেই সময় বাংলা নববর্ষ একটা মঙ্গলময় বার্তা নিয়ে আসত । প্রজাদের ঘর ভরে উঠত নতুন শস্যে, আর রাজকোষও ভরে যেত প্রজাদের দেয়া খাজনায়। তখনকার দিনের প্রজারা বাংলা চৈত্র মাসের শেষ দিনের মধ্যে সব ধরনের খাজনা, মাশুল ও শুল্ক পরিশোধ করতে বাধ্য থাকত। তাই তার পরের দিন অর্থাৎ পহেলা বৈশাখ ভূমি মালিকরা প্রজাদের মিষ্টান্ন দ্বারা আপ্যায়নের ব্যবস্থা করতেন। এখন বাংলাদেশের পার্বত্য জেলাগুলোতে আদিবাসীরা রাজপুন্যাহ পালন করে থাকে। এভাবেই হালখাতার উৎপত্তি ঘটে। কাল পরিক্রমায় বাংলা নববর্ষ একটি উৎসবে পরিণত হয়। ব্রিটিশ আমলে ১৯১৭ সালে একটি ব্যতিক্রম ধরায় বাংলা নববর্ষ পালন করা হয়। তখন পৃথিবীতে প্রথম বিশ্বযুদ্ধ চলছিল আর এই বিশ্বযুদ্ধে ব্রিটিশদের বিজয় কামনা করে বাংলা নববর্ষে উপমহাদেশে অধিবাসীরা প্রার্থনার আয়োজন করেছিল। তারপর থেকে নানা আয়োজনে বাংলা নববর্ষ উদযাপন করা হয় তবে প্রার্থনার বিষয়টি মুখ্য হয়ে ওঠেনি। পাকিস্তান শাসন আমলে বাংলাদেশে নববর্ষ পালন প্রতবাদের প্রতীক হয়ে ওঠে। অশুভ শক্তির বিরুদ্ধে সত্যের আন্দোলনের সূত্রপাত ঘটায় বাংলা নববর্ষ। পাকিস্তান শাসক শ্রেণি যখন বাংলা সাহিত্য ও সংস্কৃতি থেকে অসাম্প্রদায়িক ধারা এবং রবিন্দ্র সাহিত্য নিষিদ্ধ করে তখন নব চেতনায় সারা বাংলাদেশে বাংলা নববর্ষ পালনের উদ্যোগ নেয়া হয়। ১৯৬১ সালে ছায়ানট প্রতিষ্ঠা পায়। আর পরবর্তী সময় সংগঠনটি রমনা বটমূলে বাংলা নববর্ষের সূর্যোদয়ের সঙ্গে দিবসটি পালনের নানা কর্মসূচি গ্রহণ করে। ইংরেজি ১৯৬৪ সালের বাংলা ১৩৭১ এর ১ বৈশাখ ঢাকার রমনা বটমূলে ছায়ানট প্রথম নববর্ষ পালন করে। আজ অবধি পর্যন্ত ছায়ানটের এই কর্মসূচি অব্যাহত রয়েছে, ২০০১ সালে ছায়ানটের বর্ষবরণ অনুষ্ঠানে সাম্প্রদায়িক দানবীয় অপশক্তি বোমা বিস্ফোরণ ঘটায়, তবে বাঙালির আদি সংস্কৃতির বহমান ধারাটি ব্যত্যয় ঘটাতে তারা পারেনি। বাংলা নববর্ষ পালনটি এখন জাতীয় উৎসবে পরিণত হয়েছে। কারণ বাংলা নববর্ষ হলো বাঙালির অতীত ঐতিহ্য, অতীতের শ্রেষ্ঠ ভাব সম্পদের সমাহারকে বর্তমানে বিকশিত করাটাই হলো সংস্কৃতি। অতীতের নানা সংস্কৃতির সঙ্গে একালের সংস্কৃতির সমন্বয় ঘটছে। পৃথিবীর নানা দেশের সাংস্কৃতিক পার্বণগুলোর মেল বন্ধন ঘটছে বিশ্বের নানা প্রান্তের সংস্কৃতির সঙ্গে। এই মেল বন্ধনের মাঝে রয়েছে সুস্থ একটি প্রতিযোগিতাও। বিভিন্ন দেশের????? সাংস্কৃতিক পার্বণগুলো মানবকল্যাণে কতটা অর্থবহ তার প্রভাব নিরূপণের মাধ্যমে এই পার্বণটি স্থান করে নিচ্ছে বিশ্ব সংস্কৃতিক দরবারে। বাংলা নববর্ষের মঙ্গল শোভাযাত্রা আন্তর্জাতিক পরিম-লে স্থান পেয়েছে। জাতিসংঘের অঙ্গ সংস্থা ইউনোস্কো বাংলাদেশ সরকারের সাংস্কৃতিক মন্ত্রণালয়ের আবেদনক্রমে ২০১৬ সালে ৩০ নভেম্বর বাংলাদেশের 'মঙ্গল শোভাযাত্রা' কে বিশ্বের গুরুত্বপূর্ণ অধরা বা ওহঃধহমরনষব সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করে। ২০১৬ সালের ২৮ নভেম্বর থেকে ২ ডিসেম্বর ইথিওপিয়ার রাজধানী আদ্দিস আবাবায় অনুষ্ঠিত ইউনোস্কোর আন্তর্জাতিক পর্ষদ ওঘঞঊজএঙঠঊজঘগঊঘঞঅখ ঈঙগগওঞঞঊঊ ঋঙজ ঞঐঊ ঝঅঋঊএটঅজউওঘএ ঙঋ ঞঐঊ ওঘঞঅঘএওইখঊ ঈটখঞটজঅখ ঐঊজওঞঅএঊ মঙ্গল শোভাযাত্রার বিষয়টি অনুমোদন করে। এ বিষয়ে বাংলাদেশের প্রস্তাবটি ঘড়সরহধঃরড়হ ভরষব হড়. ০১০৯১ হিসেবে চিহ্নিত ছিল। স্বাধীন বাংলাদেশে মঙ্গল শোভাযাত্রাটির প্রচলনও অশুভ শক্তিকে নাশ করে গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ গড়ার প্রত্যয় নিয়ে যাত্রা করেছিল। স্বৈরাচার পতনের আন্দোলনের অংশ হিসাবে ১৯৮৯ সালে মঙ্গল শোভাযাত্রার নতুন রূপ পায়। স্বৌরাচারী অপশক্তিকে পরাহত করতে ওই নববর্ষে বাঙালিরা ধর্মবর্ণ নির্বিশেষে শোভাযাত্রায় অংশ নেয়। ১৯৯০ সালে মঙ্গল শোভাযাত্রা আনন্দ শোভাযাত্রা নামে পথচলা শুরু করে। তখন নানা শিল্পকর্মের প্রতিকৃতি স্থান পায় শোভাযাত্রায়। স্বৈরাচারের পতনের পর ১৯৯১ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলার শোভাযাত্রার নতুন মাত্রা যোগ করে । ১৯৯১ সালের শোভাযাত্রায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসিসহ দেশের বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ অংশ নেয়। এভাবেই বাংলা বর্ষবরণ অনুষ্ঠানের পালনের সঙ্গে বাঙালি নানা বিষয়গুলো অন্তর্ভুক্ত হতে থাকে। বাংলা বর্ষবরণ এ অঞ্চলের জনগোষ্ঠীর প্রাচীন একটি সংস্কৃতি তাই বাঙালির প্রচীন বিষয়গুলো যেমন বিভিন্ন প্রতিকৃতি শোভাযাত্রায় স্থান করে নেয়। বাংলাদেশের পাবর্ত্য তিন জেলার আদিবাসীরা নববর্ষ বরণে নানা অনুষ্ঠানের আয়োজন করে। ত্রিপুরা আদিবাসীরা বৈসুর, মারমাদের সাংগ্রাই ও চাকমাদের বিজু উৎসব নামে বর্ষবরণ অনুষ্ঠানটি পালন করে। তবে সমগ্র পার্বত্য এলাকায় তা বৈসাবি নামে পরিচিত। প্রাচীন কাল থেকে এই অঞ্চলের মানুষের বর্ষবরণ অনুষ্ঠানটি বিশ্লেষণ করলে দেখা যায় যে, বর্ষবরণ অনুষ্ঠানটি বাঙালি জাতির মূল পার্বণ। এই উপমহাদেশের বিশাল জনগোষ্ঠীর বছরের ৩৬৫ দিন যেন মঙ্গলময় হয়ে ওঠে এই কামনায় বাংলা নববর্ষটি আনন্দঘন পরিবেশে পালন করে আসছে যুগ যুগ ধরে। তাছাড়া মঙ্গলশোভা যাত্রা অশুভ শক্তির বিরুদ্ধে শান্তি, গণতন্ত্র ও বাঙালি জাতিসত্তার ঐক্যর প্রতীক হিসেবে পরিগণিত হয়েছে, ১৯৮৯ সাল থেকে বাংলা বছরের প্রথম দিনটি মঙ্গল শোভাযাত্রার মাধ্যমে অপশক্তির অবসান এবং বাংলাদেশের মানুষের কল্যাণময় ভবিষ্যতের আশা ব্যক্ত করে চলেছে। ৭০ বছর আগে তথাকথিত দ্বিজাতি তত্ত্বের নামে ধর্মের আবরণে বাঙালি জাতিকে বিভাজিত করার চেষ্টা করেও বর্ষবরণ অনুষ্ঠান পালন করা থেকে বিরত রাখতে পারেনি। বাংলাদেশে সাম্প্রদায়িক অপশক্তির দৌরাত্ম্য দিন দিন বাড়ছে ফলে দেখা যায় একটি বিশেষ মহল বর্ষবরণে মঙ্গল শোভাযাত্রাকে বিধর্মীদের আচার অনুষ্ঠান হিসেবে আখ্যা দিয়ে বর্ষবরণে বাধা চেষ্টা করে। এই অপশক্তি সাম্প্রদায়িক গোষ্ঠীরা বিগত কয়েক বছর ধরে বর্ষবরণের দিনে নারী নিগ্রহসহ নানা অসামাজিক কাজ করে বর্ষবরণের অনুষ্ঠানগুলোর ভাবগাম্ভীর্যতা নস্ট করার কাজে লিপ্ত। এ বছরেও যে তাদের অশুভ তৎপরতা বন্ধ হয়ে যাবে, তা আশা করা যায় না। এই দানবীয় অপশক্তির প্রভাবে বাংলাদেশের নানা স্থানে ঘটছে বিভিন্ন ধরনের নাশকতা। এ ছাড়াও মৌলবাদী অর্থনীতির পুঁজির প্রভাবে এ দেশের যুব সমাজকে বিপথেতাড়িত করছে, এদের প্রলোভনে প্রলুব্ধ হয়ে বহু নিরীহ যুবককে পরণিত হয়ে যাচ্ছে জঙ্গিতে। বাংলাদেশে ধর্মীয় আবরণে অশুভ দানবীয় অশুভ শক্তি দিন দিন মাথা চারা দিয়ে উঠছে। এই অশুভ শক্তিকে রুখতে হলে অসাম্প্রদায়িক চেতনায় বাঙালি সংস্কৃতিতে বাংলাদেশের জনগনকে ঐক্যবদ্ধ হওয়া প্রয়োজন। আর এই ঐক্যের একটি প্রধান প্রক্রিয়াটি হলো আদি পার্বণ বর্ষবরণ অনুষ্ঠানটি ঘটা করে পালন করা।
মঙ্গল শোভাযাত্রা কার্যক্রম এ দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলে ছড়িয়ে দেয়ার মাধ্যমে দেশের মানুষকে অসাম্প্রদায়িকতার বন্ধনে আবদ্ধ করা সম্ভব। এই প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে মাথাচাড়া দিয়ে ওঠা দানবীয় সাম্প্রদায়িক শক্তি অপতৎরতা রুখতে হবে।
 
এই প্রতিবেদন সম্পর্কে আপনার মতামত দিতে এখানে ক্লিক করুন
অনলাইন জরিপ
অনলাইন জরিপআজকের প্রশ্নজঙ্গিবাদ নিয়ে মন্ত্রীদের প্রচারে আস্থাহীনতার সৃষ্টি হয়েছে_ বিএনপি নেতা আসাদুজ্জামান রিপনের এই বক্তব্য সমর্থন করেন কি?হ্যাঁনাজরিপের ফলাফল
আজকের ভিউ
পুরোনো সংখ্যা
2015 The Jaijaidin