ঢাকায় নাশকতার পরিকল্পনা ছিল জেএমবির :র্ যাবযাযাদি রিপোর্ট রাজধানীর তেজগাঁও শিল্পাঞ্চল এলাকা থেকে গত সোমবার র‌্যাবের হাতে আটকৃত দুই জেএমবির সদস্য - যাযাদিঢাকায় আবারও নাশকতার পরিকল্পনা করেছিল জেএমবি। আর এ জন্য বেছে নেয়া হয়েছিল ঢাকার বাইরের আঞ্চলিক সদস্যদের। পরিকল্পনা বাস্ত্মবায়নে তেজগাঁও এলাকায় অবস্থান নেয় ছয় থেকে সাতজন জেএমবি সদস্য। তবের্ যাবের তৎপরতায় তা ভেস্ত্মে গেছে।
মঙ্গলবার দুপুরে রাজধানীর কারওয়ানবাজারের্ যাবের মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানানো হয়। সংবাদ সম্মেলনে কথা বলেনর্ যাব-২-এর অধিনায়ক (সিও) লেফট্যানেন্ট কর্নেল আনোয়ারম্নজ্জামান।
এর আগে গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে তেজগাঁও শিল্পাঞ্চল এলাকায় হামলার উদ্দেশে ঢাকায় আসা জেএমবির দুই সদস্যকে গত রাতে গ্রেপ্তার করের্ যাব। তবে এ সময় বাকিরা পালিয়ে যায়।
কর্নেল আনোয়ারম্নজ্জামান বলেন, ১২ ফেব্রম্নয়ারি রাতে তেজগাঁও শিল্পাঞ্চল এলাকার সোনালী ব্যাংক মোড় থেকে জেএমবি সদস্য মো. নুরম্নজ্জামান লাবু (৩৯) ও নাজমুল ইসলাম শাওনকে (২৬) গ্রেপ্তার করা হয়। এ সময় তাদের কাছ থেকে দুটি চাপাতি, জঙ্গিবাদী বই, ৭২৪ ইউএস ডলার এবং অন্যান্য সামগ্রী জব্দ করা হয়। জিজ্ঞাসাবাদে তারা জেএমবির সদস্য বলে স্বীকার করেছেন।
জিজ্ঞাসাবাদের তথ্য উলেস্নখ করে তিনি বলেন, নুরম্নজ্জামান বাসের-ট্রাকের হেলপার ও লন্ড্রি দোকানে কাজ করতেন। আবার কখনো রিকশা বা দিনমজুর হিসিবেও কাজ করতেন তিনি। মাদ্রাসায় ভর্তি হলেও পড়ালেখা শেষ করেননি। ২০১৫ সালে সাইফ ওরফে রম্নবেল ওরফে রবিন ও সাগর ওরফে মারম্নফ ওরফে শিহাবের মাধ্যমে ধর্মীয় উগ্রবাদিতায় উদ্বুদ্ধ হন তিনি।
নুরম্নজ্জামানের দায়িত্ব ছিল অন্য ধর্মের লোকদের হত্যা ও আক্রমণ করতে অনুপ্রাণিত করা। তার চলাফেরা সন্দেহের ঊর্ধ্বে রাখতে স্থানীয় জেএমবি একটি অটোরিকশা কিনে দেয়। অটোরিকশা চালিয়ে তিনি বিভিন্ন এলাকায় ঘুরে বেড়াতেন। বিশেষ করে মুসলিম থেকে ধর্মান্ত্মরিত খ্রিস্টানদের অনুসরণ করতেন তিনি।
এ ছাড়া বোমা বানাতে পারদর্শী বলে স্বীকার করেছেন নুরম্নজ্জামান। ঝিনাইদহ এলাকায় স্কুলমাঠে ও একটি গ্যারেজে সমমনাদের নিয়ে গোপনে বৈঠক করতেন তিনি।
গ্রেপ্তার নাজমুল সম্পর্কে লেফটেন্যান্ট কর্নেল আনোয়ারম্নজ্জামান বলেন, গ্রেপ্তার নাজমুল পেশায় একজন মেরিন ইঞ্জিনিয়ার। ২০১৫ সালে তার মধ্যে উগ্রবাদী ধর্মীয় মতাদর্শের প্রতি আসক্তি সৃষ্টি হয়। ২০১৫ সালের মার্চে আবু আব্দুলস্নাহ নামে এক ব্যক্তির সঙ্গে তার পরিচয়ে জেএমবিতে সম্পৃক্ত হন। একই বছর আব্দুলস্নাহর মাধ্যমে জেএমবির সুলায়মান ওরফে আজাহারের সঙ্গে তার পরিচয় হয় এবং পরে তিনি সুলায়মানের কথামত উগ্রবাদী মতাদর্শ প্রচার শুরম্ন করে।
গ্রেপ্তারদের আরও জিজ্ঞাসাবাদ করতে রিমান্ড চেয়ে আদালতে পাঠানো হবে এবং বাকি পলাতক জেএমবি সদস্যদের গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে বলেও জানান তিনি।
 
এই প্রতিবেদন সম্পর্কে আপনার মতামত দিতে এখানে ক্লিক করুন
অনলাইন জরিপ
অনলাইন জরিপআজকের প্রশ্নজঙ্গিবাদ নিয়ে মন্ত্রীদের প্রচারে আস্থাহীনতার সৃষ্টি হয়েছে_ বিএনপি নেতা আসাদুজ্জামান রিপনের এই বক্তব্য সমর্থন করেন কি?হ্যাঁনাজরিপের ফলাফল
আজকের ভিউ
পুরোনো সংখ্যা
2015 The Jaijaidin
close