তবু নাড়ির টানে বাড়ি ফেরানন্দিনী ডেস্ক রাজধানীর বাস-লঞ্চ টার্মিনাল আর রেলস্টেশনে ঘরমুখো মানুষের ঢল। ছুটছে সবাই ঈদের ছুটি প্রিয়জনের সঙ্গে ভাগাভাগি করে নিতে। তবে সড়ক-মহাসড়কের বেহাল দশা, পথে পথে যানজট ও পরিবহন সংকটের ভোগান্ত্মিতে অনেকেরই নাভিশ্বাস উঠে যায়। বিশেষ করে পরিবারের নারী শিশু ও বৃদ্ধ সদস্যদের নিয়ে যাদের ঈদযাত্রা তাদের আনন্দ অনেকটাই পথেই মাটি হয়ে যায়। যাত্রী হয়রানি তো থাকেই সেই সাথে বাড়তি পাওনা অতিরিক্ত গরম ও হঠাৎ প্রবল বৃষ্টির আক্রমণ। এ ছাড়া আগ থেকে সিট দখল করে ব্যবসা করে একশ্রেণির কর্মচারী। সেক্ষেত্রে যাত্রীদের অনেকেই অতিরিক্ত ভাড়া গুনতে হয়। ফলে যাত্রীদের ভোগান্ত্মির শেষ থাকে না।
টিকিট কালোবাজারি ও সিট যাতে বিক্রি না হয় সে ব্যাপারে ব্যাপক নজরদারি করা হয়। কিন্তু বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা ও যাত্রীদের নামে আগ থেকে বুকিং নেয়া টিকিট কালোবাজারে কিছুটা চলে যায়। যাও বা টিকিট কাটা হলো তার সাথে আরও যুক্ত হয় শিডিউল বিপর্যয় নামের এক বিভীষিকা। কেউ জানে না কবে বাস বা ট্রেন আসবে। কখনো কখনো দিনের অর্ধেকটা সময় চলে যায় পরিবহনের অপেক্ষায়। হাজার হাজার নারী শিশু বৃদ্ধ ক্লান্ত্ম শরীর নিয়ে রাস্ত্মায় অপেক্ষা করে থাকে কবে বাড়ি ফেরা হবে। ট্রেনে টিকিট কেটেও নিজের সিটে যেতে পারেননি এমন অভিজ্ঞতা অনেক ট্রেন যাত্রীরই আছে। এ ছাড়া আরিচায় ফেরির অপেক্ষায় কত প্রহরের পর প্রহর কেটে যায়। ঘণ্টার পর ঘণ্টা এভাবে পথের নানা ভোগান্ত্মিতে অসুস্থ হয়ে পড়েন নারী শিশু ও বৃদ্ধরা।
হঁ্যা, তবুও বাড়ি ফেরা, নাড়ির টানে বাড়ি ফেরা। সব দুর্ভোগ ছাপিয়ে ঈদের আনন্দ সবার মাঝে ভাগ করে নিতে এ এক অনিন্দ্য যাত্রা।
 
এই প্রতিবেদন সম্পর্কে আপনার মতামত দিতে এখানে ক্লিক করুন
অনলাইন জরিপ
অনলাইন জরিপআজকের প্রশ্নজঙ্গিবাদ নিয়ে মন্ত্রীদের প্রচারে আস্থাহীনতার সৃষ্টি হয়েছে_ বিএনপি নেতা আসাদুজ্জামান রিপনের এই বক্তব্য সমর্থন করেন কি?হ্যাঁনাজরিপের ফলাফল
আজকের ভিউ
পুরোনো সংখ্যা
2015 The Jaijaidin
close