দেশীয় বিপন্ন প্রজাতির মাছের কৃত্রিম প্রজনননাজমুস শাকিব নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের মৎস্য গবেষকরারানী/দাড়ি/বৌরানী, গুতুম এবং টেংরাসহ বিভিন্ন বিপন্নপ্রায় দেশি প্রজাতির মাছের কৃত্রিম প্রজননে সফলতা অর্জন করেছে নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (নোবিপ্রবি) একদল গবেষক।
নোবিপ্রবির মৎস্য ও সমুদ্রবিজ্ঞান বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ড. শ্যামল কুমার পালের তত্ত্বাবধানে গবেষক দলের অন্যান্য সদস্যরা হলেন- নাজমুল হাসান, প্রণব ভক্ত, সৃজন সরকার, কাজী ফরিদুল হাসান, মাজহারম্নল ইসলাম, মিঠুন দেবনাথ, তৌফিক হাসান ও মামুন-উর রশিদ।
তারা গত আগস্ট মাসে থেকে উক্ত দেশি জাতের কিছু মাছের কৃত্রিম প্রজনন নিয়ে গবেষণা শুরম্ন করেন কুমিলস্নার নাঙ্গলকোট বিসমিলস্নাহ মৎস্য বীজ উৎপাদন কেন্দ্রে। তারা এই বিপন্ন প্রজাতিগুলোর রম্নড ফিশ (মা মাছ) সংগ্রহ করেন বৃহত্তর নোয়াখালী, ময়মনসিংহ এবং সুনামগঞ্জের বিভিন্ন প্রাকৃতিক জলাশয় থেকে। মাছ সংগ্রহ করার পর দীর্ঘদিন লালন পালন করা হয় কৃত্রিমভাবে প্রজননের উপযুক্ত করার জন্য। পূর্ণ প্রস্তুতি শেষে গত ২৮ এপ্রিল বিভিন্ন উদ্দীপক হরমোন প্রয়োগ করার পরদিনই মাছের প্রজাতিগুলোতে কৃত্রিম প্রজননের সাফল্য দেখা দেয়।
বিপন্ন প্রজাতির মাছের কৃত্তিম প্রজননে নোবিপ্রবি গবেষক দল এনএটিপি-২-এর অর্থায়নে পরিচালিত এই প্রকল্পে সহযোগিতা করেন বিসমিলস্নাহ মৎস্য বীজ উৎপাদন কেন্দ্র ও হ্যাচারী টেকনিশিয়ান উত্তম বসু এবং নোবিপ্রবির সহকারী অধ্যাপক সুপ্রতীম কুমার ভক্ত। বিপন্ন প্রজাতির এসব মাছ সম্পর্কে ড. শ্যামল কুমার পাল বলেন, বিপন্ন প্রজাতির এসব মাছ খেতে যেমন সুস্বাদু তেমনি দামও কিছুটা বেশি। কিন্তু কীটনাশক ব্যাবহার এবং জলাশয়গুলো ভরাট হয়ে যাওয়ার কারণে এইসব মাছ ক্রমেই হারিয়ে যাচ্ছে, সুতরাং রক্ষাই আমাদের প্রধান লক্ষ্য। তাছাড়া তেলাপিয়া এবং পাঙ্গাশ মাছের মতো যদি এদের চাষাবাদের ব্যবস্থা করা যায়, তবে মাছের চাহিদাও মেটানো যাবে।
তিনি উক্ত গবেষণা সম্পর্কে আরও বলেন, এদের লালন পালন নিয়ে গবেষণা চলছে। আশা করি খুব শিগগিরই সরকারের কাছে এর ব্রিডিং টেকনোলজি এবং লার্ভা রেয়ারিং টেকনোলজি হস্ত্মান্ত্মর করা হবে।
 
এই প্রতিবেদন সম্পর্কে আপনার মতামত দিতে এখানে ক্লিক করুন
অনলাইন জরিপ
অনলাইন জরিপআজকের প্রশ্নজঙ্গিবাদ নিয়ে মন্ত্রীদের প্রচারে আস্থাহীনতার সৃষ্টি হয়েছে_ বিএনপি নেতা আসাদুজ্জামান রিপনের এই বক্তব্য সমর্থন করেন কি?হ্যাঁনাজরিপের ফলাফল
আজকের ভিউ
পুরোনো সংখ্যা
2015 The Jaijaidin
close