আপনি কি সাইবার বুলিংয়ের শিকার?ইন্টারনেটের বিভিন্ন ওয়েবসাইটে এবং সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যমে হেয় প্রতিপন্ন করাকে সাইবার বুলিং বলে। ভিকটিম অনেক সময় সামাজিক ও আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত্ম হয়ে থাকে। এ ক্ষেত্রে বস্ন্যাকমেলিং ও কিডন্যাপের ঘটনাও ঘটে থাকে। মূলত সাইবার ক্রাইমের ক্ষেত্রে এ ঘটনা বেশি ঘটে থাকে। বুলিংকারীরা মূলত শিশু-কিশোরদের টার্গেট করে থাকে। যার ফলাফল শুরম্নতে বন্ধুসুলুভ আচরণ করে। এবং পরে পরিস্থিতি অনুযায়ী ভয়ভীতি দেখিয়ে থাকে। সাধারণত বুলিংকারীরা মানসিক অত্যাচার করে থাকে। তবে তা মাঝেমধ্যে শারীরিক নির্যাতনের পথেও ধাবিত হতে পারে।মো. রাশেদুল আরেফিন (রাজন) সামিয়া মা-বাবার একমাত্র সন্ত্মান। ক্লাস এইট পড়ুয়া সামিয়া দিনের অনেকটা সময়ই অনলাইনে কাটায়। একদিন ফেসবুকে লগ ইন করার পর, রায়হান নামক একটি আইডি থেকে ফ্রেন্ড রিকোয়েস্ট পায়। প্রোফাইলটা দেখে ভালো মনে হওয়ায় বন্ধু বানায়। আস্ত্মে আস্ত্মে অচেনা মানুষটার সঙ্গে ওর প্রায়দিনই চ্যাটিং চলতে থাকে।
একসময় সামিয়ার অজানা বন্ধু তাকে তার সঙ্গে একা দেখা করতে বলল। সামিয়া রাজি না হওয়ায়, তার ভালো বন্ধুর আসল রূপ বেরিয়ে পড়ল। এরপর থেকেই ফেসবুকের ইনবক্স ভারী হতে থাকল, কুরম্নচিপূর্ণ কথা আর ভয়ভীতি দেখানোর মাধ্যমে।
এদিকে সামিয়া স্কুলে যেতেও ভয় পাচ্ছিল। কারণ ও কোন স্কুলে, কোন ক্লাসে পড়ে সেটাও লোকটার সঙ্গে শেয়ার করেছিল। বিভিন্ন বিষয় চিন্ত্মা করে সামিয়া মানসিকভাবে বিপর্যস্ত্ম হয়ে পড়ল। হঠাৎ করে উচ্ছল মেয়েটি সারাক্ষণ মন খারাপ করে চুপচাপ একাকী বসে থাকে। স্কুলে যেতে না চাওয়া, ঠিকমতো খাওয়া-দাওয়া না করা ইত্যাদি বিষয় মায়ের চোখ এড়ালো না। শুরম্ন হলো একটা নতুন সাইবার বোলিংয়ের ঘটনা।
তিনি মেয়ের সঙ্গে কথা বলে এই আচরণের কারণটা বের করতে চেষ্টা করলেন। আর সামিয়াও ভয়ে ভয়ে মাকে সব খুলে বলল। তিনি মেয়ের সব কথা গুরম্নত্বের সঙ্গে শুনলেন। এ ক্ষেত্রে ভীত মেয়েকে সাহস দিলেন এবং ওর ভুলগুলো সম্পর্কে বুঝিয়ে বললেন।
আমাদের সমাজে রায়হানের মতো বিকৃত মন-মানসিকতার মানুষের সংখ্যা নেহাতই কম নয়! আর তাদের হাত থেকে আপনার সন্ত্মানকে নিরাপদে রাখতে সতর্ক হতে হবে আপনাদেরই।
আপনি কি জানেন আপনার সন্ত্মান সাইবার বুলিংয়ের শিকার কিনা? এ ক্ষেত্রে সজাগ দৃষ্টি রাখুন।
সাইবার বুলিং (ঈুনবৎ ইঁষষুরহম) কি?
ইন্টারনেটের বিভিন্ন ওয়েবসাইটে এবং সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যমে হেয় প্রতিপন্ন করাকে সাইবার বুলিং বলে। ভিকটিম অনেক সময় সামাজিক ও আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত্ম হয়ে থাকে। এ ক্ষেত্রে বস্ন্যাকমেলিং ও কিডন্যাপের ঘটনাও ঘটে থাকে। মূলত সাইবার ক্রাইমের ক্ষেত্রে এ ঘটনা বেশি ঘটে থাকে।
বুলিংকারীরা মূলত শিশু-কিশোরদের টার্গেট করে থাকে। যার ফলাফল শুরম্নতে বন্ধুসুলুভ আচরণ করে। এবং পরে পরিস্থিতি অনুযায়ী ভয়ভীতি দেখিয়ে থাকে। সাধারণত বুলিংকারীরা মানসিক অত্যাচার করে থাকে। তবে তা মাঝেমধ্যে শারীরিক নির্যাতনের পথেও ধাবিত হতে পারে।
অবুঝ ছেলেমেয়েরা অনলাইনের অন্ত্মরালের বন্ধুকে আপন মনে করে। এবং নির্দ্বিধায় সব ব্যক্তিগত তথ্য দিয়ে বসে। ফলে যখন অন্য পাশের মানুষটার আসল রূপ বেরিয়ে পড়ে, তখন তারা ভীত হয়ে পড়ে। এবং ভয়ে কারও কাছে এ ব্যাপারে কিছু শেয়ার করতে চায়না এবং সর্বদা আতঙ্কে থাকে।
সাইবার বুলিংয়ের ক্ষতিকর প্রভাব
সাইবার বুলিংয়ের প্রভাবে শিশু নিরাপত্তাহীনতায় ভুগে থাকে। অনেকসময় বিষণ্নতায় আক্রান্ত্ম হয় এবং হতাশায় ডুবে যায়। এমনকি পড়ালেখায়ও মনোযোগ দিতে পারে না, যার ফলে পড়াশোনায় পিছিয়ে পড়ে। এ ছাড়া সবসময় আতঙ্কগ্রস্ত্ম থাকার ফলে, একসময় তাদের স্বাভাবিক জীবনযাপন ব্যাহত হয়। সব থেকে বড় সমস্যা হলো অনেকই এই সাইবার বুলিংয়ের চাপ নিতে না পেরে, আত্মহত্যার পথেও পা বাড়াতে পারে।
সুতরাং সময় থাকতে সতর্ক হোন! সন্ত্মানের হাতে ল্যাপটপ, ট্যাব, স্মার্টফোন এবং ইন্টারনেটের অবাধ ব্যবহার উন্মুক্ত করে দেয়ার আগে অন্ত্মত একবার ভাবুন! এগুলো আপনার সন্ত্মানের জন্য আশীর্বাদ না অভিশাপ হয়ে এসেছে। আধুনিক প্রযুক্তির ভালো দিক গ্রহণ এবং মন্দ দিক বর্জন করতে হবে। আপনার সন্ত্মান যেন তা ভালোভাবে বুঝতে পারে সেই চেষ্টা করম্নন।
আপনার সন্ত্মানকে সাইবার বুলিং সম্পর্কে সতর্ক করম্নন। আপনার সন্ত্মানকে সাইবার বুলিংয়ের কুফল সম্পর্কে সতর্ক করম্নন। তাকে বোঝান যে, অপরিচিত কোনো মানুষের কাছে কখনো নিজের ব্যক্তিগত তথ্য দেয়া যাবে না। অপরিচিত কাউকে বন্ধু বানানোর ক্ষেত্রে সতর্ক থাকতে হবে। ভার্চুয়াল জগৎ মানেই নিরাপদ নয়। আর ভার্চুয়াল বন্ধুও সবসময় ভালো হয় না।
আপনার সন্ত্মান অপরিচিত কারও সঙ্গে কথা বলছে কিনা এ ব্যাপারে খোঁজখবর নিন। তার সঙ্গে বন্ধুর মতো মিশে সব কিছু জানুন। এবং তার নিরাপত্তার ব্যাপারে সজাগ দৃষ্টি রাখুন। তবে টিনেজ ছেলেমেয়েরা অনেক বেশি স্পর্শকাতর এবং আবেগী হয়ে থাকে। আর তাই তো এসব বিষয়ে তাদের সঙ্গে সতর্কতার সঙ্গে কথা বলুন। যাতে সে যেন ঘুণাক্ষরেও না ভাবে, যে আপনি তার প্রাইভেসিতে হস্ত্মক্ষেপ করছেন।
সাইবার বুলিং শনাক্ত :
কিশোর-কিশোরীদের অনেকেই আছে যারা এসব বাবা-মা এবং শিক্ষকের সঙ্গে শেয়ার করতে লজ্জা পায়। মনে করে বাবা-মাকে বললে হয়তো বাসা থেকে কম্পিউটার সরিয়ে দেবে। কিছু জিনিস পর্যবেক্ষণের মাধ্যমে আপনি নিজেই বুঝবেন আপনার সন্ত্মান সাইবার বুলিংয়ের শিকার হয়েছে কিনা-
# ইন্টারনেট বা ফোনে কথা বলার পরই যদি সে মানসিকভাবে ভেঙে পড়ে।
# যদি সে সারাদিন তার জীবনে কি ঘটলো তা যদি কারও সঙ্গে শেয়ার না করে।
# নিজেকে বন্ধু-বান্ধবী এবং অন্যান্য কাজকর্ম থেকে দূরে রাখে।
# পরীক্ষার ফলাফল যদি আগের মতো না হয় এবং বাসায় সব সময় রেগে কথা বলে।
# আচরণ, ব্যবহার, এবং ঘুমেরও পরিবর্তন হবে।
কীভাবে আপনার সন্ত্মানকে সাইবার আক্রমণ থেকে রক্ষা করবেন-
যদিও এই আক্রমণ সাইবার স্পেসে হয়ে থাকে, তারপরেও কিছু পদক্ষেপ গ্রহণের মাধ্যমে আমরা আমাদের সন্ত্মানদের এই বুলিংয়ের হাত থেকে রক্ষা করতে পারি।
যদি আপনি বুঝতে পারেন যে আপনার সন্ত্মান সাইবার বুলিংয়ের শিকার হয়েছে তাহলে ওর সঙ্গে খোলাখুলি আলোচনা করম্নন। নিজের রাগ নিয়ন্ত্রণ করম্নন। কারণ দেখা যায় আমরা বাবা-মায়েরা আগেই রাগ করে থাপ্পড় দিয়ে বসি। এটি কখনই করতে যাবেন না। ওকে বোঝাবেন যে এতে ওর কোনো দোষ নেই। এবং আপনি যে সব সময় ওর সঙ্গে আছেন তা ওকে বলেন। এ প্রসঙ্গে আপনি আপনার শৈশবকালের কোনো অভিজ্ঞতা বর্ণনা করতে পারেন। ওকে সাহস দেন। কারণ অনেকেই এই বয়সে এসব মানসিক চাপ সহ্য করতে পারে না। এই সাইবার আক্রমণ অনেকটা আসলে মানসিক নির্যাতনের মতো। এই চাপ সহ্য করতে না পেরে অনেকে আত্মহত্যাও করে বসে। এই ডিজিটাল ওয়ার্ল্ডের সুবিধা এবং অসুবিধা বোঝানোর দায়িত্ব বাবা-মা হিসেবে আপনারই। আপনিই আপনার সন্ত্মানকে এর থেকে রক্ষা করতে পারেন।
সন্ত্মানের সঙ্গে বন্ধুর মতো মিশুন। সব সময় খেয়াল রাখুন তারা অনলাইনে কি করছে? কোন সাইট ভিজিট করছে? তাদের প্রাইভেসির ব্যাপারে সতর্ক করম্নন এবং বলেন যে পারসোনাল তথ্য যেন কোনো সামাজিক ওয়েবসাইটে না দেয়। এ ক্ষেত্রে আপনি 'মনিটরিং সফটওয়্যার' ডাউনলোড করে রাখতে পারেন। হয়তো অনেকেই এই মনিটরিং করা পছন্দ করবে না, কিন্তু আপনি ওদের সুন্দরভাবে বুঝিয়ে বলুন যে বাবা-মা হিসেবে পর্যবেক্ষণ করা আপনার দায়িত্ব। আপনার সন্ত্মানের সামাজিক যোগাযোগ ওয়েবসাইটের যে কোনো পাসওয়ার্ড আপনি জেনে রাখুন, এবং আপনার সন্ত্মানদের বলুন যে এই পাসওয়ার্ড যেন সে কাউকে না বলে। এটা একান্ত্মই ওর নিজস্ব। এই পাসওয়ার্ড কেউ জেনে গেলে সে তার ক্ষতি করতে পারে। ইন্টারনেট ব্যবহার করার ক্ষেত্রে সময় নির্দিষ্ট করে দিন। কম্পিউটার বাসায় এমন জায়গায় রাখুন যাতে আপনি সহজেই পর্যবেক্ষণ করতে পারেন। (সন্ত্মানের বেডরম্নমে ল্যাপটপ দেয়ার দরকার নেই) ফোন কিনে দিলে বলেন, এটা একটা গুরম্নত্বপূর্ণ জিনিস, এবং এর ব্যবহার ও নির্দিষ্ট করে দিন। আপনার সন্ত্মানকে সামাজিক যোগাযোগের বিভিন্ন মাধ্যম সম্পর্কে ধারণা দিন। ওদের বলুন, যেন না জেনে কোনো ভিডিও এবং ছবি যেন কারও সঙ্গে শেয়ার না করে, কারণ এসব ভিডিও এবং ছবি সমস্যা তৈরি করতে পারে। ওদের সুন্দরভাবে বোঝাবেন কেউ যদি তাকে সাইবার বুলিং করে সে যেন এর উত্তর না দেয়, উত্তর দিলে সে আরও আনন্দ পাবে এবং আক্রমণ করতেই থাকবে। উত্তর না পেয়ে বুলিং নিজেই একসময় থেমে যাবে। ওদের বলুন যদি তারা কোন সময় সাইবার বুলিংয়ের শিকার হয় তারা যেন অবশ্যই বাবা-মাকে বলে। তাহলে বাবা-মা সন্ত্মানদের এই বুলিংয়ের হাত থেকে রক্ষা করতে পারবেন। এবং ওই বুলিংয়ের কাছ থেকে সে যে কয়েকটা ম্যাসেজ পেয়েছে তা আপনাকে দেখাতে। ওদের শেখান যদি কেউ এরকম আক্রমণ করে তাহলে যত তাড়াতাড়ি সম্ভব যে কোনো সামাজিক মিডিয়ায় সাইবার বুলিংকে বস্নক করে দিতে, এবং ওর ই-মেইলও বস্নক করে দিতে বলবেন। সব ম্যাসেজ এবং ই-মেইল সংরক্ষণ করে রাখতে বলুন যা ওই বুলিংয়ের কাছ থেকে এসেছে।
সাইবার সিকিউরিটির জরম্নরি ধারণাটুকু রাখুন, অস্বস্ত্মি বোধ করার মতো কিছু ঘটলে আগেভাগেই সতর্ক হয়ে যান, প্রয়োজনে উপযুক্ত কারও সহায়তা নিন, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে নিজের উপস্থিতি স্বাভাবিক এবং নির্বিঘ্ন রাখতে। আপনি সচেতন হলে এবং নিজের অবস্থানে দৃঢ় থাকলে সোশ্যাল মিডিয়া বুলিং আপনার টিকির নাগালও পাবে না, শান্ত্মি নষ্ট করা তো বহু দূরের কথা!
কোন কোন মাধ্যমে চলছে বুলিং?
বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে ফেসবুক রয়েছে সাইবার বুলিংকারীদের পছন্দের শীর্ষে! ফেসবুকের সুবিধাজনক ব্যবহারই এর মূল কারণ। এবং ফেসবুকে একাউন্ট রয়েছে এমন মানুষের সংখ্যা নিতান্ত্মই কম না। বিকৃত মনের অসংখ্য মানুষ একাউন্ট খুলে রেখেছে এই মিডিয়ায় এবং তাদের সময় কাটানোর অন্যতম প্রিয় উপায় হলো অন্যকে উত্ত্যক্ত করা!
টুইটার, স্ন্যাপচ্যাট, ছবি শেয়ার করার জনপ্রিয় মাধ্যম ইনস্টাগ্রাম, সোশ্যাল মিডিয়া বুলিং অহরহ চলছে।খারাপমানসিকতার লোকেরা কোনো এক জায়গায় বসে নেই, ছড়িয়ে আছে সব ইন্টারনেট দুনিয়ায়। একজন নিরীহ মানুষ বুলিংয়ের শিকার হতে পারে যে কোনো সময়, যে কোনো মাধ্যমেই।
সচেতন থাকা চাই নিজের
কে কিংবা কারা কুৎসা রটাচ্ছে বলে একটা নিরীহ মানুষ অপমানে হতাশ হয়ে যাবে, তা তো হওয়া উচিত নয় মোটেও। বাজে ছবি পোস্ট হচ্ছে, কিংবা একাউন্ট হ্যাকিং, দরকারে আশ্রয় নিতে হবে সাইবার সিকিউরিটি আইনের। নিজেকে মানসিকভাবে ভেঙে পড়তে দিলে চলবে না, অন্ত্মত সাইবার বুলিং নামক আপত্তির সামনে তো নয়ই।
একাউন্টের সুরক্ষা নিজের হাতে অনেকটাই। অচেনা মানুষের সঙ্গে পরিচিতি বাড়াতে সাবধান হতে হবে অনেক। সাবধান হতে হবে যার-তার সঙ্গে নিজের ব্যক্তিগত ছবি শেয়ার করতেও। এবং তৃতীয় কোনো ব্যক্তিকে নিয়ে গোপন কথা যার সঙ্গে বলা হচ্ছে ম্যাসেজে, সে আদৌ কতটা ভরসা করার মতো, নিশ্চিত হওয়া চাই। মোট কথা, যতটুকু নিজের হাতে আছে তা সর্বোচ্চ ঠিক রাখার চেষ্টা করা চাই আগে।
তারপর না হয় ভাবা যাবে, কোনো অসভ্য মানুষের অসৎ কাজকর্মে নিজেকে কতটা হতাশ করা উচিত!

সাইবার বুলিংয়ের বিরম্নদ্ধে দ্রম্নত আইনের সহায়তা নিন!
আপনার আপনজন কেউ সাইবার বুলিংয়ের শিকার হলে, অবশ্যই আইনের সহায়তা নিন। যদি ভিকটিম মুখ বুজে সব সহ্য করে! তবে দেখা যাবে অপরাধী আরও অপরাধ করতে উৎসাহবোধ করবে। আর সে ক্ষেত্রে ক্ষতিটা কিন্তু আপনাদেরই হবে। আর তাই তো সময় থাকতেই আইনের শরণাপন্ন হোন।
সাইবার বুলিংয়ের শিকার যে কেউ সরাসরি বিটিআরসিতে যোগাযোগ করতে পারবেন। বিটিআরসি ফোনে ও ই-মেইলে দুই মাধ্যমেই অভিযোগ গ্রহণ করে। বিটিআরসির 'কম্পিউটার সিকিউরিটি ইনসিডেন্স রেসপন্স টিম'-এ ধরনের সমস্যায় দ্রম্নত সহায়তা করে থাকে। বিটিআরসিতে হয়রানির অভিযোগ জানাতে কল করতে পারেন (০২)৭১৬২২৭৭ নম্বরে বা ই-মেইল পাঠাতে পারেন পড়হঃধপঃ@পংরৎঃ.মড়া.নফ। এ ছাড়াও 'মহিলা ও শিশুবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের' হটলাইন ১০৯২১ নম্বরে ফোন করলেও, গোপনীয়তা রক্ষা করে এ ধরনের সমস্যার সমাধান করা হয়।

সাইবার বুলিং (ঈুনবৎ ইঁষষুরহম) সম্পর্কে নিজে সতর্ক হোন এবং অন্যকেও সচেতন করম্নন। আপনার একটি সঠিক পদক্ষেপ, অনেক নিষ্পাপ জীবন বাঁচিয়ে দেবে। সুতরাং সাইবার বুলিংয়ের বিরম্নদ্ধে প্রতিবাদ প্রতিরোধ গড়ে তুলুন।

মো. রাশেদুল আরেফিন (রাজন)
সহকারী ব্যবস্থাপক, আইটি
দৈনিক যায়যায়দিন
 
এই প্রতিবেদন সম্পর্কে আপনার মতামত দিতে এখানে ক্লিক করুন
-এর আরো সংবাদ
অনলাইন জরিপ
অনলাইন জরিপআজকের প্রশ্নজঙ্গিবাদ নিয়ে মন্ত্রীদের প্রচারে আস্থাহীনতার সৃষ্টি হয়েছে_ বিএনপি নেতা আসাদুজ্জামান রিপনের এই বক্তব্য সমর্থন করেন কি?হ্যাঁনাজরিপের ফলাফল
আজকের ভিউ
পুরোনো সংখ্যা
2015 The Jaijaidin
close