দুটির বেশি বিদেশি লিগ নয়!ক্রীড়া প্রতিবেদক বিশ্বজুড়ে এখন ফ্র্যাঞ্চাইজি লিগের ছড়াছড়ি। আইপিএল, পিএসএল, সিপিএল, এসপিএলের মতো টুর্নামেন্টে নিয়মিত খেলছেন বাংলাদেশের ক্রিকেটাররা। তবে সেই সব লিগে অবাধ বিচরণ ঠেকাতে এবার শেকল পরানো হচ্ছে বাংলাদেশের ক্রিকেটারদের পায়ে। এখন থেকে বছরে দুটির বেশি বিদেশি লিগে খেলতে অনুমতি পাবেন না বিসিবির চুক্তিবদ্ধ ক্রিকেটাররা। বিসিবির প্রধান নির্বাহী নিজামউদ্দিন চৌধুরী সুজন সংবাদ মাধ্যমকে নিশ্চিত করেছেন বিষয়টি।
বিবিসির নতুন এই বিধিনিষেধের ব্যপারে ইতোমধ্যে অবহিত হয়েছেন ক্রিকেটাররা। চুক্তিবদ্ধ সব ক্রিকেটারকেই বিসিবি থেকে চিঠি দিয়ে তা জানিয়ে দেয়া হয়েছে। বিদেশি যেকোনো ফরম্যাটই হোক না কেন, হতে পারে সেটি টি১০, টি২০ বা ওয়ানডে; সব মিলিয়ে বছরে দুটির বেশি খেলার অনুমতি পাবেন না ক্রিকেটাররা। একই সঙ্গে ঘরোয়া প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটে খেলাটা বাধ্যতামূলক করা হয়েছে চুক্তিবদ্ধ ক্রিকেটারদের জন্য।
বিসিবির নীতিনির্ধারকরা এমন সিদ্ধান্ত্ম নিয়েছেন। এমনটাই জানালেন নিজামউদ্দিন চৌধুরী, 'এটি বোর্ডের নীতিনির্ধারণী সিদ্ধান্ত্ম। আমরা বছরে দুটি ছাড়পত্র দেব। এটি কেস-বাই-কেস ভিত্তিতে দেয়া হবে। নতুন নিয়ম এখনই কার্যকর করা হবে। আমরা খেলোয়াড়দের পর্যাপ্ত বিশ্রাম দিতে চাই, যাতে তারা চোট সামলে উঠতে পারে। আন্ত্মর্জাতিক ম্যাচে আমরা সব খেলোয়াড়কে তৈরি রাখতে চাই।'
কি কারণে এমন সিদ্ধান্ত্ম নেয়া হলো, সেই প্রশ্নের জবাব পাওয়া যায়নি। তবে ধারণা করা হচ্ছে, সর্বশেষ দক্ষিণ আফ্রিকায় টাইগারদের বাজে পারফরম্যান্সের কারণেই বিসিবি কঠোর হচ্ছে। দক্ষিণ আফ্রিকা সফরে ক্রিকেটারদের চোট প্রকট আকার ধারণ করেছিল। তামিম ইকবাল একটি মাত্র টেস্ট আর একটি ওয়ানডের বেশি খেলতে পারেননি। মুস্ত্মাফিজকে পাওয়া গেছে শুধু টেস্ট সিরিজে।
বিসিবির এমন সিদ্ধান্ত্মে আয় কমে যাবে তারকা ক্রিকেটারদের। এটা কার্যকর হলে স্বাভাবিকভাবেই সব থেকে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত্ম হবেন সাকিব আল হাসান। বাংলাদেশের ক্রিকেটারদের মধ্যে বিশ্বজুড়ে তিনিই সর্বাধিক লিগে খেলে থাকেন। ইদানীং অন্য ক্রিকেটারদের সুযোগও বাড়ছে। ক্রিকেটাররা তাই বিসিবির নতুন আইন সহজভাবে নেবেন না এটাই স্বাভাবিক। তবে সাম্প্রতিক নানা ঘটনার প্রেক্ষিতে সংবাদমাধ্যমে ক্রিকেটার সব বিষয়ে খোলামেলা কথা বলার বিষয়েও বিধিনিষেধ দিয়েছে বিসিবি। এটা নিয়ে তাই ক্রিকেটারদের কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
২০১৬ সালে আইপিএল মাতানোর পর সাসেক্সে খেলতে গিয়েছিলেন মুস্ত্মাফিজ। সেখানে গিয়ে চোটে পড়ে ছয় মাসেরও বেশি সময় মাঠের বাইরে চলে যেতে হয় তাকে। এই সময়ে বেশ কটি সিরিজ মিস করেছেন কাটার মাস্টার। এমনিতেই বছরে বাংলাদেশের আন্ত্মর্জাতিক ম্যাচের সংখ্যা এখন বেড়েছে। সেখানে বিদেশি লিগে খেলা নিয়ে ব্যস্ত্মতায় ঘরোয়া ক্রিকেটে খুব বেশি খেলাই হয় না কোনো কোনো ক্রিকেটারের। এসব মিলিয়েই হয়তো বিসিবির এমন সিদ্ধান্ত্ম।
 
এই প্রতিবেদন সম্পর্কে আপনার মতামত দিতে এখানে ক্লিক করুন
অনলাইন জরিপ
অনলাইন জরিপআজকের প্রশ্নজঙ্গিবাদ নিয়ে মন্ত্রীদের প্রচারে আস্থাহীনতার সৃষ্টি হয়েছে_ বিএনপি নেতা আসাদুজ্জামান রিপনের এই বক্তব্য সমর্থন করেন কি?হ্যাঁনাজরিপের ফলাফল
আজকের ভিউ
পুরোনো সংখ্যা
2015 The Jaijaidin
close