দেড় কিলোমিটার রাস্ত্মা পার হতে হয় ৭ কিলোমিটার ঘুরেএকটি মাত্র ব্রিজের অভাবশেরপুর প্রতিনিধি শেরপুর সদর উপজেলার ৫টি ইউনিয়নের প্রায় ৫০ হাজার মানুষের একটি ব্রিজ না থাকার কারণে মাত্র দেড় কিলোমিটার রাস্ত্মা পারি দিয়ে জেলা শহরে যেতে হয় ৭ কিলোমিটার রাস্ত্মা ঘুরে। জানা গেছে, সদর উপজেলার লছমনপুর ইউনিয়ন ও শেরপুর পৌরসভার সীমানা বরাবর বয়ে গেছে মৃগী নদী। এ নদীর লছমনপুর ইউনিয়নের পুরাতন লছমনপুর ঘাট দিয়ে দীর্ঘদিন থেকে খেয়া পারাপারের মাধ্যমে শহরের ভাটারা ঘাট-পুলিশ লাইন হয়ে বিভিন্ন এলাকায় যাতায়াত করেছে শত শত ব্যবসায়ী ও সাধারণ মানুষ। তবে এর বিকল্প রাস্ত্মা হিসেবে লছমনপুর পুরাতন ঘাট থেকে কালাম বাজার-কুসুমহাটি বাজার-সেরী ব্রিজ-অষ্টমীতলা মোড় হয়ে প্রায় ৭ কিলোমিটার ঘুরে শহরে আসতে হয়। অথচ লছমনপুর পুরাতন ঘাট এলাকায় মৃগী নদীর উপর একটি ব্রিজ হলে খুব সহজেই সদর উপজেলার লছমনপুর, ভাতশালা, বেতমারী, ঘুঘুরাকান্দি ও বলাইচরসহ ৫ ইউনিয়নের প্রায় ৫০ হাজার মানুষের ভোগান্ত্মি কমে যেত। বিষয়টি নিয়ে লছমনপুর ইউনিয়নের সাধারণ মানুষ বিভিন্ন সময় চেয়ারম্যানের মাধ্যমে ব্রিজের দাবি জানিয়ে আসছে। কিন্তু আজো সে দাবি পূরণ হয়নি। অথচ ব্রিজটি নির্মিত হলে শুধু ওই ৫ ইউনিয়নবাসীরই নয় বন্যা বা জরম্নরি প্রয়োজনে নান্দিনা-নুরম্নন্দী-জামালপুর-টাঙ্গাইল যাওয়ার জন্য পুরো জেলাবাসীর বিকল্প সড়ক হিসেবে ওই সড়ক খুবই গুরম্নত্বপূর্ণ। বর্তমানে ওই ঘাট দিয়ে হেঁটেচলা মানুষ এবং কিছু সাইকেল ও মোটরসাইকেল আরোহী পারাপার হচ্ছে। তবে ব্রিজ হলে শহর থেকে জামালপুর বা ওই সড়কের বিভিন্ন এলাকায় যাতায়াতকারী মানুষ শেরপুর-জামালপুর ফিডার রোড দিয়ে ঘুরে চালাচল করতো না। এছাড়া উলিস্নখিত ৫ ইউনিয়নের সাধারণ মানুষ ভোগান্ত্মির শিকার হয়ে এ খেয়া পারাপার হয়ে শহরে এবং কানাশা খোলা হয়ে নকলা ও নালিতাবাড়ী সড়কে যাতায়াত করছে। শহরের অষ্টমীতলাস্থ টাঙ্গাইল বাসস্ট্যান্ড থেকে মাত্র দেড় কিলোমিটার দূরত্বে রয়েছে মৃগী নদীর উপর ভাটারা ঘাট। অপর প্রান্ত্মে পুরাতন লছমনপুর ঘাট। এ সড়কে লছমনপুর ঘাট হয়ে প্রতিদিন বাইসাইকেল, মোটরসাইকেল এবং হেঁটে বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ নৌকা পার হয়ে কম সময়ের মধ্যে জঙ্গলদি বাজার-ইলশা বাজার-আমতলী-ঘুঘুরাকান্দি-রায়েরচর হয়ে জামালপুরের নান্দিনা ও নুরম্নন্দি যেতে পারছে। এছাড়া একই সড়কে আমতলী-আনন্দবাজার-চক সাহাব্দি-ফকিরগঞ্জ-পাইকারতলা হয়ে জামালপুর ব্রহ্মপুত্র ব্রিজ হয়ে জামালপুর-টাঙ্গাইলসহ উত্তরবঙ্গের যমুনা সেতু যাতায়াতে সহজতর সড়ক এটি। যদিও শহরের অষ্টমীতলা টাঙ্গাইল বাসস্ট্যান্ড থেকে ফিডার সড়কে জামালপুর যাওয়ার প্রশস্ত্ম সড়ক রয়েছে। কিন্তু বন্যার সময় এ সড়কের দুটি ডাইভারসান পানিতে তলিয়ে যাওয়ায় বেশ কিছুদিন ওই সড়কে সকল প্রকার যান চলাচল বন্ধ থাকে। তখন ওই বিকল্প সড়কে প্রায় ৭ কিলোমিটার ঘুরে যাতায়াত করতে হয়। তবে মৃগী নদীর উপর ওই ব্রিজটি হলে যাতায়াতের আরও সহজ এবং কম সময়ের মধ্যে যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়ন হতো বলে স্থানীয়রা মনে করেন।

 
এই প্রতিবেদন সম্পর্কে আপনার মতামত দিতে এখানে ক্লিক করুন
স্বদেশ -এর আরো সংবাদ
অনলাইন জরিপ
অনলাইন জরিপআজকের প্রশ্নজঙ্গিবাদ নিয়ে মন্ত্রীদের প্রচারে আস্থাহীনতার সৃষ্টি হয়েছে_ বিএনপি নেতা আসাদুজ্জামান রিপনের এই বক্তব্য সমর্থন করেন কি?হ্যাঁনাজরিপের ফলাফল
আজকের ভিউ
পুরোনো সংখ্যা
2015 The Jaijaidin
close