তিন জেলায় বন্দুকযুদ্ধে তিনজন নিহতযাযাদি ডেস্ক দেশের তিন জেলায় কথিত বন্দুকযুদ্ধে তিনজন নিহত হয়েছেন। এর মধ্যে নারায়ণগঞ্জে পুলিশের অস্ত্র চুরির মামলার আসামি, ময়মনসিংহে ডাকাত ও ফেনীতে ধর্ষণ মামলার আসামি রয়েছেন। প্রতিনিধিদের পাঠানো খবর:
নারায়ণগঞ্জ: নারায়ণগঞ্জের ফতুলস্নায় পুলিশের টহল গাড়ি থেকে অস্ত্র চুরি মামলায় এক আসামি কথিত বন্দুকযুদ্ধে নিহত হয়েছেন। নিহত পারভেজ (২৪) দাপা ইদ্রাকপুর এলাকার সোবহান মিয়ার ছেলে।
গত রোববার পুলিশের গাড়ি থেকে অস্ত্র খোয়া গেলে চুরির অভিযোগে পারভেজসহ তিনজনের বিরম্নদ্ধে থানায় মামলা হয়।
ফতুলস্না থানার ওসি মঞ্জুর কাদের জানান, মঙ্গলবার রাত দেড়টার দিকে আলামিন নগর এলাকায় গোলাগুলির এ ঘটনা ঘটে।
ওসি মঞ্জুর বলেন, 'রাত দেড়টার দিকে আলামিন নগর এলাকায় ছিনতাইকারীদের দুই পক্ষে গোলাগুলির খবর আসে। সেখানে গেলে পুলিশকে লক্ষ্য করে গুলি ছোড়ে ছিনতাইকারীরা।
'আত্মরক্ষার্থে পুলিশও পাল্টা গুলি ছোড়ে। গোলাগুলির ভেতর পড়ে মাদক বিক্রেতা ও ছিনতাইকারী পারভেজ আহত হন। তাকে নারায়ণগঞ্জ সদর হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।'
গত রোববার রাতে ফতুলস্না মডেল থানার এএসআই সুমন কুমার পালের নেতৃত্বে পুলিশের একটি দল ফতুলস্না রেলস্টেশন রোড এলাকায় বালুর মাঠে দায়িত্ব পালনের সময় টহল গাড়ি থেকে কনস্টেবল সোহেল রানার রাইফেল খোয়া যায়।
পরদিন দাপা বালুর মাঠের কাছে ডোবার পাশ থেকে রাইফেলটি উদ্ধার করে পুলিশ।
ময়মনসিংহ: ময়মনসিংহের গফরগাঁও উপজেলায় পুলিশের সঙ্গে কথিত বন্দুকযুদ্ধে অজ্ঞাতপরিচয় একজনের মৃতু্য হয়েছে। নিহত ব্যক্তির বয়স আনুমানিক ৩০ বছর বলে জানালেও পুলিশ তার পরিচয় বলতে পারেনি।
জেলা গোয়েন্দা পুলিশের ওসি আশিকুর রহমান জানান, বুধবার ভোরে উপজেলার পাগলা থানার বারইহাটি বটতলায় রাস্ত্মায় গাছের গুঁড়ি ফেলে যানবাহনে ডাকাতি হচ্ছিল। খবর পেয়ে জেলা গোয়েন্দা পুলিশের একটি দল সেখানে যায়।
পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে ডাকাতদল গুলি ছোড়ে। পুলিশ আত্মরক্ষার্থে পাল্টা গুলি ছুড়লে অজ্ঞাতপরিচয় এক ডাকাত সদস্য আহত হয়। তাকে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেয়া হলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
এ ঘটনায় দুই পুলিশ সদস্য আহত হওয়ায় তাদের পুলিশলাইন হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে বলে তিনি জানান।
ফেনী: ফেনীর দাগনভুঁইয়া উপজেলায় গ্রেপ্তারের পর কথিত বন্দুকযুদ্ধে ছয় মামলার এক আসামির মৃতু্য হয়েছে। নিহত ব্যক্তির নাম মুসা আলম মাসুদ (৩৮) ওই গ্রামের শাহ আলমের ছেলে বলে জানালেও পুলিশ তার পুরো পরিচয় বলেনি।
দাগনভুঁইয়া থানার ওসি আবুল কালাম আজাদ জানান, এক প্রতিবন্ধীকে ধর্ষণের মামলায় পলাতক আসামি হিসেবে মঙ্গলবার রাতে মুসাকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।
'বুধবার ভোরে তাকে নিয়ে খুশিপুর গ্রামে অন্য আসামিদের ধরতে গেলে তার লোকজন পুলিশের দিকে গুলি ছোড়ে। পুলিশ পাল্টা গুলি ছোড়ে। বন্দুকযুদ্ধে ঘটনাস্থলেই মুসা মারা যান। এ ঘটনায় চার পুলিশ আহত হয়।'
পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে একটি পিস্ত্মল ও ছয় রাউন্ড গুলি উদ্ধার করেছে জানিয়ে তিনি বলেন, নিহত মুসার বিরম্নদ্ধে ডাকাতি, ধর্ষণ ও হত্যাসহ ছয়টি মামলা রয়েছে।
 
এই প্রতিবেদন সম্পর্কে আপনার মতামত দিতে এখানে ক্লিক করুন
শেষের পাতা -এর আরো সংবাদ
অনলাইন জরিপ
অনলাইন জরিপআজকের প্রশ্নজঙ্গিবাদ নিয়ে মন্ত্রীদের প্রচারে আস্থাহীনতার সৃষ্টি হয়েছে_ বিএনপি নেতা আসাদুজ্জামান রিপনের এই বক্তব্য সমর্থন করেন কি?হ্যাঁনাজরিপের ফলাফল
আজকের ভিউ
পুরোনো সংখ্যা
2015 The Jaijaidin
close