মানবাধিকার ও আইনের শাসনপুঁজিবাদ ও সাম্রাজ্যবাদ এখন বিশ্বজুড়ে যে সংকটের মধ্যে নিক্ষিপ্ত হয়েছে তাতে এই মুহূর্তে তাদের শক্তি যতই প্রমাণ হোক, পুঁজিবাদের ধ্বংস ঐতিহাসিকভাবেই অনিবার্য।বদরুদ্দীন উমর মানবাধিকারের অর্থ মানুষের মতো বেঁচে থাকা, জীবনযাপন ও জীবনচর্চার অধিকার। কোনো অধিকারই জন্মগত নয়। সেই হিসাবে মানবাধিকারও জন্মগত নয়। মানুষের হাজার হাজার বছরের নীতিকথার দিকে তাকালেই এই সত্যের স্পষ্ট প্রমাণ পাওয়া যায়। মানবসমাজ শ্রেণি বিভক্ত হওয়ার পর থেকেই দাস, যুগ সামন্ত যুগ ও পুঁজিবাদী যুগে যথাক্রমে দাস মালিক, সামন্ত প্রভু ও বুর্জোয়াদের শাসনে শোষণ শাসনের ধরন পরিবর্তিত হলেও সমাজের সংখ্যালঘু একটা অংশ বিপুল সংখ্যাগরিষ্ঠ জনগণের... বিস্তারিত
গণতান্ত্রিক আন্দোলনের ধারা পাকিস্তান থেকে বাংলাদেশপাকিস্তান আন্দোলনের অন্যতম বাঙালি সংগঠক আবুল মনসুর আহমদ তো 'সমাজবাদী' পাকিস্তানের একটা তাত্তি্বক ভিত্তিই দাঁড় করিয়ে ফেলেছিলেন! ১৩৪৯ সালের ফাল্গুন সংখ্যা মোহাম্মদীতে 'পাকিস্তানের বিপ্লবী ভূমিকা' নাম দিয়ে তার যে প্রবন্ধ প্রকাশিত হয়েছিল, তাতে তিনি নানা যুক্তি প্রয়োগে বোঝাতে চেয়েছিলেন যে 'অখ- ভারত'-এর চিন্তার পেছনে ক্রিয়াশীল আছে একটা সাম্রাজ্যবাদী অভিসন্ধি; অন্যদিকে পাকিস্তান সেই অভিসন্ধিকে নস্যাৎ করে দিয়ে চায় সমাজতন্ত্রের প্রতিষ্ঠা করতে।যতীন সরকার বিশ শতকের প্রথম চার দশকের বাঙালি মুসলিম বুদ্ধিজীবী-মানসের পর্যালোচনা করে আমরা দেখতে পেয়েছি যে ভাষাচার্য শহীদুল্লাহ ও কবি-বিপ্লবী নজরুল বাঙালির ধর্মীয় ঐতিহ্যকে সাম্প্রদায়িকতার গ-িমুক্ত করতে চেয়েছিলেন, সমাজতান্ত্রিক ঐতিহ্য তাদের কাছে ধর্মীয় ঐতিহ্যের বিরোধীরূপে প্রতিভাত হয়নি। বিশ ও তিরিশের দশকে 'মুসলিম সাহিত্য সমাজ' ধর্মবিরোধী না হয়েও ধর্ম সম্পর্কে অনেক রেডিক্যাল ভাবনার পরিচয় দেয়, সমাজতন্ত্রের প্রবক্তা না হয়েও সমাজতন্ত্রের অপরিহার্যতাকে স্বীকার করে নেয়। কৃষক-প্রজা-আন্দোলন কিংবা কৃষকসভার কর্মকা-ও... বিস্তারিত
গণতান্ত্রিক রূপবিন্যাস : সুবিধাভোগী শ্রেণি স্বৈরতন্ত্রের বীজ ও জনগণের কল্যাণবাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে দলে গণতন্ত্র, নির্বাচন কমিশন ঢেলে সাজানো ও নির্বাচন-বিধি পরিবর্তন ছাড়াও নতুন রাজনৈতিক শক্তি ও নেতৃত্ব প্রয়োজন। আমাদের প্রতিষ্ঠানগুলোকে কার্যকর করার জন্য জনগণের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করাও প্রয়োজন। শুধু অতীত আশ্রয়ী না হয়ে ভবিষ্যৎমুখী উদ্যোগ গ্রহণে সক্রিয় হওয়ার মানসিকতা জরুরি হয়ে পড়েছে।গোলাম কিবরিয়া পিনু যে শাসনব্যবস্থাই প্রবর্তন করা হোক তাতে জনগণের কল্যাণ কতটুকু রক্ষা করা হয় তা জনগণ দ্বারা কতটুকু সমর্থিত হয়, তা বিবেচনায় আনা একটি দৃষ্টিভঙ্গি। আমাদের বাংলাদেশে কোন কালপর্বে গণতন্ত্রের চেহারায় কেমন রূপ দেখা দিয়েছে তা আমরা বিশ্লেষণ করে দেখতেও পারি। বিভিন্ন দেশে গণতন্ত্রের ভিন্ন ভিন্ন চেহারায় বিভিন্ন দিকও খুঁজে পাই।
আথেনীয় আমলে গণতন্ত্রের স্বর্ণযুগ ছিল তার প্রতিষ্ঠার পরবর্তী সময়ে একশত বছর। বলা হয়ে থাকে সেই... বিস্তারিত
একাত্তরের নির্যাতন এবং গণতান্ত্রিক বাংলাদেশনির্যাতিত নারীরা বাংলাদেশে সবসময় অবমাননার শিকার। মুক্তিযুদ্ধের সময় প্রতিটি প্রহর তাদের কেটেছে আতঙ্কে। যারা নির্যাতিত হয়েছে তাদের ভাগ্য তখনই নির্ধারিত হয়ে গেছে। স্বাধীন বাংলাদেশেও নির্যাতিতদের স্থান হয়নি। ট্র্যাজেডি এখানেই। গণতান্ত্রিক বাংলাদেশে আমরা নাকি 'মা-বোনদের ইজ্জত' করি। বস্তুত এ ধরনের ভ-ামি আছে খুব কম সমাজেই।মুনতাসীর মামুন একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী এদেশীয় দোসরদের সহযোগিতায় আমাদের মা-বোনদের ওপর অমানুষিক, অকথ্য ও বর্বরোচিত নির্যাতন চালিয়েছে। নির্যাতনের মাত্রা এতটাই ভয়াবহ ছিল যে, অনেক নারী আত্মহত্যা করেছেন। এ নির্যাতনের বর্ণনা বিভিন্নভাবে উঠে এসেছে। তবে যৌন নির্যাতনের বর্ণনা স্বাভাবিকভাবেই কম পাওয়া গেছে। কারণ নির্যাতিত কোনো মহিলা তার ওপর নির্যাতনের হুবহু বর্ণনা দিতে পারেন? তবু কোনো কোনো বিবরণে এবং মুক্তিযুদ্ধের দলিলপত্রে এ সম্পর্কিত কিছু বিবরণ পাওয়া যেতে... বিস্তারিত
গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় দেশ পরিচালনাদেশ পরিচালনায় সফলতার পাশাপাশি ব্যর্থতাও থাকে। উন্নত সমৃদ্ধ দেশেও কোনো সরকারই শতভাগ সফলভাবে দেশ শাসন করতে পারে না। ভারতের মতো গণতন্ত্রের দীর্ঘ ঐতিহ্যবাহী দেশেও কি সুশাসন নিশ্চিত করা সম্ভব হয়েছে? সেখানেও কি রাজনীতিতে সৎ ও অসৎ মানুষের পাশাপাশি অবস্থান দেখা যায় না? বিচ্ছিন্ন ঘটনা দিয়ে নয়, পরিস্থিতি ব্যাখ্যা করতে হয় সামগ্রিকতায়। দেশের সামগ্রিক বাস্তব অবস্থাকে উপেক্ষা করে একটি সরকারের কাছে কেবল সব কিছু ভালো প্রত্যাশা করাটা যথাযথ কিনা সেটা আমাদের গুরুত্ব দিয়ে ভাবতে হবে। তাছাড়া একটি ভালো সরকার পেতে হলে দেশে একটি ভালো বিরোধী দলের উপস্থিতিও যে জরুরি, সেটাও স্বীকার করতে হবে। কেবল তা হলেই গণতন্ত্র উৎকর্ষ লাভ করবে।মোনায়েম সরকার আওয়ামী লীগের জন্ম অবশ্যই গণতান্ত্রিক ধারায় ঘটেছে এবং দলটি গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় দেশ পরিচালনা করছে। তৎকালীন স্বৈরতান্ত্রিক মুসলিম লীগ সরকারের বিরুদ্ধে, তাদের অপশাসনের অবসান ঘটাতে তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানে একটি গণজাগরণ সৃষ্টি করেছিল আওয়ামী লীগ। আচম্বিতে অথবা কোনো কলকাঠি নেড়ে এ-দল ও-দল ভাঙিয়ে নীতি-আদর্শহীন রাজনীতি চর্চাকারীদের সমন্বয়ে দলটির জন্ম হয়নি, যেমনটি হয়েছিল বিএনপির।
এর পরও যারা মনে করেন, আওয়ামী লীগ বিএনপির মধ্যে কোনো পার্থক্য নেই,... বিস্তারিত
গণতান্ত্রিক পরিবেশে উৎসবআমাদের জাতীয় জীবনে যে উৎসবগুলো গুরুত্বসহকারে পালিত হয় এর মধ্যে ইংরেজি ও বাংলা সনের প্রথম দিবস, অমর একুশে, স্বাধীনতা দিবস, বিজয় দিবস, শবেবরাত, ঈদ এবং পূজা উল্লেখযোগ্য। প্রতিটি উৎসবেরই আছে কিছু আদর্শিক বোধ এবং সেই সঙ্গে কিছু সুস্থ বিনোদন। তবু সত্য এই যে, সবগুলো উৎসব বিনোদনের জোয়ারে ভেসে যায় প্রতিবছর। আদর্শিক চিন্তা ও কর্মের প্রতিফলন ঘটে কেবল আলোচনায়। ব্যস, ওই পর্যন্তই!গোলাম কিবরিয়া উৎসবপ্রিয় জাতি হিসেবে আমাদের খ্যাতি আছে বিশ্বসমাজে। জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ের উৎসবগুলো আমরা ঘটা করেই পালন করে থাকি। এখানে আমরা খুবই আন্তরিক এবং অকৃপণ। এ উৎসবপ্রিয়তা যদিও আমাদের জাতীয় জীবনকে সমৃদ্ধ করেনি কিন্তু আমাদের উৎসব পালনের উৎসাহে এতটুকু ভাটার টান পরিলক্ষিত হয় না। উৎসব পালন রীতিমতো আজ এক লৌকিক অনুষ্ঠানে পরিণত হয়েছে। তাই উৎসবের বিনোদন আমদের কাছে যতটা গ্রহণযোগ্য, আদর্শিক দিকটি থাকছে উপেক্ষিত। আমাদের জাতীয়... বিস্তারিত
গণতন্ত্র ও বাংলাদেশফরিদ জাকারিয়া আধুনিক গণতন্ত্রের জন্য যেসব চ্যালেঞ্জের কথা বলেছেন, সেগুলো আমাদের জন্যও প্রবলভাবে প্রযোজ্য। আমাদের দেশে গণতন্ত্রায়ন প্রক্রিয়া শক্তিশালী করতে হলে শুধু ব্যালট বাক্সের দিকে হা করে তাকিয়ে থাকলে চলবে না। নতুন পৃথিবীতে, নতুন সময়ে সমাজে যে নতুন নতুন চ্যালেঞ্জ আবির্ভূত হচ্ছে সেগুলোকে মোকাবেলা করতে হবে, যেমন_ সন্ত্রাসবাদ ও জঙ্গিবাদ মোকাবেলা, বিশ্বায়নের সঙ্গে তাল মেলানো, নিজের সমাজ ও সংস্কৃতির সঙ্গে একাত্ম হওয়া ইত্যাদি।ড. রাশিদ আসকারী গণতন্ত্রকে 'নিকৃষ্টতম সরকার কাঠামো' বলে ঘোষণা করেছেন উইনস্টন চার্চিল। আবার মধ্যাহ্নভোজে কি খাওয়া হবে তা নিয়ে ভোটদানকারী 'দুটি নেকড়ে আর একটি মেশশাবকের' সঙ্গে গণতন্ত্রের তুলনা করেছেন বেঞ্জামিন ফ্রাঙ্কলিন। এদিকে গণতন্ত্র বলতে জনগণের মধ্য থেকে, জনগণের দ্বারা জনগণের জন্য ডান্ডাবাজি বা মুগুরবাজিকে বুঝিয়েছেন অসকার ওয়াইল্ড। হেলেন কিলার তো বলেই বসেছেন, 'আমাদের গণতন্ত্র বস্তুত নামছাড়া আর কিছুই নয়। আমরা ভোট দিই। এর অর্থ হলো, দুটো প্রকৃত, যদিও... বিস্তারিত
ডুবন্ত মানবতা, ঘুমন্ত বিবেক, অসহায় মানুষমানুষকে হত্যা করতে গেলে বুক কেঁপে উঠত। দরদি হাত হত্যা থেকে বিরত থাকত। দলাদলির গোলক ধাঁধায় পড়ে মানুষ আজ বিবেকবর্জিত হয়ে পড়েছে। রক্তারক্তিতেও মানব অনুভূতিতে সামান্যতম রেখাপাত করে না। অথচ পৃথিবীর সব মানুষের কান্নার শব্দ এক। স্বজন হারানোর বেদনা সবার এক। জাতি, ধর্ম-বর্ণ দলমত নির্বিশেষে সবার রক্তের রংও এক। তাহলে মানুষে মানুষে কেন এ হানাহানি? মানবাধিকার বিষয়ে কেন এই ভিন্ন দৃষ্টিভঙ্গি? আসলে মানুষকে মানুষ বলে ভাবার সময় এসেছে।মিজানুর রহমান মানবাধিকার প্রতিটি মানুষের এক ধরনের অধিকার, যেটা তার জন্মগত ও অবিচ্ছেদ্য। মানুষ এ অধিকার ভোগ করবে এবং চর্চা করবে। তবে এ চর্চা অন্যের ক্ষতিসাধন ও প্রশান্তি বিনষ্টের কারণ হতে পারবে না। মানবাধিকার সব জায়গায় এবং সবার জন্য সমানভাবে প্রযোজ্য। এ অধিকার একই সঙ্গে সহজাত ও আইনগত অধিকার। স্থানীয়, জাতীয়, আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক আইনের অন্যতম দায়িত্ব হলো এসব অধিকার রক্ষণাবেক্ষণ করা। উইকিপিডিয়া (বাংলা) থেকে মানবাধিকারের এমন... বিস্তারিত
জাতিসত্তা, জাতিরাষ্ট্র ও গণতান্ত্রিক শিক্ষাব্যবস্থাদেশের সব ক্ষেত্রে গুণগত পরিবর্তনের জন্য চাই নিজ ইতিহাস, ঐতিহ্য ও সংস্কৃতির ওপর ভিত্তি করে গড়ে তোলা মাতৃভাষার মাধ্যমে নতুন জাতীয় বিজ্ঞানভিত্তিক ও গণতান্ত্রিক এক শিক্ষাব্যবস্থা। দেশের সাংস্কৃতিক ভিত্তির ওপর প্রতিষ্ঠিত এ ধরনের শিক্ষার মাধ্যমেই শুধু সংস্কৃতিমনা আধুনিক ও আলোকিত মানুষ সৃষ্টি করা সম্ভব।শামসুজ্জামান খান ১৯৪৮ ও ১৯৫২ সালের মহান ভাষা আন্দোলন একই সঙ্গে জাতীয়তাবাদী আন্দোলন এবং বাঙালির জাতিসত্তার উন্মেষের সূচনা করে। প্রকৃতপক্ষে একটি আধুনিক জাতিরাষ্ট্রের উপযুক্ত বিকাশের জন্য মাতৃভাষায় জ্ঞানবিজ্ঞানচর্চা এবং শিক্ষার বাহন হিসেবে মাতৃভাষার অন্তর্ভুক্তি আবশ্যিক শর্ত। মধ্যযুগের ইংল্যান্ড ক্লাসিক্যাল ল্যাটিনের জোয়াল থেকে মুক্ত হয়ে ইংরেজি ভাষাকে জীবনের সব ক্ষেত্রে প্রতিষ্ঠিত করার পরই ইংল্যান্ড এক বৈপ্লবিক নতুন যুগে প্রবেশ করে। শুরু হয় নতুন এক ভাষাভিত্তিক জাতীয় জাগরণ প্রক্রিয়া।... বিস্তারিত
সভ্যতা ও গণতন্ত্রের সঙ্কট : মুক্তির উপায়জাতি রাষ্ট্রগুলোকে ন্যায়ভিত্তিক সমাজ-রাষ্ট্র গঠনের মধ্য দিয়ে ন্যায়নিষ্ঠ-সমতাভিত্তিক বিশ্ব-রাষ্ট্র গঠনের পথে অগ্রসর হতে হবে। তার জন্য মানুষের ভেতরের আত্মজাগরণের শক্তির অভ্যুদয় দরকার। মানবজাতির বৌদ্ধিক বিভ্রান্তির নিরসন দরকার_ প্রয়োজন মানবজাতির-বিশ্বমানবের নতুন ধারার রেনেসাঁস। প্রতিটি জাতিকে স্বকীয়-সংস্কৃতি-ঐতিহ্যভিত্তিক সুনির্দিষ্ট কর্মসূচির ধারায় কাজ করতে হবে এবং একই সঙ্গে পুরো মানবজাতির সামনেও থাকতে হবে অভিন্ন এক কর্মসূচি।শফিকুল ইসলাম কেবল বাংলাদেশ নয়, বিশ্বের কোথাও মানুষ আজ ভালো নেই। বাহ্যিকভাবে যাই হোক ভেতরের মানুষ ক্রমেই মরে যাচ্ছে। মানবজাতি চলছে আজ নামমাত্র ইউরোপীয় রেনেসাঁসের জোরে। রেনেসাঁসের ভেতরের শক্তির কর্তৃত্ব ও নেতৃত্ব অবশেষ নেই। জ্ঞান-মনন-সৃজন-উদ্ভাবনীর জায়গা আজ দখল করে নিয়েছে রাজনীতির আধিপত্যবাদী-অশুভ কায়েমিবাদিতা আর উন্মত্ত ভোগবাদিতা। মানবজাতি প্রগতি_ সভ্যতার ধারায় নেই। সভ্যতা আজ চরম সঙ্কটে নিপতিত। অথচ বিষয়টি বোদ্ধামহলকে তেমন একটা নাড়া দিচ্ছে বলে মনে হয় না।... বিস্তারিত
স্বাধীনতা ও গণতন্ত্রের শত্রু যারাকাজেই দেশের পবিত্র সংবিধান কর্তৃক স্বীকৃত এ বিচারের বিরুদ্ধে অবস্থান নেয়া বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের ত্রিশ লাখ শহীদ, চার লাখ মা-বোনের ইজ্জত ও জাতীয় ইতিহাস ও ঐতিহ্যের সাথে প্রতারণার শামিল। যারা অবস্থান নিয়েছে তারা গণতন্ত্রের শত্রু, দেশের শত্রু, স্বাধীনতার শত্রু। যে কোনো মূল্যে তাদের রুখে দিতে হবে।হারুন হাবীব জাতীয় ইতিহাসের অমোচনীয় অনেক ক্ষতচিহ্ন নিয়ে বাংলাদেশ এগিয়ে চলেছে। আমরা যারা মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণকারী, কিংবা যারা একাত্তরের মানুষ, যারা পাকিস্তানি হানাদার সৈন্য ও তাদের বঙ্গীয় দোসরদের তা-ব ও নৃশংসতা ব্যক্তিগতভাবে প্রত্যক্ষ করেছি, তাদের জন্য এ ক্ষতচিহ্ন অনেক বেশি কষ্টের, যন্ত্রণার। এর মূল কারণ আমরা যে ত্রিশ লাখ শহীদের প্রতি গেল চলি্লশ বছর সম্মান প্রদর্শন করেছি, যাদের বেঁদিতে ফুল দিয়েছি, শ্রদ্ধা জানিয়েছি, গত চলি্লশ বছরেও সেই ঘাতক-অমানুষদের... বিস্তারিত
গণতন্ত্রের জন্য বাঙালির সংগ্রামবাঙালির এই দীর্ঘ সংগ্রাম একটি জাতি রাষ্ট্রের জন্য গণতন্ত্রের জন্য। যে সংগ্রাম এখনো চলছে। এই সংগ্রামে বাঙালিকে জয় লাভ করতেই হবে। তা না হলে বাঙালির সব আন্দোলন-সংগ্রাম, আত্মত্যাগ-আত্মবিসর্জন বৃথা হয়ে যাবে। বৃথা হয়ে যাবে ভাষা আন্দোলন ও মুক্তিযুদ্ধের চেতনাও।ড. মাহমুদ হাসান অবিভক্ত ভারতে আমাদের দুই প্রধান বাঙালি নেতা শেরে বাংলা ও হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী তাদের রাজনীতিকে ইচ্ছা থাকা সত্ত্বেও আবহমান বাংলার সাংস্কৃতিক রসপুষ্টতা অবলম্বন করে সম্পূর্ণ অসাম্প্রদায়িকতার পরিণতি দান করতে পারেননি। শেরে বাংলা ও সোহরাওয়ার্দী দুইজনই চতুর জিন্নাহ সাহেবের দ্বারা ব্যবহৃত হয়েছেন।
১৯৪০ সালের ২৩ মার্চ লাহোর প্রস্তাব উত্থাপন করেন শেরে বাংলা একে ফজলুল হক। এই প্রস্তাবই পাকিস্তান প্রস্তাবে পরিণতি পায়। তখন এমন দশা যে,... বিস্তারিত
আইনের শাসন ও আইনবহির্ভূত খুনযারা স্বাধীন নয় কেবল তারাই বিদেশির নির্দেশে নির্যাতন চালায় তার দেশের নাগরিকের ওপর। এটা দাসদের কা-। বাংলাদেশের বন্দিদের ওপর অকথ্য নির্যাতন প্রমাণ করে, বাঙালি প্রকৃত অর্থে স্বাধীন নয়। স্বাধীন হওয়ামাত্র এ নির্যাতন বন্ধ হবে, তার আগে নয়।রাজীব আহমেদ চৌধুরী রাষ্ট্র যতদিন আছে দ- ততদিন থাকবে। একাধিক মানুষ, বহু হলে তো কথাই নেই। একসঙ্গে মোটামুটি সদ্ভাবে থাকতে গেলে সবার হলে তো ভালোই, না হলে অধিকাংশের মঙ্গল নিশ্চিত করে এমন বিধিমালা প্রণয়ন করে নিতে হয়। নীতি প্রণয়নই যথেষ্ট নয়। বিধিমালা, যাকে প্রচলিত ভাষায় আইন বলা হয়, সবাই মেনে চলছে কিনা দেখতে আইনে প্রশিক্ষিত জনবল লাগে। রাষ্ট্রের এই জনবল পুলিশ বলে পরিচিত। পুলিশের কর্তব্য হলো আইনভঙ্গকারীকে সঙ্গে... বিস্তারিত
গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে ভয়াবহ ষড়যন্ত্রবাংলাদেশের মানুষের জন্য তার আজীবন সংগ্রাম, দীর্ঘকালের কারাবরণ, জীবনের ঝুঁকি নিয়ে জনগণের স্বাধীনতা লাভের পথ রচনা করার মতো অতুলনীয় কৃতী ছিল। এখানে আরেকটি বিষয় উল্লেখ না করলেই নয়। তার দলীয় কর্মকা- পরিচালনার বিশ্বস্ত সঙ্গী এবং তার অনুপস্থিতিতে প্রবাসী বাংলাদেশ সরকারের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে তার ভাবমর্যাদাকে যথাসাধ্য সমুন্নত রেখে মুক্তিযুদ্ধকে যিনি সাফল্যের সঙ্গে পরিণতির দিকে এগিয়ে নিয়েছিলেন- তিনি তাজউদ্দীন আহমেদ।হোসেন মাহমুদ বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নামটি বাংলাদেশের সঙ্গে অভিন্ন ও অবিচ্ছেদ্য হয়ে ওঠে ঘটনাবহুল ১৯৭১-এ। আমরা স্মরণ করতে পারি যে, ১৯৩০-এর দশকের শেষ দিকে গোপালগঞ্জে হাইস্কুল পরিদর্শনে গিয়ে তৎকালীন অবিভক্ত বাংলার মুখ্যমন্ত্রী শেরে বাংলা একে ফজলুল হক এবং বাণিজ্য ও পল্লী উন্নয়নমন্ত্রী হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী এক সাহসী কিশোর ছাত্রকে দেখতে পেয়েছিলেন। সেই কিশোর পরবর্তীতে (১৯৪২) কলকাতার ইসলামিয়া কলেজে পড়াশোনা করতে গিয়ে একপর্যায়ে সোহরাওয়ার্দীর বিশ্বস্ত অনুসারী ছাত্রনেতায়... বিস্তারিত
গণতান্ত্রিক ধারায় আমরা কতটা এগিয়েছি?ওইসব দেশে মোটামুটিভাবে মানবাধিকার রক্ষিত, যেটা বাংলাদেশে মোটামুটিভাবে রক্ষিত নয়। আমেরিকা বা বিলাতে ঘুমন্ত মানুষের ওপর অন্ধকারে রাবার বুলেট বা সাধারণ বুলেট বৃষ্টির মতো বর্ষণ করা হয় না। অতএব, বারবার আমেরিকা বা বিলাতের উদাহরণ টেনে বাংলাদেশকে বিচার করলে এটা বাংলাদেশের প্রতি অবিচার করা হবে।মে. জে. (অব.) সৈয়দ মুহাম্মদ ইবরাহিম বীরপ্রতীক বাংলাদেশ কঠিন সময় পার করছে। বর্তমানে মত প্রকাশের স্বাধীনতার ওপর প্রচ- রকম আঘাত আসছে। বাকস্বাধীনতা এখন পরাধীন। প্রেস কনফারেন্সে প্রদত্ত বক্তব্যকে চ্যালেঞ্জ করে বক্তার বিরুদ্ধে মামলা করা হচ্ছে। সরকারের অপছন্দনীয় বিষয় তুলে ধরার কারণে টিভি চ্যানেল বন্ধ করে দেয়া হয়েছে। এ পরিস্থিতিতে পত্রিকায় কলাম লিখতে গিয়ে কলামিস্টদেরও কয়েকবার চিন্তা করতে হচ্ছে। এখন কষ্টে হোক বা শান্তিতে হোক, এর মধ্যদিয়েই আমাদের এগিয়ে যেতে হবে। কেননা, সময়ের... বিস্তারিত
আইনের শাসন ও মানবাধিকারআইনের শাসন ও মানবাধিকার বিষয়টি কেবল একটি দায়সারা বিষয় না ভেবে নিত্যদায়িত্ব এবং অপরিহার্য বিষয় হিসেবে গ্রহণ করা উচিত। এই আদর্শ অতি জনাকীর্ণ অতি উত্তপ্ত পৃথিবীর বাংলাদেশের সমাজের বিভিন্ন বর্ণ-ধর্ম-সংস্কৃতির মানুষের সঙ্গে মিলে-মিশে থাকার একমাত্র শান্তিপূর্ণ উপায়।অ্যাডভোকেট জাহাঙ্গীর আলম সরকার আইনের শাসন ও মানবাধিকার পরস্পর সম্পর্কযুক্ত। বাংলাদেশের সংবিধান জনগণের অভিপ্রায়ের পরম অভিব্যক্তি এবং প্রজাতন্ত্রের সব ক্ষমতার মালিক জনগণ। সেই জনগণের অধিকারই হচ্ছে মানবাধিকার। আমাদের দেশ এমনিতে প্রায় সমপ্রকৃতির একটি সমতাবাদী, সামাজিক সচেতনতা সম্পন্ন এবং উদারনৈতিক দেশ। মানবাধিকারের সুক্ষ ধারণাগুলো এ দেশে এখনো গভীরভাবে বিবেচনা করা হয় না। সামাজিক ও অর্থনৈতিক ক্ষেত্রে বাংলাদেশ উল্লেখযোগ্য উন্নতি এবং গতিশীলতা অর্জন করলেও আইনের শাসনের ক্ষেত্রে দেশ কতটুকু অগ্রগতি অর্জন... বিস্তারিত
স্বাধীনতা সংস্কৃতি ও গণতন্ত্রএকটা ভূখ-জুড়ে মানববসতির মৌলিক শর্ত জীবনযাপন উপকরণাদির প্রাপ্যতা, যার মধ্যে খাদ্যবস্ত্র বাসস্থান প্রধান। বাসস্থান প্রশ্নে স্বাস্থ্য এবং নিরাপত্তার প্রশ্নটিও, অস্পষ্টভাবে হলেও জড়িত। এসবের গুণগত উত্তরণ সমৃদ্ধি ও ভবিষ্যৎ গৌরবের সম্ভাবনা। এটা নিশ্চিত করতে হবে রাষ্ট্রকে। কারণ গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রের এটা দায়িত্ব ও কর্তব্য।আজাদ আলাউদ্দিন একাবারে শৃঙ্খলা ও মুক্তি এরই নাম যদি হয় স্বাধীনতা তাহলে সূক্ষ্মভাবে উপলব্ধি করা আবশ্যক। শৃঙ্খলার দিকটা অনুমান করা কঠিক নয় : স্বাধীনতার শৃঙ্খলা রাষ্ট্রীয় সংবিধান। সামাজিক বিধিবিধান। সাহিত্য শিল্পকলার নন্দনতত্ত্ব। স্বাধীনতার মুক্তি বাস্তব জীবন ধারণের সঠিক নিরাপত্তা ও সমৃদ্ধি অর্জনের প্রক্রিয়ায়, অনেকটা অজানা ও অনিশ্চিত, তবু মন ও আত্মার অবাধ অশান্ত অভিযাত্রায়।
এই বিবৃতিতে কিঞ্চিৎ আতিশয্যের রেশ থাকতে পারে সেজন্য আরো শাদামাটা, আরো কাছে... বিস্তারিত
গণতান্ত্রিক সংস্কৃতির কী হবেআমি কিন্তু আমাদের গণতান্ত্রিক সংস্কৃতির রূপান্তর নিয়ে আফসোস করি না। যা এসেছে তা বদলানোর এবং চলে যাওয়ার জন্যই এসেছে। যা কিছু জীবন্ত তার মৃত্যু ঘটবে, তবু মৃত্যু ঘটলেই জীবনের পরাজয় ঘটে তা নয়। জীবনের মহিমা আপন জীবনীশক্তির বলেই প্রকাশ পায়।হাসান আজিজুল হক নববর্ষের প্রথম দিনে মাথায় মাথায় ভাবনা, বাঙালি সংস্কৃতির কী হবে? কাজ কিছু হোক আর না হোক, একটু নড়ে বসে কিছু করি আর না করি, চিন্তায় চিন্তায় জোরদার হওয়া আমাদের বহুদিনের অভ্যাস, সেই বদভ্যাসের ফলেই আমার দুশ্চিন্তা। সংস্কৃতিরও দশ দশা আছে, মরণদশা বলেও একটা কথা আছে। বাঙালি সংস্কৃতি এখন কোন দশায় সেটা নিশ্চয়ই আমরা চিন্তা করে বের করতে পারব। আপাতত আমার একটি কথা মনে হচ্ছে: বাঙালি... বিস্তারিত
দেশজ প্রাচুর্য ও গণতান্ত্রিক সংস্কৃতিআবার বলি, আমাদের পিতৃপুরুষ বারবার যে পুরুষানুক্রমিকতার কথা বলেছেন, স্বদেশকে অবলম্বন ও ভালোবাসার কথা বলেছেন, গণতন্ত্রের কথা বলেছেন, মাতৃভাষাকে সার বলে জেনেছেন_ মনে করি, এখানেই জবাবটা পাওয়া যাবে।মুস্তাফা নূরউল ইসলাম বাংলা ভাষা, সাহিত্য ও সংস্কৃতি আমাদের গর্বের সম্পদ। হিসাবটা অবশ্য অঙ্ক গণনায় নয়, আসলে বোঝাতে চাই যে, সুদূর অতীতকালাবধিই বিপুল সমৃদ্ধ আমাদের পিতৃপুরুষের তাবৎ মহান কৃতীর অর্জন। সচেতনজনের জানা রয়েছে, একটি জাতির জন্য সুস্থ সুন্দর জীবনে বেঁচে থাকার স্বার্থে এবং সেই সঙ্গে উত্তর-প্রজন্মের মানস ভাবনায় তা বাহিত করে দেয়ার লক্ষ্যে আপন ঐতিহ্যজাত গর্ব চেতনার বড় প্রয়োজন। সেই থেকে আবিষ্কার করতে হয়, সুস্পষ্ট পরিচিতিতে চিহ্নিত করতে... বিস্তারিত
স্বপ্ন-সম্ভাবনার গণতান্ত্রিক বাংলাদেশকী নেই আমাদের! বাংলাদেশের মাটির নিচে লুকিয়ে আছে সম্পদের বিশাল ভা-ার। তেল, গ্যাস, কয়লা, চুনাপাথর, তামা, লোহা, গন্ধক, নুড়িপাথর, শক্ত পাথর, বালি এসব অফুরন্ত সম্পদকে কাজে লাগাতে পারলেই হলো। বাংলাদেশ কৃষিনির্ভর দেশ থেকে ক্রমেই শিল্পনির্ভর দেশে পরিণত হচ্ছে। পাশাপাশি গণতন্ত্রও বিকশিত হতে হবে।এস এম মুকুল বাংলাদেশ অপার সম্ভাবনাময় একটি দেশ। আমাদের দেশের নারী, যুবক ও যুব মহিলারা কর্মপ্রয়াসী, সৃজনশীল, উৎপাদনমুখী। আত্মকর্মসংস্থানমূলক প্রকল্প করে তারা নানা ক্ষেত্রে সফলতার দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন। পড়াশোনা শিখে এখন আমাদের যুবকরা শুধু চাকরির পেছনে ছোটে না। যার সুযোগ আছে সে নির্বিঘ্নে কাজে নেমে পড়ছে। একজনের সাফল্য দেখে অনুপ্রাণিত হচ্ছে আরেকজন। এভাবেই কর্মসংস্থানের স্রোতধারা ছড়িয়ে পড়ছে দেশব্যাপী। হাঁস-মুরগি, মৎস্যচাষ, দুগ্ধ খামার এবং কৃষিভিত্তিক বিভিন্ন প্রকল্প করে সফল... বিস্তারিত
জীবনদর্শন ও গণতান্ত্রিক সমাজসমকালীন দার্শনিকদের অনেকেই, বিশেষত যৌক্তক দৃষ্টবাদীদের সবাই, অধিবিদ্যা, নীতিবিদ্যা ও নন্দনতত্ত্বসহ অতীতের সমগ্র তত্ত্বসাহিত্যকে উড়িয়ে দিতে চান অর্থহীন কথার তুবড়ি বলে। ন্যায় সত্য শ্রেয় সুন্দর প্রভৃতি মানবিক ও গণতান্ত্রিক মূল্যবোধকেও তারা ঠাহর করেন অন্তঃসারশূন্য আবেগের পরাকাষ্ঠারূপে। তাদের মতে, ইন্দ্রিয়-অভিজ্ঞতাই জ্ঞানের যথার্থ উৎস এবং বৈজ্ঞানিক পদ্ধতি ও ভাষার যৌক্তিক বিশ্লেষণই প্রামাণিক জ্ঞানের বাহন।আমিনুল ইসলাম জগৎ ও জীবনের উৎপত্তি, প্রকৃতি ও পরিণতি সংক্রান্ত এমন কিছু মৌল বিষয় আছে যেগুলো যুগপৎ মানুষের মনে বিস্ময় ও কৌতূহল সৃষ্টি করে। এ বিস্ময়বোধ ও কৌতূহলের তাগিদেই মানুষ অবলীলাক্রমে চালিত হয় অজানাকে জানার, জগৎসংসার ও মানবজীবনের বিবিধ রহস্য উদঘাটনের লক্ষ্যে। ছোট্ট পাখি যেমন ডানা মেলে উড়ে যেতে চায় অনেক দূরে, পরিচিত হতে চায় পাহাড়-পর্বত, লোকালয় তথা সংগ্রাম বসুন্ধরার সঙ্গে, তেমনি কৌতূহলী মানুষ তার শত সীমাবদ্ধতাকে... বিস্তারিত
গণতন্ত্র ও মানুষের অধিকারবর্তমান যুগে আমরা যে গণতন্ত্র প্রত্যক্ষ করি তার কোনোটি একনায়কতান্ত্রিক গণতন্ত্র, কোনোটি স্বৈরতান্ত্রিক গণতন্ত্র আর কোনোটি হচ্ছে পেশিশক্তিবহুল গণতন্ত্র। এসব গণতন্ত্রে বিরোধী বলে কিছু থাকবে না, বিরোধী শিবিরকে নিশ্চিহ্ন করার প্রক্রিয়াই এসব গণতন্ত্রের মূলমন্ত্র। যদিও রাজতন্ত্রেও যখন রাজায় রাজায় যুদ্ধ হতো তখন যদি কোনো প্রতিপক্ষ দুর্বল হয়ে পড়ত বা তরবারি ভেঙে ফেলত তখন নতুন করে প্রতিপক্ষকে তরবারি দিয়ে আবার যুদ্ধ করার রীতি প্রচলিত ছিল। আর এখন কী হচ্ছে?মাছুম বিল্লাহ আব্রাহাম লিংকনের দেওয়া গণতন্ত্রের থিউরি, 'গভর্মেন্ট অব দ্য পিপল, বাই দ্য পিপল অ্যান্ড ফর দ্য পিপল' অর্থাৎ জনগণের, জনগণ কর্তৃক এবং জনগণের জন্য যে সরকার সেটিই হচ্ছে গণতান্ত্রিক সরকার। এটিই পৃথিবীতে এখনো সবচেয়ে বেশি গ্রহণযোগ্য গণতেন্ত্রর থিউরি। কিন্তু এই থিউরির দ্বারা পরিচালিত গণতন্ত্র বিশ্বের বুকে খুঁজে পাওয়া দুষ্কর। অধিকাংশ দেশেরই শাসকগোষ্ঠী যেভাবে নিজেদের সুবিধা হয় সেভাবেই গণতন্ত্রের চেহারা পরিবর্তন করেছে, আদল পরিবর্তন করেছে, থিউরি পরিবর্তন... বিস্তারিত
গণতন্ত্র ও সংস্কৃতিজনসমাজের বাইরে তো সংস্কৃতি নেই। জনগোষ্ঠীর প্রবহমান জীবনধারা, তার অভ্যাস ও সংস্কার, ঐতিহ্যের ধারাবাহিকতা বা বিচ্যুতি, তার বিশ্বাস বা সংশয় ইত্যাদি অজস্র বিষয় মিলে সমাজের যে মনোবিন্যাস তৈরি হয়ে ওঠে সেটিই প্রতিফলিত হয় সংস্কৃতির শরীরে। সমাজের চলন ঠিক করে দেয় তার ভেতরে বসবাসরত ব্যক্তি মানুষই_ কখনো কখনো বিশিষ্ট একক, কখনো বা বহুজনের সম্মিলনে রূপ নেয়া সংঘ বা গোষ্ঠী। কিন্তু চলন তো নির্দিষ্ট চূড়ান্ত কোনো অবয়বে চিরস্থায়ী হয়ে থাকে না।হায়াৎ মামুদ আজ থেকে পুরো চলি্লশ বছর পেছনে যেতে হচ্ছে। আমি তখনকার সোভিয়েত ইউনিয়নে লেনিনগ্রাদ শহরে, এখন যা আদি নাম ফিরে পেয়ে সাংকৎ পিতের্বুর্গ (ইংরেজিতে এরই নাম সেন্ট পিটার্সবার্গ) হয়েছে, বছরখানেকের জন্য গেছি। একটি পরিবারের সঙ্গে ঘনিষ্ঠতা হয়। স্বামী-স্ত্রী ও শিশুপুত্র। তারাও গিয়েছিলেন বাইরে থেকে। ফের্নান্দ ভান দাম ছিলেন বেলজিয়ান, গেন্ট বিশ্ববিদ্যালয়ে ভাষাতত্ত্বের মাস্টার। আমি ছিলাম একা, স্ত্রী-পুত্র ঢাকায় রেখে গেছি। ফের্নান্দ-আমি দুজনেই লেনিনগ্রাদ বিশ্ববিদ্যালয়ে, একই ক্লাসে।... বিস্তারিত
আধুনিক গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে নগরায়ণএকটি ভূখ- তখনই রাষ্ট্র হওয়ার উপযোগিতা অর্জন করতে পারে, যখন সেই ভূখ-টিতে এই নগরায়ণের ভিত মোটামুটি মজবুত। কেননা, বহিঃরাষ্ট্রের আক্রমণে গ্রাম বিধ্বস্ত হলেও, তার পতন ত্বরান্বিত হয় এই নগরের পতনের মধ্য দিয়েই। পৃথিবীর প্রতিটি যুদ্ধের দিকে তাকালে এটাই স্বতঃসিদ্ধরূপে প্রতীয়মান হয়।সরকার জুয়েল প্রাচীনকাল থেকেই মানুষের সমাজ গঠনের ইতিহাসের সঙ্গে নগরায়ণ কাঠামোটি পরস্পর পরিপূরক হয়ে এসেছে। প্রাচীন গ্রিসে যে নগর-রাষ্ট্র গড়ে উঠেছিল, তা এই নগরায়ণকে ভিত্তি করেই। নগরায়ণের ওপর ভিত্তি করেই একটি শক্তিশালী রাষ্ট্রের ভিত রচনা করে। এই নগরায়ণ চরিত্রটির সঙ্গে ক্ষমতা ও পণ্যায়নের একটি অপরিহার্য সম্পর্ক বিদ্যমান। এসিরিয়া সাম্রাজ্যের ভিত্তি গড়ে উঠেছিল ব্যাবিলন নগরকে কেন্দ্র করেই। প্রাচীন ভারতের হরপ্পা-মহেঞ্জোদারো তো নগর সভ্যতার ইতিহাসে এক অনন্য বিস্ময় হয়ে... বিস্তারিত
গণতন্ত্র ও দলীয় রাজনীতিকাজেই দেশের পবিত্র সংবিধান কর্তৃক স্বীকৃত এ বিচারের বিরুদ্ধে অবস্থান নেয়া বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের ত্রিশ লাখ শহীদ, চার লাখ মা-বোনের ইজ্জত ও জাতীয় ইতিহাস ও ঐতিহ্যের সাথে প্রতারণার শামিল। যারা অবস্থান নিয়েছে তারা গণতন্ত্রের শত্রু, দেশের শত্রু, স্বাধীনতার শত্রু। যে কোনো মূল্যে তাদের রুখে দিতে হবে।সৈয়দ আবুল মকসুদ আচার্য্য বিনোবা ভাবের রাজনৈতিক দর্শন এবং তার কর্মপদ্ধতির প্রতি পুরোপুরি সমর্থন না থাকলেও মহত্ত্বে কারো কিছুমাত্র সংশয় থাকার কথা নয়। উপমহাদেশের রাজনীতিতে তার অবস্থান অতি উঁচুতে। ব্রিটিশবিরোধী স্বাধীনতা-সংগ্রাম যখন তুঙ্গে সেই সময় এ অবিচল গান্ধীবাদী এবং গান্ধীর স্নেহধন্য বিনোবা ভাবে সত্যাগ্রহে অংশ নেয়ার কারণে কারারুদ্ধ হন। জেলে গিয়ে একান্তে নানা শ্রেণির রাজনৈতিক নেতাকর্মীর সঙ্গে তার ঘনিষ্ঠভাবে মেশার সুযোগ হয়। তিনি লক্ষ্য করেন শুধু তার দল... বিস্তারিত
প্রান্তিক পর্যায়ের মানবাধিকার পরিস্থিতিআমরা লক্ষ্য করলে দেখব, জীবনের নানারকম বিরুদ্ধ অবস্থার মধ্যে শিশুরাই সবচেয়ে অনিরাপদ। বিভিন্ন দেশের রাজনৈতিক গৃহযুদ্ধ ও পরীক্ষা-নিরীক্ষার মধ্যে সবচেয়ে দুঃখজনক অবস্থায় পড়ে যায় শিশুরা। এর চেয়ে মর্মান্তিক আর কিছু হতে পারে না। এক সময়ে কবি সুকান্ত ভট্টাচার্য লিখেছিলেন_ 'এ বিশ্বকে শিশুর বাসযোগ্য করে যাবো আমি নবজাতকের কাছে_ এ আমার দীপ্ত অঙ্গীকার।' সত্যিই কি আমরা তা পারছি? কিন্তু সবার সর্বতোমুখী প্রয়াসে শিশুদের জীবনকে স্বপ্নের মতো সুন্দর করে গড়ে তুলতেই হবে_ এই হোক আমাদের অঙ্গীকার।জুবাইদা গুলশান আরা দৃশ্যটা কোনো দুর্লভ বিষয়বস্তুর নয়। নয় কোনো নাটক বা চলচ্চিত্রের বিশেষ দৃশ্য। দেখে বিস্মিত নয়, মাথার ভেতরে ঝনঝন করে ওঠে। অতি পুরাতন অতি নির্মম একটি ছোট ঘটনা। রাস্তার ধারে ঝলমল করতে থাকা অভিজাত শৌখিন খাবারের দোকান। নেমেছিলাম কিছু কিনব বলে। এ জায়গাটা সারা বছর ভিড়ে ভরা থাকে। সেদিন সন্ধ্যায়ও তাই। প্রায় যুদ্ধ করেই জায়গা করে ঢুকতে হয়। দ্রুত কাজ সেরে বের হয়ে আসার মুখে থেমে... বিস্তারিত
আইন-আদালত ও বিচারখবরের কাগজ খুললে শুধু চাঁদাবাজি, টেন্ডারবাজি, ছিনতাই, খুন, সন্ত্রাসবাজি, জমিদখল, নদীদখল। আর তার পাশাপাশি খবর, তদন্ত কমিটি, আশ্বাসবাণী, সতর্কবাণী, নতুন নতুন পরিকল্পনার কিসসা। ফেনসিডিল-ড্রাগ-ইয়াবা-ভায়াগ্রা ধসিয়ে দিচ্ছে সমাজের ভিত। পর্নোসিডির মেলায় উপ্চে পড়ে দোকানপাট। ওদিকে এসিডপোড়া মেয়ে কোঁকায় ক্লিনিকের বেডে। ধর্ষণকারী পুরুষ প্রকাশ্যে ডংকা মেরে ঘুরে বেড়ায়। আর জেনা করার নালিশে ফতোয়াবাজের দোর্রায় রক্তাক্ত হয় নারীদেহ। অথচ নগরের বুকে আইন-আদালত বিদ্যমান। একই দেশে দুরকম বিধান দুরকম বিচার!আবুবকর সিদ্দিক উত্তুঙ্গ হিমালয় গলে গলে সমতলে নেমে আসছে। সমুদ্র ফাঁপছে, লোলজিহ্বা বাড়িয়ে স্থলভাগের নিম্নাঙ্গটা গিলে নেবে। আমাদের এই যৎসামান্য বাংলাদেশের পল্কা জঙ্ঘাজানু তলিয়ে যাবে সেই মহাব্যাদানের গ্রাসে। আর তার ওপর আছে আকাশ থেকে ধেয়ে আসা অশনিসংহার: সিডর-আইলা। তবে এসবের চেয়েও বহুগুণ কালান্তক বাঙালির আগ্রাসী নগ্ন লোভ। নিজেরাই নিজেদের সর্বাঙ্গ গিলে সাবাড় করে দেয়ার উন্মাদনা। বছর আসে বছর যায়, ফের আসে ফের যায়। আমজনতার বিড়ম্বনা চক্রবৃদ্ধি হারে... বিস্তারিত
সুশাসন নিশ্চিত করতে হবেএকটি উন্নয়নশীল দেশে সুশাসন নিশ্চিত হলে প্রতিটি খাতের উন্নয়ন সম্ভব। সুশাসন একটি দেশের সরকার ও সরকারি প্রতিষ্ঠানগুলো কোনো প্রক্রিয়ায় নীতি-নির্ধারণ করে এবং কীভাবে সরকারি সম্পদের সদ্ব্যবহারের মাধ্যমে জনকল্যাণ নিশ্চিত করবে তার সমন্বিত রূপ। তাই সুশাসন প্রতিষ্ঠিত না হলে সরকারি সম্পদের অপচয়ের পাশাপাশি দেশের স্বার্থ পরিপন্থী নীতি-নির্ধারণের প্রবণতা লক্ষ করা যায়।এম এইচ খান মঞ্জু উন্নয়নের স্বপ্ন মানুষের সহজাত স্বপ্ন। উন্নয়নের আকাঙ্ক্ষায় মানুষ কর্মমুখর হয়, রাষ্ট্র পরিকল্পনা গ্রহণ করে। তবে দেশের অগ্রগতি এবং মানুষের জীবনমান উন্নয়নে রাষ্ট্র তথা সরকারের পরিকল্পনাটাই আসল। সরকারের উন্নয়ন-পরিকল্পনা সঠিকভাবে বাস্তবায়িত হলে জনগণের মুখে হাসি ফোটে, আর ব্যত্যয় ঘটলে জনগণের স্বপ্ন ভঙ্গ হয়, দুঃখের মাত্রা বাড়ে। ফলে ক্ষোভ-বিক্ষোভের সৃষ্টি হয়। আর বাংলাদেশের মত দরিদ্র দেশে উন্নয়ন প্রকল্পের যথাযথ বাস্তবায়ন খুবই গুরুত্বপূর্ণ বিষয়।
জাতীয় উন্নয়নে গৃহীত... বিস্তারিত
নিয়মতান্ত্রিক সরকার ও আইনের শাসন প্রেক্ষাপট বাংলাদেশসংবিধান যদি পুরোপুরিই গণতান্ত্রিক হয়, সেটাও কি গণতন্ত্রকে নিশ্চিত করতে পারে?_ তারও গ্যারান্টি দেয়া কঠিন। সংবিধান প্রয়োগের ক্ষেত্রে শাসক ও রাজনীতিকদের ইচ্ছা ও প্রবণতা দেখতে হয়। সর্বোপরি দুর্বল সরকারব্যবস্থায় রয়েছে তৃতীয় পক্ষের_ তা দেশেরই হোক কিংবা বিদেশি_ তার হস্তক্ষেপের সম্ভাবনা। আর আমাদের অভিজ্ঞতাই তো বলে, সংবিধান কখনো কখনো শ্রদ্ধা ও পবিত্রতার অনুভূতি নিয়ে সুউচ্চ তাকে অবস্থান করে_ যার নাগাল পাওয়ার সাধ্য জনগণের নেই।আতা সরকার গণতন্ত্রের মুখরোচক সস্নোগান আমরা শুনছি প্রতিনিয়ত। এর বহুমাত্রিক রূপও দেখতে পাচ্ছি খোলস পাল্টে পাল্টে_ সময়ের বিভিন্ন রকমফেরে। গণতন্ত্র কখনো দানবের কখনো চোর-ডাকাতের রূপ নিয়েও আসছে। তৃতীয় বিশ্বের দেশগুলোতেই বুঝিবা গণতন্ত্রের এত বিচিত্রমুখী রূপ-সৌন্দর্য আবিষ্কার করা সম্ভব। বাংলাদেশ এদের থেকে ভিন্ন তার সচেতন জনগোষ্ঠীর জন্য। তাদের কাছে গণতন্ত্রের পরিভাষা পরিষ্কার ও সুস্পষ্ট। আর গণতন্ত্রের বাস্তব রূপায়ণের জন্য তারা বার বার রাজপথে নেমে এসেছে_ সংগ্রামের শানিত উচ্চারণে।... বিস্তারিত
মানবাধিকার লঙ্ঘনদেশে এমন কোনো স্থান নেই যেখানে মানবাধিকার লঙ্ঘিত হচ্ছে না। ধূমপায়ীরা কোনো তোয়াক্কাই করে না। ধূমপায়ীদের জন্য বিএনপি সরকার ৫০ টাকা এবং আওয়ামী লীগ সরকার ১০০ টাকা জরিমানার বিধান করেছে। কে কার জরিমানা করবে? একজন পুলিশ অফিসারকে অনুরোধ করেছিলাম, 'একটু আসুন তো, ধূমপায়ীদের অত্যাচারে এই হোটেলে বসাই যাচ্ছে না।' তিনি বললেন, 'আমি কী করব? আমি তো নিজেই ধূমপান করি।'মুজিবুর রহমান মানবাধিকার মানুষের জন্মগত ও আন্তর্জাতিক অধিকার যার ব্যাপ্তি বৈশ্বিক-যার ভৌগোলিক ও রাষ্ট্রভিত্তিক সীমাবদ্ধতা নেই। সব মৌলিক অধিকার, যেমন- বাঁচার অধিকার, আশ্রয় ও জীবনের মৌলিক চাহিদা পাওয়ার এবং বক্তব্য প্রকাশের অধিকার, মানবাধিকারের অন্তর্ভুক্ত। কিন্তু সব মানবাধিকার মৌলিক অধিকারের অন্তর্ভুক্ত নয়।
মানবাধিকার আন্তর্জাতিকভাবে সহজাত প্রবৃত্তির এবং অবিভেদ্য। ১৯৪৮ সালে জাতিসংঘ ঘোষিত ২৫টি আন্তর্জাতিক মানবাধিকারের ১৯টি হচ্ছে মানব সমাজবিষয়ক ও রাজনৈতিক অধিকার এবং ৬টি হচ্ছে আর্থ-সামাজিক ও... বিস্তারিত
স্বপ্নভরা বাংলাদেশ : পলায়নপর মানবাধিকারসর্বশেষ যা উপলব্ধিতে আসছে রাজপথ প্রকম্পিত করে তুলতে না পারলে আবারো একটি গণঅভ্যুত্থান ঘটাতে না পারলে কোনোভাবেই যেন মানবাধিকার লংঘন প্রতিরোধ করা যাচ্ছে না_ আবার রাষ্ট্রকেও এগুলো প্রতিরোধে তৎপর করা যাচ্ছে না। মানবাধিকার প্রতিষ্ঠায় এখনো বাঙালি জাতিকে আরো বহু দূর যেতে হবে_ বহু পথ হাঁটতে হবে এটা দিবালোকের মতোই স্পষ্ট।রণেশ মৈত্র কোটি কোটি বাঙালি স্বপ্ন দেখেছিল একটি বাংলাদেশের রক্ত দিয়ে, ঘাম দিয়ে, লক্ষ লক্ষ প্রাণ দিয়ে, লাখো নারীর সম্ভ্রম দিয়ে, দোকানপাট-বাড়িঘর, সহায়-সম্পদ সবকিছুকে তুচ্ছ জ্ঞান করে তেইশটি বছর ধরে দেশটাকে আন্দোলনে মুখরিত করে, হাজারে হাজারে কারাবরণ করে, হাসিমুখে তৎকালীন শাসকগোষ্ঠীর নানামুখী অত্যাচার-নির্যাতন মাথা পেতে নিয়ে কোটি কোটি বাঙালি এই স্বপ্নকে ধাপে ধাপে অগ্রসর করে নিয়েছে। স্বপ্ন যে তারা বাস্তবায়িত করবেই সত্তরের ঐতিহাসিক নির্বাচনের গণরায়ে তা সমগ্র... বিস্তারিত
গণতন্ত্র ও মানবাধিকার পরিস্থিতিএকটি দেশে গণতন্ত্র ও মানবাধিকার নিশ্চিত করার জন্য সরকারের ভূমিকা মুখ্য হলেও কেবল সরকারের একার পক্ষে দেশের সব মানুষের সব ধরনের অধিকার সর্বক্ষণ সুরক্ষা করা সম্ভব নয়; যদি না ওই দেশের অধিকাংশ মানুষের এই সংক্রান্ত সদিচ্ছা ও সচেতনতার অভাব থাকে।মো. রহমত উল্লাহ্ আমাদের সংবিধানের দ্বিতীয় ভাগে লিখিত রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতির বিস্তারিত ব্যাখ্যার ১১নং অনুচ্ছেদে বলা আছে, 'প্রজাতন্ত্র হইবে একটি গণতন্ত্র, যেখানে মৌলিক মানবাধিকার ও স্বাধীনতার নিশ্চয়তা থাকিবে, মানবসত্তার মর্যাদা ও মূল্যের প্রতি শ্রদ্ধাবোধ নিশ্চিত হইবে১২[ * * *] ১৩[ এবং প্রশাসনের সব পর্যায়ে নির্বাচিত প্রতিনিধিদের মাধ্যমে জনগণের কার্যকর অংশগ্রহণ নিশ্চিত হইবে]' কিন্তু আমরা কতটা নিশ্চিত করতে পেরেছি প্রশাসনের সব পর্যায়ে নির্বাচিত প্রতিনিধিদের মাধ্যমে জনগণের কার্যকর অংশগ্রহণ কতটা... বিস্তারিত
দেশে গণতন্ত্র এখনো অবিকশিত আইনের শাসন প্রশ্নবিদ্ধপেছন ফিরে দেখা ঘটনাবলীর সব চাইতে সুখময় ঘটনা হচ্ছে বাংলাদেশের সংবিধান প্রণীত হওয়া যার মূল দফা ছিল 'জাতীয়তাবাদ, সমাজতন্ত্র, গণতন্ত্র ও ধর্মনিরপেক্ষতা' এবং এগুলো ছিল মুক্তিযুদ্ধের চেতনা থেকেই উৎসারিত। সংবিধান সব দেশেরই নাগিরকদের আদরের ধন।মোহাম্মদ গোলাম রাব্বানী একাত্তরের ডিসেম্বর আমাদের বিজয় হয়েছে। আমরা একটি স্বাধীন-সার্বভৌম বাংলাদেশ পেয়েছি। বিজয়ের ৪৪ বছর চলে যাচ্ছে। প্রথমেই যে প্রশ্নটি হাজির হয় সেটি হচ্ছে 'আমাদের' এই শব্দটির অন্তর্ভুক্ত কারা? প্রশ্নটির উত্তর খুঁজতে প্রথমেই বাংলাদেশের প্রাকৃতিক সীমানার কথা বলতে হয়। বাংলার উত্তর প্রান্তে সিকিম ও হিমালয় পর্বত শ্রেণির কাঞ্চনজঙ্ঘার শিখর এবং এই প্রান্তের পূর্বে ভুটান ও পশ্চিমে নেপাল। উত্তর-পূর্বদিকে বাংলার সীমানা ব্রহ্মপুত্র নদের উত্তর উপত্যকার পশ্চিম প্রান্ত পর্যন্ত... বিস্তারিত
গণতন্ত্র ও উন্নয়ন নিয়ে আক্ষেপআমরা সময়ের ব্যাপারে সচেতন না হওয়ায় এবং আজকের কাজ কালকের জন্য ফেলে রাখার কারণে দেশ খুঁড়িয়ে খুঁড়িয়ে চলছে। আমাদের গণতন্ত্রও বিকশিত হয়নি। ক্ষেত্রবিশেষে ব্যক্তি, পরিবার ও সমাজেরও উন্নতি হয়নি। ফলে স্বাধীনতার ৪৪ বছরেও আমাদের আক্ষেপ যায় না। তাই সময়জ্ঞান ও কর্তব্যবোধ ব্যক্তির মধ্যে জাগ্রত করতে না পারলে ব্যক্তির যেমন উন্নয়ন সম্ভব নয়, তেমনি সমাজ ও রাষ্ট্রের উন্নয়ন প্রত্যাশা করাও বোকামি।জহির চৌধুরী জীবনের জন্যই বলি আর কাজের জন্যই বলি, সময় একটি অতিগুরুত্বপূর্ণ দিক। কথায় বলে, সময়ের এক ফোঁড় অসময়ের দশ ফোঁড়। সময়ের কাজ সময়ে করা উচিত। হারানো সময় আর ফিরে আসে না। আসলে সময় একটা বৃত্তের মতো আমাদের চারদিকে ঘোরে। সময় তাদের জন্যই বহুক্ষণ দাঁড়িয়ে থাকে যারা সময়ের সদ্ব্যবহার করে। সময়ে যা সুন্দর অসময়ে তা আবেদনহীন। সময় নিয়ে নানা উপদেশমূলক নীতিবাক্য থাকলেও অনেকেই সময়কে গুরুত্বহীন ভাবে। কর্তব্যবোধে... বিস্তারিত
গণতন্ত্র, সুশাসন এবং উন্নয়ন_ সবই প্রয়োজনধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে আমাদের রাষ্ট্রের সব নাগরিকই সমান মর্যাদার অধিকারী হবেন_ এটাই হলো গণতন্ত্রের প্রধান একটি শর্ত। শোষক- শোষিতের বৈষম্যহীন এমন একটি রাষ্ট্রব্যবস্থা আমাদের গড়ে তুলতে হবে। যে ব্যবস্থায় দেশের সব মানুষের জন্যই খাদ্য, বস্ত্র, আবাস, শিক্ষা, স্বাস্থ্য এবং নিরাপত্তা লাভের নিশ্চয়তা থাকবে।রেজাউল করিম খোকন গণতন্ত্র_ আধুনিক সমাজ ও রাষ্ট্রব্যবস্থায় বহুল আলোচিত এবং জনপ্রিয় একটি বিষয় সন্দেহ নেই। গণতন্ত্র বলতে আমরা কি বুঝি সাধারণত? গণতন্ত্রে জনগণই দেশ বা রাষ্ট্রের মালিক, জনগণই সার্বভৌম ক্ষমতার অধিকারী_ এ কথা বর্তমান পৃথিবীতে সর্বজনস্বীকৃত। বাংলাদেশের সংবিধানে তো সুস্পষ্ট ভাষায় এ কথা লেখা রয়েছে। কিন্তু বাস্তবতা কি তেমন অবস্থার প্রমাণ দেয়? বর্তমান রাষ্ট্রব্যবস্থায় দেশের সব জনগণই প্রকৃতপক্ষে সেই মালিকানা ভোগ করতে পারছে? এতগুলো প্রশ্নের জবাব খুঁজতে... বিস্তারিত
আইনের শাসন ও মানবাধিকারআইনের শাসন ও মানবাধিকারের মূলমন্ত্র হচ্ছে গণতন্ত্র। আর গণতন্ত্রের মূলমন্ত্র হচ্ছে অবাধ, সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ, সব দলের অংশগ্রহণে এবং সবার নিকট গ্রহণযোগ্য নির্বাচন। এ কঠিন কাজটি করার জন্য যে রাজনৈতিক সদিচ্ছা এবং উদারতা দরকার তা সমাজে অনুপস্থিত। আর যে সমাজে গণতন্ত্রই নাই সেখানে আইনের শাসন এবং মানবাধিকার কল্পনা করা একেবারেই অসম্ভব এবং কল্পনাপ্রসূত ভাবনা।মো. আইয়ুব আলী মান্নাদের একটা গানের প্রথম দুটি লাইন হলো_ 'দ্বীপ ছিল শিখা ছিল, শুধু তুমি এলে না বলে আলো জ্বলল না'। এখানে তুমি হচ্ছে গণতন্ত্র। দেশে আইন আছে, শাসন আছে, কিন্তু আইনের শাসন কি আছে? আইনের শাসনের পূর্বশর্ত হলো অবাধ গণতন্ত্র। যেখানে পরমত সহিঞ্চুতা, অন্যের মতামতের গুরুত্ব থাকবে। আমাদের দেশে যে দল যখন ক্ষমতায় থাকে তারা বিরোধী দলের অস্তিত্বকে স্বীকার করতে দ্বিধা করে। দমন পীড়নের মাধ্যমে বিরোধী... বিস্তারিত
গণতান্ত্রিক সমাজ ও সক্রেটিসের নৈতিক চিন্তাসক্রেটিসের শ্রেষ্ঠত্বের আসনে অলঙ্কৃত করেছে তার সত্য ও ন্যায়ের প্রতি কঠোর মনোভাব থেকে। প্রকৃত মনুষ্যত্বের ভিত্তি নিঃস্বার্থ পরার্থপরতার ভিত্তিতে সম্পর্ক ও যিনি অন্তরে বাইরে ঘাঁটি একমাত্র তার পক্ষেই এ ধরনের সম্পর্ক গড়া সম্ভব। মুখোশধারী ব্যক্তিত্ব কোনোদিন এ ধরনের সম্পর্ক গড়তে সক্ষম হয় না। সততা ও প্রজ্ঞার আলোকে যার জীবন চালিত তিনি সত্তর বছর বয়সে তিনটি অভিযোগে_ অ্যাথেন্সের তৎকালীন রাষ্ট্র অধিনায়ক এবং বুদ্ধিজীবীদের দ্বারা অভিযুক্ত হন।শহিদুল ইসলাম দর্শন আকাশের জ্যোতিষ্ক মহাগুরু সক্রেটিস জন্মেছিলেন গ্রিসের অ্যাথেন্স নগরীতে খ্রিস্টপূর্ব ৪৭০ অব্দে। তার পিতা সফ্রনিস্কাস (ঝড়ঢ়যৎড়হরংপঁং) একজন ভাস্কর এবং মাতা ফিনারিটি (চযধবহধৎরঃব) ধাত্রী ছিলেন। জীবনের প্রারম্ভে তিনি পৈতৃক পেশা হিসেবে ভাস্কর্য গ্রহণ করেন। অ্যাথেন্সের অ্যাক্রোপলিসে (অপৎড়ঢ়ড়ষরং) তৎকালীন প্রদর্শিত ভাস্কর্য শিল্প সক্রেটিসের বলে প্রমাণিত হয়। পরে তিনি দর্শন চর্চায় মনোযোগী হয়ে পড়েন এবং বিশ্ব জগতের তথা অ্যাথেন্সের আকাশে দর্শনের ধূমকেতু হিসেবে আবির্ভূত হন। সক্রেটিস মোটেও সুদর্শন... বিস্তারিত
মানবাধিকার লঙ্ঘনের অন্য একদিকআমাদের প্রশ্ন পুলিশ কেন নিজস্ব আইন নিয়ম-নীতিতে চলতে পারবে না। অন্য বাহিনীতে বাইরের খবরদারি যদি না থাকে এ বাহিনীতে কেন তা থাকবে। ঔপনিবেশিক চিন্তায় প্রশাসনের অনেকে মনে করেন পুলিশ তাদের আজ্ঞাবহ লাঠিয়াল হয়ে থাকবে। স্বাধীন দেশে ওই সনাতনী পদ্ধতির চিন্তার পরিবর্তন করে যার কাজ তাকে করতে দেয়া ও তাকে দায়ী করার বিধান বর্তমান সময়ের দাবি। রাজনৈতিক বিবেচনায় পুলিশকে যদি তাদের খুঁড়িয়ে চলার ও প্রতিপক্ষ ঘায়েলের হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করার মানসে রাখা হয় তবে তা তো সব দলের জন্য অমঙ্গল। এর ফলে মানবাধিকা লঙ্ঘিত হয়।মেজর (অব.) জিল্লুর রহমান স্বাধীনতার ৪৪ বছর পর এখনো দেশে সুশাসনের জন্য প্রতীক্ষায় থাকতে হচ্ছে এটা আমাদের উন্নতির জন্য বড় অন্তরায়। দেশে সুশাসন প্রতিষ্ঠার অন্যতম নিয়ামক শক্তি পুলিশ বাহিনী যারা সাধারণ মানুষের সঙ্গে প্রতিটি মুহূর্তে কাজে নিয়োজিত থাকে। পুলিশের দক্ষতা, সততা, ন্যায়পরায়ণতা, মেধা ও অভিজ্ঞতা সুশাসন প্রতিষ্ঠার প্রচেষ্টাকে সফল পর্যায় নিতে সক্ষম। স্বাধীনতার পর কোনো সরকারই এ বাহিনীর প্রতি বিশেষ নজর দেয়নি ফলে পুলিশের বর্তমান এ হকিকত। পুলিশের ভাবমূর্তি... বিস্তারিত
বাঙালির গণতান্ত্রিক জাগরণ১৯৭১-এ মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে বাংলাদেশ একটি স্বাধীন সার্বভৌম রাষ্ট্র হিসেবে স্বীকৃতি লাভ করে। তখন বাঙালি জাতির নবজাগরণে সৃষ্টি হয়। কবিগুরু আক্ষেপ করে বলেছিলেন_ সাত কোটি সন্তানেরে হে মুগ্ধ জননী, রেখেছ বাঙালি করে, মানুষ করোনি। কবিগুরুর এই আক্ষেপকে আমরা মোচন করছি। বাঙালি জাতি প্রমাণ করেছে তারাও মানুষ। তারা প্রাণ দিতে জানে। ভাষার জন্য প্রাণ দিয়েছে এমন দেশ পৃথিবীর ইতিহাসে দ্বিতীয়টি নেই। তারা একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধ সহ নানা সময়ে গণতান্ত্রিক আন্দোলনেও প্রাণ বিসর্জন দিয়েছে।মোহাম্মদ শামসুল কবির বাঙালি বীরের জাতি। বাঙালি নানা আন্দোলন সংগ্রামের মধ্য দিয়ে এই পর্যায়ে এসেছে। বৃটিশ ঔপনিবেশিক শাসনামলে বাঙালিরা দুটি নববর্ষ পালন করতো। গ্রামবাংলায় পালন করা হতো বাংলা নববর্ষ দিবস। পয়লা বৈশাখ। দ্বিতীয়টি হচ্ছে ইংরেজি নববর্ষ। এই নববর্ষ পালনে হিন্দু, মুসলিম, বৌদ্ধ, খ্রিস্টান সবাই অংশীদার হতো। বলাবাহুল্য মুঘল সম্রাট জালাল উদ্দিন মুহম্মদ আকবর সিংহাসনে আরোহন করেন ১৫৫৬ খ্রিস্টাব্দের ১১ মার্চ। যা ৯৬৩ হিজরির ২৮ রবিউস সানি। সম্রাটের সিংহাসনে... বিস্তারিত
আইন-আদালত ও বিচারব্যবস্থাস্বাধীন বাংলাদেশে প্রতিটি সরকারের সময়কাল রঞ্জিত হয়েছে সাংবাদিকের রক্তে। অথচ শিল্প হিসেবে সংবাদমাধ্যমের বিকাশ ও সাংবাদিকদের অধিকার রক্ষায় প্রতিটি সরকারই থাকে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। কিন্তু কোনো সরকারের হাতেই প্রণীত হয়নি একটি সাংবাদিক সুরক্ষা আইন। এমনকি দেশে একের পর এক সাংবাদিক খুনের ঘটনা ঘটলেও কোনো খুনের বিচার প্রক্রিয়াই সুষ্ঠুভাবে এগোয়নি। দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি হয়নি একটিরও।অ্যাডভোকেট সিরাজ প্রামাণিক গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রের চতুর্থ স্তম্ভ বলা হয় গণমাধ্যমকে। দেশের প্রতিটি সরকারই গণমাধ্যমের স্বাধীনতা আর গণমাধ্যমকর্মীদের নিরাপত্তাবিধানের ঢেঁকুর তোলে। কিন্তু বাস্তবতা অনেক নির্মম। প্রায় প্রতিদিনই কর্মক্ষেত্রে নানাভাবে লাঞ্ছিত-নিগৃহীত হচ্ছেন গণমাধ্যমকর্মীরা প্রতিটি সরকারের সময়, সব ধরনের পরিস্থিতিতে। কখনো শারীরিকভাবে আক্রান্ত হচ্ছেন, কখনো শিকার হচ্ছেন হয়রানির। কখনো ব্যক্তি বা গোষ্ঠীর হাতে, কখনো রাষ্ট্রের হাতে। স্বার্থের বিরুদ্ধে গেলেই গণমাধ্যম ও গণমাধ্যমকর্মীদের ওপর নেমে আসে খড়গ। হামলা, মামলা আর হয়রানিতে দুর্বিষহ... বিস্তারিত
স্থানীয় সরকার ও মানবাধিকারআসুন আমরা স্বাধীন সার্বভৌম এ দেশটাকে সুন্দরভাবে পরিচালিত করতে একটি পরিকল্পিত এবং দীর্ঘস্থায়ী স্থানীয় সরকার বাস্তবায়ন করি। তাহলে থাইল্যান্ড, মালয়েশিয়া ও ইন্দোনেশিয়ায় এ রকমের মানব পাচারের মতো ঘটনা পুনরাবৃত্তি ঘটবে না। বিপন্ন মানুষের আহাজারি ও মৃত্যু যেন আমাদের আর দেখতে না হয়। এর চেয়ে মানবাধিকার লঙ্ঘন আর কী হতে পারে?শফিকুল ইসলাম খোকন এ লেখাটি শুরু করার সময় কম্পিউটারের কিবোর্ড থেমে যায়। এমন লোমহর্ষক কাহিনী আমাকে হতভাগ করে দিয়েছে। আমার যদি ভুল না হয়ে থাকে, তাহলে আমি কেন গোটা জাতি এবং বিশ্ব হতভাগ হয়েছে। জীবিকার সন্ধানে গিয়ে কেউ মৃত্যুর কূপে, কেউ পানির নিচে ডুবে মারা যাচ্ছে। অনেকে না খেয়েও নদী পথেই মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়ছে। প্রশ্ন জাগে মানব পাচার চক্র কি এতই শক্তিশালী যে আন্তর্জাতিকভাবেই এ চক্রটির হলি... বিস্তারিত
 
অনলাইন জরিপ
অনলাইন জরিপআজকের প্রশ্নজঙ্গিবাদ নিয়ে মন্ত্রীদের প্রচারে আস্থাহীনতার সৃষ্টি হয়েছে_ বিএনপি নেতা আসাদুজ্জামান রিপনের এই বক্তব্য সমর্থন করেন কি?হ্যাঁনাজরিপের ফলাফল
আজকের ভিউ
পুরোনো সংখ্যা
2015 The Jaijaidin
close