গরমে প্রশান্তির পরশ তালশাঁসএম এস আলম বাবলু, চাটমোহর, পাবনা জ্যৈষ্ঠের প্রচ- তাপদাহে ও ভ্যাপসা গরমে যখন জীবন অতিষ্ঠ তখন গলাটা একটু ভেজাতে ঠা-া সুস্বাদু তালশাঁস খেয়ে অনেকেই পিপাসা মিটিয়ে থাকে। মধুমাস হিসেবে খ্যাত জ্যৈষ্ঠ মাসের সৌখিন খাবারের তালিকায় গ্রামবাংলার মানুষের কাছে অতি প্রিয় এবং পছন্দের নাম 'তালশাঁস'। প্রচলিত ভাষায় এটাকে 'তালকুর'ও বলা হয়ে থাকে। শক্ত তালের কাঁচা আবরণের মধ্যে নরম তুলতুলে শাঁস আর মিষ্টি রসের সমন্বয়ে ফলটি বাঙালিদের রসনা বিলাসে নতুন একটি মাত্রা যোগ করে। তালশাঁস পছন্দ করে না এমন মানুষ পাওয়া খুব মুশকিল। তবে তালশাঁস সবচেয়ে বেশি পছন্দ করেন শিশু এবং বৃদ্ধ বয়সী মানুষ। জ্যৈষ্ঠ মাসের শুরু থেকে তালশাঁস বিক্রেতারা ধারাল দা-ছেনি ও কাঁচা তাল নিয়ে ফুটপাতে বসে একটার পর একটা অনবরত কেটে ক্রেতাদের হাতে শাঁস পরিবেশন করতে থাকেন। বিগত দিনগুলোয় তালশাঁসের ৩ চোখ (অাঁটি) ২ থেকে ৩ টাকা দরে বিক্রি হলেও সময়ের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে অন্যান্য ফলমূলের সঙ্গে সঙ্গতি রেখে তালশাঁসের দাম বেড়েছে। এ বছর পরিণত প্রত্যেকটি তাল বিক্রি হচ্ছে ৭ থেকে ১০ টাকায়। মূল্যবৃদ্ধি পেলেও থেমে নেই তালশাঁসের চাহিদা।
চাটমোহর উপজেলার তালশাঁস বিক্রেতা দবু জানান, তালশাঁস মৌসুমি ফল এটা কম-বেশি সবাই খায়। দিনে ২০০ থেকে ২৫০ পিছ তালশাঁস বিক্রয় হয়। তবে গরম বাড়লে বিক্রিটাও বেড়ে যায়।
 
এই প্রতিবেদন সম্পর্কে আপনার মতামত দিতে এখানে ক্লিক করুন
অনলাইন জরিপ
অনলাইন জরিপআজকের প্রশ্নজঙ্গিবাদ নিয়ে মন্ত্রীদের প্রচারে আস্থাহীনতার সৃষ্টি হয়েছে_ বিএনপি নেতা আসাদুজ্জামান রিপনের এই বক্তব্য সমর্থন করেন কি?হ্যাঁনাজরিপের ফলাফল
আজকের ভিউ
পুরোনো সংখ্যা
2015 The Jaijaidin