৮ মার্চ আন্তর্জাতিক নারী দিবসশতবর্ষ পরেও উন্নয়ন কতটুকু?নারীকে উন্নয়নের মূলধারায় সম্পৃক্ত করতে হলে আগে প্রয়োজন সহায়ক নীতিমালা ও যথোপযুক্ত পরিকল্পনা। নারীবাদীদের আন্দোলনের পাশাপাশি নারী অধিকার ও সমতা প্রতিষ্ঠার উদ্যোগকে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দেয়ার জন্য সঠিক আইন প্রণয়ন একান্ত জরুরি। সেই সঙ্গে বিদ্যমান আইন প্রয়োগের মাধ্যমে নারীর প্রতি বৈষম্য দূর করতে হবে। যে দুটি খাত থেকে নারীরা মূলত উপকৃত হয়, তা হলো স্বাস্থ্য ও শিক্ষা। বাংলাদেশে নারীদের জন্য স্বাস্থ্যসেবা বেড়েছে। যার ফলে মাতৃত্বকালীন মৃত্যুর হার অনেক কমে গেছে।ইলা মুৎসুদ্দী যুগ যুগ ধরে পুরুষতান্ত্রিক সমাজব্যবস্থার আলোকে নারীদের শোষিত, বঞ্চিত, নিগৃহীত এবং নির্যাতিত করা হচ্ছে। নারীর ব্যক্তি স্বাধীনতা আর সম্পত্তির ওপর পূর্ণ অধিকার দেয়া তো অনেক দূরের ব্যাপার। নারীর স্বতন্ত্র কোনো ভূমিকা আছে, নারীর সফল ভূমিকার কারণে একটি পরিবার তথা পারিবারিক মর্যাদা বৃদ্ধি পেয়েছে এটা মানতে সমাজের মানুষ এখনো নারাজ। বর্তমান আধুনিক যুগে এসেও নারীর সফলতাকে মর্যাদা দিয়ে, নারীকে অগ্রগতির পথে সহায়তা করতে অপারগতা প্রকাশ করে... বিস্তারিত
নারীশ্রমিকরা বৈষম্যের শিকারনৃপেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী বৃহত্তর ফরিদপুরের পাঁচটি জেলার মাদারীপুর, শরীয়তপুর, গোপালগঞ্জ, রাজবাড়ী, ফরিদপুর সদরে নারীশ্রমিকের কদর দিন দিন বাড়ছে। ফসলের মাঠে, নির্মাণ কাজে এবং বয়লার-চাতালসহ বিভিন্ন্ন কাজে পুরুষশ্রমিকদের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে কাজ করে যাচ্ছে নারীশ্রমিকরা। পুরুষের সঙ্গে তাল মিলিয়ে সমপরিমাণ কাজ করলেও মজুরিতে তারা বৈষম্যের শিকার। প্রতিদিন শ্রম বিক্রি করে একজন পুরুষশ্রমিক যে পরিমাণ মুজরি পান, সমপরিমাণ শ্রম দিয়ে একজন নারীশ্রমিক পান তার অর্ধেক। অল্প মজুরিতে বেশি কাজ পাওয়া... বিস্তারিত
কর্মপথে নারীর ভোগান্তিস্যাম.অরণ্যা পুরুষের কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে নারীরাও আজ সমানতালে বাইরে কাজ করছেন। তবে এ পথ পুরুষের জন্য মসৃণ হলেও নারীর জন্য তা রীতিমতো কণ্টকময়। তারপরও নারীরা আজ ঘর যেমন সামলাচ্ছেন তেমনি বাইরেও তার কাজের মাধ্যমে নিরবচ্ছিন্নভাবে দক্ষতার স্বাক্ষর রেখে চলেছেন। দেশের একটা বিশাল অংশের নারীই এখন কর্মজীবী। কর্মজীবী নারীর সংখ্যা বৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গে তাদের দুর্ভোগ বাড়ছে বই কমছে না। ঢাকা শহরে লোকসংখ্যা বৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গে যানবাহনের সংখ্যাও... বিস্তারিত
সংগ্রামী নারীরা তোমাদের সালামরহিমা আক্তার নারীমুক্তি আন্দোলন নারী জাতির রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক ও সামাজিক মুক্তির এবং সমান অধিকার আদায়ের লক্ষ্যে সংগ্রামের ইতিহাসে একটি যুগান্তকারী ঘটনা। ৮ মার্চ নারী আন্দোলনের ঐতিহাসিক দিনটিকে স্মরণীয় করে রাখার জন্য জাতিসংঘের ভূমিকা অপরিসীম। ৮ মার্চ নারী দিবসকে স্মরণ করে ১৯৭৫ সালকে জাতিসংঘ নারীবর্ষ হিসেবে ঘোষণা দেয়। পর্যায়ক্রমে ১৯৭৬-১৯৮৫ দশককে জাতিসংঘ কর্তৃক 'নারী দশক' হিসেবে ঘোষণা দিয়ে নারী প্রগতির উদ্দেশে আন্তর্জাতিক প্রচেষ্টার এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত। বাংলাদেশ তৃতীয়... বিস্তারিত
 
অনলাইন জরিপ
অনলাইন জরিপআজকের প্রশ্নজঙ্গিবাদ নিয়ে মন্ত্রীদের প্রচারে আস্থাহীনতার সৃষ্টি হয়েছে_ বিএনপি নেতা আসাদুজ্জামান রিপনের এই বক্তব্য সমর্থন করেন কি?হ্যাঁনাজরিপের ফলাফল
আজকের ভিউ
পুরোনো সংখ্যা
2015 The Jaijaidin
close