পূর্ববর্তী সংবাদ
দক্ষিণ আফ্রিকা সফরপ্রস্তুতিতে হাসল সাকিব-সাব্বিরের ব্যাটক্রীড়া প্রতিবেদক দক্ষিণ আফ্রিকা সফরে টেস্ট সিরিজের মতো একটি কঠিন অধ্যায় শেষ করে আরেকটি নতুন অধ্যায়ে পা ফেলছে বাংলাদেশ ক্রিকেট দল। টেস্ট সিরিজে ভয়াবহ ভরাডুবির পর এবার ওয়ানডে সিরিজে পরীক্ষা দেয়ার পালা। আগামী রোববার থেকে শুরম্ন হচ্ছে তিন ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজ।
ওয়ানডে ম্যাচের আগে বৃহস্পতিবার বস্নুমফন্টেইনে একমাত্র প্রস্তুতি ম্যাচে হেসেছে বিশ্রাম থেকে ফেরা সাকিব আল হাসানের ব্যাট। সাকিব ও সাব্বিরের ব্যাটিংয়ের সুবাদে বাংলাদেশ দল ২৫৫ রানের লড়াকু ইনিংস গড়ে তোলার সুযোগ হয়েছে। ১১ বল বাকি থাকতেই টাইগাররা ইনিংস গুটিয়েছে। প্রোটিয়া দলকে ২৫৬ রানের লক্ষ্য বেঁধে দেয় মাশরাফিরা।
এদিন ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়া বাংলাদেশ দলকে হাফ সেঞ্চুরি দিয়ে টেনে তুলেছেন সাকিব আল হাসান ও সাব্বির রহমান। দক্ষিণ আফ্রিকা আমন্ত্রিত একাদশের বিপক্ষে দুর্দান্ত্ম একটি হাফসেঞ্চুরি তুলে নিয়েছেন তিন ফরমেটেই বিশ্ব ক্রিকেটের সেরা অলরাউন্ডার। ৬৭ বল মোকাবেলায় ৯টি চারের সাহায্যে ৬৮ রান করেছেন। ৬ষ্ঠ উইকেটে দলীয় ১৯৬ রানের মাথায় ডুমিনির তালুবন্দি হন সাকিব।
এদিন বাংলাদেশ দলের আরেক ব্যাটসম্যান সাব্বির রহমানের ব্যাটও হেসেছে। সাত নম্বরে ব্যাট করতে নেমে সাব্বির ৫৪ বল খেলে ৫২ রান করেন। হাঁকিয়েছেন ২টি চার ও ৩টি ছক্কা। ৭ম উইকেটে ২১৯ রানের মাথায় সাজঘরে ফিরেছেন সাব্বির।
চোটের কারণে দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে সিরিজের দ্বিতীয় টেস্টে খেলতে পারেননি তামিম ইকবাল। তবে ওয়ানডে সিরিজের আগেই তার সুস্থ হয়ে উঠার ব্যাপারে ভীষণ আশাবাদী বাংলাদেশ টিম ম্যানেজম্যান্ট। দক্ষিণ আফ্রিকা আমন্ত্রিত একাদশের বিপক্ষে বাংলাদেশের একমাত্র প্রস্তুতি ম্যাচটিতেও খেলার কথা ছিল তামিমের। শেষ পর্যন্ত্ম দেশসেরা এই ওপেনারকে নিয়ে ঝুঁকি নেয়নি টাইগাররা। প্রস্তুতি ম্যাচে মাঠে নামেননি তিনি।
মজার ব্যাপার হলো, টেস্ট সিরিজের পর এ ম্যাচেও উইকেটের পেছনে নেই মুশফিক। কিপিং করেছেন লিটন কুমার দাস। মুশফিক ম্যাচে ছিলেন স্পেশালিস্ট ব্যাটসম্যান হিসেবে। তিন পেসার নিয়ে মাঠে নামে বাংলাদেশ। মুস্ত্মাফিজ ও রম্নবেলের সঙ্গে খেলেছেন তরম্নণ পেসার সাইফ উদ্দিন। একাদশে ছিলেন না মেহেদী হাসান মিরাজ। খেলেছেন নাসির।
এর আগে টস জিতে ব্যাটিং নিয়ে বিপদে পড়ে বাংলাদেশ। তামিম খেলতে নামায় সৌম্যকে নিয়ে ইমরম্নল চালিয়ে খেলতে থাকেন। ৩১ বল খেলে ছয়টি চার মারার পর ব্যক্তিগত ২৭ রানে উইকেটের পেছনে ক্যাচ দিয়ে ফেরেন। ঠিক আগের বলে মাত্র তিন রান করে ফেরেন সৌম্য সরকার। টেস্ট সিরিজের মত একমাত্র প্রস্তুতি ম্যাচটিতেও ব্যাট হাতে ব্যর্থতার পরিচয় দিয়েছেন সৌম্য সরকার। দুই ওপেনার ফিরে যাওয়ার পর লিটন কুমার দাস এবং মুশফিকুর রহিমও যারপরনাই ব্যর্থ। লিটন করতে পারেন ৮। মুশফিক ফেরেন ২২ রানের মাথায়। দলীয় ৬৩ রান তুলতেই টপ অর্ডারের ৪ ব্যাটসম্যান সাজঘরে ফিরেন।
পঞ্চম উইকেট জুটিতে সে বিপর্যয় কিছুটা সামলে উঠেছিলেন সাকিব আল হাসান আর মাহমুদউলস্নাহ রিয়াদ। এই উইকেটে তারা ৫৭ রান যোগ করেন। কিন্তু থিতু হয়েও আরেকবার ইনিংস বড় করতে না পারার আক্ষেপ নিয়ে সাজঘরে ফিরেন মাহমুদউলস্নাহ। এলবিডবিস্নউয়ের ফাঁদে পড়ার আগে ডানহাতি এই ব্যাটসম্যান করেন ২১ রান।
ওয়ান ডাউনে প্রমোশন পেয়ে লিটন দাসও নিজেকে মেলে ধরতে পারেননি। তিনি আউট হন ৮ রান করে। এরপর ২২ রান করে মুশফিকুর রহিমও সাজঘরে ফিরলে ভীষণ বিপদে পড়ে মাশরাফি বিন মর্তুজার দল। ৮ম উইকেটে ২২৬ রানের মাথায় নাসির হোসেন ১২ রানে এবং ৯ম উইকেটে মাশরাফি বিন মর্তুজা ১৭ রানে ফেরেন। মুস্ত্মাফিজুর রহমান (০)। দক্ষিণ আফ্রিকার চার ব্যাটসম্যান দুটি করে উইকেট নেন।
 
পূর্ববর্তী সংবাদ
এই প্রতিবেদন সম্পর্কে আপনার মতামত দিতে এখানে ক্লিক করুন
অনলাইন জরিপ
অনলাইন জরিপআজকের প্রশ্নজঙ্গিবাদ নিয়ে মন্ত্রীদের প্রচারে আস্থাহীনতার সৃষ্টি হয়েছে_ বিএনপি নেতা আসাদুজ্জামান রিপনের এই বক্তব্য সমর্থন করেন কি?হ্যাঁনাজরিপের ফলাফল
আজকের ভিউ
পুরোনো সংখ্যা
2015 The Jaijaidin
close