বুধবার, ০৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৩, ২৪ মাঘ ১৪২৯
walton1

মাধবপুরে শিম’র বাম্পার ফলন,কৃষকের মুখে হাসির ঝিলিক

আলাউদ্দিন আল রনি, মাধবপুর থেকে
  ০৭ ডিসেম্বর ২০২২, ১৫:০৭

হবিগঞ্জের মাধবপুর উপজেলায় শিম চাষে বাম্পার ফলনে কৃষকের মুখে হাসির ঝিলিক ফুটেছে। উপজেলার গেইটঘর, লোহাইদ, ভান্ডারুয়া, শাহজাহানপুর, জগদীশপুর, নোয়াপাড়া, ছাতিয়াইন এলাকায় বির্স্তিন এলাকায় শীম চাষাবাদ হয়েছে। দেখলে মনে হয় যেন সাজানো বাগান। ইতিমধ্যে কৃষকরা শিম উত্তোলন শুরু করেছে। দামও পাচ্ছে বেশ। এতে কৃষকরাও খুশী।

উপজেলা কৃষি অফিস সুত্রে জানা যায়- মাধবপুরে প্রায় ৪০০ একর জমিতে শিম চাষ করা হয়েছে। শিম চাষাবাদে প্রতি একরে সার, বীজ, শ্রমিক ইত্যাদি বাবদ খরচ হয় প্রায় ২০ থেকে ২৫ হাজার টাকা। প্রতি একর জায়গায় উৎপাদিত শিম বিক্রি হয় প্রায় ৮০ থেকে ৯০ হাজার টাকা। শিম চাষাবাদকে কেন্দ্র করে ওইসব এলাকায় গড়ে উঠেছে সবজি বাগান। এখানে কৃষকরা প্রতিদিন নিজেদের ক্ষেতের শিম সংগ্রহ করে কোন ফরিয়া ছাড়াই পাইকারদের কাছে সরাসরি বিক্রি করেন। এতে কৃষকরা আরো উৎিসাহিত হন। ওইসব এলাকা থেকে প্রতিদিন ট্রাক, পিকআপ ও ভ্যানযোগে দেশের বিভিন্ন স্থানে শিম সরবরাহ করা হয়। শাহজাহানপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মোঃ পারভেজ হোসেন চৌধুরী জানান শিমসহ সবজি চাষাবাদে এ এলাকার কৃষকদের আর্থিক স্বচ্ছলতা এসেছে। নোয়াপাড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান সৈয়দ আতাউল মোস্তফা সোহেল জানান, শিম চাষীদের যদি সরকারিভাবে পৃষ্ঠপোষকতা দেওয়া হয়, তারা আরো উৎসাহিত হবে এবং শিম চাষে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখবে। তিনি আরো বলেন, তার এখানে রতনপুর নামক স্থানে একটি সবজির আড়ৎ রয়েছে। প্রতিদিন ভোর ৪টা থেকে সকাল ১০টা পর্যন্ত কোন প্রকার ফরিয়া ছাড়াই হবিগঞ্জ, সিলেট, মৌলভীবাজার, নাসিরনগর, ব্রাহ্মণবাড়িয়াসহ বিভিন্ন এলাকার পাইকাররা এখান থেকে সবজি কিনে নিয়ে যান। কিন্তু দুঃখের বিষয় এখানে সবজি রাখার জন্য কোন শেড নাই। 

চৌমুহনী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মাহবুবুর রহমান সোহাগ জানান আমার এলাকার জনসাধারন কৃষির উপর র্নিবশীল। এখানে উৎপাদিত সবজি এলাকার চাহিদা মিটিয়ে অন্য জেলায় যায়। সরকারিভাবে শিম চাষে সহজ শর্তে ব্যাংক থেকে ঋণ দিলে কৃষকরা আরো উৎসাহিত হবে।

যাযাদি/ সোহেল
 

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

উপরে