শুক্রবার, ১৯ জুলাই ২০২৪, ৪ শ্রাবণ ১৪৩১

ক্যামিকেল, কেমিক্যাল  প্রোডাক্ট এন্ড প্লাস্টিক বিষয়ক সেমিনার

যাযাদি ডেস্ক
  ০৯ জুন ২০২৪, ১৯:১৫
ছবি-যায়যায়দিন

ঢাকার ২৫ হাটখোলাস্থ এফবিসিসিআই ইনোভেশন অ্যান্ড রিসার্চ সেন্টার ভবনে "Chemical, Chemical Products & Plastics" বিষয়ক একটি সেমিনার আয়োজিত হয়েছে।

রোববার (৯ জুন) সকাল ১০.০০ টায় সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়। সেমিনারে "Chemical, Chemical Products & Plastics এর বিভিন্ন দিক নিয়ে ব্যবসায়ী, শিক্ষাবিদ, গবেষক এবং নীতিনির্ধারকদের মধ্যে আলোচনা হয়।

সেমিনারে উপস্থিত ব্যবসায়ী, শিক্ষাবিদ, গবেষক এবং নীতিনির্ধারকরা "Chemical, Chemical Products & Plastics এর বিভিন্ন সুযোগ সুবিধা ও চ্যালেঞ্জ সম্পর্কে ধারণা লাভ করেন।

সেমিনারে সভাপতি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন এফবিসিসিআই-আইআরসি এর চেয়ারম্যান জনাব মোঃ জসীম উদ্দিন। তার বক্তব্যে বলেন, "প্লাস্টিক খাত বাংলাদেশের অর্থনীতির প্রধান অংশ যা অভ্যন্তরীণ বাজার এবং রপ্তানিমুখী বাজার উভয় ক্ষেত্রেই গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখে।

বৈশ্বিক প্লাস্টিক বাজারের ৫৭০ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের মধ্যে মাত্র ০.৬% অংশ বাংলাদেশের রয়েছে।

বাংলাদেশ সরকার এই খাতের প্রবৃদ্ধি নিশ্চিত করতে প্লাস্টিক শিল্প উন্নয়ন নীতি প্রস্তুত ও প্রকাশ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। ২০২২-২০২৩ অর্থ বছরে প্লাস্টিক এবং প্লাস্টিক পণ্য রপ্তানি করে আমরা আয় করেছি ১৩৪২.৭ হাজার কোটি টাকা।

বাংলাদেশের প্লাস্টিক পণ্য যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, ফ্রান্স, জার্মানি, পোল্যান্ড, স্পেন, কানাডাসহ আরও ১২৩টি দেশে রপ্তানি করা হচ্ছে। অপরদিকে রাসায়নিক পণ্য আগের অর্থবছরের তুলনায় ২০২৩ অর্থ বছরে নেতিবাচক প্রভাব লক্ষ করা যায়। ২০২৩ অর্থ বছরে ২০২.১৩ মিলিয়ন মার্কিন ডলার রাসায়নিক পণ্য রপ্তানি করেছি।

কিন্তু গত ২০২২ অর্থ বছরে ২৫৬.৮৭ মিলিয়ন মার্কিন ডলার রাসায়নিক পণ্য রপ্তানি করেছিলাম। এই সেমিনার বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে Chemical, Chemical Products & Plastics এর প্রচার ও প্রসারের ক্ষেত্রে একটি ইতিবাচক ভূমিকা পালন করবে বলে তিনি মনে করেন।

এফবিসিসিআই-আইআরসি এর সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান জনাব মোস্তফা আজাদ চৌধুরি বাবু সেমিনারে উপস্থিত ছিলেন।

তিনি বলেন যে, ২০৪১ সালের স্মার্ট বাংলাদেশ এর লক্ষ্যমাত্রা অর্জন করতে হলে আমাদের অনেক শিল্প খাতকে রপ্তানিযোগ্য করে তুলতে হবে। এর মধ্যে রাসায়নিক পণ্য ও প্লাস্টিক অন্যতম প্রধান রপ্তানি শিল্প। রাসায়নিক পণ্যও প্লাস্টিক শিল্পের চাহিদা অনুযায়ী মানবসম্পদ উন্নয়ন এর মাধ্যমে ডেমোগ্রাফিক ডিভিডেন্ডের সুফল পাবে বাংলাদেশ। আমাদের দেশে রাসায়নিক পণ্য ও প্লাস্টিক শিল্পের অবদান অপরিহার্য।

প্লাস্টিক বাংলাদেশে সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত উপাদানগুলির মধ্যে একটি, যা গত কয়েক দশক ধরে গুরুত্বপূর্ণ শিল্প খাত হিসেবে অবদান রাখছে। বাংলাদেশে প্লাস্টিক বিভিন্ন কাজে ব্যবহৃত হচ্ছে। গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার প্লাস্টিক খাতকে অগ্রাধিকার প্রাপ্ত রপ্তানি খাত হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করে গেজেট প্রজ্ঞাপন জারি করেছে। এই সিদ্ধান্ত সময়োপযোগী এবং কার্যকর পদক্ষেপ।

সেমিনারে আরও উপস্থিত ছিলেন শামিম আহমেদ, সভাপতি, বিপিজিএমইএ, পরিচালক, এফবিসিসিআই ইনোভেশন অ্যান্ড রিসার্চ সেন্টার।

তাছাড়া উপস্থিত ছিলেন এফবিসিসিআই- আইআরসি এর ভাইস চেয়ারম্যান এম এ মোমেন, এফবিসিসিআই ইনোভেশন অ্যান্ড রিসার্চ সেন্টার এর প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ড. বিকর্ণ কুমার ঘোষ, এফবিসিসিআই ও এফবিসিসিআই ইনোভেশন অ্যান্ড রিসার্চ সেন্টার এর অন্যান্য পরিচালকবর্গ এবং বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ, গবেষক, শিল্পপতি, নীতিনির্ধারক এবং সাংবাদিকগণ।

আরও উপস্তিত ছিলেন বাংলাদেশের বিভিন্ন চেম্বার অব ইন্ডাস্ট্রিজ এর সদস্যবৃন্দ।

যাযাদি/ এম

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

উপরে