বুধবার, ১৭ এপ্রিল ২০২৪, ৪ বৈশাখ ১৪৩১
বিচিত্র

বিয়ে কিংবা প্রেমে অবিশ্বাসী পুরুষদের ট্যাক্স দিতে হয় যে দেশে

আইন ও বিচার ডেস্ক
  ১৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৩, ০০:০০

দোকানে কিছু কিনতে যান কিংবা রেস্তোরাঁয় খেতে গেলে ট্যাক্স দিতে হয়। এমনকি দেশের জনগণের ওপর নানান উপায়ে ট্যাক্স আরোপ করে সরকার। তবে সেটি ইনকাম কিংবা সম্পদের ওপরই করা হয়। কিন্তু বিশ্বের এমন অনেক দেশ আছে যেখানে প্রেমিকা না থাকলেও ট্যাক্স দিতে হয় দেশের সরকারকে।

আমেরিকার মিসৌরি শহরে ব্যাচেলার থাকতে হলে ট্যাক্স দিতে হয়। এখানে ২১ থেকে ৫০ বছর বয়সি ব্যাচেলার পুরুষদের কাছ থেকে ট্যাক্স হিসেবে নেওয়া হয় ১ ডলার। যদিও এই ট্যাক্সের শুরু হয় কয়েকশ বছর আগেই। ১৮২১ সাল থেকে আমেরিকার মিসৌরিতে এই ট্যাক্স দেওয়া শুরু হয়। অনেক পুরুষ আছেন বিয়ে করতে চান না কিংবা প্রেমেও বিশ্বাস করেন না। ফলশ্রম্নতিতে দেশে জনসংখ্যাও কমতে থাকে। এ পরিপ্রেক্ষিতে দেশের সরকার পুরুষদের ব্যাচেলার থাকার অনুমতি দেয় তবে তার জন্য বাৎসরিক ট্যাক্স দিতে হবে তাকে।

যদিও অবিবাহিত পুরুষদের ওপর এ ধরনের ট্যাক্সের শুরু মিসৌরিতে নয়। ১৬৯৫ সালে ইংল্যান্ডে জুলিয়াস সিজার এই ট্যাক্সের ঘোষণা দিয়েছিলেন। ১৭০২ সালে রাশিয়ায় এই ট্যাক্স চালু করেন পিটার দ্য গ্রেট এবং ১৯২৪ সালের শেষের দিকে ইতালিতেও ব্যাচেলার ট্যাক্স চালু করেন মুসোলিনি।

আরও অদ্ভুত ট্যাক্স চালু আছে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে। টয়লেট ফ্ল্যাশের জন্য ট্যাক্স নেওয়া হয় মেরিল্যান্ডে। যেখানে পানির খরচের দিকে নজর রাখার জন্য প্রতিটি বাড়িতে প্রতি মাসে ৫ ডলার টয়লেট ফ্ল্যাশ ট্যাক্স হিসেবে নেওয়া হয়।

ট্যাটু করার জন্য ট্যাক্স দিতে হয় আরকানসাসে। সেখানে ট্যাটু করালে ৬ শতাংশ কর দিতে হয়। ২০০২ সাল থেকে এই নিয়ম প্রযোজ্য রয়েছে আরকানসাসে। বরফ কেনার জন্য ট্যাক্স দেন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের অ্যারিজোনার নাগরিকরা।

কেরালায় ফ্যাট ট্যাক্স আরোপ করা হয়। কেরালায় ১৪.৫ শতাংশ ফ্যাট ট্যাক্স নেওয়া হয়। যাতে লোকেরা কম জাঙ্ক ফুড খায় এবং তাদের স্বাস্থ্যের প্রতি আরও মনোযোগ দেয়। এই ট্যাক্স ডেনমার্কের নাগরিকদেরও দিতে হয়। খাবারে ২.৩ শতাংশের বেশি চর্বি রাখতে হলে সরকারকে ট্যাক্স দিতে হয় তাদের।

পাঞ্জাবে পোষ্য থাকলে কর দিতে হয়। কুকুর, বিড়াল, শূকর, ভেড়া থাকলে বছরে ২৫০ টাকা কর দিতে হয়। আর হাতি, গরু, উট, ঘোড়া, ষাঁড় থাকলে বছরে ৫০০ টাকা ট্যাক্স দিতে হয়। এছাড়াও কার্ড কেনার জন্য ট্যাক্স দেন আলবামার দক্ষিণ রাজ্যের বাসিন্দারা।

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

উপরে