পেঁয়াজ রসুনের বাজার চড়া

পেঁয়াজ রসুনের বাজার চড়া

সপ্তাহর ব্যবধানে রাজধানীর বাজারে বোতলজাত সয়াবিন তেলের সরবারহ বাড়লেও তা ছিল চাহিদার তুলনায় অনেক কম। ফলে এদিনও বাড়তি দামে খোলা সয়াবিন ও পাম অয়েল কিনতে হয়েছে ক্রেতাদের। এছাড়া এ সপ্তাহেও বাড়তিই রয়েছে গরু ও মুরগির মাংসের দাম। অন্যদিকে সবজির দাম কিছুটা কমলেও সপ্তাহর ব্যবধানে প্রায় দ্বিগুণ হয়েছে পেঁয়াজ ও রসুনের দাম। শুক্রবার রাজধানীর বিভিন্ন খুচরা ও পাইকারি বাজারে প্রতি লিটার খোলা সয়াবিন বিক্রি হয়েছে ২১০ টাকা এবং প্রতি লিটার পাম অয়েল ১৯৫ টাকা দরে। খোলা সয়াবিনের দাম ১৮০ ও পাম অয়েল ১৭২ টাকা লিটার নির্ধারণ করা হলেও ভোক্তাদের অন্তত ২০-৩০ টাকা বেশি দিয়ে কিনতে হয়েছে। বিক্রেতারা বলছেন, বোতলজাত তেলের সরবরাহ স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত তেলের দাম কমার সম্ভাবনা কম। এদিকে শুক্রবার রাজধানীর ছোট-বড় সব ধরনের বাজারে বোতলজাত ভোজ্যতেলের সরবরাহ অনেকটা বেড়েছে। যা বিক্রিও হয়েছে নির্ধারিত দামে। তবে ক্রেতাদের অভিযোগ এসব বোতলজাত তেলের বেশির ভাগই আগের অর্থাৎ ১৬০ রেটের। এছাড়াও বেশি দামের জন্য মিরপুর ও মোহাম্মাদপুরের অনেক দোকানেই বোতলজাত তেল ভেঙে খুচরা বিক্রি করতে দেখা গেছে। খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, ভোক্তা অধিকারের অভিযানের ভয়ে অনেকেই মজুদকৃত বোতলজাত তেল ড্রামে ঢেলে খুচরা বিক্রি করছেন। তাই অনেকেই নতুন রেটের তেলের সরবরাহ পেলেও দোকানে তুলছেন না। তবে অনেক বিক্রেতা জানিয়েছেন গত সপ্তাহের তুলনায় সরবরাহ বাড়লেও তা চাহিদা তুলনায় তা অর্ধেকেরও কম। এদিকে বৃহস্পতিবার থেকে রাজধানীর বাজারে হঠাৎ করে বেড়েছে পেঁয়াজের দাম। প্রায় ১৫-২০ টাকা বেড়ে এদিন প্রতি কেজি পেঁয়াজ বিক্রি হয়েছে ৪৫-৫০ টাকা কেজি দরে। এছাড়াও সপ্তাহ ব্যবধানে প্রায় দ্বিগুণ হয়েছে দেশি রসুনের দাম। এদিন প্রতি কেজি দেশি রসুনের কেজি বিক্রি হয়েছে ৯০-১০০ টাকা দরে। যা বৃস্পতিবারও বিক্রি হয়েছে ৬০ টাকা কেজি দরে। দাম বেড়েছে আমদানিকৃত বড় আকারের রসুনেরও। কেজিতে প্রায় ২০-২৫ টাকা বেড়ে বিক্রি হয়েছে ১৫০ টাকা দরে। ব্যবসায়ীরা জানান, পাইকারি বাজারে পেঁয়াজের সাথে রসুনে সরবরাহ কমে যাওয়ায় হঠাৎ দাম বেড়েছে। এদিকে রমজানের শুরুর দিকে বেড়ে যাওয়া মাংসের দাম এই সপ্তাহেও অব্যাহত আছে। এদিনও প্রতি কেজি গরুর মাংস বিক্রি হয়েছে ৭০০ টাকার উপরে। ব্রয়লার মুরগির কেজি বিক্রি হয়েছে ১৭০ টাকা আর সোনালি মুরগির কেজি বিক্রি হয়েছে ৩১০-৩২০ টাকা দরে। ঈদের পরও চাহিদা অনুযায়ী সরবরাহ না থাকায় দাম বাড়তি রয়েছে বলে জানিয়েছে বিক্রেতারা। ঈদের পর রাজধানীর বাজারে সবজির দাম কমতির দিকেই রয়েছে। ক্রেতা চাহিদা কম থাকায় শুক্রবার বাজারগুলোতে প্রায় সব ধরনের সবজিতে গত সপ্তাহের দাম অব্যাহত আছে। এদিন ঝিঙ্গা, পটল, রেখা, দুনদুল, করলস্না, কচুরলতিসহ বেগুনের কেজি বিক্রি হয়েছে ৪০-৫০ টাকার মধ্যে। এছাড়াও লাউয়ের পিস বিক্রি হয়েছে ৪০-৫০ টাকা এবং ঢেঁড়স ও শসার কেজি বিক্রি হয়েছে ৩০ টাকার মধ্যে। তবে এখনও ৭০ টাকার উপরে রয়েছে বরবটি ও কাকরোলের দাম। অন্যদিকে সপ্তাহর ব্যবধানে অপরিবর্তিত রয়েছে রাজধানীর মাছের বাজার। এদিন বাজারে এক কেজি ওজনের ইলিশ বিক্রি হয়েছে ১৫০০-১৬০০ টাকার উপরে। আর মাঝারি আকারের ইলিশ বিক্রি হয়েছে ৯০০-১১০০ টাকার মধ্যে। প্রতি কেজি বোয়াল আকার ভেদে বিক্রি হয়েছে ৬০০-৭০০ টাকা, আইড় মাছের কেজিতে ৬০০-৭০০ টাকা, বায়লা মাছের কেজি ৮০০ টাকার উপরে। রুই মাছের কেজি বিক্রি হয়েছে ২৮০-৩৭০ টাকা, কাতল মাছের কেজি বিক্রি হয়েছে ২৫০-৩৫০ টাকা, শোল মাছের কেজি বিক্রি হয়েছে ৬০০ টাকা, পাবদার কেজি বিক্রি হয়েছে ৪০০ টাকা, কৈ ও পাঙ্গাসের কেজি বিক্রি হয়েছে ১৮০-২০০ টাকা দরে। এছাড়া বড় গলদা চিংড়ি বিক্রি হয়েছে ৯০০ টাকা এবং ছোট হরিনা চিংড়ি বিক্রি হয়েছে ৬৫০ টাকা কেজি দরে।

  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত

আরও খবর

সকল ফিচার

ক্যাম্পাস
তারার মেলা
সাহিত্য
সুস্বাস্থ্য
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি
জেজেডি ফ্রেন্ডস ফোরাম
নন্দিনী
আইন ও বিচার
হাট্টি মা টিম টিম
কৃষি ও সম্ভাবনা
রঙ বেরঙ

Copyright JaiJaiDin ©2022

Design and developed by Orangebd


উপরে