logo
বুধবার ১৬ অক্টোবর, ২০১৯, ১ কার্তিক ১৪২৬

  যাযাদি রিপোর্ট   ২১ সেপ্টেম্বর ২০১৯, ০০:০০  

সাত দেহরক্ষীসহ আটক যুবলীগ নেতা শামীম

২০০ কোটি টাকার এফডিআর, নগদ দেড় কোটি টাকা, অস্ত্র ও মদ উদ্ধার

সাত দেহরক্ষীসহ আটক যুবলীগ নেতা শামীম
যুবলীগের কেন্দ্রীয় সমবায় সম্পাদক জি কে শামীমের নিকেতনের বাড়িতে শুক্রবার অভিযান চালায়র্ যাব। এ সময় সাত দেহরক্ষীসহ তাকে আটক করা হয়। উদ্ধার করা হয় বিপুল পরিমাণ টাকা, অস্ত্র ও মাদকদ্রব্য -ফোকাস বাংলা
সাত দেহরক্ষীসহ আটক হয়েছেন যুবলীগের কেন্দ্রীয় নেতা এস এম গোলাম কিবরিয়া শামীম ওরফে জি কে শামীম। এর আগে, মহানগর দক্ষিণ যুবলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক খালেদ মাহমুদকে গ্রেফতারের পর জি কে শামীমের নাম উঠে আসে। তিনি অস্ত্রধারী দেহরক্ষীবেষ্টিত হয়ে সব সময় চলাফেরা করতেন।

ছোট-খাটো মানুষ হলেও শামীমের ক্ষমতার দাপট ছিল আকাশসমান। রাজধানীর সবুজবাগ, বাসাবো, মতিঝিলসহ বিভিন্ন এলাকায় জি কে শামীম প্রভাবশালী ঠিকাদার হিসেবে পরিচিত। গণপূর্ত ভবনের বেশিরভাগ ঠিকাদারি কাজই জি কে শামীম নিয়ন্ত্রণ করেন। বিএনপি-জামায়াত শাসনামলেও গণপূর্তে এ শামীম ছিলেন ঠিকাদারি নিয়ন্ত্রণকারী ব্যক্তি।

এক সময়ের যুবদল নেতা ক্ষমতার পরিবর্তনে হয়ে যান যুবলীগ নেতা। নারায়ণগঞ্জ আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতিও তিনি। নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁ উপজেলার সন্মানদী ইউনিয়নের দক্ষিণপাড়া গ্রামের মৃত মো. আফসার উদ্দিন মাস্টারের ছেলে শামীম। আফসার উদ্দিন মাস্টার ছিলেন হরিহরদি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক। তিন ছেলের মধ্যে জি কে শামীম মেজ।

যুবলীগের কেন্দ্রীয় সমবায় সম্পাদক জি কে শামীমের নিকেতনের বাড়ি ঘেরাও করে অভিযান চালায়র্ যাব। শুক্রবার দুপুর সাড়ে ১২টার পর এ অভিযান শুরু হয়।

জি কে শামীম একসময় বিএনপি নেতা মির্জা আব্বাসের ক্যাডার ছিলেন। বিএনপির আমলে জি কে শামীমের ভয়ে মতিঝিল, পল্টন, শান্তিনগরের আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা পালিয়ে বেড়িয়েছেন। সন্ত্রাস আর চাঁদাবাজি ছিল তার পেশা। ওই সময় মির্জা আব্বাসের ডানহাত হিসেবে গণপূর্ত ভবনের সব টেন্ডার নিয়ন্ত্রণ করা শুরু করেন।

২০০৮ সালের নির্বাচনে আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় আসার পরও তিনি বহাল তবিয়তে ওই ভবন নিয়ন্ত্রণ করেন আন্ডার ওয়ার্ল্ডের শীর্ষ সন্ত্রাসীদের নামে। জীবনের ভয়ে অনেক আওয়ামী লীগের ঠিকাদার ওই ভবন ছেড়ে পালান। বাংলাদেশের সব ঠিকাদারকে গণপূর্তে কাজ করতে হলে তাকে বলে কাজ করতে হবে। বাংলাদেশের প্রথম সারির সব ঠিকাদার (কিছুসংখ্যক বাদে) তার ভয়ে কথা বলার সাহস পান না। এক অর্থে বলা যায়, গণপূর্ত ভবনের মালিকই তিনি।

কেন্দ্রীয় যুবলীগের নেতা হয়ে তিনি আরও বেপরোয়া হয়ে ওঠেন। সারা বাংলাদেশের কনস্ট্রাকশনের যত বড় বড় কাজ হয় সব কাজ তার নির্বাচিত ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান ছাড়া কেউ করতে পারেন না। যদি কেউ জি কে শামীমকে না জানিয়ে দরপত্র ক্রয় করেন তবে তার পরিণাম হয় ভয়ঙ্কর। ওই প্রতিষ্ঠানে অস্ত্রধারী তার ক্যাডার বাহিনী শুধু হামলাই করবে না, প্রয়োজনে তাদের মেরেও ফেলতে পারে।

জানা যায়, ছয়জন অস্ত্রধারী দেহরক্ষীর প্রটেকশনে চলতেন জি কে শামীম। সবার হাতেই শটগান। গায়ে বিশেষ সিকিউরিটির পোশাক। তাদের একেকজনের উচ্চতা প্রায় ছয় ফুট। যাকে মাঝখানে রেখে তারা পাহারা দেন তিনি উচ্চতায় পাঁচ ফুটের কিছু বেশি।

জি কে শামীম যখন রাস্তায় বের হতেন তখন সঙ্গে চলত তার নিরাপত্তা বলয়। নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁ উপজেলার সন্মানদী ইউনিয়নের দক্ষিণপাড়া গ্রামের মৃত মো. আফসার উদ্দিন মাস্টারের ছেলে শামীম। আফসার উদ্দিন মাস্টার ছিলেন হরিহরদি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক। তিন ছেলের মধ্যে জি কে শামীম মেজ। বড় ছেলে গোলাম হাবিব নাসিম ঢাকায় জাতীয় পার্টির রাজনীতি করেন। সন্মানদী ইউনিয়নের বাসিন্দারা জানান, প্রাইমারি স্কুল ও হাই স্কুল পাস করার পর তাদের আর গ্রামে দেখা যায়নি। ঢাকার বাসাবো আর সবুজবাগ এলাকায় বড় হয়েছেন। গত জাতীয় নির্বাচনের সময় আওয়ামী লীগের নৌকা মার্কা নিয়ে নির্বাচনের জন্য প্রচারণাও চালিয়েছিলেন শামীম।

বাসাবো ও এজিবি কলোনির কয়েকজন বাসিন্দা জানান, গ্রাম থেকে ঢাকায় আসার পর এজিবি কলোনি, হাসপাতাল জোন এবং মধ্য বাসাবোতেই পরিবার নিয়ে বসবাস করতেন শামীম। ৪ নম্বর ওয়ার্ড যুবদলের মাধ্যমেই তার রাজনীতি শুরু। পরবর্তী সময়ে মির্জা আব্বাসের ভাই মির্জা কালু ও মির্জা খোকনের সঙ্গে ঘনিষ্ঠতা হয় এবং তাদের সহযোগিতায় ধীরে ধীরে গণপূর্ত ভবনের ঠিকাদারি ব্যবসার নিয়ন্ত্রণ নেন।

ঢাকা মহানগর যুবদলের সহ-সম্পাদকের পদও বাগিয়ে নেন তিনি। বিএনপি আমলে গণপূর্ত ভবন ছিল তার দখলে। এক সময় মির্জা আব্বাস আর খালেদা জিয়া, তারেক রহমানের ছবিসহ সবুজবাগ-বাসাবো এলাকাসহ রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় শোভা পেত জি কে শামীমের ব্যানার-পোস্টার। এখন শোভা পায় যুবলীগ ও আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় নেতাদের ছবিসহ পোস্টার-ব্যানার রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায়।

গণপূর্ত মন্ত্রণালয় কিংবা যুবলীগের পার্টি অফিস, বিয়ে বাড়ি কিংবা বন্ধুর বাড়ি, যেখানেই তিনি যেতেন, সঙ্গে থাকত অস্ত্রধারী প্রটোকল বাহিনী। ভারী অস্ত্র নিয়ে ছয়জন নিরাপত্তারক্ষী আগে-পিছে পাহারা দিয়ে তাকে নিয়ে যান।

জানা যায়, আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতায় আসার পর অবৈধ অস্ত্রসহ গ্রেপ্তারও হয়েছিলেন জি কে শামীম। বাসাবো এলাকায় পাঁচটি বাড়ি এবং একাধিক পস্নট রয়েছে শমীমের। বাসাবোর কদমতলায় ১৭ নম্বরের পাঁচতলা বাড়িটি জি কে শামীমের। বাড়িটির ম্যানেজার হিসেবে দেখাশোনা করেন স্থানীয় ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি মো. ইসমাইল হোসেন সর্দার। শামীম কয়েক বছর বাসাবোর ওই বাড়িতে বসবাস করলেও এখন থাকছেন বনানীর ওল্ড ডিওএইচএসে নিজের ফ্ল্যাটে। নিজের কার্যালয় বানিয়ে বসেন নিকেতন এলাকায় একটি ভবনে।

বাসাবোতে আরও রয়েছে তিনটি ভবন এবং ডেমরা ও দক্ষিণগাঁও ছাড়াও সোনারগাঁ উপজেলা, বান্দরবান ও গাজীপুরে কয়েকশ' বিঘা জমি কিনেছেন তিনি।

তবে যুবলীগের কেন্দ্রীয় দপ্তর জানায়, জি কে শামীম যুবলীগের কেন্দ্রীয় কমিটির কোনো পদে নেই। অনুমোদিত কমিটির কোথাও জি কে শামীমের নাম নেই। কেউ যদি মুখে মুখে নিজেকে যুবলীগের কেন্দ্রীয় নেতা বলে থাকেন সেটা তো হবে না।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কেন্দ্রীয় যুবলীগের এক নেতা বলেন, তিনি নারায়ণগঞ্জ জেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি পদে আছেন। মূল কমিটি অনুমোদনের পর বেশ কয়েকজনকে সহ-সম্পাদক থেকে শুরু করে অনেক পদই দেয়া হয়েছে। আর আওয়ামী যুবলীগের কেন্দ্রীয় কমিটির সমবায়বিষয়ক সম্পাদক এস এম মেজবাহ হোসেন বুরুজ ২০১৫ সালের ১৯ ডিসেম্বর মারা যাওয়ার পর শূন্য পদটি দেয়া হয়েছে জি কে শামীমকে। শামীম ওই পদ ব্যবহার করে সাংগঠনিক কর্মকান্ড চালাচ্ছেন।

এফডিআর, নগদ

কোটি টাকা ও অস্ত্র উদ্ধার

রাজধানীর নিকেতনে যুবলীগের নেতা জি কে শামীমের অফিসে অভিযান চালিয়ে বিপুল পরিমাণ টাকা ও স্থায়ী আমানতের (এফডিআর) কাগজ পেয়েছের্ যাব। শুক্রবার বেলা ১১টা থেকে জি কে শামীমের নিকেতনের ডি বস্নকের ৫ নম্বর রোডের ১৪৪ নম্বর বাসা ঘিরে ফেলের্ যাব। এর আগে নিকেতন এলাকায় জি কে শামীমের আরেকটি বাসা থেকে তাকে ডেকে আনা হয়। পরে তাকে আটক করেই অভিযান চালায়র্ যাব।

বেলা ২টা ৪৫ মিনিটে ওই বাসায় ঢুকে প্রথমেই দেখা যায় বিশাল গ্যারেজ। গ্যারেজের পাশে কাচ দিয়ে ঘেরা একটি অফিসকক্ষ, এখানে কর্মচারী ও কর্মকর্তারা বসেন। ওই ঘরের পাশে দুটি দামি মোটরসাইকেল রাখা রয়েছে। কক্ষের পাশে দুই পালস্নার একটি কাঠের দরজা। দরজার দামি কাঠের চৌকাঠ চোখে পড়ার মতো। দরজা দিয়ে ঢুকতেই ভেতরে তিন তলায় যাওয়ার সিঁড়ি। মার্বেল টাইলসের সিঁড়িটিতে রয়েছে নকশা করা কাঠের রেলিং। চারতলা পর্যন্ত উঠে গেছে সিঁড়িটি। পুরো বাসাটি শীতাতপনিয়ন্ত্রিত। তৃতীয় তলায় শামীমের বসার কক্ষ। প্রায় ৩০ ফুট লম্বা ও ২০ চওড়া কক্ষটি। পুরো কক্ষটিতে দামি বাতি। বিশাল ঝাড়বাতি। পুরো ঘরটি কাঠ দিয়ে সাজানো। বিশাল আকারের দুটি টিভি রয়েছে ঘরে। তিন সেট সোফা ও একটি বড় টেবিল রয়েছে। ওই টেবিলের ওপর সাজিয়ে রাখা হয়েছে টাকার বান্ডিল, মদের বেশ কয়েকটি বোতল ও অস্ত্র। এগুলো ওই কক্ষ থেকে পাওয়া গেছে। ওই কক্ষের পাশেই আছে শামীমের ব্যক্তিগত কক্ষ।

র্

যাব সূত্রে জানা গেছে, নগদ প্রায় দেড় কোটি টাকা পাওয়া গেছে। অন্যান্য কাগজপত্র থেকে গুনে ২০০ কোটি টাকার এফডিআর পাওয়া গেছে। জি কে শামীমর্ যাবকে জানিয়েছেন, এখানে প্রায় ২০০ কোটি টাকার এফডিআর আছে।

লাইসেন্স থাকলেও

অস্ত্রের অবৈধ ব্যবহার

অন্যদিকে এস এম গোলাম কিবরিয়া শামীম ওরফে জি কে শামীমের অস্ত্রের লাইসেন্স থাকলেও অবৈধ ব্যবহারের অভিযোগ ছিল বলে জানিয়েছেনর্ যাবের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সারোয়ার আলম।

তিনি বলেন, সুনির্দিষ্ট অভিযোগের ভিত্তিতে অভিযান চালানো হয়েছে। এখানে তার মায়ের ও তার নামে বিপুল পরিমাণ এফডিআর পাওয়া গেছে। তার অস্ত্রের লাইসেন্স থাকলেও অবৈধ ব্যবহারের অভিযোগ ছিল।

কী ধরনের অভিযোগের ভিত্তিতে গ্রেপ্তার করা হয়েছে- এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী কোনো সুনির্দিষ্টি অভিযোগ ছাড়া অভিযান পরিচালনা করে না। এখন আইন অনুযায়ী তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে। নির্দোষ প্রমাণিত হলে তিনি ছাড়া পাবেন।

এফডিআরের অর্থের উৎসের বিষয়ে এক প্রশ্নের জবাবে ম্যাজিস্ট্রেট বলেন, কোনো অবৈধ উৎস থেকে এ অর্থ এসেছে বলে তাদের কাছে তথ্য এসেছে। এ বিষয়ে তদন্ত করে মানিলন্ডারিংয়ের আইনে মামলা করা হবে।

এ বিষয়ের্ যাবের লিগ্যাল অ্যান্ড মিডিয়া উইংয়ের পরিচালক লে. কর্নেল সারওয়ার বিন কাশেম বলেন, 'সুনির্দিষ্ট ও টেন্ডারবাজির যে অভিযোগের ভিত্তিতে প্রথমে আমরা তার বাসা ঘেরাও করি, সেখান থেকে তার সাতজন দেহরক্ষী, অস্ত্র, শটগান ও গুলি উদ্ধার করা হয়। এরপর তাকে সঙ্গে নিয়ে তার অফিসে তলস্নাশি চালানো হয়'।

নিয়ম অনুযায়ী, ব্যবসা প্রতিষ্ঠান না থাকলে কোনো এফডিআর থাকার নিয়ম নেই, অথচ অধিকাংশ এফডিআরই তার মায়ের নামে। তাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। সার্বিক বিষয়গুলো তদন্তসাপেক্ষে ব্যবস্থা নেয়া হবে।

আমাকে বেইজ্জতি কইরেন না

অভিযানের সময় সাংবাদিক দেখে হতভম্ব হয়ে যান যুবলীগ নেতা জি কে শামীম। তিনি সাংবাদিকদের উদ্দেশে বলেন, 'আলস্নাহর ওয়াস্তে ছবি তুইলেন না, আমাকে বেইজ্জতি কইরেন না। আমার একটা সম্মান আছে। এখানে যা হচ্ছে, আপনারা দেখছেন। কিন্তু আমাকেও আত্মপক্ষ সমর্থন করতে দিতে হবে।'

এ সময় সাংবাদিকদের উদ্দেশে তিনি বলেন, 'পিস্নজ ছবি তুলবেন না।'

তার এ কথা শুনে র?্যাবের এক কর্মকর্তা শামীমকে বলেন, 'আপনি আমাদের সহযোগিতা করেন। আমাদের সহযোগিতার জন্য ও অভিযানের সচ্ছতার জন্য মিডিয়া আমাদের সহযোগিতা করছে।'

অভিযানের পুরো সময়টুকু নিজেকে ক্যামেরা থেকে নিবৃত করার চেষ্টা করেন শামীম। কখনো দাঁড়িয়ে, চেয়ারে বসে, হাত দিয়ে মুখ ঢাকছিলেন তিনি। আবার এটা-ওটা খোঁজার জন্য দীর্ঘক্ষণ টেবিলের নিচে মাথা ঢুকিয়েও রাখেন।

ফিদেল ক্যাস্ত্রো-মাদার

তেরেসা স্বর্ণপদক

বিপুল পরিমাণ অস্ত্র-মাদক ও বড় অংকের অর্থসহ গ্রেপ্তার যুবলীগ নেতা পরিচয়ধারী এস এম গোলাম কিবরিয়া শামীম ওরফে জি কে শামীমের কার্যালয়ে অন্তত ১৩টি সম্মাননা-পদক পাওয়া গেছে। 'ব্যবসা-বাণিজ্য ও সংগঠন এবং সমাজসেবায় অবদান রাখায়' বিভিন্ন সময় তাকে এ সম্মাননা-পদক দিয়েছে নানা সংগঠন।

তার পাওয়া পুরস্কারের তালিকায় রয়েছে- ফিদেল ক্যাস্ত্রো অ্যাওয়ার্ড ২০১৭, মাদার তেরেসা গোল্ড মেডেল-২০১৭, অতীশ দীপঙ্কর গোল্ড মেডেল-২০১৭, মহাত্মা গান্ধী পিস অ্যাওয়ার্ড-২০১৭, আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা পদক-২০১৮ প্রভৃতি।

শুক্রবার রাজধানীর গুলশানের নিকেতনে ৫ নম্বর সড়কের ১৪৪ নম্বর ভবনে জি কে শামীমের কার্যালয়ের্ যাবের অভিযানের পর এই পদক দেখা যায়।
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত
close

উপরে