রোববার, ২৩ জুন ২০২৪, ৯ আষাঢ় ১৪৩১

বুড়িগঙ্গার পানিতে ভেসে আসা প্লাস্টিকে যাদের জীবন চলে

যাযাদি ডেস্ক
  ০৭ মে ২০২৪, ১৭:১১
আপডেট  : ০৭ মে ২০২৪, ১৭:১৯
ছবি-যায়যায়দিন

নদী থেকে ভেসে আসা প্লাস্টিকের দানা বা কুচি কুঁড়িয়ে সংসার চালাচ্ছেন অনেক মানুষ। বিষয়টি অবাক মনে হলেও প্লাস্টিক কুড়ানো এ পেশা বেছে নিচ্ছেন অনেক নারীরা।

শরীরের চামড়ায় ভাঁজ পড়ে গেছে, দেখলেই মনে হবে বয়সের ছাপ, এ বয়সে কাজ তো দূরে থাক, থাকার কথা আরাম-আয়েশে। কিন্তু ব্যস্ততম শহরের কর্ম ব্যস্ত মানুষ গুলো মতো বুড়িগঙ্গা নদীর তীরে ৫০ বছরের এক মধ্য বয়সী নারী।

ঢাকার বুড়িগঙ্গা নদীর তীরে সরেজমিনে এমনই এক মধ্যবয়সী নারীর সঙ্গে দেখা হয়।ফেলনা প্লাসটিকের কুচি কুড়িয়ে দিন চলে এ সংগ্রামী নারীর। প্লাসটিকের কুচি কুড়িয়ে তা বিক্রি করে উপার্জন করে। তা দিয়েই সংসার চলে।

মধ্য বয়সী ওই নারী বলেন, বাজান গরিব মানুষ এসব কুড়িয়েই আমাদের সংসার চলে। সারাদিন নদীর ধারে কুচি, কাগজ কুড়িয়ে যা হয় তা দিয়ে কেনো রকম দিন যায়।

থাকেন কোথায় পরিবারে আর কে কে আছে এমন প্রশ্নের জবাবে মধ্য বয়সী ওই নারী বলেন, আমরা রাস্তার পাশে কুড়েঘরে থাকি। আর এসব কুড়িয়ে দিন ২শত টাকাও হয় আবার কোনো দিন ৩শত টাকাও হয়।

প্লাসটিকের কুচি কুড়িয়ে তা বিক্রি করে উপার্জন করে। তা দিয়েই সংসার চলে। প্রতিদিন ভোরের সূর্য উঠার পরই চলে আসে বুড়িগঙ্গা নদীর তীরে।

নদীর পানির ঢেউয়ের সাথে ভেসে তীরে এসে জরো হওয়া বিভিন্ন প্লাসটিকের কুচি কুড়িয়ে সেগুলো পরিস্কার করে রোদে শুকান।

কুচিগুলো যখন বিক্রির উপযোগী হয় তখন বুড়িগঙ্গা নদীর পাড়ের ভাঙ্গারীর দোকান গুলোতে ১০ টাকা কেজি দরে বিক্রি করেন।

সারাদিন প্লাসটিকের কুচি আর কাগজ কুড়িয়ে ৩শ থেকে ৪শ টাকা উপার্জন করেন এই মধ্য বয়সী নারী।

বয়সের ভারে কাজ করতে না পারায় প্লাসটিকের কুচি ও কাগজ কুঁড়াতে শুরু করেন। কুড়ানোই এখন তার উপার্জনের পথ হয়ে দাঁড়িয়েছে। প্লাসটিকের কুচি ও কাগজ কুড়িয়েই ৩০ বছর কেটে গেল কিন্তু ভাগ্যের চাকা এখনো বদলায়নি।

যাযাদি/ এম

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়
X
Nagad

উপরে