বুধবার, ০৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৩, ২৪ মাঘ ১৪২৯
walton1

মূল্যস্ফীতি কমেছে বাজার নিয়ন্ত্রণে আনতে হবে

নতুনধারা
  ০৭ ডিসেম্বর ২০২২, ০০:০০
মূল্যস্ফীতি কিছুটা কমেছে। পয়েন্ট টু পয়েন্ট ভিত্তিতে নভেম্বর মাস শেষে মূল্যস্ফীতি কমে দাঁড়িয়েছে ৮ দশমিক ৮৫ শতাংশ। গত মাসে সাধারণ মূল্যস্ফীতির হার ছিল ৮ দশমিক ৯১ শতাংশে। সবজিসহ নানা খাদ্যপণ্যের দাম কমেছে বলে দাবি বাংলাদেশ পরিসংখ্যান বু্যরোর (বিবিএস)। সোমবার পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নান মূল্যস্ফীতির সর্বশেষ তথ্য প্রকাশ করেন। গত মাসের তুলনায় মূল্যস্ফীতি ডিসেম্বরে আরও কমার সম্ভাবনা আছে। লক্ষ্যমাত্রা অনুযায়ী ধান, শাকসবজি হওয়ার পাশাপাশি তেল-গ্যাসের দাম বিশ্বব্যাপী কমায় সার্বিকভাবে প্রবৃদ্ধিও সাত শতাংশে যাবে, এমন আশাবাদ পরিকল্পনামন্ত্রীর। গত তিন মাসে ধারাবাহিকভাবে মূল্যস্ফীতি হ্যাট্রিক হয়েছে। বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের দাম কমে যাওয়ায় আমাদের দেশে অবশ্যই এর প্রভাব পড়বে। বর্তমানে ৪২২টি পণ্যের ওপর মূল্যস্ফীতি যাচাই করা হয়। এখন সেগুলো আবার পুনর্বিবেচনা করা হবে। কেননা, এখানে সোনার দামও ধরা হয়েছে। সোনার দাম বাড়লে মূল্যস্ফীতিতে প্রভাব পড়ে। \হএর আগে দেশে সর্বোচ্চ মূল্যস্ফীতি ঘটেছে আগস্ট ও সেপ্টেম্বর মাসে। তখন মূল্যস্ফীতি ৯ শতাংশ ছাড়িয়ে গিয়েছিল। গত আগস্ট মাসে মূল্যস্ফীতি ৯ দশমিক ৮৬ শতাংশ। পরের মাসে অর্থাৎ সেপ্টেম্বর মাসে তা কিছুটা কমে ৯ দশমিক ১ শতাংশ হয়েছিল। ২০১১ সালের মে মাসের পর মূল্যস্ফীতি আর কখনোই ৯ শতাংশের বেশি হয়নি। উচ্চ মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ এখন অর্থনীতির বড় চ্যালেঞ্জ বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা। গরিব মানুষ এখন মূল্যস্ফীতির চাপ বেশি অনুভব করছেন। কারণ, জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধির ফলে খাদ্যপণ্যের দাম অস্বাভাবিক হারে বেড়েছে। আর খাবারের দাম বাড়লে সবচেয়ে বেশি বিপাকে পড়ে দেশের গরিব মানুষ। তাদের জীবিকার সংকট দেখা যায়। অর্থনীতিবিদদের ধারণা, মূল্যস্ফীতি আরো কমবে। তখন নতুন চাল ও শাকসবজি বাজারে আসার কারণে বাজারে এর ইতিবাচক প্রভাব পড়েছে। এ ছাড়াও মূল্যস্ফীতি কমাতে আমদানি নিয়ন্ত্রণ, সরকারি ঋণ হ্রাসসহ সরকারের বিভিন্ন উদ্যোগ ভালোভাবে কাজ করছে। মূল্যস্ফীতির কারণ দেশের সচেতন মানুষ মাত্রই জানেন। বলার অপেক্ষা রাখে না, গত আগস্ট মাসের প্রথম সপ্তাহে পেট্রোল, অকটেন, ডিজেলসহ জ্বালানি তেলের দাম সাড়ে ৪২ থেকে ৫১ শতাংশ বাড়ানো হয়েছে। এর আগে এক লাফে এত বেশি দাম কখনো বাড়ানো হয়নি। তাই এর প্রভাব পড়েছে নিত্যপণ্যের বাজারে। সরকার ভর্তুকি কমাতে যে পদক্ষেপ নিয়েছে, তার সুযোগ নিয়েছেন এ দেশের অসৎ ও অতিমুনাফালোভী ব্যবসায়ীরা। তারা ইচ্ছেমতো প্রতিটি নিত্যপণ্যের দাম বাড়িয়ে দিয়েছে। বিভিন্ন অজুহাতে নিত্যপণ্যের দাম বাড়ানোর বিষয়টি বহুল আলোচিত। যে পণ্যের দাম একবার বাড়ে, তা আর কখনোই আগের দামে ফিরে যায় না। আসলে পণ্যের সরবরাহ বা সংকটের সঙ্গে দাম বাড়ার কোনো সম্পর্ক নেই। এটা হচ্ছে অসৎ ব্যবসায়ীদের হীনমানসিকতা। অতীতেও আমরা লক্ষ্য করেছি, তারা একেক সময় একেক পণ্যের দাম বাড়িয়ে ক্রেতাদের পকেট কেটেছে। মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে আনা সরকারের জন্য চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে। কেবল জনসাধারণই নয়, সরকার ক্ষেত্র বিশেষে ব্যবসায়ীদের কাছে জিম্মি। এই জিম্মিদশা কাটাতে হবে। সরকারের প
  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

উপরে