আসছে সামাজিক-সম্প্রীতি কমিটি

সিটি করপোরেশন ও ওয়ার্ডে এ কমিটি গঠন করতে স্থানীয় সরকার বিভাগের চিঠি
আসছে সামাজিক-সম্প্রীতি কমিটি

সিটি করপোরেশন ও ওয়ার্ড পর্যায়ে সামাজিক-সম্প্রীতি কমিটি গঠন করতে দেশের সব সিটি করপোরেশনের মেয়রসহ সংশ্লিষ্টদের কাছে চিঠি পাঠিয়েছে স্থানীয় সরকার বিভাগ। সম্প্রতি পাঠানো ওই চিঠিতে বলা হয়, নির্দেশনা বাস্তবায়নে সিটি করপোরেশন অধিক্ষেত্রে ও এর আওতাধীন ওয়ার্ড পর্যায়ে রূপরেখা ও কার্যপরিধি অনুযায়ী সামাজিক-সম্প্রীতি কমিটি গঠন ও কার্যক্রম গ্রহণ করে এই বিভাগকে অবহিত করার জন্য অনুরোধ করা হলো।

এদিকে, সিটি করপোরেশন পর্যায়ে সামাজিক সম্প্রীতি কমিটির রূপরেখায় বলা হয়, সংশ্লিষ্ট সিটি করপোরেশনের মেয়র এই কমিটির সভাপতি, প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা, সহ-সভাপতি এবং প্রধান সমাজকল্যাণ কর্মকর্তা হবেন সদস্য সচিব। এই কমিটির মোট সদস্য সংখ্যা ১৩ জন। এই কমিটি কাজের সুবিধার্থে এক বা একাধিক সদস্য কোঅপ্ট করতে পারবে।

কমিটির কার্যপরিধিতে বলা হয়, এই কমিটি সিটি করপোরেশন এলাকায় সম্প্রীতি সমাবেশ, উদ্বুদ্ধকরণ সভা, জনসচেতনতামূলক কার্যক্রম গ্রহণের মাধ্যমে বিদ্যমান আন্তঃধর্মীয় সম্পর্ক ও সামাজিক বন্ধনকে সুসংহত রাখাসহ অসাম্প্রদায়িক চেতনায় ধর্মীয় ও সামাজিক বন্ধনকে এগিয়ে নিতে সর্বদা সচেষ্ট থাকবে।

এ ছাড়া ধর্মীয় উগ্রবাদ, জঙ্গিবাদ, সহিংসতা ও সন্ত্রাসবাদকে প্রতিহত করার লক্ষ্যে প্রয়োজনীয় প্রচার ও উদ্বুদ্ধকরণ কার্যক্রম গ্রহণ করবে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের অপব্যবহার রোধে প্রয়োজনীয়

প্রচার ও সচেতনতামূলক কার্যক্রম গ্রহণ করবে। মসজিদ, মন্দির, গির্জা, প্যাগোডাসহ সব উপাসনালয়ের নিরাপত্তা বিধানে কার্যকর সহায়তা প্রদান করবে।

এতে আরও বলা হয়, সব ধর্মীয় উৎসব যথাযথ ভাবগাম্ভীর্য ও উৎসাহ-উদ্দীপনার মাধ্যমে উদযাপনের পরিবেশকে অক্ষুণ্ন রাখতে প্রয়োজনীয় সহায়তা প্রদান করবে। বিভিন্ন ধর্মের শান্তি ও সৌহার্দের বাণীগুলো ব্যাপক প্রচারের ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।

অন্যদিকে সিটি করপোরেশনের ওয়ার্ড পর্যায়ে সামাজিক-সম্প্রীতি কমিটির রূপরেখায় বলা হয়, সংশ্লিষ্ট কাউন্সিলর সভাপতি, সংশ্লিষ্ট এলাকার সংরক্ষিত আসনের কাউন্সিলর সহ-সভাপতি এবং ওয়ার্ড সচিব এই কমিটির সদস্য সচিব হবেন। এই কমিটির সদস্য সংখ্যাও ১৩ জন। এই কমিটিও কাজের সুবিধার্থে এক বা একাধিক সদস্য কোঅপ্ট করতে পারবে।

কমিটির কার্যপরিধিতে বলা হয়, এই কমিটি সিটি করপোরেশনের ওয়ার্ড পর্যায়ে সম্প্রীতি সমাবেশ, উদ্বুদ্ধকরণ সভা, জনসচেতনতামূলক কার্যক্রম গ্রহণের মাধ্যমে বিদ্যমান আন্তঃধর্মীয় সম্পর্ক ও সামাজিক বন্ধনকে সুসংহত রাখাসহ অসাম্প্রদায়িক চেতনায় ধর্মীয় ও সামাজিক বন্ধনকে এগিয়ে নিতে সর্বদা সচেষ্ট থাকবে। ধর্মীয় উগ্রবাদ, জঙ্গিবাদ, সহিংসতা ও সন্ত্রাসবাদকে প্রতিহত করার লক্ষ্যে প্রয়োজনীয় প্রচার ও উদ্বুদ্ধকরণ কার্যক্রম গ্রহণ করবে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের অপব্যবহার রোধ করতে প্রয়োজনীয় প্রচার ও সচেতনতামূলক কার্যক্রম গ্রহণ করবে। মসজিদ, মন্দির, গির্জা, প্যাগোডাসহ সব উপাসনালয়ের নিরাপত্তা বিধানে কার্যকর সহায়তা প্রদান করবে।

কার্যপরিধিতে আরও বলা হয়, সব ধর্মীয় উৎসব যথাযথ ভাবগাম্ভীর্য ও উৎসাহ-উদ্দীপনার মাধ্যমে উদযাপনের পরিবেশকে অক্ষুণ্ন রাখতে প্রয়োজনীয় সহায়তা প্রদান করবে, বিভিন্ন ধর্মের শান্তি ও সৌহার্দের বাণীগুলো ব্যাপক প্রচারের ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।

চিঠিতে বলা হয়, কমিটির যাবতীয় ব্যয়ভার বিধিমোতাবেক সিটি করপোরেশনের নিজস্ব/রাজস্ব তহবিল থেকে নির্বাহ করতে হবে। প্রতি তিন মাসে কমপক্ষে একটি 'সম্প্রীতি সমাবেশ' আয়োজন করে এ-সম্পর্কিত প্রতিবেদন এই বিভাগে প্রেরণের জন্যও চিঠিতে অনুরোধ করা হয়।

  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত

আরও খবর

Copyright JaiJaiDin ©2022

Design and developed by Orangebd


উপরে