বৃহস্পতিবার, ০২ ফেব্রুয়ারি ২০২৩, ১৯ মাঘ ১৪২৯
walton1

গুদামে চিনির পাহাড়, বাজারে হাহাকার!

সাখাওয়াত হোসেন
  ৩১ অক্টোবর ২০২২, ০০:০০
দেশে বর্তমান মজুত ও আমদানি অপেক্ষমাণ চিনির বিবেচনায় সরবরাহে সমস্যা নেই। মিলের অপরিশোধিত চিনির মজুত দিয়ে আরও ৩৫ থেকে ৪০ দিন চলবে। যে পরিমাণ চিনি আমদানি অপেক্ষমাণ আছে, তা দিয়ে আগামী তিন মাস চলতে সমস্যা হবে না। বাংলাদেশ ট্রেড অ্যান্ড ট্যারিফ কমিশনের প্রতিবেদনে সম্প্রতি এ তথ্য দেওয়া হয়েছে। বাংলাদেশ ব্যাংক ও জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরও বলছে, দেশে চিনির পর্যাপ্ত আমদানি হয়েছে। ফলে মজুতে কোনো ঘাটতি থাকার কথা নয়। ব্যবসায়ীরাও জানিয়েছেন, চিনিকল এবং চিনি পরিশোধন প্রতিষ্ঠানগুলোর কাছে অন্তত এক লাখ টন চিনি মজুত আছে, যা অন্তত তিন মাসের চাহিদা মেটাতে যথেষ্ট। অথচ ঢাকাসহ সারা দেশে চিনির হাহাকার চলছে। বাজারে সরকার নির্ধারিত দরে চিনি পাওয়া দূরে থাক, কেজিপ্রতি ১০ থেকে ১৫ টাকা বেশি দিয়েও চিনি পাওয়া কঠিন হয়ে দাঁড়িয়েছে। চিনির দুষ্প্রাপ্যতা নিয়ে মিলার ও ব্যবসায়ীরা একে অপরকে দুষছেন। মিলাররা বলছেন, সরবরাহে কোনো ঘাটতি নেই। তারা দামও কমিয়েছেন। কিন্তু ব্যবসায়ীরা বলছেন, পর্যাপ্ত চিনি পাওয়া যাচ্ছে না। আগের দামেই কিনতে হচ্ছে। তাই খুচরা পর্যায়ে দাম কমানো যাচ্ছে না। অন্যদিকে বাণিজ্য মন্ত্রণালয় বলছে, তারা বাজার মনিটরিং করে দেখেছেন, বাজার নিয়ন্ত্রণেই রয়েছে। তবে গোয়েন্দাদের দাবি, বাজারে চিনির সংকট থাকলেও বিপুল সংখ্যক গুদামে হাজার হাজার কেজি চিনি অবৈধভাবে মজুত রয়েছে। ভোক্তা অধিদপ্তরসহ বিভিন্ন প্রশাসনের অভিযানে এর সামান্য কিছু অংশ জব্দ করা হলেও বিপুল পরিমাণ চিনির সন্ধান মিলছে না। এমনকি মিল, ডিলার ও পাইকারি ব্যবসায়ীদের কাছে কী পরিমাণ চিনি রয়েছে সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের কাছে তারও হিসাব নেই। গত ২৬ অক্টোবর ময়মনসিংহের ফুলবাড়িয়ায় ব্যবসায়ী নুরে আলম সিদ্দিক মিয়ার গুদাম থেকে অবৈধভাবে মজুতকৃত ১৬ হাজার ৩৫০ কেজি চিনি জব্দ করে উপজেলা প্রশাসন। এ ঘটনায় ব্যবসায়ীকে ১০ হাজার টাকা জরিমানা করে ভ্রাম্যমাণ আদালত। পরে জব্দকৃত অবৈধ ৩২৭ বস্তা সাদা চিনি ন্যায্যমূল্যে বিক্রি করে সরকারি কোষাগারে টাকা জমা দেওয়া হয়। একই দিন চট্টগ্রাম নগরীর পাহাড়তলী বাজারের ফারুক ট্রেডিং ও উত্তরবঙ্গ ট্রেডিংয়ের গুদামে অভিযান চালিয়ে ৪ হাজার ১৪১ কেজি চিনি জব্দ করে ভোক্তা অ?ধিকার সংরক্ষণ অ?ধিদপ্তর। এ সময় ওই দুই প্রতিষ্ঠানকে ৮০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। অবৈধভাবে মজুত করা চিনি ন্যায্যমূল্যে বিক্রির জন্য উন্মুক্ত করে দেওয়া হয়। এর দু'দিন আগে ২৪ অক্টোবর রাজশাহীর সাহেব বাজারের মুদি ব্যবসায়ী আলী আহাম্মদের গোডাউন থেকে ৬ হাজার ৭শ' কেজি চিনি জব্দ করা হয়। অবৈধভাবে মজুত করায় এ সময় ওই ব্যবসায়ীকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর। বাজার সংশ্লিষ্টরা বলছেন, নতুন করে শিগগিরই চিনির দাম বাড়ছে, এমন খবরের ভিত্তিতে নিত্যপ্রয়োজনীয় এ পণ্যটি নিয়ে একাধিক সিন্ডিকেট সক্রিয় হয়ে উঠেছে। আমদানিকারক থেকে শুরু করে মিলার, ডিলার, বড় ও ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী যে যেমন করে পারছে, সেভাবেই চিনি মজুত করার চেষ্টা করছে। ফলে গত কয়েকদিনে বাজারে চিনির তীব্র সংকট দেখা দিয়েছে। সরকার নির্ধারিত ৯০ টাকা কেজি দরের চিনি ১০৭ থেকে ১০৮ টাকায় কিনতেও এ দোকান থেকে ও দোকানে ছোটাছুটি করতে হচ্ছে। নিজস্ব গোডাউনে বস্তায় বস্তায় চিনি থাকলেও দোকানিরা শুধু নিয়মিত কাস্টমারদের কাছে এক-দেড় কেজি করে চিনি বিক্রি করছে। অনেক দোকানি তার দোকান থেকে অন্যান্য পণ্যসামগ্রী কিনলেই শুধু চিনি দিতে রাজি হচ্ছেন। পাইকারি ব্যবসায়ীরা \হবলছেন, মিল গেটে দাম না কমলে পাইকারি ও খুচরা বাজারে চিনির দাম কমবে না। পাশাপাশি বাজারে চিনির সরবরাহে ঘাটতি রয়েছে। পর্যাপ্ত চিনি পাওয়া যাচ্ছে না। এজন্য সরকারের মনিটরিং ব্যবস্থায় আরও কঠোর হতে হবে। তবে মিলের মালিকরা বলছেন, সরবরাহে কোনো ঘাটতি নেই। সরকার নির্ধারিত দর অনুযায়ী চিনির দাম অনেক আগেই তারা কমিয়েছে। রাজধানীর পাইকারি বাজার ও খুচরা বাজার ঘুরে দেখা গেছে, কয়েক দিনের ব্যবধানে চিনির দাম বস্তায় বেড়েছে ৫ থেকে সাড়ে ৫শ' টাকা। আর খুচরা পর্যায়ে প্রতি কেজিতে বেড়েছে ৭ থেকে ৮ টাকা। এ বিষয়ে মৌলভীবাজারের পাইকারি চিনি ব্যবসায়ী সোনালী ট্রেডার্সের ম্যানেজার অরুণ কুন্ডু বলেন, বর্তমানে আমরা মিল গেট থেকে যে দামে চিনি কিনি তার চেয়ে কেজিপ্রতি মাত্র ২০ পয়সা বেশি দরে বিক্রি করি। এর চেয়ে কম লাভে বিক্রি করলে ব্যবসা টিকিয়ে রাখা কঠিন হবে। তার ভাষ্য, সরকার নির্ধারিত দামে তারাই চিনি পান না, সেখানে সাধারণ ভোক্তারা পাবেন কোত্থেকে? কাওরান বাজারের খুচরা বিক্রেতা জামাল উদ্দিন জানান, তারা কেনা দামের চেয়ে কেজিপ্রতি দুই থেকে তিন টাকা বেশিতে চিনি বিক্রি করেন। এর মধ্যে তাদের ইউটিলিটি চার্জ, দোকান ভাড়া, কর্মচারীর বেতন ও ওজন ঘাটতি রয়েছে। এ হিসাবে ১০৭-১০৮ টাকার নিচে চিনি বিক্রি করার কোনো সুযোগ তাদের নেই। সরকারের নির্ধারিত দামে চিনি বিক্রি করতে হলে কেজিতে ৭ থেকে ৮ টাকা লোকসান দিতে হবে। এমন হলে দোকানিরা চিনি বিক্রি বন্ধ করে দেবেন। মালিবাগ বাজারের খুচরা চিনি বিক্রেতা আফজাল মিয়া বলেন, এখন চিনি বিক্রি করে কোনো লাভ নেই। তাই চিনি কম আনছি। লোকসান দিয়ে ভোক্তাদের খাইয়ে আমার কী লাভ। তাছাড়া মার্কেটে চিনি কম। ৫০ বস্তা চাইলে দেয় ১০ বস্তা। সরকার যে দাম নির্ধারণ করে দিয়েছে, সে দামে আমরা বিক্রি করতে পারব যদি সরকার আমাদের মিলারদের নিয়ন্ত্রণ করতে পারে তাহলে। মিলাররা যে দাম দেয়, তার ওপর নির্ভর করে পাইকারি বাজার। আর পাইকারি বাজারের ওপর নির্ভর করে খুচরা বাজার। এ বিষয়ে সিটি গ্রম্নপের পরিচালক (করপোরেট ও রেগুলেশন অ্যাফেয়ার্স) বিশ্বজিৎ সাহা বলেন, চিনির সব ধরনের কাঁচামাল রয়েছে। কিন্তু গ্যাস সংকটের কারণে চাহিদা অনুসারে চিনি উৎপাদন করা যাচ্ছে না। এর সঙ্গে উৎপাদন খরচও বাড়ছে। এ কারণে চাহিদার তুলনায় চিনি সরবরাহ কম থাকায় চিনির দাম বাড়ছে। এদিকে, মিলাররা অনেকে এ সংকটের জন্য বাণিজ্য মন্ত্রণালয়কে দুষছেন। তারা জানান, ডলারের অস্থিরতায় ঋণপত্র খোলায় জটিলতা, জ্বালানি সংকটসহ নানা কারণে উৎপাদন কমে বাজারে চিনির সংকট হতে পারে, সরকারকে এমন কথা জানিয়েছিল বাংলাদেশ সুগার রিফাইনার্স অ্যাসোসিয়েশন। চলতি মাসের ২০ তারিখে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব বরাবর ওই চিঠি দেওয়া হয়। তবে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ বিষয়টিতে গুরুত্ব দেয়নি। যার কারণে চিনির বাজার তেতে উঠেছে। ভোক্তাকে প্রতি কেজি খোলা চিনি ১১০ টাকায়ও কিনতে হচ্ছে। যেখানে সরকার প্রতি কেজি খোলা চিনির মূল্য ৯০ টাকা নির্ধারণ করেছে। মিলাররা জানান, চলতি বছর এখন পর্যন্ত প্রায় ১৮ লাখ টন অপরিশোধিত চিনি আমদানি হয়েছে। বর্তমানে চট্টগ্রাম বন্দরে ১টি অপরিশোধিত চিনির জাহাজ রয়েছে। তবে রপ্তানিকারক দেশ ব্রাজিল থেকে বাংলাদেশে আসার মতো কোনো জাহাজ অপেক্ষমাণ নেই। মেঘনা গ্রম্নপের প্রধান বিক্রয় কর্মকর্তা নাসির উদ্দিন আহমেদ গণমাধ্যমকে জানান, কোম্পানিতে চিনির কাঁচামালের কোনো সংকট নেই। কিন্তু চাহিদা অনুযায়ী গ্যাস সরবরাহ না পাওয়ায় চিনি উৎপাদন করা যাচ্ছে না। কোম্পানির দিনে ৫ হাজার টন চিনি পরিশোধনের ক্ষমতা রয়েছে। কিন্তু পরিশোধন করছে মাত্র ১ হাজার টন। ফলে বাজারে সংকট তৈরি হয়েছে। যদিও চিনির দামে সেঞ্চুরি হওয়ার পর জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর সক্রিয় হলে মিল মালিকদের প্রতিনিধিরা দ্রম্নত বাজারে চিনির সরবরাহ বাড়ানোর আশ্বাস দেন। তবে তারা নিরবচ্ছিন্ন জ্বালানি প্রাপ্তির নিশ্চয়তা চান। উচ্চ চাপের গ্যাস সরবরাহ নিশ্চিত হলে উৎপাদন বাড়বে। তখনই কেবল সরবরাহের সংকট কাটতে পারে বলে জানান তারা। মিলারদের অভিযোগ, তারা চিনির সরবরাহ বাড়ানোর প্রতিশ্রম্নতি দেওয়ার পর নতুন করে এক ঘণ্টার জন্য উচ্চ চাপের গ্যাস পাননি। তাই অপরিশোধিত চিনি চাহিদা অনুযায়ী পরিশোধন করা সম্ভব হয়নি। তাদের মজুতে অপরিশোধিত চিনি থাকলেও গ্যাস সংকট না কাটলে বাজারে চিনির সরবরাহ স্বাভাবিক পর্যায়ে নিয়ে আসার কোনো সুযোগ নেই বলে জানান তারা। বাণিজ্য মন্ত্রণালয় সূত্র জানায়, তাদের পক্ষ থেকে প্রতিনিয়ত মনিটরিং করা হচ্ছে। কোথায় ঘাপলা রয়েছে তারা তা খতিয়ে দেখছে। ডলারসহ নানা সংকটের কারণে চিনির আমদানি বাধাগ্রস্ত হলেও এ পণ্যের বাজার অস্থির থাকবে না। নানামুখী কৌশলী পদক্ষেপ গ্রহণের মাধ্যমে বাজার স্থিতিশীল করে আনা হবে। মিলার বা হোলসেলাররা কোনো কারসাজি করছে কি না, তা বের করার জন্য মন্ত্রণালয়ের একাধিক মনিটরিং টিম কাজ করছে বলে সূত্রটি দাবি করে। প্রসঙ্গত, দেশে চিনির মোট চাহিদার বড় একটি অংশ মেটানো হয় আমদানি করা চিনির মাধ্যমে। এই চিনি আমদানি হয় মূলত সিটি, মেঘনা, এস আলম, ঈগলু ও দেশবন্ধু গ্রম্নপের হাত ধরে। প্রতিষ্ঠানগুলোর পক্ষ থেকে বলা হচ্ছে, চিনির সব ধরনের কাঁচামাল রয়েছে। কিন্তু গ্যাস সংকটের কারণে চাহিদা অনুসারে চিনি উৎপাদন করা যাচ্ছে না। এর সঙ্গে উৎপাদন খরচও বাড়ছে। এ কারণে চাহিদার তুলনায় চিনি সরবরাহ কম থাকায় চিনির দাম বাড়ছে। দাম বৃদ্ধির বিষয়টি স্বীকার করেছে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের বাজার দর মনিটরিং প্রতিষ্ঠান ট্রেডিং করপোরেশন অব বাংলাদেশ (টিসিবি)। প্রতিষ্ঠানের তথ্য মতে, সপ্তাহ দেড়েক আগে চিনির কেজি ছিল ৯০ থেকে ৯৫ টাকা। এখন সেই চিনি কেজিতে ৫ টাকা বেড়ে বিক্রি হচ্ছে ৯৫ টাকা ১০০ টাকায়। টিসিবি'র মুখপাত্র হুমায়ুন কবির বলেন, বাজারে চিনির দাম বেড়েছে। তবে টিসিবি'র চিনির দাম বাড়েনি। তবে রাজধানীর এক ডজনের বেশি বাজার ঘুরে টিসিবি'র তথ্যের সঙ্গে বাস্তবতার মিল পাওয়া যায়নি। দেখা গেছে, বেশির ভাগ দোকানে খোলা চিনি বিক্রি হচ্ছে ১০৫ থেকে ১১০ টাকা কেজিতে। বাজার ও দোকানগুলোতে প্যাকেটজাত চিনির দেখা মেলেনি। এদিকে, চিনির বাজারের বর্তমান পরিস্থিতির ওপর সরকারকে একটি প্রতিবেদন জমা দিয়েছে জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর। সংস্থাটির মহাপরিচালক এ এইচ এম সফিকুজ্জামান স্বাক্ষরিত ওই প্রতিবেদনে চিনি উৎপাদনকারী মিলগুলোতে পর্যাপ্ত গ্যাস সরবরাহ নিশ্চিত করার জন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে সুপারিশ করা হয়েছে। দেশব্যাপী বাজার অভিযান ও মিলগুলো পরিদর্শন করে দেওয়া প্রতিবেদনটিতে মিলগুলোর কিছু অনিয়মের চিত্র উঠে এসেছে। মেঘনা সুগার রিফাইনারির সরবরাহ আদেশে মূল্য উলেস্নখ ছিল না। সিটির সুগার ইন্ডাস্ট্রিজের সরবরাহ আদেশে ইউনিট মূল্য লেখা হয়নি। প্রতিষ্ঠানটি তার সক্ষমতার ৫০ শতাংশ চিনি উৎপাদন করছে। এস আলম সুগার রিফাইনারিতে ৫০ কেজির বস্তায় ২০০ থেকে ২৮০ গ্রাম চিনি কম পাওয়া যায়। বেশি অনিয়মের চিত্র উঠে এসেছে দেশবন্ধু সুগার মিলে। প্রতিষ্ঠানটির একাধিক সরবরাহ আদেশের মেয়াদ শেষ হওয়ার ১০ থেকে ১২ দিন পরও চিনি সরবরাহ করা হয়েছে। পাকা রসিদে পণ্যের একক মূল্য লেখা নেই। মিলগেটে কোনো মূল্যতালিকা প্রদর্শন করা হয় না। অন্য চিনি কারখানায় জ্বালানি সংকট থাকলেও এখানে সেই সমস্যা নেই। তবে বাংলাদেশ ট্রেড অ্যান্ড ট্যারিফ কমিশনের করা আরেকটি প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, দেশবন্ধু গ্রম্নপের এই প্রতিষ্ঠানের কাছে অপরিশোধিত চিনির মজুত আছে মাত্র ৪ হাজার ৪০০ টন।
  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

উপরে