রোববার, ২৭ নভেম্বর ২০২২, ১২ অগ্রহায়ণ ১৪২৯

এনআইডির জন্য ১৫ বছর বয়স পর্যন্ত তথ্য নিচ্ছি -মহাপরিচালক

ম যাযাদি রিপোর্ট
  ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২২, ০০:০০
জাতীয় পরিচয়পত্রের (এনআইডি) মহাপরিচালক একেএম হুমায়ুন কবীর বলেছেন, 'আমরা এবার ১৫ বছর বয়স পর্যন্ত তথ্য-উপাত্ত নিচ্ছি। আগামী বছর বয়সের ক্ষেত্রে হয়তো আরও পেছনে যাব। এভাবে হয়তো ফাইভ পাস করলেই এনআইডি কার্ড দেব।' শনিবার রাজধানীর নির্বাচনী প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউটে আয়োজিত ঢাকার আঞ্চলিক নির্বাচন কার্যালয়ের ত্রৈমাসিক সভায় এসব কথা বলেন তিনি। যারা স্মার্টকার্ড নিয়েছেন তারা দশ আঙুলের ছাপ দিয়েছেন উলেস্নখ করে মহাপরিচালক জানান, যারা দেননি, আগামী বছরের প্রথম দিকে তাদের দশ আঙুলের ছাপ নেওয়া শুরু হবে। আমরা যেহেতু আগামী জাতীয় নির্বাচন আরও সুন্দর করতে চাই, এ কারণে আমরা প্রিঙ্গার প্রিন্ট কিন্তু আপডেট করব। চলমান হালনাগাদ শেষে চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশের পরপরই এই কার্যক্রমে যাব।' এই ভোটার তালিকা ধরেই আসন্ন জাতীয় নির্বাচনে ভোট হবে বলেও জানান তিনি। একেএম হুমায়ুন কবীর বলেন, 'যারা নতুন ভোটার-তাদের পিএসসি, জেএসসি, এসএসসি'র সার্টিফিকেট, প্রয়োজনে জন্মনিবন্ধন দেখে নিচ্ছি, যাতে ভুল না হয়। একটি বিষয় সতর্ক থাকতে বলব। যারা বয়স্ক ব্যক্তি তাদের যেন সচেতনভাবে যাচাই-বাছাই করে ভোটার করা হয়। ঢাকায় নানা ধরনের মানুষ বসবাস করেন। আফ্রিকা থেকে ল্যাটিন আমেরিকার লোকজন বসবাস করেন। কাজেই তারাও ভোটার হতে চাইতে পারেন। পরিপূর্ণ তথ্য না দিলে ভোটার করবেন না।' তিনি বলেন, 'যদি একেবারে নতুন ভোটার হয় তাহলে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সনদ তো রয়েছে। সেটা ফলো করতে হবে। ওয়ারিশান সনদটা ভালো করে দেখে নিয়েন। যেন ছোট ভাই বড় না হয়ে যান। এসব বিষয় খেয়াল রাখবেন।' তিনি আরও বলেন, 'আমরা প্রবাসীদের জন্য সব সময় অগ্রাধিকার দিচ্ছি। তাদের জন্য একটা পৃথক ডেস্ক খুলেছি। তার অর্থ এই নয়, রোহিঙ্গার দ্বিতীয় জেনারেশনের সৌদি আরব থেকে যেন এসে ভোটার হয়ে যাবে।' কর্মকর্তাদের উদ্দেশে মহাপরিচালক বলেন, 'আমাদের চারপাশে দালাল শ্রেণি আছে। প্রতিনিয়ত আপনাকে-আমাকে বিক্রি করছে। এদের সঙ্গে ব্যক্তিগত সম্পর্ক গড়ে তুলবেন না। পত্রিকায় এসেছে যে দিনাজপুরে নির্বাচন কার্যালয়ে গিয়ে কান্না করছে যে, আমাকে একটু জীবিত করে দেন। আমি মরি নাই। তখন আমরা আপনাদের সফটওয়্যার দিয়ে দিলাম, সেখান থেকে এখন সেটা ঠিক করতে পারছেন।' ঢাকার আঞ্চলিক নির্বাচন কর্মকর্তা ফরিদুল ইসলামের সভাপতিত্বে বৈঠকে ইসি সচিব মো. হুমায়ুন কবীর খোন্দকার বলেন, 'আমরা সেবা দেই। কিন্তু যদি গতি বাড়াতে না পারি, নাগরিকরা ক্ষতিগ্রস্ত হবেন। অনেস্টি, সিনসিয়ারিটি যদি থাকে, তাহলে আমরা পারব। অতীতের চেয়ে গতি বেড়েছে, কিন্তু আরও বাড়াতে হবে।' তিনি আরও বলেন, বর্তমানে যে হালানাগাদ করা হচ্ছে, এই ভোটার তালিকা দিয়ে আগামী জাতীয় নির্বাচন হবে। সুতরাং অত্যন্ত সতর্কতার সঙ্গে কাজ করতে হবে। কোনোভাবেই কেউ যেন বাদ না পড়ে এবং কেউ যেন দ্বৈত ভোটার হতে না পারে সে বিষয়ে সতর্ক থাকতে হবে।
  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

উপরে