বুধবার, ৩০ নভেম্বর ২০২২, ১৫ অগ্রহায়ণ ১৪২৯

মাল্টা চাষে স্বাবলম্বি গোসাইরহাটের শাহে আলম খান

গোসাইরহাট (শরীয়তপুর) প্রতিনিধি
  ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২২, ১৪:২৫

বাগানে সারিবদ্ধ মাল্টার গাছ। প্রতিটি গাছের সবুজ পাতার ফাঁকে ডালে ঝুলে রয়েছে পাকা ও আধাপাকা মাল্টা।  ফলের ভারে নুয়ে পড়েছে গাছের ডালপালা৷ 

শরীয়তপুর জেলার গোসাইরহাট উপজেলার নাগেরপাড়া ইউনিয়নের মো. শাহে আলমের মাল্টা বাগানে এমন চিত্রই চোখে পড়ে। 

উত্তর হলইপট্টির ব্যবসায়ী মো. সজিব খান জানান, গ্রামে প্রথম মাল্টা চাষ শুরু করেছেন শাহে আলম। এর আগে কেউ মাল্টা চাষ করেনি। তার বাগানে প্রচুর মাল্টা ধরেছে। সাইজও বেশ বড়। 

মো. শাহে আলম বলেন, বিভিন্ন জাতের ফলে ফরমালিন ব্যবহারের হিরিক পরে। যা মানব দেহের জন্য ক্ষতিকারক। মানুষ নিরাপদ ফল খাওয়ার কথা ভুলে গিয়ে ছিল। ভেজালমুক্ত ফল উপহার দেওয়ার কথা চিন্তা করেই কৃষি বিভাগের সহযোগীতা নিয়ে মাল্টার বাগান করেছি। অল্প পরিশ্রমে কম খরচে মাল্টা চাষ করে লাভবান হওয়া যায়। আমার বাগানে বারি-১ ও থাইল্যান্ড জাতের ৭০টি মাল্টার গাছ রয়েছে। চারা রোপণের তিন বছর পর ফলন শুরু করে। তিন বছর পর গাছে পূর্ণাঙ্গরূপে ফল ধরা শুরু করে। প্রতিটি গাছে ২০০ থেকে ৩০০টি ফল আসে। 

জানাযায় মাল্টার পাশাপাশি সৌদি আরবের খেজুর বাগান, আম বাগান, কলা গাছের বাগান ও ড্রাগন ফলের বাগান করেছে৷ তার বাগান দেখে অনেকেই মাল্টা চাষের প্রস্তুতি নিচ্ছে।

গোসাইরহাট উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. শাহাবুদ্দিন বলেন, মাল্টা চাষ করে মো. শাহে আলম খাঁন সফল হয়েছেন। কৃষি বিভাগ সব সময় তাকে পরামর্শ দিয়ে থাকে। তার বাগানে গিয়ে দেখেছি মাল্টাগুলো পাকা শুরু হয়েছে। পরিপক্ক না হওয়া পর্যন্ত বাজারজাত না করতে৷

যাযাদি/ এস

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

উপরে