logo
মঙ্গলবার, ০৪ আগস্ট ২০২০, ২০ শ্রাবণ ১৪২৬

  যাযাদি ডেস্ক   ১৩ জুলাই ২০২০, ০০:০০  

এরদোয়ানের হুঙ্কার

আয়া সোফিয়া জাদুঘর মসজিদ হবেই, চাপে নড়ব না

আয়া সোফিয়া জাদুঘর মসজিদ হবেই, চাপে নড়ব না
আয়া সোফিয়া জাদুঘরের ভেতরে

অমুসলমান বিশ্বের ব্যাপক সমালোচনা সত্ত্বেও তুরস্কের ঐতিহাসিক 'আয়া সোফিয়া' জাদুঘরকে মসজিদ বানানোর সিদ্ধান্তে অটল দেশটির প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়ে্যপ এরদোয়ান। এ সিদ্ধান্তকে তিনি তুরস্কের 'সার্বভৌম অধিকারের ব্যবহার' বলে উলেস্নখ করেছেন। সংবাদসূত্র : আনাদোলু এজেন্সি, আল-জাজিরা শনিবার ভিডিও কনফারেন্সে একটি অনুষ্ঠানে যোগ দিয়ে তুরস্কের প্রেসিডেন্ট বলেন, 'যারা নিজ দেশে ইসলামোফোবিয়ার (মুসলমানদের ওপর ঘৃণা) বিরুদ্ধে পদক্ষেপ নেয় না, তারা তুরস্কের সার্বভৌম অধিকার ব্যবহারের ইচ্ছার ওপর আক্রমণ করছে।' এর আগে এক সংবাদ সম্মেলনে এরদোয়ান বলেছিলেন, ২৪ জুলাই মসজিদের ভেতর মুসলিস্নরা নামাজ আদায় করবেন। তিনি বলেন, 'আমাদের অন্য সব মসজিদের মতো স্থানীয় ও বিদেশ থেকে আগত মুসলমান ও অমুসলমানদের জন্য আয়া সোফিয়ার দরজা খোলা থাকবে।' প্রায় দেড় হাজার বছর আগে অর্থোডক্স খ্রিস্টানদের প্রধান গির্জা (ক্যাথেড্রাল) হিসেবে আয়া সোফিয়া প্রতিষ্ঠিত হয়। কয়েক শতাব্দী পর অটোমান শাসকরা এটিকে মসজিদে রূপান্তর করেন। ১৯৩৪ সালে এটিকে জাদুঘরে রূপান্তর করে তৎকালীন ধর্মনিরপেক্ষ তুর্কি সরকার। এছাড়া, আয়া সোফিয়াকে বিশ্ব ঐতিহ্য স্থাপনা ঘোষণা করেছে ইউনেস্কো। বহুদিন ধরেই বিখ্যাত এ স্থাপনাটিকে আবারও মসজিদে রূপান্তরের কথা বলছেন তুরস্কের প্রেসিডেন্ট এরদোয়ান। বছর দুয়েক আগে সেখানে পবিত্র কোরআন তেলাওয়াতও করেছিলেন তিনি। আয়া সোফিয়াকে জাদুঘরে রূপান্তর করার সিদ্ধান্ত সঠিক ছিল না বলে শুক্রবার রায় দিয়েছে তুরস্কের একটি আদালত। এর কিছুক্ষণ পরেই স্থাপনাটিকে আবারও মসজিদে রূপান্তরের ঘোষণা দেন এরদোয়ান। এর পরপরই অন্তত ৮৬ বছর পর ফের আজান দেয়া হয় আয়া সোফিয়ায়। এদিকে, ইস্তাম্বুলের আয়া সোফিয়াকে মসজিদে রূপান্তর করাকে উসকানিমূলক পদক্ষেপ মন্তব্য করে এর তীব্র নিন্দা জানিয়েছে গ্রিস, দুঃখপ্রকাশ করেছে ফ্রান্সও। এছাড়া যুক্তরাষ্ট্রও এ ঘোষণায় অসন্তোষ প্রকাশ করেছে। রাশিয়ার উপ-পররাষ্ট্রমন্ত্রী আলেকজান্ডার গ্রম্নশকো শুক্রবার বলেন, তুরস্কের এই সিদ্ধান্তের জন্য দুঃখ প্রকাশ করছে মস্কো। 'ওয়ার্ল্ড কাউন্সিল অব চার্চ' এরদোয়ানের কাছে লেখা এক চিঠিতে আয়া সোফিয়াকে মসজিদ বানানোর উদ্যোগে দুঃখ ও হতাশা প্রকাশ করেছে। তুরস্কের ইসলামপন্থিরা এই জাদুঘরকে মসজিদে রূপান্তরে অনেক দিন ধরে আহ্বান জানিয়ে আসছে। তবে ধর্মনিরপেক্ষরা এর বিরোধিতা করেছে।

  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত

সকল ফিচার

রঙ বেরঙ
উনিশ বিশ
জেজেডি ফ্রেন্ডস ফোরাম
নন্দিনী
আইন ও বিচার
ক্যাম্পাস
হাট্টি মা টিম টিম
তারার মেলা
সাহিত্য
সুস্বাস্থ্য
কৃষি ও সম্ভাবনা
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি
close

উপরে