উখিয়ার রোহিঙ্গা ক্যাম্পে ঘটছে একের পর এক হত্যাকান্ড

উখিয়ার রোহিঙ্গা ক্যাম্পে ঘটছে একের পর এক হত্যাকান্ড

কক্সবাজারের উখিয়ার বিভিন্ন রোহিঙ্গা ক্যাম্পে প্রতি রাতেই নৃশংস হত্যাকান্ডের ঘটনা ঘটছে। গত জুলাই থেকে প্রায় তিন মাসে রোহিঙ্গা ক্যাম্পে তিন মাঝিসহ অন্তত ১১ জন হত্যাকান্ডের শিকার হয়েছেন। এর মধ্যে পাঁচজন ছিলেন ভলান্টিয়ার। খুন, গুম অপহরণ ও চাঁদাবাজির ঘটনায় আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির চরম অবনতির আশঙ্কা দেখা দিয়েছে বলে মনে করেন স্থানীয় সচেতন বাসিন্দারা।

এদিকে, বৃহস্পতিবার ভোরে আরও একটি সিরিজ হত্যাকান্ড ঘটেছে। কুতুপালং রোহিঙ্গা ক্যাম্পে মো. এরশাদ (৩০) নামে এক রোহিঙ্গাকে কুপিয়ে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা। নিহত যুবক এক্সটেনশন ক্যাম্প-৪ এইচ বস্নকের বাসিন্দা।

বিষয়টি নিশ্চিত করে ১৪-এপিবিএনের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মাসুদ আনোয়ার জানান, ক্যাম্পে এরশাদ নামে এক ব্যক্তিকে কুপিয়ে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা। এই হত্যাকান্ডের কারণ খোঁজা হচ্ছে। ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের গ্রেপ্তারের অভিযান চলছে।

এদিকে, মঙ্গলবার রাতে উখিয়ার বালুখালী ১৮ নম্বর ময়নার ঘোনা রোহিঙ্গা ক্যাম্পে রাতের বেলায় পাহারায় নিয়োজিত থাকা সাবেক মাঝি মো. জাফারকে (৩৫) কুপিয়ে হত্যা করে দুর্বৃত্তরা।

গত ২৮ সেপ্টেম্বর বালুখালী ৮ নম্বর রোহিঙ্গা ক্যাম্পে জুবায়ের নামের এক রোহিঙ্গা যুবককে কুপিয়ে হত্যা করা হয়। নিহত যুবক বি ৫১ সাব বস্নকে বসবাসরত উজির আলীর পুত্র। রোহিঙ্গা ক্যাম্পে একের পর এক হামলা ও হত্যাকান্ড ঘটাচ্ছে বিদ্রোহী রোহিঙ্গা গ্রম্নপগুলো। পাশাপাশি মাঝি ও

ভলান্টিয়ারের মাধ্যমে রাতে পাহারার পদ্ধতি অকার্যকর করার চেষ্টা করছে বলে মনে করছেন দায়িত্বে থাকা এপিবিএন পুলিশ।

পালংখালী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান এম গফুর উদ্দিন চৌধুরী জানান, ইয়াবা ব্যবসা, স্বর্ণ পাচার ও অস্ত্র ও আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে রোহিঙ্গা সশস্ত্র দুর্বৃত্তরা কয়েকটি গ্রম্নপ হয়ে হত্যাকান্ডের মিশনে নেমেছে।

দায়িত্বে নিয়োজিত থাকা ৮ আর্মড ব্যাটালিয়ন পুলিশের সহকারী পুলিশ সুপার ফারুক আহমদ জানান, আইনশৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণে রোহিঙ্গা ক্যাম্পে পুলিশের টহল জোরদার করা হয়েছে।

  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত

আরও খবর

Copyright JaiJaiDin ©2022

Design and developed by Orangebd


উপরে