বৃহস্পতিবার, ০১ ডিসেম্বর ২০২২, ১৬ অগ্রহায়ণ ১৪২৯

ঘন ঘন বিদু্যৎ বিভ্রাটে অতিষ্ঠ ফটিকছড়ির মানুষ

ম ফটিকছড়ি (চট্টগ্রাম) প্রতিনিধি
  ০১ অক্টোবর ২০২২, ০০:০০
চট্টগ্রাম ফটিকছড়ির বিভিন্ন স্থানে ঘন ঘন বিদু্যৎ বিভ্রাটের অভিযোগ উঠেছে। কিছুদিন ঠিক থাকার পর আবারও তীব্র বিদু্যৎ-বিভ্রাট (লোডশেডিং) শুরু হয়েছে। তিন থেকে চার দিন ধরে এ সমস্যা প্রকট আকার ধারণ করেছে। দিন-রাত মিলে ঘণ্টার পর ঘণ্টা ফটিকছড়ির বিভিন্ন এলাকায় বিদু্যৎ সরবরাহ বন্ধ থাকে। দিনে বা রাতে বিদু্যৎ গেলে আসে কয়েক ঘণ্টা পরে। আবার এমনও দেখা গেছে, রাত ১২টায় বিদু্যৎ গেলে আসে ভোররাত ৪টার দিকে। কোনো কোনো এলাকায় বিদু্যৎ আসা-যাওয়ার মধ্যেই থাকছে। ফলে গরমে অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছে জনজীবন। বিদু্যৎ না থাকায় পড়ালেখার ক্ষতি হচ্ছে এসএসসি পরীক্ষার্থীদের। বিপাকে পড়েছেন ছোট বাচ্চা, বয়স্করাসহ সব বয়সের মানুষ। পলস্নী বিদু্যৎ সমিতির দাবি, হঠাৎ করে বিদু্যতের উৎপাদন কমে যাওয়ায় ফটিকছড়িতে আবারও লোডশেডিং শুরু হয়েছে। ফটিকছড়িতে চাহিদার তুলনায় অর্ধেক বিদু্যৎ সরবরাহ হচ্ছে। খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, তিন থেকে চার দিন ধরে উপজেলার ফটিকছড়ি পৌরসভা, পাইন্দং, হারুয়ালছড়ি, ভূজপুর, দাঁতমারা, সুন্দরপুর, নারায়ণহাটসহ বিভিন্ন এলাকায় বিদু্যৎ থাকছে না। বিবিরহাট বাজারের ব্যবসায়ী রাশেদ জানান, 'বিদু্যতের যে সমস্যা শুরু হয়েছে তা বলার ভাষা রাখে না। আমার ছোট বাচ্চাটাও অসুস্থ হয়ে গেছে। বিদু্যৎ গেলে আর আসার খবর থাকে না। বিদু্যৎ-বিভ্রাটের বিষয়ে জানতে চাইলে ফটিকছড়ি জোনাল অফিসের ডিজিএম মো. আব্দুস সালাম জানান, লোডশেডিং সমস্যা নিয়ে বিপাকে আছি। কিছুদিন বিদু্যতের সরবরাহ ভালো থাকলেও এখন আবারও লোডশেডিং শুরু হয়েছে। ফটিকছড়ি জোনাল অফিসের আওতায় ২০ মেগাওয়াট বিদু্যতের প্রয়োজন। তবে বিদু্যৎ পাওয়া যায় মাত্র ১০ মেগাওয়াটের মতো। এছাড়াও পুরো ফটিকছড়িতে ৩৮ থেকে ৪০ মেগাওয়াট বিদু্যৎ প্রয়োজন পড়লেও অনেক সময় তার অর্ধেকও পাওয়া যায় না। সরবরাহ ভালো পেলে বা শীতকাল আসলে এ বিভ্রাট কমতে পারে বলে জানান তিনি।
  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

উপরে