বৃহস্পতিবার, ০২ ফেব্রুয়ারি ২০২৩, ১৯ মাঘ ১৪২৯
walton1

লোহাগড়ায় স্কুল ছাত্রীকে ধর্ষণ, দুইজন আটক

ম লোহাগড়া (নড়াইল) প্রতিনিধি
  ২৮ অক্টোবর ২০২২, ০০:০০
লোহাগড়ায় অষ্টম শ্রেণির এক স্কুলছাত্রীকে জোর করে ধর্ষণের অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ ঘটনায় ধর্ষণের মূল হোতাসহ দুইজনকে আটক করেছে পুলিশ। বুধবার রাতে উপজেলার জয়পুর ইউনিয়নে এ ঘটনা ঘটে। ভুক্তভোগী স্কুলছাত্রী বর্তমানে নড়াইল সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। আটকরা হলেন উপজেলার জয়পুর ইউনিয়নের বেলটিয়া গ্রামের সাফায়েত মোল্যার ছেলে রিফাত মোল্যা (১৯) ও কুবাদ মোল্যার ছেলে হাবিবুর রহমান (১৮)। জানা গেছে, বুধবার রাত ১০টার দিকে ওই ছাত্রী চাচার বাড়িতে চাচাতো ভাইকে এগিয়ে দিতে যায়। ফেরার পথে পাশের বেলটিয়া গ্রামের রিফাত ও হাবিবুর তাকে জোর করে পাশের বাগানে নিয়ে যায়। এ সময় হাবিবুরের সহযোগিতায় রিফাত তাকে ধর্ষণ করে। মেয়েটির চিৎকারে গ্রামবাসী এগিয়ে এলে রিফাত পালিয়ে যায়। এ সময় জনতা হাবিবুরকে আটক করে পুলিশে দেয়। পরে রাতেই অভিযান চালিয়ে মূলহোতা রিফাতকে আটক করে পুলিশ। লোহাগড়া থানার ওসি নাসির উদ্দিন বলেন, ভুক্তভোগী বর্তমানে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে। সে সুস্থ হলেই আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এদিকে লালপুর (নাটোর) প্রতিনিধি জানান, নাটোরের লালপুর ডিগ্রি কলেজের ইংরেজি বিভাগের প্রভাষক আমিনুল ইসলামের (৩৫) বিরুদ্ধে এক স্কুলছাত্রীকে (১২) জোরপূর্বক শ্লীলতাহানির অভিযোগ উঠেছে। এ বিষয়ে ভুক্তভোগী ছাত্রীর বাবা বুধবার লালপুর থানায় একটি অভিযোগ করেছেন। অভিযোগ থেকে জানা যায়, ষষ্ঠ শ্রেণির ওই ছাত্রী ইংরেজি প্রভাষক আমিনুল ইসলামের কাছে প্রাইভেট পড়ে। গত বৃহস্পতিবার প্রাইভেট পড়ানো শেষে অন্য ছাত্রীদের ছুটি দিয়ে ওই ছাত্রীর সঙ্গে জোরপূর্বক অনৈতিক সম্পর্ক করার চেষ্টা করেন ওই শিক্ষক। পরে ছাত্রী পালিয়ে আসে। এর পর দুই দিন প্রাইভেট পড়তে যায়নি। তার মা প্রাইভেট পড়তে না যাওয়ার কারণ জানতে চাইলে সে ঘটে যাওয়া ঘটনা মাকে বলে। পরে ছাত্রীর বাবা বাদী হয়ে বুধবার বিকালে লালপুর থানায় লিখিত অভিযোগ দেন। লালপুর থানার ওসি মোনোয়ারুজ্জামান বলেন, এ বিষয়ে একটি অভিযোগ পাওয়া গেছে। তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

উপরে