বৃহস্পতিবার, ০২ ফেব্রুয়ারি ২০২৩, ১৯ মাঘ ১৪২৯
walton1

মাদারীপুরে আদালত প্রাঙ্গণে ব্যতিক্রমী বিয়ে

ম স্টাফ রিপোর্টার, মাদারীপুর
  ০২ নভেম্বর ২০২২, ০০:০০
মাদারীপুর চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মামুনুর রশিদের উদ্যোগে সোমবার রাতে জেলা জজ আদালত প্রাঙ্গণে এক ব্যতিক্রমী বিয়ের আয়োজন করা হয়েছে। এ সময় উপস্থিত ছিলেন মাদারীপুরের সিনিয়র জেলা ও দায়রা জজ মো. ইসমাইল হোসেন, নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইবু্যনাল এর বিচারক জেলা ও দায়রা জজ মো. রফিকুল ইসলাম, চিফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মামুনুর রশিদ, জেলা প্রশাসক ড. রহিমা খাতুন, পুলিশ সুপার মো. মাসুদ আলম, পাবলিক প্রসিকিউটর মো. সিদ্দিকুর রহমান সিংসহ জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক, চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের ম্যাজিস্ট্রেট, আইনজীবীসহ সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীরা। জানা গেছে, তিন বছর আগে সদর উপজেলার ঘটমাঝি ইউনিয়নের খাগদী এলাকার কুদ্দুস সরদারের ছেলে মিলন সরদারের সঙ্গে কেন্দুয়া ইউনিয়নের ঘটকচর এলাকার শওকত আলীর মেয়ে সুমি আক্তারের বিয়ে হয়। তাদের সংসারে একটি পুত্র সন্তান জন্ম নেয়। বিয়ের কয়েকমাস পর থেকেই মিলন ও সুমির পরিবারের মধ্যে কলহ বাধতে থাকে। পরবর্তীতে সুমি আক্তার বাদী হয়ে মাদারীপুর আদালতে স্বামী মিলনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেন। এ সময় মিলন রাগ হয়ে সুমিকে তালাক দেন। সুমির দায়ের করা মামলাটি সাক্ষীর জন্য দিন ধার্য ছিল বৃহস্পতিবার। ওই দিন চিফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে সাক্ষ্য গ্রহণকালে ছোট একটি শিশু এজলাসের ভেতরে দৌড়াদৌড়ি করছিল। চিফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট ছেলেটির পরিচয় জানতে চাইলে সংশ্লিষ্ট পক্ষদ্বয় জানান মামলার আসামি ও বাদীর ছেলে। এরপর তিনি মামলার বাদী এবং আসামিকে সন্তানের কথা বিবেচনা করে সংসার করার পরামর্শ দেন। পরামর্শ অনুযায়ী বাদী, বিবাদী ও উভয়ের পরিবার আপস নিষ্পত্তির বিষয়ে আলোচনার মাধ্যমে নিজেদের ভুল সংশোধন করে পুনরায় সংসার করবেন মর্মে আদালতকে অঙ্গীকারনামা দেন। উভয় পরিবারের সম্মতির ফলে বৃহস্পতিবার রাতে পুনরায় নতুন কাবিন মূলে পাঁচ লাখ টাকা দেনমহরে মিলন ও সুমির বিয়ে হয়। মাদারীপুর চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মামুনুর রশিদ বলেন, 'ভেঙে যাওয়া একটি সংসার পুনরায় একত্রিত করতে পেরে আমি খুবই আনন্দিত।'
  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

উপরে