সংবাদ সংক্ষেপ

সংবাদ সংক্ষেপ

সুনামগঞ্জে ছুরিকাঘাতে

যুবক নিহত

যাযাদি ডেস্ক

সুনামগঞ্জের দক্ষিণ সুনামগঞ্জ উপজেলায় পারিবারিক কলহের জের ধরে ছুরিকাঘাতে দীপু বিশ্বাস (৩৫) নিহত হয়েছেন। বৃহস্পতিবার রাতে উপজেলার জয়কলস ইউনিয়নের জয়কলস গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। তিনি উপজেলার জয়কলস ইউনিয়নের জয়কলস গ্রামের বাসিন্দা। এ ঘটনায় রণ বিশ্বাস (৪৫) নামে একজনকে আটক করেছে পুলিশ।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, দীপু বিশ্বাস একই গ্রামের প্রতিবেশী রণ বিশ্বাসের চাচাতো বোনের স্বামী। বিয়ের পর থেকে দীপু যৌতুকের দাবিতে বিভিন্নভাবে তার স্ত্রীকে নির্যাতন করতেন। এ নিয়ে দুই পরিবারের মধ্যে বিবাদ চলছিল। বৃহস্পতিবার রাত ১০টার দিকে দীপু বিশ্বাস তার স্ত্রীকে মারধর করেন। এ সময় রণ বিশ্বাস সেখানে গেলে দুজনের মধ্যে ঝগড়া শুরু হয়। একপর্যায়ে দীপুকে ছুরিকাঘাত করেন রণ বিশ্বাস। এতে তিনি গুরুতর আহত হন। পরে তাকে সুনামগঞ্জ সদর হাসপাতালে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

দক্ষিণ সুনামগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কাজী মুক্তাদীর হোসেন বলেন, 'পারিবারিক কলহের জের ধরে এ ঘটনা ঘটেছে। পুলিশ রণ বিশ্বাসকে আটক করেছে।'

মুক্তাগাছায় মসজিদের পাশে মিলল শিশুর লাশ

যাযাদি ডেস্ক

ময়মনসিংহের মুক্তাগাছায় একটি মসজিদসংলগ্ন এলাকা থেকে পাঁচ বছর বয়সী সূচি নামে এক মেয়েশিশুর লাশ উদ্ধার করেছে থানা পুলিশ। এ ঘটনায় শুক্রবার বিকালে শিশুটির বাবা বাদী হয়ে স্ত্রীর নামে থানায় অভিযোগ করেছেন।

বৃহস্পতিবার রাত পৌনে ৯টার দিকে শহরের পাড়াটঙ্গী (শান্তির মোড়) এলাকায় রহিমাতুল জামে মসজিদের পাশে লাশ দেখতে পেয়ে পুলিশকে খবর দেয় এলাকাবাসী। পরে পুলিশ এসে শিশুর লাশ উদ্ধার করে। স্থানীয়দের ধারণা, হত্যার পর তোয়ালে পেঁচিয়ে শিশুটির লাশ ফেলে রাখা হয়।

জামালপুর জেলার ঘোড়াদাপ ইউনিয়নের চেয়ারম্যান বিন আমিন জানান, মুক্তাগাছা থানার ওসির ফেসবুক ওয়ালে শিশুটির লাশ দেখতে পেয়ে শুক্রবার বিকালে জামালপুর জেলার ঘোড়াদাপ ইউনিয়নের বাসিন্দা সাইফুল ইসলাম নিজের মেয়ে বলে শনাক্ত করেন। এ ঘটনায় সাইফুল তার প্রথম পক্ষের স্ত্রী চামেলীকে অভিযুক্ত করে মুক্তাগাছা থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করেন।

মুক্তাগাছা থানার ওসি দুলাল আকন্দ জানান, অভিযোগ পাওয়া গেছে। তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।

বান্দরবানে ভলস্নুকের

আক্রমণে আহত ৩

বান্দরবান প্রতিনিধি

বান্দরবানের চিম্বুকে জুমের কাজ করতে গিয়ে ভলস্নুকের হামলার শিকার হয়ে আহত হয়েছে পাড়া কারবারিসহ ৩ জন। পরে সেনাবাহিনী তাদের উদ্ধার করে উন্নত চিকিৎসার জন্য

হেলিকপ্টারেগ চট্টগ্রাম সিএমএইচ হাসপাতালে নিয়ে যায়।

আহতরা হলেন- পাড়া কারবারি ও য়্যংওয়াই ম্রো, পিং রিংরাও ম্রো ও মাংলিও ম্রো (১০)। তাদের বাড়ি বান্দরবানের চিম্বুক পাড়ায়।

শুক্রবার সকালে টংকাবতী ইউনিয়নের চিম্বুক পাড়ার ১৮ মাইল নামক স্থানে ঘটনাটি ঘটে।

সেনা সূত্রে জানা যায়, কাজের তাগিদে পাড়া কারবারি ও য়্যংওয়াই ম্রো, রিংরাও ম্রো ও মাংলিও ম্রো (১০) জুম চাষের জন্য গেলে সেখানে তাদের উপর ভলস্নুক হামলা চালায়। এ সময় ভলস্নুকটি পিংরিংরাও ম্রোর চোখসহ মুখের একাংশ উপড়ে ফেলে। পরে আশঙ্কাজনক অবস্থায় আহতদের প্রথমে বান্দরবান সদর হাসপাতালে নিয়ে আসা হয়। অবস্থার অবনতি হওয়ায় চিকিৎসক উন্নত চিকিৎসার জন্য তাদের চট্টগ্রামে রেফার করে। কিন্তু আর্থিক সংকটের কারণে সেনাবাহিনীর কাছে শরণাপন্ন হলে বান্দরবান ৬৯ পদাতিক ব্রিগেডের ব্রিগেড কমান্ডার জিয়াউল হকের নির্দেশক্রমে বান্দরবান ৭ ফিল্ড অ্যাম্বুলেন্স প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে হেলিযোগে চট্টগ্রামে পাঠানো হয়।

  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত

আরও খবর

Copyright JaiJaiDin ©2021

Design and developed by Orangebd


উপরে